The first 200 lines.
Name: Kaithi(2019) অনুবাদ আয়োজনেঃ Team BSMBD
অনুবাদ অংশগ্রহনেঃ ★নাজমুল হাসান ★আবু বকর ★এ.বি মিনহাজ ★আর.জে শুভরাজ ★রাকিব এস.কে
এরা সবসময় একই চ্যানেল দেখে।
- চ্যানেল কখনই পাল্টায় না! - যথেষ্ট হয়েছে।
- এই খাবারের একটুও অপচয় করবে না, ঠিক আছে? - এই যে।
পেছনের তোমরা শান্ত থাকো।
- আমুধা! - এটুকুই হবে নাকি আরেকটু লাগবে?
আমুধা!
- ম্যাডাম? - এখানে এসো।
প্লেট রেখে যাও, আমি ধুয়ে নেবো।
ওখানে রেখে দিয়ে এদিক এসো।
আজ রাতে বেশি খেলাধুলা কোরো না।
তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে যেও, ঠিক আছে?
- কেন? - আগামীকাল বিশেষ একজন আসবে...
তোমার সাথে দেখা করতে।
- আমার সাথে দেখা করতে? - হ্যাঁ।
উনি কে, ম্যাডাম?
কাল ঘুম থেকে উঠেই জানতে পারবে, যাও ঘুমিয়ে পড়।
সাবধানে খেলবে, নয়ত পড়ে গিয়ে ব্যথা পাবে।
বোন, যদি বাবা-মা কেউ না'ই থাকে তাহলে আমাকে দেখতে আর কে আসতে পারে?
বাবা-মা ছাড়াও চাচা বা মামারা আসে।
সাথে তাদের স্ত্রীরাও, মানে চাচি, মামী। তারাও আসে।
শোন, বলতে ভুলে গিয়েছিলাম।
সবার কথা বলেছিলাম, কিন্তু, তোর দাদা-দাদীও তো আসতে পারে?
কাল ওরা যখন দেখা করতে আসবে তখন কিছু সুন্দর পোশাক পরে নিস।
- তোর কাছে আছে না? - হ্যাঁ, আছে।
আপনার হাত নরম করুন।
- এগুলোও হিসেব করো। - ঠিক আছে।
শান্ত হন!
- হিসেব করে কন্টেইনারটি খালি করো। - ঠিক আছে।
স্যার?
স্যার?
আমরা একটা গুদাম ঘর ভেঙেছি।
সেখানে ১০০% বিশুদ্ধ কোকেন লুকান ছিল, স্যার।
- কত কিলোগ্রাম ছিল? - এক টনের কাছাকাছি, স্যার!
৯০০ কিলোগ্রাম।
যার মূল্য অবশ্যই ৮০০ কোটির বেশি হবে।
নিঃসন্দেহে, সবচেয়ে বড় মাদকের চালান আটক করা হয়েছে।
বন্ধুরা!
জানি না, এই মাদকের চালান আটকের জন্য সূর্যদয়ের আগেই কতো মানুষের জীবন যাবে।
নারায়ণ অথবা ওপিজি প্রধানের কাছ থেকে আদেশ না পাওয়া পর্যন্ত এই ব্যাপারে যেন কেউ কিছু না জানে।
- এমনকি তোমাদের পরিবারের সদস্যরাও না। - জ্বি, স্যার!
শুধু থিরুর মোবাইল খোলা থাকবে!
- শুধু তার সাথেই যোগাযোগ করা হবে। - জ্বি, স্যার!
আমার নাম্বার ছাড়া অন্য কোনো নাম্বারের ফোন ধরবে না।
- জ্বি, স্যার! - ঠিক আছে।
আনবু...! বিশ্বাস করুন, আনবু!
গাড়িটা গেট পার হবার সাথে সাথেই সিগন্যাল দিয়েছিলাম।
আমার কোনও দোষ নেই। পুলিশ ওখানে কীভাবে গেলো জানি না, আনবু।
- শোন, আমার পুরো কার্গো ধরা পড়েছে! - আমি জানি না...
