The first 200 lines.
Subtitle Translated By M
Subtitle Translated By Ma
Subtitle Translated By Mam
Subtitle Translated By Mamu
Subtitle Translated By Mamun
Subtitle Translated By Mamun A
Subtitle Translated By Mamun Ab
Subtitle Translated By Mamun Abd
Subtitle Translated By Mamun Abdu
Subtitle Translated By Mamun Abdul
Subtitle Translated By Mamun Abdull
Subtitle Translated By Mamun Abdulla
Subtitle Translated By Mamun Abdullah
Subtitle Translated By Mamun Abdullah
সামনে আগাও!
আমি আবেদন করছি...
ক্যাপ্টেন, আমি আবেদন করছি অ্যাটোর্নির দায়িত্ব আমাকে দেওয়া হোক।
না, আমার অনুরোধ দায়িত্ব আমাকে দেওয়া হোক...
"কাজের দায়িত্ব আমাকে দেওয়া হবে?"
ভালোই। এতেই কাজ হয়ে যাবে।
গ্রামার ঠিক আছে।
ক্যাপ্টেন আমি অনুরোধ করছি আমাকে অ্যাটোর্নি বানানো হোক।
আমি লেফটেন্যান্ট কমান্ডার গ্যালওয়ে, ক্যাপ্টেন ওয়েস্টের সাথে দেখা করতে এসেছি।
সোজা চলে যান, কমান্ডার। আপনারই অপেক্ষা করছেন।
ধন্যবাদ।
- জো, ভিতরে আসো। - ধন্যবাদ, স্যার।
ক্যাপ্টেন ওয়েস্ট, ওর নাম লে. ক. গ্যালওয়ে।
- জো, কমান্ডার লরেন্সকে চেনো? - জী, স্যার।
ক্যাপ্টেন, এত কম সময়ে দেখা করতে চাওয়ায় ধন্যবাদ।
- বসবে তুমি? - না থাক, স্যার।
- বসোই না। - আচ্ছা।
শুনলাম কিউবায় গত উইকেন্ডে একটা ঝামেলা হয়েছে?
জী, স্যার। গত শুক্রবার, দুই মেরিন ল্যান্স করপোরাল হ্যারল্ড ডউসন আর প্রাইভেট লৌডেন ডৌনি
পিএফসি উইলিয়াম সান্তিয়াগোর ব্যারাক ঘরে ঢুকে হামলা চালায়।
হামলার এক ঘণ্টা পর বেস হাসপাতালে সান্তিয়াগো মারা যায়।
যে N.I.S. এজেন্ট ডউসন আর ডৌনির বয়ান নিয়েছে উনার মতে ওরা সান্তিয়াগোকে
ফেন্স লাইন শুটিঙে ডউসনের নাম বলতে মানা করতে ঘরে ঢুকে।
আজ বিকেল ৪'টায় কিউবায় ওদের দুজনের শুনানি।
- তো সমস্যাটা কী? - ডউসন আর ডৌনি...
দুজনই রিক্রুটিং মেরিন, আর সান্তিয়াগো অলস বলে পরিচিত ছিল।
আমার মনে হচ্ছে এই কেসটা কোড রেডের।
মরেছি!
স্যার, ওদের দুজনকে ওয়াশিংটনে এনে কাউন্সেল করা হোক; এমন কারো মাধ্যমে যার মাঝে শুধু আইনি দক্ষতাই না,
সামরিক বাহিনীর ভেতরের কারবারের ব্যাপারেও জানাশোনা আছে।
সংক্ষেপে ক্যাপ্টেন আমি এতটুকু বলছি আমি তেমন মানুষ...
ওদের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য আমাকে দায়িত্ব দিতে পারেন।
কমান্ডার গ্যালওয়ে, তুমি না হয় এক কাপ কফি পান করো।
ধন্যবাদ, স্যার। আমার লাগবে না।
তোমাকে আসলে কিছুক্ষণ বাহিরে থাকতে বলছি, আমরা আলাপ করব।
নিশ্চয়, স্যার।
আমি তো জানতাম আজ-কাল কোড রেড আর হয় না।
গিটমোর মেরিনরা কী ভেবে এসব করে?
