The first 200 lines.
পরুর....
পরুর....
স্যার, পরুর?
পরুর...
চেন্নাইয়ে নতুন জীবনের অন্বেষণে আসা লোকগুলোর পরিস্থিতি ওই পিষ্ঠ হওয়া বোতলটার মত হয়।
ম্যাডাম, কোথায় যাবেন, পরুর? হ্যাঁ, ভাইয়া
উঠে পড়ুন, ম্যাডাম। আমরা পাঁচজন আছি।
গাড়িতে পর্যাপ্ত জায়গা আছে। ওকে, ভাইয়া।
ভাই, একজন সামনে এসে বসুন।
আমি?
হ্যাঁ, তুমি আসো।
উঠুন, ম্যাডাম।
উঠুন।
একটু অ্যাডজাস্ট করে বসুন, ম্যাডাম।
গীতা আসবে না? বলেছিল বাসে করে আসবে।
লোকটা তো তার অফিসে অনেক মেয়ে দেখে।
চাইলেই সামনে এসে বসতে পারত।
আপনি কোথায় যাবেন? ভালাসারাভাক্কাম
২০ টাকা লাগবে।
যাবার পর চিল্লাফাল্লা করতে পারবেন না।
চেন্নাইয়ে আসার পর আমি অনেক বদলে গেছি।
কিন্ত, গ্রামে আমি এক অন্য মানুষ ছিলাম
হেই, একটু সাহায্য করতে পারিস না?
একটা নতুন রিমোট কিনতেই হবে।
পা দিয়ে তো ভালোই কাজ চালাচ্ছিলি
ওটা দিয়েই চ্যানেল চেঞ্জ কর।
শিভাগামী....
উপদেশ দেবার সময় যদি এভাবে ধমক দিলে ছেলেটা কীভাবে লাইনে আসবে?
শহরে গেলে একটা রিমোট কিনে নিয়ে এসো, বাবা।
ঠিক আছে।
তোর বন্ধু এসে গেছে।
বাবা, আমি শহরে যাচ্ছি।
নিজেই কিনে নেব।
২০০ টাকা দাও আমায়।
নাও, বাবা।
আসছি, একটু দাঁড়া।
আসছি বলার পরে বারবার হর্ণ বাজাচ্ছিলি কেন?
পোলাপান ফোন করেই যাচ্ছে। চল।
পোলাপান ফোন করেই যাচ্ছে। চল।
আমার একটা সম্মান ছিল।
আমি থাকলে বন্ধুরা উন্মাদের মত আচরণ করতো।
সবসময় আমরা মারপিটের জন্য প্রস্তুত থাকতাম।
যদি কেউ আমার সামনে মেজাজ দেখিয়ে কথা বলতো...
একটাকেও ছাড়বি না, সারভানান
মেরে ভূত বানিয়ে দে।
গুষ্ঠি উদ্ধার করে দে।
যদি সাহস, মনোবল, দ্বন্দের মানসিকতা একসাথে থাকে
তাহলে এখানেও আমাকে খুঁজে পার।
স্বাক্ষর করে ভেতরে যাও, সারভানান
এখানে আমি ছাড়া আরে কে আসে?
ঠিক বলেছ...
ঠিক বলেছ...
কিন্ত, যদি তুমি স্বাক্ষর না কর, লাইব্রেরী বন্ধ হয়ে যাবে...
....উদাহরণ হলো দর্শনার্থীর অভাব তাইতো?
"মারমা ভিদাই" এর ২য় সংস্করণ এসেছে?
দুইদিনের মধ্যে আসবে।
"গ্রন্থাগারিকের মনস্তত্ত্ব"
"গ্রন্থাগারিকের মনস্তত্ত্ব"
ধরো তুমি একটা নির্দিষ্ট বই লাইব্রেরীর তাক থেকে নিয়ে...
....অন্য তাকে রেখে দিলে
পরে, যদি লাইব্রেরীয়ানকে সেই বইটা খুঁজে দিতে বল...
স্যার, যে বইটা নিয়ে গিয়েছিলাম সেটা অন্য এক তাকে রেখে দিয়েছি।
পারলে খুঁজে বের করে দেখান।
আমি কাজ করছি।
আসুন, স্যার।
খুঁজে পাচ্ছিনা।
উনি শুধু সম্পৃক্ত তাকগুলোতেই খুঁজবেন।
তার চিন্তা আর হাত অন্য তাকের দিকে যাবে না।
কী?
