Old Yeller

Old Yeller

Download Bengali Subtitle

Release info

Old Yeller 1957 720p BluRay X264-AMIABLE
Old Yeller 1957 1080p BluRay X264-AMIABLE
Old Yeller 1957 720p BluRay X264 YIFY
Old Yeller 1957 1080p BluRay X264 YIFY
Old Yeller 1957 720p BRRip X264 AC3-PLAYNOW
Old Yeller 1957 1080p BRRip X264 AC3-PLAYNOW
Old Yeller (1957) Bangla Subtitle
A Commentary by Maherab-Hossen
মার্কিন ঔপন্যাসিক ফ্রেড জিপসনের বিখ্যাত উপন্যাস Old Yeller এর গল্প অবলম্বনে নির্মিত এই চলচ্চিত্রটি উপভোগ করুন মাতৃভাষায়। রানটাইম ১:২৩:৪১ (ফ্রেমরেট ২৩.৯৭৬)। ডাউনলোড লিংক - https://pastehere.xyz/bDYPWXnR । এছাড়াও TXT ফাইলেও দেয়া আছে। বাংলা সাবটাইটেলটি ভালো

Tags

BluRay
x264
720p
720
brrip
AC3
1080
Published on: 2021-06-22
Downloads: 38
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 200 lines.

অ নু বা দ ক : মে হে রা ব হো সে ন

- বাবা আমাদের গরুগুলোকে বেচে দিচ্ছে কেন? - টাকার জন্য।

- টাকা কী? - এটা সেই জিনিস যেটা দিয়ে জিনিসপত্র কেনা যায়।

"জিনিসপত্র কেনা যায়" এর মানে কী?

দ্যাখ, টাকা থাকলে তুই এর বিনিময়ে অন্যের কাছ থেকে পণ্যদ্রব্য কিনতে পারবি।

মানুষ বলে টাকার বিনিময়ে যেকোনো জিনিস পাওয়া যায়।

যেকোনো জিনিস? টাকা দেখতে কিরকম?

এখন পর্যন্ত আমি শুধু একটাই দেখেছি,

বাবার কাছে একটা ডলার ছিল। দেখতে কাগজের মতো।

- ঐ ডলারের বিনিময়ে বাবা কী পেয়েছিলো? - কিছুই না। কোনো কাজেরই ছিল না।

কিন্তু তুই তো মাত্রই বললি যে টাকার বিনিময়ে নাকি যেকোনো জিনিস পাওয়া যায়।

হ্যাঁ, পাওয়া যায়। কিন্তু বাবার টাকাটা ছিল কনফেডারেট।

- কনফেডারেট টাকা আবার কী? - কনফেডারেট টাকা? (কনফেডারেট ডলার - আমেরিকার গৃহযুদ্ধের সময়ে কনফেডারেট স্টেটস অফ আমেরিকা কর্তৃক প্রকাশিত মুদ্রা, যা গৃহযুদ্ধের সময়ে এবং এর পূর্বে ব্যবহৃত হতো।)

ইয়ে মানে, এটা হলো...

- কী? - তুই এত প্রশ্ন করিস কেন?

আমি তোমাকে যেতে দিতে চাই না।

এই মুহূর্তে আমারও ঠিক তেমনটাই মনে হচ্ছে, কিন্তু...

আমি ওদের গরুর পালে আমাদের ১০০ টা গরু সঙ্গে নিয়ে যাচ্ছি,

কারণ ক্যান্সাসে, আমরা প্রতিটা গরুর বিনিময়ে ৪-৫ ডলার করে পেতে পারি।

- নগদ টাকাও পাওয়া যাবে। - জানি, কিন্তু...

দেখো কেটি, মন খারাপ করার কিছু নেই।

একবার ভেবে দেখো, আমরা কিন্তু যথেষ্ট সৌভাগ্যবান।

এখানে আমরা আছি, বাচ্চারা আছে, ভালো জমি আছে,

প্রচুর পানি আছে, আছে শিকার করার মতো জন্তু।

এই পৃথিবীর যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে হলে আমাদের নগদ অর্থের প্রয়োজন।

তুমি সত্যিই তিন মাসের আগে বাড়ি ফিরতে পারবে না?

