Before the Devil Knows You're Dead

Before the Devil Knows You're Dead

Download Bengali Subtitle

Release info

Before The Devil Knows You're Dead (2007) Bluray Bangla Subtitle
A Commentary by Nurullah_Mashhur
🔶🔴২০০৭ এ মুক্তিপ্রাপ্ত ক্রাইম থ্রিলারধর্মী চমৎকার মুভিটি উপভোগ করুন মাতৃভাষায়। সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে রেটিং এবং ফিডব্যাক কাম্য। প্রিন্ট: ব্লুরে। রানটাইম: 01:56:43. সাবটাইটেল ফাইলের সাথে ডাউনলোড লিংক দেওয়া আছে। হ্যাপি ওয়াচিং। 🔴🔶

Tags

BluRay
Published on: 2020-09-18
Downloads: 39
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 200 lines.

ওহ, ঈশ্বর।

আচ্ছা, কী হয়েছে?

- আমরা এক বৃদ্ধ দম্পতি। - উম-হুম।

এটা কি পট ছিল?

মনে হয় না, কারণ এটা আমরা নিউইয়র্ক থেকে আমাদের সাথে করে নিয়ে এসেছি।

- হুম। - একই।

ওটা কী ছিল...

ওই পুরনো মুভিটা যেন কী ছিল?

ওই যে, Blame it on Rio.

হুম, এটাই, এটাই।

আমার হৃদয় ছুঁয়ে দেখো।

ডিনারের আগ পর্যন্ত টিকবে তো?

ডিনারের পর।

ওহ, ঈশ্বর।

ঈশ্বর, এভাবেই আমি বেঁচে থাকতে চাই।

হুম।

আমার ইচ্ছা হয়, আমাদের বাকি জীবনটা ব্রাজিলে

কাটিয়ে দেওয়ার মতো যথেষ্ট টাকা যদি থাকত।

ভেবে দেখব।

আচ্ছা।

মন খারাপ করে দিলাম?

- হুম। - হুম।

এই, ময়না।

কোথায় হারালে?

নিজেকে এভাবে কষ্ট দিয়ো না।

সবকিছু সুন্দর।

সবকিছু সুন্দর।

উম্ম-হুম।

হুম।

এখানে থাকলে নিজেকে বিধ্বস্ত মনে হয় না, এটুকুই।

MAY YOU BE IN HEAVEN HALF AN HOUR...

BEFORE THE DEVIL KNOWS YOU'RE DEAD

- শুভকামনা। - একটু পর দেখা হচ্ছে।

আই লাভ ইউ।

ওকে...

কিচ্ছু ছোঁবে না। কোনো কথা বলবে না। পিছিয়ে দাঁড়াও।

লাইটগুলো অফ করো। অফ করো।

তুমি কি... এলার্মের কথা ভুলেও ভেবো না।

কোনায় গিয়ে দাঁড়াও।

টাকাগুলো কি এখানে? খোলো এটা। খোলো এটা!

তাড়াতাড়ি। এখানে দাঁড়াও। এখানে দাঁড়াও। গুলি খেতে চাও না-কি?

খোলো এটা। খোলো এটা!

কোনায় গিয়ে দাঁড়াও। কোনায় গিয়ে দাঁড়াও। হাত নিচে রাখো।

হাত নিচে রাখো।

ঠিক আছে?

এদিকে এসো। এদিকে এসো যেন তোমাকে দেখতে পাই।

এদিকে এসো। কোনায় গিয়ে দাঁড়াও। এদিকে এসো।

হাত নিচে রাখো। হাত নিচে রাখো।

ওহ, ধ্যাত! এগুলোই আছে শুধু?

আমি দেখছি কিন্তু! এলার্মের কাছ থেকে দূরে থাকো, ঠিক আছে?

ধ্যাত্তেরি, ফালতু জিনিসপত্র... কোনায় গিয়ে দাঁড়াও আবার।

কোনায় যাও... কোনায় গিয়ে দাঁড়াও!

ঠিক আছে, দুই হাত দুই পাশে নিচে নামিয়ে রাখো। আমি তোমার ওপর নজর রাখছি।

গুলি করে দেবো কিন্তু। মুহূর্তের ভেতর গুলি করে দেবো।

ফালতু জিনিস সব।

হীরা।

এই তাকের চাবি কোথায়?

চাবি... চাবি কোথায় এই তাকের?

- ড্রয়ারে। - চুপ থাকো, ঠিক আছে?

এগুলো? নড়বে না একদম।

নড়বে না।

কী ব্যাপার, সবগুলো একই না-কি?

একই?

শালী হারামজাদী।

আমি নজর রাখছি কিন্তু।

কোন বালের চাবি... কোন চাবি... ধ্যাত্তেরি!

কাহিনী কী...

এটা কেমন কাঁচ...

এই কাঁচের সমস্যা কী?

ধুর...

ধ্যাত্তেরি।

বাল...

