The first 199 lines.
দক্ষিণ ভারত সহ বিশ্বের যেকোনো ইন্ডাস্ট্রির মুভি সম্পর্কে জানতে ও জানাতে ভিজিট করতে পারেন আমাদের ফেসবুক গ্রুপ Worldwide Blockbuster Movie Freak
অনুবাদ আয়োজনে
অনুবাদ আয়োজনে F
অনুবাদ আয়োজনে MF
অনুবাদ আয়োজনে BMF
অনুবাদ আয়োজনে WBMF
অনুবাদ আয়োজনে M WBMF
অনুবাদ আয়োজনে AM WBMF
অনুবাদ আয়োজনে EAM WBMF
অনুবাদ আয়োজনে TEAM WBMF
অনুবাদে আছেন
অনুবাদে আছেন রফিকুল রনি
অনুবাদে আছেন সাইফুল ইসলাম সাকিব
অনুবাদে আছেন মায়ায ইসলাম
অনুবাদে আছেন মুসাফির মেহদী
অনুবাদে আছেন নিয়ামুল হক আবেগ
সম্পাদনা নিয়ামুল হক আবেগ ও মায়ায ইসলাম
সাবটাইটেলটি উৎসর্গ করছি আসাদুজ্জামান আসাদ ভাইকে।
আয়!
আয়।
নীচে পাথরগুলো বেশ ধারালো। দেখেশুনে পা ফেল।
আমার পিছে পিছে হাঁট।
বাবা ...
বাবা!
আমি আর পানিতে হাঁটতে পারব না।
আমার বোমা ভিজে যাবে।
এনেছিস কেন? তোকে না রেখে আসতে বলেছিলাম।
রেখেই দিয়েছিলাম।
যখন মামা আর তুমি একান্তে কথা বলছিলে ...
মা নিয়ে যেতে বলল।
তার মাতাল স্বামী যে ছেলেকে নিরাপদে রাখতে পারে তা যেন সে মানতেই চায় না।
-এটা ধর। - এটা তার দোষ না।
তুমি সবসময় মাকে দোষারোপ করো।
বাবা,জায়গা খুবই কর্দমাক্ত!
আমাকে হুদাই পানিতে হাঁটাচ্ছ কেন?
আমরা কিনার দিয়েই তো হাঁটতে পারি, ওখানে ভালোভাবে এগোতে পারব।
হ্যাঁ, সেটা তাদের জন্য বেশ ভালই হবে...
যারা আমাদের ধাওয়া করছে।
চুপচাপ হাঁট।
ওটা কি পুলিশের গাড়ি?
পিছে পিছে হাঁট।
চল চল।
গাড়ি থামা।
টর্চটা দে তো।
রাতের বেলা একা একটা ভেড়া জঙ্গলে কী করছে?
গ্রামের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তিকে খুন করা হয়েছে।
হাসপাতালের বাইরে সবাই জড়ো হয়েছিল।
পথঘাট শুনসান হয়ে গেছে।
পথ হারানো মেষশাবকের পরোয়া কেউই করে না।
তাই কেউ খোঁজ নেবে না?
তাদের বুঝতে দিন কতক লেগে যাবে।
স্যার?
নরম মাংস হবে আর তরকারিটা দুর্দান্ত হবে।
ধরে ফেলেছি।
এই হারামজাদাদের হাতেই ন্যায়বিচার বহাল রাখার দায়িত্ব!
একে আমাদের গ্রামে প্রবেশ করতে দেওয়া উচিত হবে না।
যেদিন সে আমার ছেলেকে স্টেশনে মারধর করেছিল সেদিনই ওর গলা কেটে ফেলা উচিত ছিল।
এখন একটু শান্ত হও।
তোমার এই মেজাজই ... তোমার ছেলেকে আবার বিপদে ফেলবে।
ওকে যেতে দে ! একটা সামান্য ভেড়াকেও ধরতে পারিস না ...
আপনি জানেনই না যে, ভেড়ার বাচ্চা ধরতে পারাটাই একজন পুলিশের দক্ষতা।
আমার বউয়ের মতো কথা বলিস না।
ভেড়াটাকে যেতে দে। আর বেশি কথা বলিস না।
স্যার! আমাদের বস আমাদের ছেড়ে চলে গেছে ...
তিনি সবসময় সাথে ১০-১৫ জন লোক নিয়ে ঘুরতেন।
আর সাথে তো একটা বন্দুকও রাখতেন।
তোরা থাকতে এসব কীভাবে ঘটলো?
আমরা দেখতে পাইনি।
ওহ, বলতে থাক।
কারেন্ট চলে যায় আর সে চোখের পলকে চাকু মেরে পালিয়ে যায়।
সে ওখানে পুরোটা সময়ই ছিল। কিন্তু আমরা একদমই সন্দেহ করেনি।
শুনেছি বড় নেকড়ে ছোট নেকড়েকে নিয়ে জঙ্গলে গেছে।
তোমাকে শিকারে যেতে হবে। - তুমি এগুলোর মাংস চাও, না জীবিত?
