The first 200 lines.
সামনে কি কেউ রয়েছো?
সামনে থাকা ব্যক্তি, তোমার পরিচয় দাও।
বললাম, এক্ষুনি তোমার পরিচয় দাও।
আমি কেউ নই।
তোমার নট দেখাও।
আমার নটের কোনো প্রয়োজন নেই তোমার।
আর সেটা কেন?
ভেবেছিলাম, তাকে মেরে ফেলেছি।
তরবারি সোজা তার দেহ ভেদ করে গেছে।
এই ক্ষতেই সে মারা যেত, তবে বেশ দেরিতে।
আসো, বাছা। এদিকে আসো।
বধ করা ব্যক্তিকে দেখতে হয় না,
অনুভব করতে হয়। হাত আমারটার ওপর রাখো।
এখন চোখ বন্ধ করো। বন্ধ করো।
উপর এবং নিচে চাপ দাও। উপরে।
- অনুভব করলে? - হ্যাঁ।
জেনে রাখো, চিরা এবং বিচ্ছিন্নকরণ।
তুমি এভাবে চিরলে, আমি নিশ্চিত সে মৃতই থাকবে।
S
Se
See
See:
See: S
See: Se
See: Sea
See: Seas
See: Seaso
See: Season
See: Season-
See: Season-0
See: Season-02
See: Season-02:
See: Season-02:[
See: Season-02:[E
See: Season-02:[Ep
See: Season-02:[Epi
See: Season-02:[Epis
See: Season-02:[Episo
See: Season-02:[Episod
See: Season-02:[Episode
See: Season-02:[Episode-
See: Season-02:[Episode-0
See: Season-02:[Episode-01
See: Season-02:
See: Season-02:
See: Season-02: ভা
See: Season-02: ভাবা
See: Season-02: ভাবানু
See: Season-02: ভাবানুবা
See: Season-02: ভাবানুবাদে
See: Season-02: ভাবানুবাদে:
See: Season-02: ভাবানুবাদে: আ
See: Season-02: ভাবানুবাদে: আক
See: Season-02: ভাবানুবাদে: আকতা
See: Season-02: ভাবানুবাদে: আকতার
See: Season-02: ভাবানুবাদে: আকতার হো
See: Season-02: ভাবানুবাদে: আকতার হোসে
See: Season-02: ভাবানুবাদে: আকতার হোসেন
পা-গুলো সোজা করো।
আমাদের কি আরো কোনো সমস্যা হতে চলেছে?
লেফটেন্যান্ট রেন। বন্দীর খোঁজ খবর নিতে এখানে আসলাম।
- রিপোর্ট করার মতো কিছু? - সে ঠিক আছে।
জেনারেল, আপনি শুধু কয়েকদিনের কথা বলেছিলেন, কিন্তু এখন তো প্রায় এক মাস হয়ে এলো।
আর বেশি সময় লাগবে না।
বুঝতে পারছি না, আপনার ওকে এখানে রাখতে হবে কেন।
জানোই তো, আমি ওকে সরকারি বন্দী বানাতে পারবো না।
যদি ট্রায়াংগেল জানতে পারে আপনি একজন দৃষ্টিশক্তি সম্পন্ন বন্দীকে শহরে এনেছেন,
- আমরা দু'জনেই মারা পড়বো। - তোমার কিচ্ছু হবে না।
তুমি শুধুই আদেশ পালন করছো, তাই সেটাই করো। আর কাউন্সিলের ব্যাপারটা আমার উপর ছেড়ে দাও।
রেন, এই বিষয়ে আমি একমাত্র তোমার উপরেই ভরসা করতে পারি।
আপনার আদেশ মান্য করবো বলে বিশ্বাস করেন,
কিন্তু তার পরিচয় কিংবা এখানে আনার কারণটা সম্পর্কে তো বলবেন না।
আমিও আপনার পরিচয় এবং আমায় এখানে আনার কারণ সম্পর্কে জানতে চাই।
আমি… কমান্ডার জেনারেল ইডো ভস।
এবং তুমি তখনি মুখ খুলবে… যখন খুলতে বলা হবে।
তোমার কাজ চালিয়ে যাও, লেফটেন্যান্ট।
তুমি এর বর্মটা সালামত রাখতে পেরেছো।
মনে হচ্ছে এটাতে শুধু চাপ পড়েছিল।
আমার শুধু চেস্ট প্লেটটা লাগবে।
এইযে, তরবারিটা ধরো তো।
কী মনে হয়, ফিট হবে তোমার?
