Polar

Polar

Download Bengali Subtitle

Release info

পোলার (২০১৯) বাংলা সাবটাইটেল
Polar 2019 Bangla Subtitle
Polar 2019 Web-dl Bangla Subtitle
Polar 2019 720p NF WEBRip x264 MkvCage ws
A Commentary by Kudrate_Jahan
অ্যাকশন লাভারদের জন্য দারুণ ট্রিট। তবে বেশ কিছু ১৮ দৃশ্য আছে। বাংলায় সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে গুড রেটিং দিতে ভুলবেন না। Runtime: 1:57:55. Movie link: https://bit.ly/2OeBqdu

Tags

webrip
web
x264
720p
720
BRip
mkv
MkvCage
Web-DL
web-dl
WEB-DL
Published on: 2019-03-14
Downloads: 194
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 200 lines.

পোলার (২০১৯)

বাংলায় সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে গুড রেটিং দিয়ে উৎসাহিত করুন।

অবসর উপভোগের দু'দুটো উপায় খুঁজে পাওয়া গেল।

হেই বেবি, তোমার নামটা যেন কী?

আমি এখনো সিন্ডিই আছি, বেবি!

ওহ, দারুণ দারুণ! সিন্ডি বেবি!

- এক পেগ হয়ে যাক, কী বলো? - ওহ, কী মজা!

তোমার গায়ে একটু লেগেছে!

এদিকে এসো।

- ...তেরো, চোদ্দ... - ইয়াহ, বেবি!

...পনেরো...

তোমার গায়ে দেখি অনেক শক্তি!

পজিশন নিয়েছি।

পছন্দ হয়েছে?

সেটা আর বলা লাগে!

দারুণ হচ্ছে, বেব!

তুমি তো দারুণ নাচো

আরে হ্যাঁ!

- এদিকে এসো, সোনা। - কোমরটাকে থামাতে পারছি না, নেচেই চলেছে।

পছন্দ হয়েছে তোমার?

খুব পছন্দ হয়েছে! এদিকে এসো।

হায়রে লুইচ্চা, একটু আস্তে।

ফাটাফাটি সময় এখন, মিস্টার।

অর্ডার দিচ্ছ নাকি?

অবশ্যই, অবশ্যই।

আরে, এইযে ছোট্ট মিস্টার।

অবসরটা নিয়ে কাজের কাজই হয়েছে।

ধন্যবাদ, ধন্যবাদ।

কাছাকাছি চলে গেছি।

হেই!

ওহ, আরাম!

গানটা ঝাক্কাস লাগে আমার!

- এবার তুমি চালাও, ফাকুন্দো। - ওহ!

কেন?

- তুমি বুড়ো হয়ে গেছ, মাইকেল। - সিন্ডি বেব...

বেশি বুড়ো হতে পারলে না, অবশ্য।

কার্ল, এখান থেকে ভাগার জন্য রেডি আমরা।

আপনাদের সেবায়! প্লিজ উঠে পড়ুন।

হ্যাঁ, কাজ হয়েছে। আমরা ফেরত যাচ্ছি এখন।

সিটবেল্ট বেঁধে নাও।

ভ্রমণটা উপভোগ্য হোক।

দারুণ দেখিয়েছ, ফাকুন্দো। ম্যানশনে দেখা হবে।

ইয়েস ম্যাম। আপনার ফ্লাইট নিরাপদ হোক।

ঠিক আছে, লক্ষীটি। ডক্টর বেকার এখন দেখবে তোমাকে।

লম্বা করে একটা শ্বাস নাও।

আর ছাড়ো।

আরেকবার নাও

ছাড়ো।

ফুসফুসের অবস্থায় ভালোই, তুলনামূলকভাবে।

ঐ ধাতুর টুকরোটা কিন্তু এখনো বের করে ফেলা সম্ভব।

হাতটা তোলো।

খোদা, অনেক ব্যথা করে নিশ্চয়ই?

তেমন একটা না।

আচ্ছা, নামাও।

বাম কানে কেমন শুনছ, ডানকান?

কী বললে?

হেহে, মজা পেয়েছি।

সবগুলো টীকা নিয়েছ তো?

হেপাটাইটিস-এ? শিঙ্গলস?

হ্যাঁ, সব ঠিকঠাক।

আচ্ছা, একটু এপাশ ঘুরে শোবে প্লিজ।

হাঁটু মুড়ে বুকের কাছে নিয়ে আসো।

ঠিক আছে।

বড় করে শ্বাস নাও।

"প্রোস্টেটের পরীক্ষা কেন সবার শেষে করেন?" মানুষ খালি এই প্রশ্ন করে আমাকে।

আমি ভাবি, মজার কিছুর জন্য পেশেন্টকে অপেক্ষা করিয়ে রাখা ভালো।

শ্বাস ছাড়ো।

আমাদের কাজ শেষ।

নাশপাতির কেক বানিয়েছি।

- খাবে? - ধন্যবাদ।

ঠিক আছে!