তিন মাসের আগে পারবো না, চার মাসও লাগতে পারে।

দেখো সোনা, কান্না করার কোনো কারণই নেই।

কাঁদছি কারণ, এর আগে আমরা কখনো একে অপরের থেকে দূরে থাকিনি।

জানো ওদের কাছে গরুগুলো বেচে দেওয়ার পরে আমি কী করবো?

কী করবে?

দোকান থেকে তোমার জন্য একটা সুন্দর পোশাক কিনে আনবো।

টেক্সাসে আসার পর, তুমি একটাই পোশাক কিনেছিলে।

দাঁড়াও, তোমার মাপটা নিয়ে নেই।

এই মাপটা ঠিকঠাকমতো চলবে?

বাবা! আমিও তোমার সাথে যাবো!

তোর উচিত এখানে থেকে তোর মা-কে দেখাশোনা করা।

ধুরো, বাবা।

কিন্তু আমিও তোমার সাথে যেতে চাই। আমিও যাবো!

- আমিও যাবো! আমিও যাবো! - আর্লিস।

- একটু আমার সঙ্গে আয়, ট্রাভিস। - ঠিক আছে, বাবা।

আমিও যাবো! আমিও যাবো!

আমিও তোমার মতো গরু চরাতে পারি।

তুই যেতে পারবি না, বাছা। ঐ ইন্ডিয়ানগুলো তোর মাথার ছাল তুলে ফেলবে। (আমেরিকার আদি অধিবাসীদেরকে 'রেড ইন্ডিয়ান' বা 'ইন্ডিয়ান' নামে অভিহিত করা হয়)

- তোমার এমনটাই মনে হয়, বাবা? - আমি নিশ্চিত।

বিদায়, কেটি।

বিদায়, জিম।

দ্যাখ বাছা, আমার অনুপস্থিতিতে, তুই-ই হবি বাড়ির কর্তা।

জি, বাবা।

চিহ্নিত করার মতো শূকর থাকবে, থাকবে শিকার করার মতো জানোয়ার।

আর সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ কাজ, ফসলের ক্ষেতের যত্ন নিতে হবে।

ঠিকমতো দেখভাল করতে না পারলে, শীতকালে খাবারটাও জুটবে না।

এগুলো কিন্তু একজন পুরুষমানুষের দায়িত্ব।

যখন ওল্ড জাম্পার লাঙ্গলের সাথে বাঁধা থাকবে, তখন ওকে সামলাতে পারবি?

খুব পারবো, কথা না শুনলে লাঠি দিয়ে ওর চোয়ালের হাড় ফাটাবো।

বেশ, ঠিক আছে, পুত্র। এই মৌসুম শেষেই দেখা হবে।

- বাবা, তুমি ঘোড়ার কথা ভুলে যাচ্ছো না? - কীসের ঘোড়া?

বাবা, তুমি জানো যে আমি অনেকদিন ধরে একটা ঘোড়া কিনে দেয়ার জন্য ঘ্যানঘ্যান করছি।

আমি তোমার কাছে বহুবার আবদার করেছি।

তবে, ঘোড়ার চেয়ে তোর একটা ভালো কুকুরের দরকার।

হ্যাঁ, তবু এখন আমার একটা ভালো ঘোড়াই লাগবে বাবা।

ঠিক আছে, বাছা। তোর দায়িত্বগুলো পালন কর, তাহলে আমি তোকে একটা ঘোড়া কিনে দেবো।

কী, রাজি আছিস তো?

ওরে।

ওরে বাপরে!

দাঁড়া, জাম্পার! দাঁড়া!

থাম! থাম, জাম্পার!

ঐ খচ্চরের কাছ থেকে দূরে সরে যা!

ঐ খচ্চরটাকে ছেড়ে দে!