সারা দুনিয়া জানার আগে আমাদের জানতে হবে নয়ত বিরাট ঝামেলা সৃষ্টি হবে।
তাহলে, কমান্ডার গ্যালওয়ের কাহিনী কী?
সে প্রায় এক বছর ধরে ইন্টারনাল অ্যাফেয়ার্সে কাজ করে।
- তার আগে? - দুই বছরে তিনটা কেস মিটিয়েছে।
দুই বছরে তিনটা কেস? কার কেস লড়ে, রোজেনবার্গের?
- মামলা লড়া তার কাজ না। - ভাল ইনভেস্টিগেশন করতে পারে।
ইন্টারনাল অ্যাফেয়ার্সের সেরা উকিলদের নাকে খত দিয়ে ঘোরাতে পারবে।
- কিন্তু ট্রায়ালে... - বুঝেছি। আবেগে কাজ করে, কিন্তু কাজে দক্ষ না।
ভিতরে ডাকো ওকে।
কমান্ডার, আসামীদের আমরা কাল সকালে এখানে আনব।
- ধন্যবাদ, স্যার। - ডিভিশনকে বলে কাউন্সিলও পাইয়ে দিব।
- কিন্তু... আমি না। - তোমার কলিগদের কাছে জানতে পারলাম...
তোমার বর্তমান এসাইনমেন্ট খুবই জরুরী; আর এই কেসটা পাঁচ মিনিটের বিতর্ক, এক সপ্তাহের পেপার ওয়ার্কে সমাধান হয়ে যাবে।
- স্যার, আমার মনে হয় কেসটা খুবই জটিল। - সেটা তোমাকে ভাবতে হবে না।
তোমাকে নিশ্চয়তা দিচ্ছি ডিভিশন যোগ্য ব্যক্তিকেই নিয়োগ দিবে।
এই যে বল নাও। দুই নাম্বার শুরু।
- স্যরি। - স্যরির কিছুই হয়নি, শেরবি। বল গলভের ভিতরে রাখতে হবে।
দুই নাম্বার।
- স্যরি। - আমার কথা মানো, শেরবি।
চোখ খুলে বল ধরার চেষ্টা করলে সম্ভাবনা বেড়ে যাবে।
- ক্যাফি। - আবার করো।
ডেভ, এত ক্ষ্যাপা কেন তুই?
ম্যাকডারমটের কেসে তোর ১৫ মিনিট আগেই দেখা করার কথা ছিল। আর তুই এখানে খেলছিস? এখনি আমার সাথে যাবি...
আর ফাজলামি না, ক্যাফি। নয়তো তোর লোককে মাস্তুলে ঝুলিয়ে দেব!
মাস্তুলে ঝুলাবি? শেরবি, নেভিরা এখনও কাউকে মাস্তুলে ঝুলোয়?
ঝুলোয় না বোধয়।
ডেভ, শেরবি মনে করে না নেভিরা এখন আর কাউকে ঝুলিয়ে রাখে।
গাঁজা রাখার অভিযোগ আনব তার উপর, আর বলব ডিউটির সময় সে গাঁজা খেত।
ওকে দোষী সাব্যস্ত করে এমন পেজগী বাঁধাব সে ৩০ দিনের বেতন আর র্যাংক হারাবে।
ওটা ওরেগানো ছিল, ডেভ। দাম মাত্র ১০ ডলার।
- তোর ক্লায়েন্ট ওটা মারিজুয়ানা ভেবেছিল। - আমার ক্লায়েন্ট বলদ না। এটা বেআইনি না।
ক্যাফি, তোর মতো আমাকেও বসদের জবাব দিতে হয়। ওর উপরে চার্জ দিব।
কীসের? পকেটে পুরিয়া রাখার জন্য?
- ক্যাফি। - আমি তোর উপকার করতে চাই...
কিন্তু তুই জেল টাইম চাইলে, আমি ডিসমিস ফাইল দায়ের করব।
- তুই সেটা পাবি না। - আমি নিবোই।
M.T.D. বাতিল হলে, আমি রঙ লাগিয়ে নতুন ফাইলের অনুমতি চাইব...
তারপর প্রি-ট্রায়ালের বিরুদ্ধে ফাইল খুলব, আর তুই আগামী তিন মাস কানার মতো পেপার ওয়ার্ক করে যাবি...