ফিট হতে হবে না। আমায় শুধু ওর গন্ধটা বহন করতে হবে।
বাছা, আমায় একটা তরবারি দাও।
আচ্ছা।
তুমি এবং প্যারিস ৫০ হৃত্স্পন্দন দূরে গাছগুলোর ভেতরে ক্যাম্প করবে।
- পাহাড়ের দেয়ালের প্রতিকূলে... - কীসের কথা বলছো তুমি?
আমি তোমার সাথে আসছি।
না। না, না, না, তুমি আসছো না। তোমাদের দু'জনের একজনকে বের করাটাও কঠিন হয়ে পড়বে।
তাহলে আমরা তাকে কীভাবে খুঁজে পাবো? আমার চোখগুলো প্রয়োজন তোমার।
তোমার চোখগুলো?
বাবা, কী করছো তুমি?
বাবা!
- মারো আমায়। - কী?
বললাম, মারো আমায়।
আমার মতো তারাও তোমার প্রতিটি পদক্ষেপই বুঝতে পারবে।
জীবনভর দৃষ্টিশক্তি থাকাটা তোমায় সরব এবং কদাকার বানিয়েছে।
যথেষ্ট হয়েছে।
কফুন। কফুন।
বাছা আমার।
আমার কথা শোনো।
তোমার মা এবং আমি…
তোমাদের যোদ্ধা হিসেবে নয়, সুদৃশ্য করে বড়ো করে তুলেছি।
আমি চাই না আমার মতো তোমাকেও লড়াইয়ে অবতীর্ণ হতে হোক।
কখনোই ভাবিনি তোমায় আলকেনীদের থেকে দূরে জীবন কাটাতে হবে।
আর আমি তোমায় প্রস্তুত করতে ব্যর্থ হয়েছি।
হয়তো আমি আর ফিরবো না।
তোমায় চোখ বন্ধ করে অন্ধ মানুষের মতো লড়াই করা শিখতে হবে,
যেমনটা আমার শেখানো উচিত ছিল।
মনে রেখো, চোখ ধোঁকা দিতে পারে।
বাবা…
কাউকে না কাউকে বাঁচতেই হবে, বুঝেছো?
- প্যারিস। - হ্যাঁ।
এদিকে আসো।
আমার কথা শোনো। সাত দিন অপেক্ষা করবে।
যদি না ফিরি, তাহলে আমি মৃত, আর সাথে হানিওয়া'ও।
যত দ্রুত সম্ভব এখান থেকে বহুদূরে চলে যাবে।
প্যারিস, বলো।
সাত দিন, তারপর চলে যাবো।
আমি না ফিরলে, তার আপন বলতে শুধু তুমিই থাকবে।
হ্যাঁ।
আমি এখানে কখনোই না ফেরার কসম খেয়েছিলাম।
হানিওয়া'কে নিয়ে ফিরে এসে আবারো কসম খাও।
দুঃখিত, বাছা।
আমি তোমায় ভালোবাসি, পুত্র।
তুমি ঠিক আছো তো?
অবশ্যই ঠিক আছি।
একটু বেশিই সময় লাগিয়ে দিলে।
বহুদিনের যাত্রায় আধসিদ্ধ খাবার খেতে হচ্ছে।
আমার তো আর তোর মতো আলকেনী পেট নেই।
পেনসা আর কতদূর?
হৃদটা অতিক্রম করলেই আর অল্প কিছুদূরে, মহামান্য।
আচ্ছা, তাহলে…
সম্মুখ অভিমুখে।
- টাক! - টাক।
২৬ নম্বর বর্ডার ব্যাটেলিয়ন, স্যার।
তারা না ফেরায়, আমরা খোঁজ করতে এসেছিলাম।
হয়তো কোনো চোরাকারবারি দলের খপ্পরে পড়েছিল।
না, এসব চোরাকারবারিরা করেনি।
স্যার?
তাদের নিয়ে চলো।
- পূর্ণ সন্মানের সহিত। - জি, স্যার।
বাড়িতে স্বাগত, বাবা।
নট।
যাও।
নট।
ক্যাপ্টেন কোযি?
