The first 200 lines.
অনুবাদ ও সম্পাদনা মোহাম্মদ ইউসুফ
সূর্য উঠার আগে অফিসে ঢুকি, বের হই সূর্য ডোবার পর।
৬ মাস ধরে কারো সাথে সেক্স করা হয় না! হ্যান্ডেল মেরেই সময়টা পার হচ্ছে!
অফিসে সবার মতোই আমার একটা ঘাড়ত্যাড়া বস আছে!
নিউজিল্যান্ড থেকে আগত হয়তো! যাক গে!
- গুড মর্নিং, থমাস! - গুড মর্নিং, নিক! তাড়াতাড়ি করলেই ভালো!
সুখ ক্ষণস্থায়ী!
ঝটপট গল্পটা বলে ফেলি!
আমার দাদী মাত্র ২০ ডলার পকেটে নিয়ে এই দেশে ঢুকেছিলেন!
সারাটা জীবন ধরে কঠোর পরিশ্রম করেছেন, কাউকে কোনো ধরনের পাত্তাও দেননি!
মরার আগে তিনি এই ২০ ডলারকে ২০,০০০ ডলারে রূপান্তরিত করে গিয়েছিলেন।
পুরোই আজব!
ইনি কেনো জীবনে সাফল্য পাননি জানেন?
কারণ, কারোও কটু কথাকে পাত্তা দেননি তিনি!
ব্যবসায়ে সাফল্যের মূল্য মন্ত্র হচ্ছে...
যেটা বিজনেস স্কুলে আপনাকে শেখাবে না...পাত্তা দিতে হয়!
গত ৮ বছর ধরে সেটাই করছি আমি এবং ব্যাপক উপকার পাচ্ছি বলতে হবে!
নিক বলছি!
বড় একটা প্রমোশন পাওয়ার খুব কাছাকাছি আছি বলতে পারেন!
আমি এক্ষুনি আসছি, মি. হারক্যান!
তাহলেই, ঘন্টার পর ঘন্টা পরিশ্রম, ত্যাগ স্বীকার এবং আধপেট খাওয়াটা কাজে আসবে!
দেখো, আমাকে এটাই ভাবাচ্ছে নিক।
তুমি সময় সচেতন মানুষ। ভোর ৬ টায় অফিসে আসার গুরুত্বটা আশা করি তুমি জানো!
যেটা দেখেই মনের মধ্যে একটা সন্দেহ হলো..
...নিশ্চয়ই আমাদের সিস্টেমের ঘড়িতে কোনো গন্ডগোল আছে।
হয়তো এক মিনিট লেইট হয়েছে।
তবে এটা অনুযায়ী, তুমি দু'মিনিট দেরী করে এসেছ! হয় তুমি একজন মিথ্যাবাদী...
...নয়তো আমাদের সিস্টেমের ঘড়ি কোনো কারণে মিনিটখানেক অফ ছিল।
সমস্যাটা কী জানেন?
এই লোকটাই আমার বস, ডেভিড হারক্যান...
...যে মাত্র দু'মিনিট অফিসে দেরী করে ঢোকার জন্য আমাকে এখন ধুয়ে দিচ্ছে!
সাক্ষাৎ শুয়োরের বাচ্চা একটা!
সেরকম কিছু হলে আমাদের দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা ব্যবস্থাপক থমাসকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দিতে হবে।
- আমার হয়তো দু'মিনিট দেরী হয়েছে। - ওহ!
তাহলে, তুমি মিথ্যে বলছিলে।
না, আমি...কাকে ফোন করছেন?
- থমাস, ওকে বরখাস্ত করবো। - না, উহ...
- আমি মিথ্যা বলছিলাম, সরি! - মিথ্যা বলছিলে?
বলতে চাইনি আসলে। বলেছিলাম,"এক মিনিট দেরী হতে পারে!"
সত্যিকার অর্থে, ২ মিনিট দেরী হয়েছে।
জান, আঙুলে এই বড় আঙটিটা পরেই আমাকে গাড়ি চালানোয় অভ্যস্ত হতে হবে।
- আরে! - মানুষকে বোঝাতে হবে না আমাদের বাগদান হয়েছে!
ছোট ছিলাম যখন, মানুষ আমাকে জিজ্ঞেস করতো বড় হয়ে আমি কী হতে চাই!
সবসময় একটা উত্তরই দিতাম!
আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি!
আমিও তোমাকে অনেক ভালোবাসি!
আমি কারোও স্বামী হতে চেয়েছিলাম!
- অফিস শেষে তোমাকে ফোন দেবো! - মন দিয়ে কাজ করো! দিনটা ভালো কাটুক!