আর তুই পাগলের প্রলাপের মত একই কথা বারবার বলে যাচ্ছিস।
যাকে খুশি জিজ্ঞেস করুন, আনবু!
স্বীকার করে নে!
- আমি তোকে ছেড়ে দিব। - আমার ছেলের কসম খেয়ে বলছি, আনবু।
জানিনা, কীভাবে সব গড়বড় হয়ে গেলো।
বিশ্বাস করুন, আনবু!
গাড়ি পার হবার সাথে সাথেই সিগন্যাল দিয়েছিলাম।
বিশ্বাস করুন, আনবু!
আমাকে কিছু করবেন না, আনবু!
আমার কোনো দোষ নেই, আনবু।
বিশ্বাস করুন, গাড়ি পার হবার সাথে সাথেই সিগন্যাল দিয়েছিলাম।
আনবু কি ওখানে আছে?
- ভাই, উনাকে বল না! তোরা তো সেখানে ছিলি, তাই না? - আনবু!
তুই উনাকে বল না ভাই! প্লিজ!
তার সাথে কথা বলো।
কে?
এসব কী হচ্ছে? সব কোকেন হারিয়ে হতাশ হয়ে পড়েছ মনে হচ্ছে?
কে আপনি?
আমি জানি তোমার কোকেন কোথায় আছে।
তুমি আদাইকালামের ছোট ভাই, তাই না?
আমাকে তোমার বড় ভাইয়ের সাথে কথা বলতে হবে, ব্যবস্থা করে দাও।
তিনি কথা বলবেন না, আপনার কোনো লেনদেন থাকলে আমাকে বলুন।
কসম খেয়ে বলছি, জানিনা, পুলিশ কীভাবে ওখানে গিয়েছিল।
প্লিজ ভাই, আমাকে ছেড়ে দিন। আমি কোনো ভুল করিনি।
তোমার কোকেন কোথায় আছে আমি সেটা বলব,
পুলিশ যাতে সমস্যা না করে, সেটা নিশ্চিত করতে কোকেনের বিশ কেজি দিতে হবে।
বাজারে ২০ কেজির দাম কত সে ব্যপারে কি আদৌ কোনো ধারণা আছে?
আমি জানি না ২০ কেজির দাম কত,
তবে আমি ৯০০ কেজির দাম ঠিকই জানি।
আমি একা একা এসব করতে পারব না।
মাদক বিভাগ, বন বিভাগ, মহাপরিদর্শকের কার্যালয়!
সবাইকে সামলাতে হবে।
আমার জন্য অনেক ঝুঁকি আছে।
অনেক লোককে ঘুষ দিতে হবে।
যদি বিশ কেজিতে রাজি হও তাহলে আমরা কথা বাড়াতে পারি।
উনাকে বল, ভাই!
দয়া করে, বল।
ভাই, গাড়ি পার হবার পর সে সিগন্যাল দিয়েছিল।
- হ্যাঁ, আমি দিয়েছিলাম। - সত্যিই?
সে সিগন্যাল দিয়েছিল?
বিশ কেজির চিন্তা করবেন না। আপনি যা চান নিয়ে নিবেন।
তবে আমার মাদকের-চালান যারা আটক করেছে, সেই হারামজাদাদের পরিচয় লাগবে।
তাদের আজ রাতেই মরতে হবে।
আদাইকালামের এলাকায় আসার পরিণতি একজন পুলিশকে অবশ্যই ভোগ করতে হবে।
পুরো পুলিশ বাহিনীকে ভোগ করতে হবে।
আশপাশের কেউ ফোন ধরছে না, আনবু।
বসের মোবাইলও বন্ধ বলছে।
আমার ভাই এখনও না আসা মানে কিছু একটা হয়েছে।
পল পান্ডি, সবাই কি আইজির গেস্ট হাউজে পৌঁছেছে?
