The first 200 lines.
হসপিটাল প্লেলিস্ট এপিসোড ১২ অনুবাদে - কুদরতে জাহান
বাংলায় সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে গুড রেটিং দিতে ভুলবেন না।
কে?
আমার সাথে দেখা না করে চলে গেলে কেন?
তুমি কোথায়? এসো তোমাকে ডিনার কিনে নেই।
আমি প্রিস্ট হবার কথা বলিনি। এসো একসাথে ডিনার করি।
আমি তোমার সাথে দেখা করতে আসিনি।
আমি চলে যাচ্ছি, কাজে ফিরে যাও।
মা!
আমি জং-সু এর সাথে ডিনার করছি।
বাই।
ও তো বিজনেস ট্রিপে আছে-
মা। মা! !
তুমি এখানে কী করছ?
তুমি ব্যস্ত না থাকলে অন-কল রুমে বসতে পারো।
ঠিক আছে। আমার খোঁজ নেয়ার জন্য ধন্যবাদ।
তোমার এতক্ষণে চলে যাওয়ার কথা না?
আসলে কাজের নেশায় পেয়ে বসেছে তোমাকে।
আমি কাজ করছি না, সং-হোয়ার সাথে ডিনার করব বলে অপেক্ষা করছি।
সে কারো সাথে কথা বলছে, তাই আমি এখানে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছি।
তুমি কিছু একটা নিয়ে চিন্তিত, না?
বলো। আমি তোমাকে সাহায্য করব।
বলো।
প্রফেসর লি।
- এটা কিছু না। - এটা কী?
- কিছু না। - খোদা, আমি জানতে চাই।
আমি নিশ্চিত এর সাথে জিওং-উনের সম্পর্ক আছে।
আমি কি ওকে জ্যান্ত ধরে নিয়ে আসব এখানে?
না, একাজ কোরো না, ও ব্যথা পাবে।
হায় খোদা।
গিও উল, কোতুহলের বশে জিজ্ঞেস করছি শুধু।
তুমি কবে থেকে জিওং-উনকে পছন্দ করো?
কৌতূহল হচ্ছে আরকি?
সে কি এমনিই বোঝা যাচ্ছে না?
শুনলাম তুমি সোকচো শাখায় বদলি হচ্ছ।
আজ সকালেই ওকে একথা বললাম।
বাহ, খবর তো খুব দ্রুত পৌঁছায় এখানে।
আমিও ঐ শাখায় বদলি হবো।
তা করতে যেও না।
একটা যুক্তি দেখাও ওখানে কাজ করার।
কারণ তুমি ওখানে যাচ্ছ।
ভালো করে ভাবো।
ওখানে কোনো রেসিডেন্ট নেই।
বদলি হলে তোমাকে সবকিছু নিজে নিজে করতে হবে।
এখানে তোমার পজিশন রেখে ঐ কাজ করা বোকামি।
তাছাড়া, বদলি হয়ে গেলে তুমিই চিফ হবে।
পরে ইন্টার্ভিউয়ের সময়ে উল্টো ফল হবে।
এই সিদ্ধান্তটা তোমার ক্যারিয়ারের জন্য খারাপ।
চি-হং।
রেসিডেন্সির চর্তুথ বর্ষে তুমি বদলি হবে কেন?
বরং, আরো কিছু সার্জারিতে সাহায্য করো, আরো পেশেন্টের সাথে দেখা করো।
এটাই তোমার সবচেয়ে বেশি দরকার। এটাই তোমার সম্পদ হবে।
তোমার রেসিডেন্সির শেষ বছর তোমার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়।
কোনোমতে আর একটা বছর কাটিয়ে দাও।
ঠিক আছে?
আমার জীবনের সিদ্ধান্ত নেবো আমি।
কিম এখন অপারেটিং রুমে আছে। আমাকে যেতে হবে।
আরেকটু হলেই তোমাকে ফোন করতে যাচ্ছিলাম।
- কোথায় যাচ্ছ? - মাত্রই বাসায় ফিরলাম।
- তোমার কী অবস্থা? - এখনই কাজ শেষে বের হবো।
আজকে অনেক তাড়াতাড়ি বেরিয়েছ।
অফিস শেষে কী করবে?
আমি তোমার কাছে যাচ্ছি, এখনই ঘুমিয়ে যেও না।
- এখন? - হ্যাঁ, শীঘ্রই দেখা হবে।
তুমি কি খাবে নাকি খাবে না?
আবার কিছু হয়েছে?