একমিনিট
এটা পড়ুন।
তুই খুব কৌতুহলী।
তারমানে?
দেমাগ? - দেমাগ নয়।
আগ্রহ বা অনুসন্ধানী এই দুইয়ের মধ্যে একটি।
কিন্ত তুই যে বললি দেমাগ সে কথাটা ভুল।
টেনশন করো না, বাবা।
সবার মত আমিও ধূমপান করার চেষ্টা করছি।
যদি ভালো লাগে, তাহলে চালিয়ে যাব।
তোর জীবন তোর উপরেই নির্ভর।
যতই ছাড়ার চেষ্টা করিনা কেন, কিছু অভ্যাস আমাদের কখনো ছাড়ে না।
আমি ছিলাম ৮ম শ্রেণীতে ফেল্টু মারা ছেলে।
অন্তত ১০ম শ্রেণী পর্যন্ত পড়া উচিত ছিল।
কিন্ত স্কুলের প্র্যাকটিকাল প্রজেক্টসের জন্য...
....এলাকার ছেলেরা আমার কাছে আসতো।
এই আগ্রহটা পড়ালেখায় দেখালে এতদিন গাড়ি-ঘোড়ায় চড়তে পারতি।
সাধারণ জ্ঞান হলো শিক্ষা।
যদি শুধু প্র্যাকটিকাল হয়, তাহলে পড়তে ভালোই লাগে।
তার পরিবর্তে অপ্রয়োজনীয় কিছু বিষয় শেখানোর চেষ্টা করা হয়।
আউড়ে আসা বুলি খাতায় গড়গড় করে লিখে দেয়াটাকে পরীক্ষা বলে।
কীরে, ঠিক বললাম তো? - হ্যাঁ, ভাই।
দোস্ত, এটা দেখ।
কীভাবে গাড়ির দরজা খুলতে হয়!
দেখা আমাকে।
এটা কিন্ত তুই ভুল করছিস, দোস্ত।
এর কারণ হলি তুই। বাদ দে না, সারভানান
আমি কী করেছি?
ওকে শুধু ভিডিওটা দেখিয়েছি।
সারভানান....
এটা কি জরুরী? সারভানান।
কিছু হয়ে যাবে, ভাই। কথা শুনতে পাচ্ছিস না?
প্লিজ আমাদের কথা শোন। -চুপ কর।
কাঁচ ভেঙ্গে ফেলেছে।
হেই...
বাবা তুমি জানো বন্ধুদের সাথে মিলে ও কী করেছে?
-হেই... ও হচ্ছে পুরুষ।
সে যা ইচ্ছা তাই করতে পারে।
তুই ওর ব্যাপারে কিছু বলবি না।
এইসব বলে বলেই ছেলেটাকে নষ্ট করে ফেলেছ।
সারাদিন ও বাড়ির বাইরে থাকে।
আর তুমিও ওকে কিছু বলো না।
চুপ করে আছো কেন?
বাড়িতে কী হচ্ছে সে এব্যাপারে কিছুই জানে না।
কিন্ত বাকিদের জন্য....
একটু ঝোল দাও।
কোন ব্যাপার না।
আমার শরীরটা এখন ভালো যাচ্ছে না।
নিজের খেয়াল রাখিস।
ইমোশনের ফাঁদে ফেলে বাবা-মা আমাকে চেন্নাই পাঠিয়ে দিল।
একবছর হয়ে গেছে আমি চেন্নাই এসেছি।
অনেক চাকরী করেছি। কোনটাই আমার ভালো লাগে না।
যেখানেই চাকরী করিনা কেন, এই নীল শার্টটা পেয়ে যাই।
যেন মেঘহীন আকাশ।
যেন মেঘহীন আকাশ।
এমন চাকরীও করেছি যেখানে শুধু মেশিনের সাথে কথা বলতে পারতাম।
সবসময় ভীড়ে ঠাসা।
কোনকিছুই তার বাহিরে নয়।
বাড়িতে কোনদিন নিজের প্লেট ধুয়ে খাবার খাইনি।
কিন্ত চেন্নাইয়ে এসে জুস বানানোর চাকরী করলাম।
নতুন চাকরীতে ডালিম কাটার সময় নিজের আঙ্গুল কেটে ফেলি।
কিন্ত, আজানাকে জানার ইচ্ছা আমার অনেক প্রবল।
বিগত কয়েকদিনে, আমার হাত, ছুরি আর ফলমূল একে অপরের সাথে বেশ পরিচিত হয়ে উঠেছে।
আমার বন্ধু মনি যে আমার খেয়াল রাখে....