২৬ নম্বর ব্যাটেলিয়ন?
২৬ নম্বর ব্যাটেলিয়নের তো আগামীকালের আগে ফেরার কথা নয়।
একটা দূর্ঘটনা সম্পর্কে রিপোর্ট করতে আমায় তাড়াতাড়ি আসার আদেশ দেয়া হয়েছে।
এটা অস্বাভাবিক, তাই না?
দূর্ঘটনা তো আর বলে কয়ে আসে না।
ইস্টার্ন গেটের দিকে যেতে পারো।
স্যার।
কিছু খেয়ে নাও।
আমার খাওয়া না খাওয়াতে তোমার কী?
কিচ্ছু না।
আমি শুধু তোমার জন্য সবকিছু আরামদায়ক করার চেষ্টা করছি।
আমায় এই বিছানায় কয়েক সপ্তাহ ধরে শিকল লাগিয়ে আটকে রাখা হয়েছে।
বিশ্বাস করো, ইডো এর চেয়েও খারাপ কিছু করতে পারতো।
তাহলে এখনো করেনি কেন?
উনি আমার সাথে এমনটা কেন করছেন?
ইতোমধ্যেই বলেছি, আমি জানি না।
আমি তোমায় এখানে আনার কারণটাও জানি না।
জেনারেল বলেছিলেন, উনার নাম ইডো ভস।
তো?
আমার বাবার নাম বাবা ভস।
ইডো'র ভাই?
তুমি উনার কথা শুনেছো?
শুধুই গল্প। আমি... আমি অনেক ছোটো ছিলাম, যখন সে পালিয়েছিল।
কিন্তু ইডো প্রায় ২৫ বছর যাবৎ ওর খোঁজ করছে,
তার পিতার মৃত্যুর বদলা নিতে।
- তুমি বলছো বাবা তার নিজ পিতাকে হত্যা করেছে? - হ্যাঁ।
এ আমি বিশ্বাস করি না।
আসলে, তোমার বিশ্বাস-অবিশ্বাসে কিচ্ছু যায় আসে না।
ইডো বাবা'কে এখানে আনতে আমায় টোপ হিসেবে ব্যবহার করছে।
বেশিরভাগ মানুষেরাই আমার বাবার থেকে যে-কোনো মূল্যে দূরে থাকার চেষ্টা করে।
জেনারেল বেশিরভাগ মানুষের মত নন।
আর তিনি বাবা ভস'কে হাতের নাগালে পেতে বহুদিন যাবৎ অপেক্ষা করছেন।
তুমি আবার বাবা'কে চেনো না।
যখন উনি আমার জন্য আসবেন, আমরা চলে যাওয়া অব্ধি তোমরা জানতেও পারবে না।
তোমার বাবা হয়তো শহরে প্রবেশ করতে পারবে…
পরেরজন।
কিন্তু এখান থেকে জীবিত বেরোতে পারবে না।
সনাক্তকরণ নট।
এটা ইডো'র শহর।
চলো। জলদি করো। সনাক্তকরণ নট।
এবং উনি তার জন্য অপেক্ষা করবেন।
তো ইডো এখানকার জেনারেল, আর তুমি উনার হয়ে কাজ করো।
তাহলে তুমি উনার কে হলে?
এমন কেউ যার মনে হচ্ছে সে তোমার যথেষ্ট প্রশ্নের উওর দিয়েছে।
আচ্ছা। শুধু আরেকটা শেষ প্রশ্ন।
তুমি যে দেখতে পারো, সেটা কি উনি জানেন?
আসুন, চেখে দেখুন।
সকল স্বাদের যৌন তৃপ্তি।
যেমনটা চাবেন ঠিক তেমনি হবে…
- নিশ্চিত পরিতৃপ্তি। - এখানকার এই সুন্দরীগুলোকে দেখুন!
শুভ বিদায়, রুবি মঙ্গলবার।
- তুমি কি নিজের নামটা ভুলে যেতে পারবে? - ধন্যবাদ।
প্রত্যহ একটা নতুন নামে আবির্ভূত হওয়ার পরও,
আমি তোমায় মিস করি প্রতিনিয়ত।
No comments yet. Be the first to leave one.