সত্যিই?
খোদা, জীবন এত জঘন্য কেন?
তোমার বাবাকে আমার বিশ্বাস হয় না। এখন তুমি তাকে খারাপও বলতে পারবে না।
আমি আমার সব সম্পত্তি আমার ছেলেকে দিয়ে গেলাম।
এই উইল কবে লেখা?
মনে হয় এই বসন্তে।
যেদিন মিস কিম তে-ইওন তার গর্ভধারণের কথা জানালো,
সেই রাতে এটার খসড়া করেছিল।
বুড়ো একটা বদ্ধ পাগল।
সে কি মিস কিমের জন্য কিছু রেখে গেছে?
আমার জানামতে, না।
চেয়ারম্যান তাকে শুধু নিজের সেবিকা মনে করত,
তার সেবার বিশেষ কোনো মূল্য ছিল না।
আমার জ্ঞানে এটাই বলে।
জঘন্য লোক।
সে তার পেট বাঁধিয়েছে।
এটা ভুয়া কথা।
স্বার্থপর হারামি লোক!
শালার জোঁক, সারাজীবন নিজের কথাই ভেবে গেছে।
উইলে আর কিছু আছে?
তোমার মা আর তোমাকে মরার আগে কিছু বলে গেছে?
হ্যাঁ।
আমাকে কোম্পানি চালাতে বলে গেছে।
বলেছে, চাকরি ছেড়ে দিয়ে কোম্পানি চালাতে।
আসলেই আমার জীবন নিয়ে আগ্রহী দেখছি।
তাহলে
চাকরি কি ছেড়ে দেবে?
- হ্যালো প্রফেসর লি। - হ্যালো।
- লাইন কীসের জন্য? - পরামর্শ।
প্রফের চে এর সাথে একটা কথা বলতে চাই।
আমি বলব ক্যারিয়ার নিয়ে।
ও ব্যস্ত আর অসুস্থ।
হ্যালো।
তুমি কী নিয়ে কথা বললে?
ডেটিং নিয়ে।
- সে ডেটিং নিয়েও কথা বলে? - হ্যাঁ।
সে সব পারে।
পেশাদার অনেক পরামর্শদাতার চেয়ে ভালো।
ওই দিনগুলোর কথা খুব মনে পড়ে আমার...
চলো খাই।
- স্যার! - স্যার!
- চুপ করো। - বিশ মিনিটের মধ্যে আমার একটা লেকচার আছে।
দূর হও, ইক-জুন, ডক্টর ডু?
সুন্দর চে সং-হোয়া!
তোমাকে দেখার জন্যই আমার এই দুই চোখ!
হ্যালো, প্রফেসর চে।
আহন জিওং-উন বলছি।
হ্যালো, ইমার্জেন্সি মেডিসিন থেকে বে জুন বলছি।
হ্যাঁ।
আমার সাত বছরের মেয়ে পেটে আঘাত পেয়েছে।
এখন জ্ঞান আছে, ব্লাড প্রেশারও স্বাভাবিক।
কিন্তু তার হৃৎপিণ্ডের গতি খুবই দ্রুত।
আমি ফাস্ট দিয়ে ইকোকার্ডিওগ্রাম করিয়েছি, ওর লিভার চতুর্থ মাত্রার আঘাতপ্রাপ্ত।
হেমোপেরিটোনিয়ামের উপসর্গ পেয়ে তাই পেটে সিটিস্ক্যান করেছি।
ওখানে রক্তক্ষরণ হচ্ছে।
আচ্ছা আমি এখনই যাচ্ছি।
ডক্টর জ্যাং।
হ্যাঁ? প্রফেসর আহন।
ইমার্জেন্সি রুমে সাত বছরের এক আহত মেয়ে আছে।
ওর নাড়ির গতি ভালো না, এখনই অপারেশন করা লাগবে।
অ্যানেস্থেসিওলজিকে ডাকুন, আমাকে যত দ্রুত সম্ভব অপারেশন রুম দেন।
আর পেশেন্টের রক্তের ব্যবস্থা করুন।
ঠিক আছে।
হ্যালো, আমি জ্যাং গিও-উল বলছি, জিএস থেকে।
তুমি সিকের পেপারে সাহায্য করছ? কেন?
কী মনে হয়? ও সাহায্য চাইলো?
- সিওক বলেছে? - হ্যাঁ।
ও এখানে কেন?
হ্যালো, প্রফেসর ইয়্যাং, এখানে বসুন।
তুমি কোন ডিপার্টমেন্টে ঘোরো না, ইক-জুন?