...আর কোন চাকরী নিতে পারেনা তাই কোথায় যেতে পারবে না।
আনাধি সামনের দোকানে কাজ করে যেটা এখন বন্ধ।
-হ্যালো, -বলুন, ভাই।
-শুনলাম পাড়াপ্পাইতে নাকি এক একর জমি জমি আছে।
স্বাগতম, স্যার।
সারভানান, একটা তরমুজের জুস।
-ওকে, ব্যবসাটা ভালোই চলছে।
বসের সাথে দেখা করে কিছু কথা বলতে হবে।
একটা অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে হবে।
২ কোটি টাকাটার কী হলো...
৩০ টাকা দিন।
এই নাও, ভাই।
আগে মন্দিরে জানিয়ে দেব।
সারভানান, খবরটা দেখ।
এটাও দেখ, আর কতবার কল করবি।
শুধু দুইদিন কথা বলিসনি। মেয়েটা কাল এসে যাবে, ছাড়।
খবরটা কী? নয়নতারাকে নিয়ে লিখেছে নাকি?
পড়ে আমাকে বল।
মেরে তোর দাঁত ভেঙ্গে দেব।
তাহলে শেয়ার অটোতে সামনে বসা নিয়ে সকাল থেকে....
... যে পকপকটা করলি
ওই ব্যাপারটা আলাদা।
আনাধি আমার ভালোবাসা।
সবাই তো মেয়ে, তাইনা?
টাঙ্কি মারা আর ভালোবাসার মধ্যে পার্থক্য আছে, মনি।
তুই ওসব বুঝবি না।
You say something and conclude that I won't understand.
কী বললি আর কী বোঝালি কিছু মাথায় ঢোকেনি।
ভাই, একটা চা।
তোর কাস্টমার এসেছে। যা।
দুইমাস হয়ে গেল এখনো বিশ্বাস হচ্ছে না
আনাধি আমার প্রেমে পড়েছে।
ওর সাথে কথা বলতে সঙ্কোচ করতাম।
কারণ হলো তার চোখ!
ভাই, একটা চা।
ভাই,কয়েকদিন ধরে যেখানেই যাচ্ছি কেউ একজন আমাকে ফলো করছে।
তো কি তোমাকে জানিয়ে আমার যাওয়া উচিত?
তুমি বলতে চাও যেখানে আমি যাই দুর্ঘটনাবশত তোমার সাথে দেখা হয়?
না...
শুধু তোমাকে দেখতে যাই।
এই নাও।
মুখের উপর জবাব দিচ্ছিলি কেন?
বাদ দে।
এখন সে জানবে, আমি ওকেই দেখতে যাই।
এখন আমাকে পছন্দ করে কিনা সেটা তার উপর নির্ভর করছে।
আমাকে সে পছন্দ করে কিনা সেটা তার উপর নির্ভর করছে।
ভালোই সামলাচ্ছিস, বস।
দোকানে চিল্লাফাল্লা করছিলে কেন?
নিজেকে কি পায়েল রাজপুত মনে কর?
না।
না।
নিজেকে আমি পায়েল রাজপুত ভাবি না।
যদি তুমি সেটা না ভেবে থাকো, তো।
সারভানান, ওভাবে তাকিও না।
"I saw my love..."
"I felt your fragrance in my heart..."
"I was perplexed whether I'm your's or mine?"
"Come on...my soul, you're my everything..."
"You...the rain drops in the loneliness..."
"You spoke in my silence..."
"I was lost with my conscious..."
"Is this the fever of love?"
"The valiant lass, You roam around my heart,"
"I'm stumbling and getting seduced behind you..."
"You're doing something with your gestures of eyes"
"The valiant lass...oh,"
"The heart beats by the ecstasy which this love grants."
No comments yet. Be the first to leave one.