ধ্যাত, না।

খানকি মাগি, মারা খা শালী।

বাল।

আমার বন্দুক।

ধ্যাত! অ্যান্ডি!

হ্যাঙ্ক, এত্ত গাধা তুই!

শালা অ্যান্ডি!

ধ্যাত।

হেই, চারটার মধ্যে দুটো। তোমার ব্যাটিং এভারেজ .৫০০।

না, বাবা, দ্বিতীয় শটটা বাতাসে ভেসে ছিল...

- না, না। একদম পারফেক্ট শট ছিল। - চমৎকার খেলেছ, সোনা।

- ভালো খেলেছ। - কয়টা আছে?

হুম, আরেকটা করে খাবে কে?

আঙ্কেল অ্যান্ডি, আমি আরেকটা হট ডগ খেতে পারি?

হুম, আজকে যে খেলা দেখিয়েছ, তাতে তোমাকে পুরো দোকান কিনে দেবো।

না, ওর মা ওর জাঙ্ক ফুড খাওয়া পছন্দ করে না।

এটা জাঙ্ক ফুড না। স্রেফ একটা হট ডগ, তাই না, ময়না?

বিল কত হয়েছে?

হেই, হ্যাঙ্ক, তোর টাকা দিতে হবে না।

না, সমস্যা নেই।

- আমি দিচ্ছি। - তুই শিওর?

- দারুণ ম্যাচ ছিল। - হুম।

হেই, একটা চুমু দাও। চুমু দাও।

- ঠিক আছে। আগামী উইকেন্ডে দেখা হবে। - আই লাভ ইউ।

ঠিক আছে, লক্ষ্মী হয়ে থেকো। এই নাও তোমার বল।

- তুমি ওকে জাঙ্ক ফুড খাওয়াওনি তো? - না, অবশ্যই না।

আমি চাই না ওর ভেতর আজেবাজে খাবার খাওয়ার বদঅভ্যাস গড়ে উঠুক।

- ও মুটিয়ে যাচ্ছে। - ও মুটিয়ে যাচ্ছে না।

- তুমি মুটিয়ে যাচ্ছ। - মারা খাও।

- ও সানব্লক ক্রিম দিয়েছিল? - আজ মেঘাচ্ছন্ন ছিল, মার্থা।

তবুও সূর্যের রশ্মি তো আছে, হ্যাঙ্ক। হেই, আমার টাকা এনেছ?

ওহ, ক্রাইস্ট, মার্থা। ওই স্কুলের পেছনে আমার কত খরচ যাচ্ছে তোমার কোনো ধারণা আছে?

তুমিই তো ওকে ওখানে ভর্তি করতে চেয়েছিলে।

হুম, কারণ এটা একটা ভালো স্কুল আর ও ওখানে পড়তে চেয়েছিল।

- তোমার কাছে আমি তিন মাসের টাকা পাওনা। - তুমি আমার কাছে পাওনা না।

- ড্যানিয়েল পাওনা। - অত শব্দের ভুল ধরো না।

- বাই। - এপ্রিল, মে আর জুন।

না, আমি কথা দিচ্ছি, ঠিক আছে?

কী খবর, হ্যাঙ্ক?

ফালতু জিনিস!

মারা খাও। তোমার সেলফোনটা দিবে একটু?

আমার ফোন নেই।

- শুধু... - এটা ব্রেইন ক্যান্সার ঘটায়।

বাথরুমের পাশে একটা পে ফোন আছে।

থাক, পরেও করা যাবে।

তোর দিনকাল কেমন যাচ্ছে?

আগে ভাবতাম পুরো পৃথিবী তোর বিচির তলায় আছে।

এখন তো সন্দেহ হচ্ছে তোর আদৌ বিচি আছে কি না।

প্রয়োজনের সময় ঠিকই আছে, ওকে?

হুম।

হুম, চালাক, মজার।

তোর যে ব্যাপারটার আমি সবসময় প্রশংসা করতাম, তোর বুদ্ধি।

- তুমি একটা হারামী, অ্যান্ডি। - সবসময়ই ছিলাম।

- তো, দেখা যাক কিছু বাকি আছে কি না। - কী?

Cojones.

বেশ, তোর টাকার দরকার। আমারও। চল এটার সমাধান খুঁজি।

- কীসের ব্যাপারে কথা বলছ? - বেশ, আমাদের হানা দেওয়ার মতো একটা জায়গা আছে।

হাতের তালুর মতোই চেনা। সবচেয়ে আরামসে টাকা পাওয়ার উপায়।

কী বলছ?

প্রায় ৬ লাখ ডলার সমমূল্যের।

আর এটা বীমা করা। তাই এটা ভিক্টিমবিহীন অপরাধ।

তোর বিবেক যদি আবার নাড়া দিয়ে বসে তাই বললাম।

আমার মতে ২০ শতাংশ করে দাম পাবো।

তাতে প্রতিটায় আসবে ৬০ হাজার ডলার।

কিছু কম বা বেশি।

বিশ্বাস করতে পারছি না তুমি কথা বলছ।

বিশ্বাস কর।

তো, এটা নিরাপদ, কারো ক্ষতি হবে না, সবারই জিত। একদম পারফেক্ট।

কেন?