কারণ একজন সিগন্যালম্যান এক ব্যাগ অরিগানো কিনে খেয়ে ফেলেছে।
নাও, জলদি!
B মাত্রার অপরাধ, জাহাজে ২০ দিনের কাজের শাস্তি।
C মাত্রার অপরাধ, ১৫ দিন বেতন সহ ডিউটি।
- কেন যে তোর কথা শুনছি। - কারণ এতদিনে তোর আক্কেল হয়েছে।
মর্নিং।
মর্নিং, ক্যাপ্টেন।
তোমার মেয়ে কেমন আছে, স্যাম?
যেকোনো দিন মুখ ফুটে প্রথম কথা বলবে।
- কীভাবে বুঝলে? - সে এমনভাবে তাকায় যেন এখনি কথা বলবে।
মাফ করবেন। দেরী হয়ে গেল।
ব্যাপার না, ড্যানি। জানি তুমি অজুহাত দেখাতে পারবে না তাই দেরী করার কারণ জিজ্ঞাসা করব না।
- ধন্যবাদ, স্যার। - প্রথম কথাটা তোমার জন্য।
মনে হচ্ছে এত দিনে দুনিয়ার মুখ দেখবে।
- ডিভিশন তোমাকে অনুরোধ করেছে। - কীসের অনুরোধ?
গুয়ানতানামো বে, কিউবা।
ডউসন নামের একজন মেরিন কর্পোরাল অবৈধভাবে নিজের অস্ত্র দিয়ে ফেন্স লাইনের ওপারে কিউবান এলাকায় গুলি চালিয়েছে।
- ফেন্স লাইন কী? - স্যাম।
একটা বড় দেয়াল যা ভাল আর খারাপ লোকের মাঝে থাকে।
- টিচারের বাচ্চা। - P.F.C. উইলিয়াম সান্তিয়াগো...
সে ডউসনকে নেভাল ইনভেস্টিগেট সার্ভিসের ভয় দেখিয়েছিল। ডউসন আর তার দলের আরেক সদস্য পিএফসি লৌডেন ডৌনি
সান্তিয়াগোর রুমে গিয়ে ওকে বেঁধে ফেলে, মুখে কাপড় ঢুকিয়ে দেয়, এক ঘণ্টা পর, সান্তিয়াগো মারা যায়।
উপস্থিত ডাক্তার বলেছেন, কাপড়টিতে কোনো ধরণের বিষ মেশানো ছিল।
ওরা কাপড়ে বিষ মিশিয়েছিল?
- ওদের মতে না। - ওরা কী বলছে?
তেমন কিছু না। ওদের কাল এখানে আনা হবে; আর বুধবার ছ'টায় তুমি এক দিনের জন্য কিউবার বিমান ধরে ঘটনার অদ্যপান্ত জেনে আসবে।
এখন তুমি ইন্টারনাল এফেয়ার্সে গিয়ে লে. ক. জোয়ান গ্যালওয়ের সাথে দেখা করো। কোন প্রশ্ন আছে?
আ, ছ'টায় কিউবার যে ফ্লাইট আছে সেটা কী সকালে, স্যার?
ডিভিশন জোর দিয়ে বলেছে এই কেসটা নিয়ম মেনে সমাধান করা হোক। তাই আমি কো-কাউন্সেল এসাইন করছি। কোন ভলান্টিয়ার লাগবে?
না! আমার টেবিলে গাঁদা-গাঁদা ফাইল জমে ডুবে আছি।
- ক্যাফির সাথে কাজ করো। - কী করব? ক্যাফি চার দিনে কেস শেষ করে দিবে।
প্রশাসনিক কাজের জন্য সাহায্য করো। ব্যাকআপ, বা অন্য কিছু।
আসল কথা হলো, আমার এখানে কোনো দায় দায়িত্ব নেই।
ঠিক।
এমন কাজই চাই।
ঠিক।
আচ্ছা, তবে আমি বুধবারের মধ্যে রিপোর্ট চাই।
- হাই। - লাইনে থাক। হাই।
ডেনিয়েল ক্যাফি। আমাকে পাঠানো হয়েছে...
লে. ক. গ্যালওয়ের কাছে।
- ব্রিফিঙের জন্য। - পরে ফোন করছি।
তোমাকেই ডিভিশন অ্যাটোর্নির দায়িত্ব দিয়েছে?