জীবিত চাই।
ওরা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল।
আর এখন জঙ্গলে আটকে আছে।
আমার ছেলেও এখন জঙ্গলে।
সূর্যোদয়ের আগেই ওই নেকড়ে শাবক তোমার দোরগোড়ায় থাকবে।
চিন্তা করিস না।
আমি পুরো পরিবারকে লকাপে পুরবো।
না, ইন্সপেক্টর।
আমি অভিযোগ দায়ের করতে চাই না। - এটা কোনো মুরগি চুরির ঘটনা না।
তোকে অভিযোগ দায়ের করতেই হবে।
খুনের মামলা।
তুমি অভিযোগ না করলেও, মামলা দায়ের করা হবে।
আপনি এসব থেকে দূরে থাকলেই ভালো।
আমরা কী করব, কীভাবে করব তা আমরা জানি।
আমার বাবার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আগেই -
তোর ওকে মারা উচিত ছিল, আর এখন বসে বসে কাঁদছিস?
তার পরিবর্তে তোর লাফিয়ে মরা উচিত ছিল।
বাবার শেষকৃত্য করার আগেই ওই পরিবারের সবকয়টা ব্যাটাকে হত্যা করব।
তারপর তাদের খুনের দায়ে কারাগারে যাবে?
সেটা তোমাকে মানাবে না।
তুমি এখন যা বলেছো, সব আমি করব।
অফিশিয়ালি।
ওকে শেষ করে তোমার সাথে দেখা করতে আসব।
আচ্ছা, এখন যান।
আমরাও দেখব।
ম্যাডসামি, আজকাল তোমার দেখা পাওয়া যাচ্ছে না ...?
আমি এখন ঘন ঘন জঙ্গলে যাই না। এই জন্যই।
কি ভাবছ আমি জানি না যে তোমার ছেলে জঙ্গলে আছে?
আমি তোমাকে গ্রেপ্তার করতে পারতাম।
ওরা ধরলে তাদের মেরে ফেলবে। আমাদের অবশ্যই তাদের মারতে হবে।
আমি অবাক হয়েছি সে টাকা চাইলো না।
না।
ওর মেয়ের বিয়ের জন্য টাকা দরকার। তাই আমাকে মিষ্টি কথায় ভোলাতে এসেছে।
শালা বাটপার!
তোমার ছেলেকে শিকার শুরু করার নির্দেশ দাও।
মারি!
মারি!
মুরুগেসান! ভেতরে এসো ভাই।
ভাবিনি যে এটা খুনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে।
জানেনই তো কীভাবে আমাদের পরিবার দু'বছর ধরে শোকে আছে।
সে আমাকে মাথাটা এনে দিলে আরও খুশি হতাম।
ঠিক আছে, এখন ওরা কোথায়?
বাবা ছেলেকে জঙ্গলে নিয়ে গেছে। আর আমরা এখানে।
বাড়ির কী হবে? আর খামার?
সব রেখে এসেছি।
আচ্ছা, চলো ভেতরে যাই। ভেতরে এসো।
আস্তে কথা বলো।
মারি, আমি তোমায় গয়নাগুলো দেব।
তুমি কি তা বন্ধক রেখে জঙ্গলে আমার দুলাভাইকে কিছু টাকা দিয়ে আসতে পারবে।
আমার সাথে অজ্ঞাতের মতো কথা বলো না।
আমি সামলে নেব।
এই নাও।
- পানি খাবে? - হুম।
এই নাও, রাখো।
- আচ্ছা, ভাই। - আমি যাচ্ছি।
যেও না, আমাদের সাথে থাকো, মামা।
সোনামণি!
তোমার বাবা আর ভাইকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনতে মামার এখনই যেতে হবে।
- তুমি আমাদের বাড়ি ফিরাতে চাও না? - চাই।
- এখন মায়ের সাথে থাকো। - আমি ভাল থাকব।
লরিটি এখন কোথায় যাবে?
তুমি কোথায় যাবে? আমাকে বলো।
- আমাকে শহরে যেতে হবে। - তিরুনেলভেলি শহরে?
- হ্যাঁ, মন্দিরের পাশেই। - ওটা তো আমার যাওয়ার পথেই পড়বে।
সামনে বসো। তোমাকে মন্দিরের বাইরে ছেড়ে দেব।
ক্ষুধা লেগেছে?
এই নে।
তোর মা খাবার দিয়েছে।
এই সমস্যা সামান্য জমির মালিক ও জমিদারের মধ্যে নৈমত্তিক এক ঘটনা।]
[উত্তর গ্রাম থেকে 'ভাদ্দাকুরান' নরসিমহা দক্ষিণের কৃষিজমি করায়ত্ত করেন।]
[তার ছোট ভাই ভেঙ্কটেশ, সম্প্রতি সিঙ্গাপুর থেকে ফিরে এসে,]
[মাদ্রাজ ভিত্তিক একটি সংস্থার সাথে তাদের জমিতে সিমেন্টের কারখানা চালুর জন্য একটি চুক্তি করেন।]
আমি ১,৬০০ একর বাদ দিতে পারি। তা যথেষ্ট হবে না?