শুনতে একটু অদ্ভুত লাগতে পারে...
অনেকেই চায় অফিসের বস কিংবা জিমের পার্সোনাল ট্রেইনার হতে...
...তবে, আমার কাছে কারোও জামাই হওয়াটাই কেনো যেন লক্ষ্য ছিল!
স্ট্যাসিকে সেজন্য ধন্যবাদ যে...
...ও আমার স্বপ্নটাকে সত্যি করেছে!
দূর্ভাগ্যজনকভাবে, পকেটে মাল পানি থাকলে কেউ আপনাকে জামাই হিসেবে মেনে নেবে না!
তাই, একটা চাকরির ব্যবস্থা করতে হতোই!
সবসময় ডেন্টিস্টদের সুনাম করে এসেছি আমি।
তারা বিচক্ষণ, সক্ষম! তারা আপনার দাঁতকে সুস্থ রাখে!
তাই, কঠোর সাধনা করে আমিও তাদের একজন হয়েছি!
- কী অবস্থা তোমার, ডেল? - ভালোই আছি, ধন্যবাদ!
এক্সক্যাভেটর।
আচ্ছা, একজন ডেন্টাল ডাক্তারের অ্যাসিস্ট্যান্ট হয়েছি। যদিও, আমরা একই গোয়ালের গরু!
এখানে শুধু এসেছি আমি অর্থ উপার্জন করতে।
গসিপ গার্ল শো টা দেখো?
- না! - ধুর!
গত রাতে একটা এপিসোড দেখেছিলাম!
নিজের গুহায় আঙুল দিয়ে এত জোরে সুড়সুড়ি দিয়েছি যে একটা নখই ভেঙে গেছে।
চাকরিটা হতো আমার জন্য জোশ, শুধু এই একটা...
...শয়তান, পাগল, মাগীর জন্য হলো না!
ধোন সেকশনের আশেপাশে করি কোনো আগাছা নেই তোমার, তাই না ডেল?
- ওকে, জুলি! বাদ দাও না! - কী?
- এসব কথা বলতে আমার অস্বস্তি লাগছে! - ডেল, আমাকে তো চেনোই!
জানোই, জীবনটাকে উপভোগ করতে ভালোবাসি আমি!
- ওপ্স! - মি. অ্যান্ডারসন!
অফিসে এসব করে না! খুব খারাপ!
- খারাপ, খারাপ, খারাপ! - রোগীদের মারাটা হয়তো তোমার ঠিক হচ্ছে না!
দারুণ লাগছে! আগুনের ফুলকি!
আমার চাকরিটাকে আমি ভালোবাসি!
আমাকে বললে, যারা তাদের চাকরিটাকে ঘৃণা করে তাদের নিজের ভেতরেই সমস্যা আছে বলবো।
আমাদের ভাগ্য আমাদের নিজেদেরই গড়তে হবে, আমার ভাগ্যটাকেও সেরকমই বানিয়েছি।
আমাদের চেয়ার তো আছেই! কষ্ট করে আনা লাগবে না!
একটা কেমিক্যাল কোম্পানিতে অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার হিসেবে জব করছি! জবটার ভালো সুনাম আছে মানতেই হবে!
হাই, আপনাকে সাহায্য করতে পারি কোনো?
লাগবে না। ইনি এই প্যাকেজগুলোর জন্য সাইন করছেন, ধন্যবাদ আপনাকে!
ওহ, না! কাজটা আমার করা উচিত ছিল!
র্যাগি, আমাকে দাও! ধন্যবাদ তোমাকে, ভাই!
- এখানে অনেক গুরুত্বপূর্ণ জিনিস আছে। - ধন্যবাদ।
- এখানে হচ্ছেটা কী আসলে? - সরি?
- কোনো হিডেন ক্যামেরা শো চলছে নাকি? - মানে?
মানে, তুমি ফেডএক্সে জব করা মেয়েদের মতোই দারুণ কিউট দেখতে!
তোমার উচিত ছিল কোনো মডেল কিংবা অভিনেত্রী হওয়া, ঠিক?
এগুলো খুললে কী হবে? কিছু একটা লাফ দিয়ে আমার মেশিনে কামড় দেবে?
না, কিছুই লাফ দেবে না! আমি ফেডএক্সে জব করা মেয়েই আসলে!
- চুপ করো! - হাঁ, হাঁ!
- বাই! - বিকেলটা দারুণ কাটুক তোমার!
ধন্যবাদ আপনাকে।
ফর্মে আসলে সাইন করিনি আমি। যাই হোক, ওকে তো আবার আসতে হবেই।
মেয়েটা অনেক কিউট, তাই না র্যাগ?