এখনও পৌঁছায়নি, স্যার।
তারা একজন একজন করে আসছে। জ্বি, স্যার।
কারো রাতারাতি কোটিপতি হবার বিষয়টা কি বিশ্বাস করো?
জ্বি, স্যার! আমি এখন বুঝতে পারি, স্যার।
এটাই সেই রাত।
যদি সব ঠিকঠাক করো, তোমার সারা জীবন পাল্টে যাবে।
এক ইঞ্চি গড়মিল হলেই ওরা তোমাকে আর তোমার পরিবারকে শেষ করে দিবে।
- সাবধান থেকো। - বুঝতে পেরেছি, স্যার! কোনো গড়মিল হবে না।
- কী? - এক মিনিট।
তোর সমস্যাটা কী?
একবারে কথা কানে যায় না?
কেন বারবার ফোন করে বিরক্ত করছিস?
বিজয়, দলনেতা।
তার দলে চারজন লোক আছে।
থিরু, সুধাকর, জোসেফ এবং কুমারান।
সকাল হবার আগেই আমি ওই পাঁচজনকে মেরে ফেলব।
তাদের সবার তথ্য আমাকে দিন! হ্যালো?
হ্যালো? শুনতে পাচ্ছেন স্যার, হ্যালো?
শুধু পাঁচজনকে মারলেই হবে না।
- কী? - তোমার দলে একজন গুপ্তচর আছে।
- অসম্ভব, তাদের সবাই... - সে দলেই আছে!
তাদের একজন দুই বছর যাবত বিজয়কে তথ্য দিচ্ছে।
এভাবে বিরক্ত করার মানে কী?
স্যার, স্যার, স্যার!
তাদের সম্পূর্ণ কোকেনের পরিমাণ ৯০০ কেজি।
"ভূত" সম্পর্কে কোনো তথ্য পেয়েছ?
আমি বলছি একটা, আর আপনি বলছেন আরেকটা।
আমার দেয়া তথ্যের কারণে তারা অযথা এক লোককে মেরে ফেলেছে।
আমার শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে! ভয় হচ্ছে স্যার, মনে হয় ধরা পড়ে যাব।
- আমার কথা শোনো, এজাজ! - আমি এসব আর করতে পারছিনা।
- আমি নিকটস্থ কোনো থানায় আত্মসমর্পণ করব। - আরে, বোকা!
এসব কি তোমার জন্য নতুন নাকি?
তুমি ২৬ মাস ধরে গোপনে কাজ করে যাচ্ছ।
তুমি কি কখনও আদাইকালামকে দেখেছ?
কেউ কি জানে সে আসলে দেখতে কেমন?
জানে না, তাই না? আমরা ৯০০ কেজি আটক করেছি।
এবার নিশ্চয়ই সে সবার সামনে আসবে।
এটাই শেষ সুযোগ, এজাজ!
আমরা আজকের এই রাতের জন্য দুই বছর যাবত কাজ করে যাচ্ছি।
- জানো, কতজন পুলিশ মারা গিয়েছে? - স্যার...
- প্লিজ, আমার কথা শোনার চেষ্টা করুন। - শুনো, এজাজ!
খুঁজে বের করো লোকটা কে?
এত তাড়াতাড়ি কীভাবে সম্ভব?
তাদেরকে অবশ্যই চিহ্নিত করা লাগবে, আর জিজ্ঞাসাবাদ করা লাগবে।
এটা এত সহজ নয়।
এই ব্যাপারে কোনো ভুল করা যাবে না, কী বলো তুমি?
হ্যাঁ, ঠিক বলছেন। পালের গোদাকে খুঁজে বের করুন।
আমি তাকে দুই টুকরো করে ফেলব।
ওই, ফোন করে দেখ সে কি শংকরের আস্তানায় আছে কিনা।
- জ্বি, ভাই। - গতকাল যারা এসেছিল তাদের কাউকে বাদ দিবি না।
- সবাইকে এক্ষুণি এখানে নিয়ে আয়। - কিছু লোক বাইরে গেছে, আমরা তাকে বের করব।
দয়া করে বুঝার চেষ্টা করুন, স্যার।
- প্লিজ, স্যার... - এজাজ!