বাবা গেছেন একদিনও হলো না, অথচ এরই মধ্যে সব লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে।

- এতে তোর কোনো দোষ নেই। - হয়তো নেই, কিন্তু...

শালা, নিকৃষ্ট জানোয়ার কোথাকার! দাঁড়া বলছি!

একটা বিষয়ে আমি নিশ্চিত।

আমার হাতে বন্দুক থাকা অবস্থায় ঐ বুড়ো কুকুরটাকে যদি দেখতে পাই, তাহলে ওর খবর আছে।

- বেড়া ভেঙ্গে ফেললো কে? - তুই কই ছিলি?

ভালুক শিকারে গিয়েছিলাম। বেড়া ভেঙ্গে ফেললো কে?

- একটা বাজে বুড়ো কুকুর। - কুকুর? এখন ওটা কোথায়?

ওটাকে আর দেখতে পাবি না। আমি ঢিল ছুঁড়ে ওটাকে ভাগিয়েছি।

কিন্তু আমার একটা ভালো শিকারী কুকুর দরকার।

আর্লিস, খাবার ঠান্ডা হওয়ার আগেই হাতমুখ ধুয়ে আসো।

- ধুরো, মা। - যাও!

- ঐ পকেটে কী আছে? - কিচ্ছু না।

- দেখি তো এবারে কী রেখেছিস। - ধ্যাত, মা।

জলদি করো।

ওহ, আর্লিস! তুই এসব কুৎসিত জিনিস ধরিস কেন?

এগুলো মোটেও কুৎসিত নয়।

দেখো একবার, এর পেটটা কত্তো নরম, মসৃণ আর সুন্দর।

জানি। তুই যা-ই ধরিস সবই সুন্দর। কিন্তু এখন এটাকে বাইরে ফেলে আয়।

তুই একে বাড়িতে রাখতে পারবি না।

মানে এটাকে ফেলে দিতে হবে?

শুধু এটাই নয়, পকেটে আর যা কিছু আছে সবই ফেলে দিতে হবে।

এই ব্যাঙটাকেও?

আর্লিস, তোর পকেটে আর কী কী আছে?

আরে মা, ওটা শুধু একটা ছোট্ট গার্টার সাপ। (গার্টার - এক জাতের সাপ, ছোট থেকে মাঝারি সাইজের হয়ে থাকে, সাধারণত এগুলো বিষাক্ত হয় না।)

আমি পরোয়া করি না। ওটাকে বাইরে ফেলে দে!

আর্লিস, যদি তুই আজেবাজে জিনিস ধরা আর ওগুলোকে বাড়িতে নিয়ে আসা বন্ধ না করিস,

তাহলে আমি তোকে আচ্ছামতো পেটাবো।

আর খবরদার, কক্ষনো সাপ ধরবি না।

- বুঝলি? - হ্যাঁ।

এখন, বাইরে যেয়ে হাতমুখ ধুয়ে আয়।

ছোট গার্টার সাপ তো কোনো ক্ষতি করে না।

একবার সে এক জাতের সাপ ধরেছে, পরেরবার সে আরেকটা ধরবে।

পরেরবার হয়তো সে কোনো র‌্যাটলার সাপ ধরবে।

ওর কাছে ওল্ড বেলের মতো একটা কুকুর থাকলে খুব ভালো হতো।

যখন তুই ছোট ছিলি, ওল্ড বেল তোকে বিপজ্জনক কোনো কিছুর আশেপাশেও ঘেঁষতে দিতো না।

ওল্ড বেলের মতো ভালো কুকুর আর দ্বিতীয়টা হয় না।

ঐ বুড়ো কুকুরটাকে দিয়ে নিশ্চয়ই কোনোমতে কাজ চালানো যেতো।

মা।

আমি ভাবছিলাম।

তোর বাবাকে নিয়ে। মনে হয় এতক্ষণে সে সকালের নাস্তা সেরে ফেলেছে।

হয়তোবা সে খুব সকালে যাত্রা শুরু করতে চেয়েছে।

কে জানে গতকাল ওরা কতটুকু পথ পাড়ি দিয়েছে।

আমিও জানি না। বাবা বলে যে জন্তুজানোয়ার নিয়ে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১৫ মাইল পথ পাড়ি দেয়া যায়।

আমার ধারণা উনি হয়তো ১০ মাইলের মতো পথ পেরোতে পেরেছেন।

জাউ প্রায় তৈরি হয়ে গেছে, সাথে শূকরের মাংস খেতে চাইলে,

বাইরে ঝোলানো মাংস থেকে কিছুটা কেটে আন।

আচ্ছা।

মা, শূকরের মাংস কই?