- জালে আরেকটা মাছ ধরা পরেছে, তাই না? - হেই, জ্যাক!
এখানে আছি একটামাত্র কারণেই! আমার বস, জ্যাক প্যালিট, আমার দেখা সবচেয়ে খোশমেজাজী লোক!
সে আমাকে ভালোবাসে, আমিও তাকে ভালোবাসি! সবাই তাকে ভালোবাসে!
- তুমি ঠিক আছো, মার্জি? - হাই মি. প্যালিট, কার্ট!
ভেতরে ঢোকার জন্য আসলে অনেকক্ষণ ধরে অপেক্ষা করছি!
- কে আছে ভেতরে? - আপনার ছেলে।
ববি!
মার্জি বাইরে আছে অনেকক্ষণ। তোমার কাজ শেষ হয়েছে?
এখানেও কারোও বালের প্রাইভেসি নেই।
- ওকে, মার্জি। ববি? - কী?
তোমার পেট ঠিক আছে? ডেস্কের চেয়ে আজকাল টয়লেটেই বেশী সময় কাটাচ্ছো!
আমি আসলে জানতাম না, প্রতিবার টয়লেটে যাওয়ার আগেও তোমার অনুমতি নিয়ে যেতে হবে!
এই চাকরির সবচেয়ে খারাপ অংশটা হচ্ছে আমার বসের অপদার্থ বদমাশ ছেলেকে সহ্য করা!
আলোর নিচেই আঁধার আসলে থাকবেই।
মুততে যাবার আগেও তোমাকে বলে যেতে হবে?
আমি শুধু চাচ্ছি, তোমার কাজ তুমি মন দিয়ে করো! ব্যবসার অবস্থা কিন্তু ভালো না!
আমি নিজের কাজও করি, অন্যেরটাও করি।
তোমার কাছে তো এসবের মূল্য নেই, কারণ, আমি তোমার ছেলে বলে ঘুরেফিরে আমাকেই বাঁশ দেবে!
আর শুনে রাখো? তোমার একটা বালছালও আমি শুনতে চাই না!
- বালছাল? ভাল। - হুম, বালছাল।
- আরে, আসো তো! - হ্যাঁ, যাও, যাও!
- যাও, সমকামী ছেলে। - আমি সমকামী না।
আমি অনেক সমকামীকে দেখেছি। তুমি তাদের মধ্যে একজন।
- কোথায় ওদের দেখেছ? - তোমার বাসাতেই!
- আমি গ্রিন বেল্টধারী, মাদারচোত! - কী?
জানি, এই প্রমোশনটার জন্য তুমি ব্যাগ্র হয়ে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে পরিশ্রম করছ।
তবে, মনে হয় না সেলসের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট পদটায় তোমায় মানাবে...
...যদি তোমার উপর ভরসা না করতে পারি।
- আমার উপর ভরসা রাখতে পারেন। - এখন তোমার গলার স্বর আমার স্ত্রীর মতো শোনাচ্ছে!
"বিশ্বাস করো, আমাকে বিশ্বাস করো! সোনা!"
"তোমার আড়ালে কিছুই করছি না আমি! বিশ্বাস করো!"
সবকটা প্রতিবেশীর সাথে আমার বউ লটরপটর করেছে।
খাবে নাকি এক পেগ?
এখন সকাল সোয়া আটটা বাজে!
আচ্ছা, সংবিধানে কোথাও লেখা আছে একজন মানুষ সকালে মদ খেতে পারবে না?
না!
ধন্যবাদ, শিউর!
মোদ্দাকথা হচ্ছে...
তোমার জন্য কিছুই নেই?
নিক, সকাল সোয়া আটটা বাজে এখন। আর, আমি কোনো মদ্যপ ব্যক্তি নই।
গ্লাসটা নিয়েছি কারণ ভেবেছি আপনিও আমার সাথে পান করবেন।
তুমি নিয়েছ কারণ ভেবেছ আমিও পান করবো? একজন সিনিয়র একাউন্টেন্ট কী এরকম করে ভাবে?
আমি ভদ্রতাবশত নিয়েছিলাম।
ও, তার মানে আমি গু খেলে...
...তুমিও গু খাবে?
- আমি খাবো না। - তুমি নিশ্চিত?
- জি। - সেরকমটা হলেই ভালো।
দাঁতের ডাক্তারের কাছে যাবো মঙ্গলবারে, তোমাকে পরবর্তী সোমবারের মধ্যে কাজ গুছিয়ে রাখতে হবে...
...যার মানে, তোমাকে পুরো সপ্তাহ অফিস করতে হবে।
দেখো, প্রমোশন পেতে চাইলে সেটা অর্জন করে নিতে হবে।
আমি সবসময় যেন কী বলি?