আমরা জানা প্রয়োজন ওখানের কী অবস্থা।
যখনই সুযোগ পাবে আমায় রিপোর্ট করবে, এটাই আমার আদেশ।
সত্যি বলছি আমি পারছি না...
আমি তোমায় পরে ফোন দিবো, জান।
- সাম্পাথ..! - বল, আনবু!
আমাদের মাঝে একজন পুলিশ আছে।
তোর কি কাউকে সন্দেহ হয়?
না, আনবু!
- সেরকম কেউ এখানে নেই। - কেউ একজন আছে।
সে আমার খেয়ে আমার উপরই গোয়েন্দাগিরি করছে।
- আমরা কী করব? - আজ রাতে আমাদের গ্যাং এর সবাইকে ডাক।
আমি সেই পাঁচ পুলিশের ব্যাপারে জানি।
আমাদের আজ রাতেই তাদের মাথার খুলি পুলিশ স্টেশনে পাঠাতে হবে।
ঠিক আছে, আমি দেখব বিষয়টা।
- হেই চান্দ্রা! - বল, সাম্পাথ!
- সবাইকে জড়ো কর! - দাঁড়া, আমি কাজটা শেষ করি!
ফেলে রেখে এখানে আয়।
দ্রুত কথা বলা দরকার! এদিকে আয় সবাই।
এই রোডে কি 'টিএন-৪৫ ক-৯০৭২' নাম্বারের কোনো বাদামী কন্টেইনার গিয়েছে?
এক মিনিট।
হ্যাঁ, গিয়েছে স্যার!
- কয়টার দিকে গিয়েছে? - সন্ধ্যা ৭টায়।
থামো, থামো।
মোটেল কেসের ফাইলটা কোথায়?
ইন্সপেক্টর স্যার সকালে সবার আগে এটাই খুঁজবে, এটা কি আছে?
আমি সব পূরণ করে দিয়েছি, আপনি একবার দেখে নিন।
ঠিক আছে, আমি দেখে নিব।
- আমি যাচ্ছি, স্যার। - ঠিক আছে।
নমস্কার, স্যার।
আমার নাম নেপোলিয়ন, আমি তিরুনেলভেলি জেলা থেকে আসা কনস্টেবল।
আমাকে মিঃ ম্যানিক্যাভেলের সাথে দেখা করতে হবে, আমি আজই এখানে বদলি হয়েছি।
জানতে হবে, আমাকে কোন থানায় বদলি করা হয়েছে।
- অহ, আপনিই সেই লোক, উনি আপনার কথা বলেছেন। - জ্বি।
- এই রাতে কেন এলেন? - ভাবিনি এতো দূরের পথ হবে, স্যার।
আমাকে কি কালকে থেকে ডিউটি করতে হবে?
আরে, তুমি আবার কে?
থানার ভিতর লোকদের চড় মারছ।
- তোমার বোন নাকি? - ঠিক ধরেছেন!
হাসলে আমি তোদের দাঁত ভেঙ্গে দিব।
তোরা শিক্ষার্থী হওয়ায় তোদের সাথে ভদ্র ব্যবহার করছি।
- স্যার? - কী?
ওরা আমার কলেজের, আমার বন্ধু।
- ওদেরকে নিতে এসেছি। - নিতে এসেছ?
এটা কি স্কুল নাকি? জানো, ওরা কী করেছে?
রেলওয়ে প্লাটফর্মে মাতাল অবস্থায় জোরে গান বাজিয়ে নাচানাচি করছিল।
কন্ট্রোল রুম থেকে অভিযোগ পেয়ে আমি ওদেরকে এখানে নিয়ে এসেছি।
বসো, ইনস্পেক্টর এলে ওনার সাথে কথা বলবে।
- সে ইন্সপেক্টরকে চেনে, স্যার। - সবাই এই কথাই বলে। বসো।
No comments yet. Be the first to leave one.