হারামজাদা, কত্ত বড় সাহস! তুই মাংস চুরি করেছিস!

ভাগ এখান থেকে!

কুকুর!

দাঁড়া, তোকে দেখাচ্ছি মজা!

আমার কুকুরকে মেরে দ্যাখ, তারপর দেখিস আমি তোর কী করি।

ট্রাভিস, আর্লিস, তোমরা ওখানে কী করছো?

- আমার লাঠি ছাড়! - আর্লিস! আর্লিস।

খবরদার, বড় ভাইয়ের গায়ে হাত তুলতে নেই।

সে আমার কুকুরকে মারতে যাচ্ছিলো।

সে তোর কুকুর না, আর আমি ওকে একবারও ছুঁইনি।

এ আবার কোথা থেকে এলো?

এটা সেই কুকুরটাই যেটা ঐদিন বেড়া ভেঙ্গে ফেলেছিলো।

আজ শূকরের মাংসের বড় অংশটাও চুরি করে খেয়ে ফেলেছে!

এটা আমার কুকুর। কেউ যেন ওর গায়ে হাত না লাগায়।

বাহ।

মনে হচ্ছে আমরা একটা কুকুর পেয়ে গেলাম।

মা, এই বুড়ো, বিচ্ছিরি কুকুরটা এত কিছু করে ফেললো, তারপরও তুমি এটাকে রাখতে চাও?

সে কোনো বিচ্ছিরি কুকুর নয়। সে একটা সুন্দর হলদে কুকুর।

চল আমার সাথে।

এদিকে আয়।

আর্লিস কুকুরটাকে রেখে দিক, কী বলিস?

ওটাকে দেখলে জাম্পার আতঙ্কে দিশেহারা হয়ে দৌড় লাগাবে।

তুই জাম্পারের ঐ বদভ্যাসটা ত্যাগ করাতে পারবি।

ওটা একটা চোর, মা! চুরি করে করে আমাদেরকে ফতুর বানিয়ে ছাড়বে।

বেশিরভাগ জন্তু অনাহারে থাকলে পেটের দায়ে চুরি করে।

সব বুঝলাম, তবুও আমি ওটাকে রাখতে চাই না!

দ্যাখ, ট্রাভিস, এবার কিন্তু অন্যায় হচ্ছে।

যখন তুই ছোট ছিলি তখন তোর কুকুর ছিল, কিন্তু আর্লিসের ছিল না।

তোর সাথে খেলার মতো বয়স ওর হয়নি। সে একা হয়ে পড়বে।

নাস্তা করার পর, তুই জঙ্গলে গিয়ে একটা হরিণ শিকার করে নিয়ে আসিস।

আর হ্যাঁ, আর্লিস আর ঐ বুড়ো কুকুরটাকে নিয়ে যা বললাম, সে সম্পর্কে একটু ভেবে দেখিস।

আয়, বাছা।

জাম্পার, ব্যাটা বলদের ধাড়ি!

কোথাও একমুঠো ঘাস দেখলেই এমন পাগলামো শুরু করিস, যেন জীবনেও কখনো ঘাস দেখিসনি।

আর্লিস, ঐ নোংরা কুকুরটাকে আমাদের খাওয়ার পানির পুকুর থেকে তোল!

যা ভাগ, নিজের চরকায় তেল দে!

বের হ এখান থেকে!

খবরদার, আমার কুকুরকে ঢিল মারবি না!

অ্যাই, আমার দিকে ঢিল ছুঁড়ছিস কেন!