কারখানার সম্মূখভাগের জন্য আমাদের সেই তিন একর দরকার।
আমাদের সেই জমিটা কেনা দরকার।
আমাদের এলাকায় অন্যান্য লোকের চেয়ে আমাদের মর্যাদা বেশি কেন?
কারণ আমরা জমির মালিক। আর তুমি কি সেটা বিক্রি করতে চাইছো?
[তারা মরিয়া হয়ে চিদাম্বরমের পরিবারের মালিকানাধীন তিন একর জমি চাইছে।]
[তার বড় ভাই মুরুগান প্রতিজ্ঞা করেছিল যে তাদের জমি কারও কাছে বিক্রি করবে না।]
এই, মুরুগান ...
কে যেন বলেছিল সে বিয়ে করতে চায় না?
এখন সে হেসে হেসে সাইকেলে করে যাচ্ছে?
বাবা ....
সে বলেছিল সে বিয়ে করতে চায় না।
সে কখনও বলেনি যে সে কনে দেখতে যেতে চায় না।
শুনলে, শালাবাবু?
ওহ, চুপ থাকো!
অবশেষে সে যে কোন কনে দেখতে রাজি হয়েছে।
তাকে রাগিও না, আবার যাওয়া বন্ধ করবে। - ও সত্যিই খুব দ্রুত চালাচ্ছে।
আমরা বলাবলিতে তার কিছুই যায় আসে না।
মনে হচ্ছে আমাদের পৌঁছানোর আগেই সে বিয়ে করে ফেলবে।
দে মা, অতিথিদের দে।
আমার ছেলেটা বদমেজাজি। আমি আপনার কাছ থেকে কিছু গোপন করব না।
আপনার মেয়েই তার মাঝে পরিবর্তন আনতে পারবে।
চলো চিত্রা স্টুডিওতে গিয়ে ছবি উঠিয়ে নিই।
- এই শার্টে ওকে অনেক স্মার্ট দেখাচ্ছে। - না।
আমরা ওর শিশুকালের ছবি তোলার পরে ছয় মাস ও শয্যাশায়ী হয়ে পড়েছিল।
ছবি স্বাস্থ্যের জন্য খারাপ।
- কী? চাবি নিতে ভুলে গেছিস? - হ্যাঁ, বাবা।
যা, নিয়ে আয়।
প্রিয় ভাগ্নে! আমি আমার সময়ে অনেককিছু ফেলে এসেছিলাম।
চাবি ভুলে গিয়েছিলাম।
ভুলে গিয়েছিলাম।
তুমি ভুলে যাওয়াতে খুশিই হয়েছি।
নতুন ঘরের প্রয়োজন নেই।
আমার কিছু টাকা সাশ্রয় হয়েছে। আমরা একটা ফ্যান কিনব।
আমি এত বছর ধরে গরমে ঘাম ঝরাচ্ছি।
এতদিন কি তোর ফ্যান কেনার ইচ্ছা জাগেনি?
এখন ঘরে বউ আসছে, আর সেজন্য ফ্যান কিনতে চাস?
কে আসছে তাতে কিছু যায় আসে না আমার মা'ই আগে এসেছে।
এভাবে কথা বলিস না। মা'ই সবার আগে আসে।
কিন্তু তোর হবু স্ত্রী তোর সাথে থাকতে বাড়ি ছেড়ে আসচ্ছে।
তোর আচরণে বোঝা যাবে, তুই তোর মাকে কতটা শ্রদ্ধা করিস।
ওখানে প্রাচীর খাড়া করে একটা ঘর বানা।
বউকে নিয়ে সুখে শান্তিতে থাক।
- বিরক্ত হচ্ছিস কেন? সবাই একসাথে থাকি। - দাঁড়াও, আরও কিছু খাও!
তুই এখন যা বলছেন। বিয়ের পর বুঝবি তোর বাবা কী বোঝাতে চেয়েছিল।
পাচাইয়াম্মা, আমি জমিতে যাচ্ছি।
- মুরুগান ... - হ্যাঁ, বাবা?
তোর মা তোর শার্ট ধুতে গিয়ে দুটো বিড়ি পেয়েছে।
এমনকি মদও তোর স্বাস্থ্যের জন্য ততটা হানিকারক নয়...
যতটা না তামাক।
কে ওখানে?
মুথু ... তোর বাবা আসেনি?
শরীর ভালো না। তাই বাবা বাড়িতে বিশ্রাম নিচ্ছে।
আমার জমিও ঠিক এখানেই। এটা মনে রাখিস।
No comments yet. Be the first to leave one.