আমি প্রধান কাউন্সেল। ওর নাম স্যাম উইনবার্গ।
আমার এখানে কোন দায়-দায়িত্ব নাই।
আসো, প্লীজ। বসো।
- লে. নেভিতে কতদিন ধরে কাজ করছ? - নয় মাস হতে চলল।
- ল' স্কুল ছেড়েছ কতদিন হলো? - এক বছরের একটু বেশি।
- বুঝেছি। - আমি কোন ভুল করে ফেলেছি?
না, আবেদন করার সময় ভেবেছিলাম ডিভিশন আমার কথাকে গুরুত্বের সাথে নিবে।
আপনার অবাক হওয়ায় আমি কিছু মনে করিনি।
কমান্ডার, আমাদের অফিসে লেফটেন্যান্ট ক্যাফিকে সেরা উকিল মনে করা হয়।
৯ মাসে সে ৪৪'টা কেস মোকদ্দমা ছাড়াই জিতেছে।
আরেকটা হলেই, আমার আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ হয়ে যাবে।
কখনো কোর্টরুমে ঢুকেছ?
একবার আমার ড্রাইভিং লাইসেন্স বাতিল হয়েছিল। কমান্ডার, আমি যতটুকু বুঝি, এই কেস কোর্টে গেলে ওদের উকিলের না, যাজকের দরকার হবে।
না, ওদের উকিলই লাগবে। ডউসনের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে।
ডৌনির জিনি মিলার নামে নিকটাত্মীয় আছে, তার খালা।
উনার সাথে যোগাযোগ করা যায়নি এখনও। তুমি চাইলে ব্যাপারটা আমি দেখব?
নিশ্চয়। দেখুন।
গুয়েন্তানামোর ব্যারাকে তুমি সিও কর্নেল নাথান জেসাপের দেখা পাবে। উনার নাম শুনেছ নিশ্চয়।
কে শুনেনি?
ইদানীং ওখানকার কথা শোনা যায়। উনাকে ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের পরবর্তী ডিরেক্টর অব অপারেশন বানানো হবে।
- তাই? - গিটমোতে সান্তিয়াগো আট মাসে এই চিঠিগুলো লিখেছে।
- গিটমো মানে গুয়ানতানামো বে। - মানে জানি আমি।
সান্তিয়াগো মেরিন কোরের ফ্লিট কমান্ডার আর নিজের সিনেটর কেও চিঠি লিখেছিল। সে ঘাঁটি থেকে বদলি চেয়েছিল কিন্তু কেউ তা পাত্তা দেয়নি। তুমি আমার কথা শুনছ?
হ্যাঁ।
সব শেষে, সে নেভাল ইনভেস্টিগেটিভ সার্ভিসের চিঠিতে লিখেছিল, কর্পোরাল ডউসনের ফেন্স লাইন শুটিঙের তথ্য দিবে যদি তাঁকে বদলি করা হয়।
আচ্ছা। আর কিছু বলবেন?
লেফটেন্যান্ট, চিঠিটা পড়ে বুঝা যায় তোমার মক্কেল সান্তিয়াগোকে খুন করেছে।
- বুঝেছি। কিন্তু সান্তিয়াগোটা কে? - যে মারা গেছে।
লিখে নাও। আমার ধারণা যদি ঠিক হয় গুয়ান্তানামো বে'তে মেরিন কোররা সুখের জীবন কাটায় না।
- হ্যাঁ, তাছাড়া... - আমার ধারণা যদি আরও ঠিক হয়...
সিকিউরিটি কাউন্সিলের হেড এই কেসের তদন্তে আপত্তিকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হবেন?
- কর্নেল জেসাপ। - ১২ বছর।
স্যরি?
আমি ওদের অপরাধ স্বীকার করিয়ে ১২ বছর জেল খাটাব।
তুমি এখনও সাক্ষীদের জেরা করোনি কোন পেপারও দেখোনি।
- ইম্প্রেসিভ না? - তোমাকে এই কেসের আরও গভীরে নামতে হবে।
আপনার কাছে কোন জুরিডিকশন আছে যা আমাকে বলতে চান?