আমি সবখানে যাই। .
- সিওকে হিয়ং, টেডি বিয়ার। - কী?
তুমি কি ডক্টর চু কে তোমার পেপারের ব্যাপারে সাহায্য করতে বলেছিলে?
রেসিডেন্টরা ব্যস্ত। ওদের বিরক্ত করে না।
করেছি নাকি?
আমাদের স্যুপ নেই। কাপ ন্যুডলস খাবে কে?
তোমরা এটা খাও। আমার পেশেন্ট আছে, রাতে চলে যাবে।
- খাও। - ঠিক আছে।
প্লিজ এদিকে এসো।
আমি টেস্ট করিয়েছি।
ওর লিভার খুবই ক্ষতিগ্রস্থ,
ক্ষতের একটা ব্লাড ভেসেল থেকে এখনো রক্ত পড়ছে।
আমাদের এখনই ল্যাপারটামি করাতে হবে।
আমরা ক্ষতিগ্রস্থ ব্লাড ভেসেলটাকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করব,
তারপর এটাকে বাঁধবো। কিংবা হেমাটোসিস করব।
বেশি ক্ষতিগ্রস্থ অংশগুলো মনে হয়
রক্তপাত বন্ধের জন্য কেটে ফেলা লাগবে।
সার্জারি করতে কতক্ষণ লাগবে?
অন্তত দুই ঘণ্টা লাগবে।
সার্জারি বেশি জটিল হলে চার ঘণ্টা লাগতে পারে।
পুরোপুরি জানার জন্য সার্জারি শুরু করতে হবে।
আমি আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।
কী?
কেন নয়? আমরা বিবাহিত।
বেশ, সেটা...
আমাদের সত্যিই বিয়ে হয়েছে। বিয়ের ছবিও আছে।
অনেক সাক্ষী ছিল।
ডক্টর, ওনার লিভারে পানি জমেছিল,
কিছুদিন আগে মুখ দিয়ে রক্ত ওঠায় এন্ডোস্কোপি করিয়েছেন।
ওনাকে ভালোমতো চিকিৎসা করানো দরকার।
আপনার কথা বুঝেছি, কিন্তু আপনারা দম্পতি হলে
আপনাদের বিয়ের রেজিস্ট্রি করা লাগবে--
করাবো তো, আজকেই।
তা করালেও,
আইন অনুযায়ী বিয়ের এক বছর না হলে
লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের ডোনার হওয়ার অনুমতি পাওয়া যায় না।
অঙ্গপাচার ঠেকানোর কারণে,
ডোনারের অনুমতি পাওয়ার কাজটা কঠিন করে দেয়া হয়েছে।
আমি ঠিক আছি। খুব শীঘ্রই মরব না। ঠিক আছে?
তুমি মরবে না। এসব কথা বোলো না।
এসব কথা বোলো না। তোমার মাও এখানে আছে।
আমি বলব এক্ষুণি ট্রান্সপ্ল্যান্ট করিয়ে ফেলতে।
কিন্তু ডোনারের অপেক্ষা করতে চাইলে
প্রথমে চিকিৎসা করাতে হবে।
আমরা জীবিত ডোনারের লিভার নেয়ার জন্য এক বছর অপেক্ষা করি?
সেই সাথে আপনারও খেয়াল রাখব।
আপনাদের বিয়ে কবে হয়েছিল?
চার মাস আগে।
তখনই রেজিস্ট্রি করালে,
মাত্র আট মাস অপেক্ষা করা লাগত।
কিছু মনে না করলে বলি,
বিয়ের রেজিস্ট্রি করেননি কেন?
আমি ওদেরকে করতে নিষেধ করেছি।
ওরা ডেটিং করার সময়ে,
আমার ছেলের সিরোসিস হয়েছিল।
দুই পরিবারই বিয়ের বিপক্ষে ছিল।
কিন্তু তারপরেও ওরা বিয়ে করে ফেলেছে।
আমিই ওদেরকে রেজিস্ট্রি করতে দেইনি।
ও ওর মা-বাপের আদরের মেয়ে।
আমার ছেলের কিছু হয়ে গেলে,
ওর কী হবে?
ডক্টর।
এক বছর অপেক্ষা করার সময়ে, আমাকে কী কী করতে হবে?
আমি ভালোমতো এক্সারসাইজ করব, আর সুস্থ জীবন যাপন করব।
No comments yet. Be the first to leave one.