এই নাও।

বাসায় বানানো।

অবসরে কী করবে, কিছু ভেবেছ?

জানি না, স্বাভাবিক কাজ-কারবার করব।

অবসরজীবন হলো পুরুষদের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক সময়।

অনেকে পাগলাটে খেলাধূলা শুরু করে।

নিজের বউকে ছেড়ে মেয়ের বয়সীদের পিছে লাগে।

মনে করে, তারা রাজা হয়ে গেছে।

যেসব টেস্ট করি, তা বাদে অন্য কিছুর জন্যও মরতে পারো তুমি।

ক্যান্সার, হার্টের অসুখ আর বেসিক কিছু অসুখ ঠিক করার দায়িত্ব আমাদের।

কিন্তু, খুনীটা থাকে তোমার মাথায়।

অবসর গ্রহণের পরে মানসিক চাপটাই অসহ্য।

প্রাণঘাতীও হতে পারে কখনো কখনো।

ওয়াও! পাইটা খেতে দারুণ!

সিগারেটের কী খবর?

ছেড়ে দিয়েছি।

ভালো করেছ।

তোমার ব্যাংক ব্যালেন্স দেখলাম, ভালো খবর হলো,

টাকাপয়সা নিয়ে তোমাকে বিন্দুমাত্র চিন্তা করতে হবে না।

এই বছরও কি ডোনেশন করবে?

২ লাখ ডলার, না?

- হ্যাঁ - হ্যাঁ

একই গ্রাহক, একই ট্রাস্ট?

- হ্যাঁ - হ্যাঁ

মন্টানা ইউনিয়ন ক্রেডিট ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্টটা থেকেই?

হ্যাঁ

তোমার চাকরির চুক্তি অনুযায়ী,

ড্যামোক্লেস তোমার পেনশন কনট্রিবিউশন দেখবে,

সেটা বিশাল অঙ্কের।

তুমি বেশিরভাগটাই সরিয়ে রেখেছ

কোম্পানি প্ল্যানের কারণে এটা প্রতি বছর ছয় শতাংশ হারে বেড়েছে।

অফিশিয়ালি অবসর নেবার দিনে অর্ধেকটা তুলতে পারে,

যেটা আর...

চোদ্দ দিন পরে।

হ্যাঁ!

তাহলে, আর চোদ্দ দিনের মধ্যে,

ডেমোক্লেস তোমাকে একটা চেক কেটে দেবে...

বিরাশি লাখ সত্তর হাজার পাঁচশ তেইশ ডলার এবং চার সেন্টের বেশিরভাগটা তোলার জন্য।

কেমন হবে, মিস্টার ভিজলা?

চারটা শহরে তোমার বাড়ি আছে, না?

শুধু জানতে চাই, অবসরের পরে কোনটায় থাকবে...

ফ্লোরিডার ঠিকানাটা ব্যবহার কোরো।

ফ্লোরিডার ঠিকানা, আচ্ছা।

আর গলফ খেলবে না?

হুম?

হ্যাঁ

আচ্ছা

মৃত্যু ছায়া ফেলা সেই উপত্যকা দিয়ে হাঁটলেও,

কোনো অশুভ সত্ত্বাকে ভয় করি না আমি,

কারণ তুমি আছ আমার সাথে।

তোমার শাসন আশ্বস্ত করে আমাকে...

আমি চিরজীবন প্রভুর বাড়িতে থাকব।

বলো।

- কথা বলতে চেয়েছিলে। -আমাকে দেখতে পাও?

হ্যাঁ

আমাদের দেখা করা দরকার।

- দশ মিনিটের মধ্যে জিমি'জ এ আসো। - আসছি।

ডম পেরিনন, ২০০৪।

তুমি মনে রেখেছ।

- দেখে ভালো লাগলো, ডানকান - মাইকেলের কী হয়েছে?

তুমি আসবে ভেবেই এটা নিয়ে এসেছি।

চিলিতে ওর আঁজদাহা যেই ম্যানশনটা আছে, সেখানে ফূর্তি করতে করতেই আক্রমণের শিকার।

- আপনাকে দেবো স্যার? - না।

- তুমি ড্রিংক করো না? - ছেড়ে দিয়েছি।

এসব আমাকে কেন দেখাচ্ছ, ভিভিয়ান?

