The first 200 lines.
সাবটাইটেলটি উৎসর্গ করছি, সারা বিশ্বব্যাপী করেনা ভাইরাসের সংক্রমণে প্রাণ হারানো অসহায় মানুষদের। তাদের আত্মার শান্তি কামনা করে শুরু করছি.....
আমরা আজ তোকে একটা গল্প বলবো।
প্রতিশোধ আর প্রতিহিংসায় পূর্ণ একটি গল্প।
একটি প্রতিশোধ যা আমাদের বছরের পর বছর তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে।
এটাই ছিলো প্রথম খুনের জায়গা যেখানে আমরা আমাদের শত্রুকে নিয়ে এসেছিলাম...
শেষ দশ মিনিট...
ওই...
-আর ২ মিনিট দে... -ওই!
আর একটা স্লিপ লেখা বাকি আছে।
কে ওখানে?
চৌধুরী, ব্যাগটা দে...
ভালো লাগছে? চলবে এরকম?
শার্টটা ইন কর।
নাহ, এরকম ভালো লাগছে না। বের করে ফেল...
কোনো কবিতা লিখেছিস?
তাহলে কীভাবে বলবি তাকে?
- আমি তোমাকে ভালোবাসি! - এটুকুই?
চলবে এভাবে। যা...
গোলাপটা তো নে...
কি অবস্থা?
এফএম শুনছি...
বিএফ?
- গাধাইয়া, টাকা কাটবে এটা। - তুই দিবি নাকি টাকাগুলা?
রাজু এখানে কি করছে?
ওই!
এদিকে আয়...
যা..
বল তাকে...
- তোরে... - সে চলে যাচ্ছে তো..
থামা তাকে।
রাণী...
কুত্তা...দাঁড়া তোরা।
প্রথম চেষ্টা ব্যর্থ হলো।
তারপরের দিন আমরা দ্বিতীয়বার চেষ্টা করতে গেলাম।
শার্ট আর প্যান্ট সবই তো ঠিক আছে...
এমনকি জাঙ্গিয়াটাও ঠিক আছে। শুধু তুই-ই ঠিক নাই।
আমাদের পরীক্ষা নেয়া শেষ।
এবার যদি তাকে যেতে দিস... তাহলে তুই তাকে আর কখনো পাবি না। বুঝেছিস?
এটা ধর।
- কি বলবি তুই - আমি তোমাকে ভালোবাসি!
- কি বলবি? - আমি তোমাকে ভালোবাসি!
- কি বলবি??? - আমি তোমাকে...
- গিয়ে তাকে বল। - আচ্ছা।
- তার বাবা ছিলো তার সাথে। - তাই?
চল ধরলাম এটাও একটা কারণ.....
চুপ থাক! একটা মেয়েকে প্রপোজ করা এত সহজ না।
আগে তুই চুপ থাক।
এদিকে দে।
এখানে একটা মেয়ে থাকলে, আমিই তোকে দেখাতাম কিভাবে প্রপোজ করতে হয়।
তাই নাকি? স্যার, আপনার কোন ধরনের মেয়ে পছন্দ?
কোনো ধরন-টরন না। একটা হইলেই হলো।
- তাহলে ওদিকে একবার দেখ। - না!
দাঁড়া! দাঁড়া! দাঁড়া চেটা!
ওটা চেটা না। স্বোয়েতা...
ওই হইলো। চৌধুরী তোকে কিছু বলতে চায়। দাঁড়া ওকে নিয়ে আসি।
- আসো সোনা। - ছাড় না।
- আয়, চল না! - না!
- চল - আমি ওকে প্রপোজ করবো না।
আয় না।
বল তাকে। বল না...
- আমি ওকে প্রপোজ করবো না। - বল তাকে...
কি এসব?
- আমি... - আমি তোমাকে ভালোবাসি?
- হ্যাঁ - সর...
দুঃখিত ভ্রাতা। আমি এসব পছন্দ করি না।
কারণ আমি রাজাকে পছন্দ করি।
ধুরু, তারা দুইজন আমাকে জোর করেছে তোকে প্রপোজ করার জন্য।
দয়া করে তোর বাবাকে বলিস না।
ওই! আমার জন্য তো দাঁড়া।
ওঠ।
এই নে তোর ব্যাগ।
সিট নং হলো এস৯ খুঁজে দেখ....