আর্লিস, ঢিল ছোঁড়া বন্ধ কর! থাম!

আর কক্ষনো যদি আমার কুকুরকে পাথর ছুঁড়তে দেখি

- তাহলে তোর মাথা ফাটাবো! - আর্লিস!

আর্লিস!

ট্রাভিস, তুই তোর ছোট ভাইয়ের সাথে কী করছিস?

ও আর ওর নোংরা কুকুরটা আমাদের খাওয়ার পানির পুকুরে দাপাদাপি করছিলো।

সে আমার কুকুরের দিকে ঢিল ছুঁড়ছিলো!

দ্যাখ বিচ্ছু, যদি ঝামেলায় পড়তে না চাস,

তাহলে তোর বড় ভাইয়ের কথা মেনে চল।

মানে আমি ওর আদেশ মেনে চলবো?

ও তো আমার বাবা নয়।

তুই বাবার মতোই ওর আদেশ পালন কর।

এখন ভেতরে যেয়ে এই ভেজা কাপড়গুলো খুলে ফেল।

একটা গাছের ডাল ভেঙ্গে এনে ওকে আচ্ছামতো ধোলাই দিতে হবে।

শান্ত হ, বাছা। ও তো অবোধ শিশু।

বাবা কখনোই ঐ কুকুরটাকে আমাদের খাবার পানি নোংরা করতে দিতেন না।

বাবা কিন্তু কখনোই আর্লিসের সাথে ঢিল ছোঁড়াছুড়ি-ও শুরু করতেন না।

আমি ওর সাথে মারামারি শুরু করিনি। সে...

আর্লিস আমার দিকে ঢিল মারলো। মা আমাকে বকা দিলো।

আর তুই, তুই কিনা দিব্যি রেহাই পেয়ে গেলি।

মনে হচ্ছে তোকে এ বাড়ির ত্রিসীমানা থেকে তাড়ানোর ব্যবস্থা করতে হবে।

তুই এই মাংসে একটা কামড় বসিয়ে দ্যাখ,

তারপর কাল সকালে এসে আমি গুলি মেরে তোর খুলি উড়িয়ে দেবো।

এ কী দেখছি?

মা? তুমি ঐ বুড়ো কুকুরটাকে কিছু খেতে দিয়েছো?

ওহ, না, দিতে ভুলে গিয়েছি। অনেকদিন ধরে কুকুর পালার অভ্যাস নেই তো।

নিশ্চয়ই সে অন্যকোথাও গিয়ে কিছু চুরি করে খেয়েছে।

বাইরে ঝোলানো হরিণের মাংসে সে একটা কামড়ও বসায়নি।

সে অতটাও বোকা নয়, কুকুরেরা খুব বুদ্ধিমান।

তুই যদি ওটা মাটিতেও রেখে দিতি, তবুও সে ওটা ছুঁয়েও দেখতো না।

যা, পোশাক পরে নে। আজ বেড়ার খুঁটির জন্য কাঠ জোগাড় করতে হবে, জলদি বের হবো।

ঠিক আছে, মা।

আয়, ইয়েলার, ধর ওটাকে!

ধর ওটাকে, ইয়েলার! ঐতো ঐটা!

ঐতো ঐদিকে যাচ্ছে, ওখানে!

ছুটে গেছে রে!

এইতো পেয়েছি! খুব ভালো করেছিস, বাছা!

মা! মা, দেখো একটা মাছ ধরেছি! কত্তো বড় মাছ, তাই না?

ওহ, আর্লিস। তুই আবার ভিজে গেছিস, গায়ে কাদা লাগিয়েছিস।

- কিন্তু মা, আমাকে ভিজতে হয়েছিলো। - তাই বুঝি?

মাছটাকে ধরার জন্য আমাকে গভীর পানিতে ডুব দিয়ে যেতে হয়েছে।

মাছটা ছিল পানির অনেক গভীরে, সেখানে ছিল একটা বড় গর্ত,

জায়গাটা ছিল অনেক অন্ধকার আর কাদায় ভরা।

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left