আমার কাজ হলো তোমাকে তোমার কাজ করানো।
আমি ইন্টারনাল অ্যাফেয়ার্সের স্পেশাল কাউন্সেল তাই আমার জুরিডিকশন একেবারে তোমার মুখের সামনেই।
চিঠিগুলো পড়ে নাও। কিউবা থেকে ফেরার পর আমাকে জানাবে।
- অবশ্যই। - আমাদের কথা শেষ।
এটাই প্রতিবার ভুলে যাই।
ও একটু বেখেয়ালি। ওর টিম আগামী সপ্তাহে বেথেসডা মেডিকেলের সাথে খেলবে তো।
তোমার বন্ধুকে ওখানে চালাকি করতে মানা কোরো। গোয়ান্তানামো বে'র মেরিনদেরও মাথা গরম থাকে।
- কী নিয়ে? - মেরিন হওয়ার জন্য।
প্রিয় স্যার, আমার নাম পিএফসি উইলিয়াম টি. সান্তিয়াগো।
আমি ব্যারাকের মেরিন থানার রাইফেল সিকিউরিটি কোম্পানি, উইন্ডওয়ার্ড সেকেন্ড প্লাটুন ব্রাভোতে কর্মরত আছি।
এই চিঠিটা কিউবায় আমার দলের সাথে সমস্যা সমাধানে আপনার হস্তক্ষেপ কামনায় লিখছি।
আমি দিনের মধ্যে কয়েকবার মাথা ঘোরা ও বমির কারণে দৌড়নের সময় পড়ে যাই।
কিন্তু মে'র ১৮ তারিখ উঁচুনিচু পাহাড়ি নুড়ি পথ বেয়ে নিচে নামতে আমি সঙ্গীদের থেকে ২০-৩০ গজ পিছনে পড়ে গিয়েছিলাম।
সার্জেন্ট আমাকে ধাক্কা দিয়ে পাহাড়ের নিচে গড়িয়ে ফেলে দেয়।
এরপর আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি, জ্ঞান হারানোর আগে আমার পিঠে ব্যথা টের পাই।
আমাকে হাসপাতালে পাঠানো হয় সেখানে বলা হয়, প্রচণ্ড গরমে আমি জ্ঞান হারিয়েছিলাম।
আমাকে সাহায্য করুন।
প্লীজ, স্যার। আমাকে R.S.C. থেকে বদলি করে দিন।
ইতি, P.F.C. উইলিয়াম টি. সান্তিয়াগো, ইউএস মেরিন কোর।
পুনশ্চ: ঘাঁটি থেকে আমাকে বদলি করলে আমি আপনাকে জানাবো যে...
"২ আগস্ট রাতে অবৈধ ফেন্স লাইন শুটিঙের ব্যাপারে জানাব।"
পিএফসি উইলিয়াম টি. সান্তিয়াগো আবার কোন শালা?
প্রা. সান্তিয়াগো দ্বিতীয় প্লাটুন ব্রাভোর সদস্য, স্যার।
মনে হচ্ছে সে এই শাংগ্রিলায় সুখে নাই তাই সান্তা ক্লজকে বাদ দিয়ে সবার কাছেই বদলি চেয়ে চিঠি লিখেছে।
আর এখন সে ফেন্স লাইন শুটিঙের রূপকথা শুনাচ্ছে।
- ম্যাথিউ? - আমি ভোদাই হয়ে গেছি, স্যার।
তুমি ভোদাই হয়ে গেছ। এই ছেলেটা চেইন অব কমান্ড ভেঙেছে আর তার দলের এক সদস্যের দিকে আঙ্গুল তুলেছে যে কিনা আমেরিকার মেরিন সেনা
অথচ সে নিজেই মাথা ঘুরে না পড়ে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় দৌড়াতে পারে না
- ব্রাভো কোম্পানিতে এগুলা কী ভুজুং ভাজুং শুরু হয়েছে, ম্যাথিউ? - কর্নেল, আমাদের একান্তে এই ব্যাপারে কথা বলা দরকার।
সেটার কোন দরকার হবে না, কর্নেল। আমি ব্যাপারটা সামলাতে পারব, স্যার।
যেভাবে তুমি কার্টিস বেলকে সামলেছিলে? আমার মুখের উপর কথা বলবে না, লেফটেন্যান্ট!
No comments yet. Be the first to leave one.