যাত্রা শুভ হোক। আমি আসবো তোকে দেখতে, ঠিক আছে?
সাবধানে থাকিস!
'
'রা
'রাজা
'রাজা ভা
'রাজা ভারু
'রাজা ভারু রা
'রাজা ভারু রাণী
'রাজা ভারু রাণী গা
'রাজা ভারু রাণী গারু
'রাজা ভারু রাণী গারু'
অনুবাদকঃ অনিক কুমার নাথ এটি আমার ৩য় একক বাংলা সাবটাইটেল।চেষ্টা করেছি মানসম্মত সাব তৈরির করার। আশা করি ভালো লাগবে। ভালো লাগলে ভালো রেটিং দিতে ভুলবেন না যেন।।
উপভোগ অসাধারণ মজার এই গানটি...❤❤❤
ওরে ঈশ্বর! মানুষ আমাদের গানটা ভালোবেসেছে আর উপহারস্বরুপ টাকা দিয়ে উৎসাহিত করছে।
ভগবান তার আর তার পরিবারের মঙ্গল করুক।
চলো আমরা আমাদের গল্পে আবার ফিরে যাই...
প্রেম....পত্র....
আমার প্রিয়....
- রাণী... - না না না... আমার কথাটা কাট...
প্রিয় রাণী....
আমি তোমাকে পছন্দ করি।
- আমি... - তোমাকে পছন্দ করি।
- অনেক বেশি... - হ্যাঁ
আমি তোমাকে অনেক পছন্দ করি। এটাই লেখ...
- আমি তোমাকে অনেক পছন্দ করি... - অনেক...
পছন্দ মানে?
আমি পছন্দ শব্দের অর্থ না জেনেই তো তাকে পছন্দ করেছিলাম, তাই না?
আমিও কি সেটাই লিখবো?
না!
তুমি অনেক ভালো ছাত্রী!
আর সবার একজন ভালো বন্ধুও।
সাথে একটি ঐশ্বরিক হাসি!
আর?
তোমার কপালের ওই ছোট্ট টিপের সাথে...
মোহময় টানা চোখগুলো যেন এক আকর্ষণ তৈরি করে...
তোমার দুটো বেণী পাকানো চুলগুলোতে...
কি যে সুন্দর লাগছে! মনে হয় যেন একটি পুতুল দেখছি।
হ্যাঁ, সে দেখতে পুতুলেরই মতো। তারপর কি?
তোমাকে কিছু না জানিয়ে, তোমাকে এতটা পছন্দ করা ঠিক না...
কিন্তু আমি তোমাকে এসব বলতে খুবই ভয় পাই।
খুবই ভয় পাই...
আমি জানিনা কেন...
আমি জানিনা তুমি পছন্দ করবে কিনা...
তাই সামনাসামনি আমি এসব না বলে, তোমাকে এই চিঠিতেই সব বলছি।
তোমার রাজা...
রাজা...
তোর ভয় পাওয়ার মধ্যে কোনো ভুল নাই।
যদি এভাবে চিঠি লিখিস তাহলে কোনো মেয়েই তোর প্রেমে পড়বে না। মেয়েরা ভালোবাসে কবিতা...
প্রিয়.... বুলবুলিও চুপ হয়ে যায় যখন তোমার স্বর সে শুনতে পায়!
তোমার চলন দেখে, ময়ূরও থমকে যায়।
তোমার ঠোঁটের ওই হাসির মতো... তোমার পায়ের নিচে ফুলের মতো....
...আমি বেঁচে থাকতে চাই। মেয়েরা এসব মধুমাখা প্রশংসা ছাড়া তোমারে গুনবেও না।
চুপ থাক!
সে গ্রাম ছেড়ে চলে গেল।
এত চিন্তার কিছু নেই....
রাণী অবশ্যই আবার ফিরে আসবে।
আর রাজা তার ভালোবাসা প্রকাশ করতে পারবে।
এতে কোনো সন্দেহ নেই।
সে এবার অবশ্যই আসবে। আর আমিও তাকে প্রপোজ করবো।
হ্যাঁ, আসবে সে...
- কি বললি? - ধুর!
- এ? - বি
সি
দেখ, ভাই...
কোনো সত্যিকার প্রেমিক, প্রেমিকা কখন আসবে সে আশায় বসে থাকে না।
সে তাকে খুঁজতে বের হয়ে যায়।
শত্রুটা গ্রাম ছেড়ে চলে গেল।
কিন্তু আমাদের তো তাকে যেকোনোভাবেই হোক দরকার।
কে নিয়ে যাবে তার কাছে?