জীবনটা ম্যারাথনের দৌড়ের মতো, আর সেই ম্যারাথন জয় পেতে হলে তোমাকে বারংবার হোঁচট খেতেই হবে, ঠিক?
ঠিক।
নিক।
স্কচটা ১৮ বছরের পুরনো।
তুমি নিশ্চয়ই আশা করো না আমি নিজে পুরোটা আবার বোতলে ভরবো?
- পানি। - দিচ্ছি।
দেখা যাক, এবার কাজ করে কিনা!
- হায় খোদা! - ওহ! আমি সরি! ভুল হয়ে গেছে, ডেল!
- একটা ব্যাপার জানো? - কী?
আমাদের ছোট্ট বন্ধুটা ভীষণ তৃষ্ণার্ত!
থামো তো!
- কাউকে বলো ওকে পানি খাওয়াতে! - ওকে!
- শোনো! - বলো?
- এসব ফালতু কাজ এখানে না করলে না হয় না? - কেনো? কারণ, তোমার একটা গার্লফ্রেন্ড আছে?
সে আর আমার গার্লফ্রেন্ড নয়! ও আমার বাগদত্তা!
- কী? - আমরা বিয়ে করতে চলেছি!
তুমি বলেছিলে, ও তোমার সেক্স পার্টনার শুধু!
আমি সেটা কখনোই বলিনি!
অন্তত, এভাবে বলিনি।
চুপ কর!
প্রচুর গ্যাস কিন্তু ভেতরে!
- ভালো, আইডিয়াগুলো বেশ ভালো ছিল! - তাই?
- কাগজে লিখে রাখো, কেমন? - লিখে রাখবো।
- এখানে কাজ করে খুশী তো? - হ্যাঁ, অবশ্যই!
শুনে ভালো লাগলো।
এখানে তোমার একটা উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ আছে, জানো সেটা?
একদিন এই ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান কিন্তু তোমাকেই চালাতে হবে!
- আসি, বাবা! - ঠিক আছে!
- সাবধানে চালাবেন! - হুম!
সেরেহে!
তার হার্ট অ্যাটাক হলো!
ডাক্তার বলেছে, তার হার্ট নাকি পানিভর্তি বেলুনের মতো বিস্ফোরিত হয়েছিল!
হে ঈশ্বর! সরি রে ভাই, জানি তোরা দু'জন বেশ ঘনিষ্ঠ ছিলি!
হ্যাঁ, লোকটাকে বড্ড পছন্দ করতাম!
তার সাথে কাজ করে বেশ ভালো লাগতো, জানিস? সময়টা দারুণ কাটছিল!
এখন ওর ভাদাইম্মা ছেলেটা বাপের চেয়ারে বসেছে!
ওই বলদটা?
হ্যাঁ, জানিস ওকে কতবার অফিসে মেয়েদের সাথে আপত্তিকর অবস্থায় ধরেছি!
ব্যাপারটা আসলেই শকিং! সরি ভাই, আমাদের মধ্যে তুই ছিলিস একমাত্র ব্যক্তি যে তার জবকে ঘৃণা করতো না!
আজ কী হয়েছে শুনবি? হারক্যান কায়দা করে সকাল ৮ টায় আমাকে মদ খাইয়েছে?
মানে, ইবলিশ শয়তানের হয়ে জব করছি, বুঝলি?
- কীভাবে খাওয়ালো তোকে? - ভাবছিলাম, তোকে প্রমোশন দেবে!
দেবেই তো! এজন্যই তো শালা শয়তানেরও অধম!
আমার জীবনটাকে আবারও নরক বানালে ওর একদিন কি আমার যতদিন!
হুম, অন্তত তোর বস তো তোকে যৌন হয়রানি করে না!
- খোদা, এরকম একটা বস যদি পেতাম! - বালের কথা বলবি না!
এর জন্য আমাদের কাছ থেকে কোনো সহানুভূতি পাবি না!
মহিলা দিনদিন পাগল হয়ে যাচ্ছে! মানে, অফিসে যাচ্ছি না মাগীপাড়ায় যাচ্ছি মাঝেমধ্যে বুঝি না!
- মোটেও হাসির ব্যাপার না এটা! - তাই?
আজ কী করেছে জানিস? আমার ধোন বরাবর নিশানা করে পানি স্প্রে করেছে!
- জোশ! - এটা জোশ ব্যাপার না!
তোর সমস্যাটা কী বলতো? বেচারী যখন এত চাচ্ছে একটু চুদে দে না?
No comments yet. Be the first to leave one.