মানে...

- তোর টাকা দরকার? - অবশ্যই আমার টাকার দরকার। কিন্তু এটা...

এটা একটা গুরুতর অপরাধ, অ্যান্ডি। আমি কোনো গুরুতর অপরাধ করার মতো মানুষ নই। আমার একটা সন্তান আছে...

তোর বাল আছে।

বিশাল বড় বালের আঁটি আছে। নিজেকে নিজে এসব বলে স্বান্ত্বনা দিস।

সবসময়। প্রতিদিন।

আসলে কী জানিস? যেমনটা ভাবছিস এটা তেমন গুরুতর কিছু না।

তুই আমার ছোট ভাই। আমার ওপর বিশ্বাস রাখ।

ঈশ্বর, অ্যান্ডি।

এ কারণে আমাকে ডেকেছ?

এ কারণে আজ রাতটা একসাথে কাটাতে চেয়েছ,

- এই পাগলামোর কথা বলার জন্য? - এ কারণেই তোকে ডেকেছি।

পাগলামোর কথা তোকে বলার জন্য।

আচ্ছা, জায়গাটা কোথায়?

না, তুই কথা না দেওয়া পর্যন্ত আর একটা শব্দও বলব না।

ধ্যাত।

ঠিক আছে।

তো, তোর বউ কেমন আছে?

হেই, হ্যাঙ্ক।

হেই, আমার একটা অ্যাপয়েন্টমেন্ট আছে।

- একটু পরেই ফিরছি। - অবশ্যই। আজ তো বৃহস্পতিবার।

- তুমি আগেভাগে চলে এসেছ। - বেশ...

জানোই তো আমার ব্যস্ততা কেমন।

আমাকে শুধু বলো তুমি এটা ভেবে দেখবে।

কিন্তু আমি এ ব্যাপারে ইতোমধ্যে ভেবে দেখেছি। আর আমি সিদ্ধান্তে এসেছি...

যে তুমি একটা পাগল।

তোমার সাথে আমি কোথায় যাবো?

মানে, তোমাকে তোমার সন্তান সামলাতে হবে।

ড্যানিয়েলের স্কুল, বাসা ভাড়া...

- বন্ধক... - কাম অন।

- ...তুমি গলা পর্যন্ত ঋণে ডুবে আছো, হ্যাঙ্ক। - আমি এগুলো সব সমাধান করতে পারব। জানি আমি পারব।

কখন একটু বাস্তবতা বুঝতে শিখবে, হ্যাঙ্ক?

আমাদের সম্পর্ক বেশ ভালোভাবে চলছে,

আর তোমার এটা উপভোগ করে যাওয়া উচিত।

আমরা বিছানায় খুব ভালো সময় কাটাচ্ছি। আমার আর কিচ্ছু চাই না।

আমি তোমাকে ভালোবাসি। আমি আরও বেশি চাই।

অলিভার টুইস্টও তা চাইত।

আরেকবার করতে সাহায্য করব?

না-কি তোমার সত্যি, সত্যি, সত্যিই কাজে ফিরে যেতে হবে?

হাহ?

"এই দুঃসময়ের ভার আমাদের সবার বইতে হবে।"

"মুখস্থ বুলি নয়, বরং মনের কথা বলতে হবে।"

"পুরনোরা বহন করেছে সবচেয়ে বেশি দুঃখ।"

"আমরা যারা নবীন তারা না দেখব এত কিছু,"

"না বাঁচব এত দিন।"

সাবাশ! সাবাশ!

দারুণ অভিনয় করেছ। তোমাকে নিয়ে আমি ভীষণ গর্বিত।

চমৎকার পারফর্ম করেছ।

তোমার দাদু আর আমি দুজনেই দারুণ উপভোগ করেছি।

এক্সকিউজ মি, দুঃখিত। আমাকে... আমাকে তোমার অটোগ্রাফ নিতে হবে।

- বাবা, না। - কী, তুমি দারুণ অভিনয় করেছ।

- না, থামো। - কী?

- আমি কিছু লাইন গুলিয়ে ফেলেছিলাম। - না, একদম না। আমি তো ধরতেই পারিনি।

- তুমি ধরতে পেরেছিলে? - একদমই না।

সোনা, তুমি দারুণ করেছ। দাঁড়াও, কী?

মা, এই উইকেন্ডে আমি দ্যা লায়ন কিং দেখতে যেতে পারি?

- একটা ক্লাস ট্রিপ হচ্ছে, সবাই যাচ্ছে। - তোমার বাবাকে জিজ্ঞাসা করেছ?

- আমি যেতে পারি, বাবা? - হুম, অবশ্যই। আমি কিছু টাকা ব্যবস্থা করেছি।

আচ্ছা, ১৩০ ডলার লাগবে।

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left