কে নিবে???
সে সবসময় দেরী করে।
কি, স্যার? কোথায় যাচ্ছেন?
এ'দিকেই... আসছি আমি।
- কোথায় যাচ্ছিস? - এদিকেই
- এই যে তোমরা... এদিকে আসো - তাঁর কথা শুনিস না। চল যাই।
চুপ থাকা, গাধা। তোমরা এদিকে আসো।
তোমরা পরীক্ষায় পাস করেছো?
দুইজনেই?
সত্যি?
তাহলে এই হতভাগার কি হয়েছে?
সেও তো পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছিলো, তাই না?
আমি কি বাকি ৩ টা তে প্রস্তুতি ছাড়াই পাশ করেছি নাকি?
চুপ কর, গর্ধভ কোথাকার!
যদি রাষ্ট্রপতির ছেলেই ফেল করে, তাহলে কেমন লাগে এটা?
এখানে আবার রাষ্ট্রপতি কে?
সেই তো যে প্রতিযোগীতায় জিততে পারে। যে হেরে যায় সে নয়।
হেই...একটা মরা হাতি একটা জীবিত হাতির সমান দামী। জানিস না সেটা?
তোকে কি দিইনি বল?
আমি তাকে তোমাদের সাথে একই কলেজে ভর্তি করিয়েছি, তাই না?
তোমরা যেই বই পড় তাই কিনে দিয়েছি ওকে।
কিন্তু তোমরা পরীক্ষায় পাস করে গেলে। এই হতভাগার তাহলে কি হলো?
এই বছর আমরা কত বস্তা ফসল পেয়েছি?
৩৬
পাশের জমির সাত্তিবাবু কতগুলো পেয়েছে?
৪৭ বা ৪৮
- সে তো একই সার ব্যবহার করেছিলো, তাই না? - হ্যাঁ
- সেও কি একই কীটনাশক ব্যবহার করেছিলো? - হ্যাঁ
তাহলে তার অতিরিক্ত ফলনের কারণ কি?
তুই কি প্রমাণ করতে চাইছিস?
ওটা বীজ! বীজের মধ্যেই আসল সমস্যা।
- চল - তুই!
কি...কি কথা বলছিস এসব তুই?
আমি তোকে বলছি... কি বললি এসব তুই?
এভাবে তুই তোর বাবার সাথে কথা বলছিস?
ওই দাঁড়ি আর মোছ উঠেছে বলে নিজেকে বড় কেউ ভাবছিস?
বড়দের সাথে কিভাবে কথা বলতে হয় সেটাই তো জানিস না তুই।
নিজের মুখটাও নিয়ন্ত্রণ করতে পারিস না। হতভাগা!
তাকে জন্ম দিয়ে যত্ন নিয়ে এত বড় করার জন্য, আজ সে একটা বড় উপহার দিলো আমাকে।
শয়তান কোথাকার!
এসব ওর মুখ থেকে শোনার পর আমি বেঁচে থাকি কি করে?
বল আমাকে...
আমি আর আমার এই মরার জীবন! তোমাদের খাবার তো পেয়েছো। খাও!
চায়নিজ ফোন!
ডাবল সিমের সাথে ডাবল স্পীকার।
আশেপাশের গ্রাম মিলিয়ে শুধু এই ফোনেই মেয়ের ভয়েসের অপশন আছে।
- এটার জন্য প্রতি মিনিটে ১০০/- দিতে হবে। - ১০০!
চুপ কর! ঠিক আছে...
সাবধান!
যদি এটার মধ্যে হালকা কোনো আঁচড়ও পাই, তাহলে তোদের সবগুলাকে শেষ করে দিবো।
তাড়াতাড়ি কর! আমি আছি এখানে।
- নাম্বার দেখা। - কি বলবো আমি?
- কিছু একটা বলবি আরকি - আমার ভয় লাগতেছে বেশি
আমাকে দে তো!
- তুই কথা বলবি? - আগে ভাবতে দে।
অপশনটা ঠিকমতো কাজ করছে কিনা চেক করে দেখি একবার।
- ঠিক, আমাকে একটা কল দে। - ঠিক আছে।
দে এখন।
No comments yet. Be the first to leave one.