মাইকেলসহ চারজন ডেমোক্লেস এজেন্ট নিহত হয়েছে গত মাসে।

সূত্র বলছে, মাইকেলের খুনী রাশিয়ান মাফিয়ার সাথে জড়িত।

পেদ্রো গনজালেস নামের কোনো মেক্সিকান হিটম্যানকে ভাড়া করে একাজ করেছে।

সে এখন কাউকে মারতে বেলারুশে গেছে।

তোমার পুরোনো বস, ব্লুট... এখন প্রতিশোধ নিতে চায়।

এই হাঁদাটার কপালে একটা মিলিয়ন ডলারের বুলেট ঢুকিয়ে বুঝিয়ে দিতে হবে যে,

আমাদের সাথে তেড়িবেড়ি করে পার পাওয়া যায় না।

ব্লুট তো আমাকে বরখাস্ত করেছে।

এত কাঁদুনি গেও না তো।

পঞ্চাশ বছর হলে ও সবাইকেই বসিয়ে দেয়। কোম্পানির বা*মার্কা পলিসি।

আলঝেইমার রোগ নিয়ে হিটম্যান হতে পারবে না।

কমবয়সী কাউকে নাও তাহলে।

সামনের দুই সপ্তাহ কিন্তু চাকরিটা বহাল থাকবে তোমার।

এই কাজটার জন্য চাই সূক্ষ্মতা, চাই...

অভিজ্ঞতা

তাহলে তুমিই করো না?

ও তোমাকে চায়।

'ব্ল্যাক কায়জার'কে চায়।

...স্টোর থেকে লিপজেল কিনেছি, যেগুলোর কথা বলেছিলাম।

- ফ্লেভার দেয়া গুলো! - হ্যাঁ!

র‍্যাসপবেরি আছে, স্ট্রবেরি আছে, রুবার্ব আছে।

- স্বাদ মজার? - হ্যাঁ।

ভাবছিলাম, গ্রীষ্মকালে হয়তো বা,

পাইয়ের সাথে টাই-ইন করে বেচতে পারি।

- কী বললে? "ইতালিয়ান"? - না, টাই-ইন।

- 'মার্কেটিং' এর মতো। - বিজ্ঞাপনের মতো।

- ঠিক তাই! - যেমন টিভিতে দেখায়।

একটা টিভি সিরিজের কথা বলছিলাম, মনে আছে?

তোমাকে প্রথম থেকে শুরু করতে হবে।

রাস্তার ওপাশের বক্স থেকে পেয়েছি।

ব্রিটিশ সিরিজ, সাবটাইটেল দিয়ে দেখতে হবে।

- ধর্মীয় টাইপ মনে হচ্ছে। - যতোটা ভাবছ, ততোটা না।

তোমার কাছে কি জেসাসকে সুন্দর লাগে?

ওহ, জেসাস তো খুবই সুদর্শন, তাই না?

হেই।

ও তোমাকে পছন্দ করেছে।

ওর নাম কী?

ওর নাম নেই।

মানুষের নামওয়ালা কুকুর পছন্দ আমার

- যেমন? - যেমন "রাস্টি"

রাস্টি কোনো মানুষের নাম হয়, জানতাম না।

- এটা না কুকুরের নাম? - না, মানুষের নাম।

বেশ, তুমি যখন বলছ।

ওর দাম মাত্র পঞ্চাশ ডলার।

আমার কুকুরের দরকার নেই।

আচ্ছা।

অবশেষে তুমি মুক্ত।

এত বছর পরে।

এই মুহূর্তটার ছবি তুলে বাঁধাই করে রাখা উচিত।

বেশ ভালো, না?

রাস্টি?

শিট...

এ কী করলাম!

তুমি কে বা তুমি কী ভাবছ, তা নিয়ে কথা না...

কেবল ভেবে দেখো, শুধু তুমি আর আমি।

আমাদের মধ্যে একটা এনার্জি আছে, ঠিক না?

নিজের অনুভূতিগুলো জার্নালে লিখতে খুব উপভোগ করি।

শিশু হাতি এবং তার মায়ের মধ্যেকার অবিচ্ছেদ্য বন্ধন...

- বলো - তোমার মেসেজ পেয়েছি।

কোনটা?

প্রথমটা না ১৫ নম্বরটা?

ত্রিশ সেকেন্ড দিলাম, বলো।

ব্লুট কারো মুখে না শুনতে রাজি না।

ফোনটা যেহেতু রাখোনি, ধরে নিচ্ছি, টাকার অঙ্কটা জানতে চাও।

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left