Lawrence of Arabia

Lawrence of Arabia

Download Bengali Subtitle

Release info

Lawrence of Arabia (1962) 720p BrRip YIFY Bengali
Lawrence of Arabia 1962 720p BluRay X264-AMIABLE
Lawrence of Arabia (1962) 720p BrRip YIFY
Lawrence of Arabia 1962 1080p BluRay x264 anoXmo
A Commentary by Mamun_Abdullah
ব্রিটিশ লেফটেন্যান্ট টি.ই. লরেন্সের জীবনের সত্য ঘটনার উপরে বানানো এই মুভিটি পারতপক্ষে একটি ক্লাসিক। মুভিতে দেখা যায় লরেন্স একজন খামখেয়ালি তরুণ, যাকে পাঠানো হয় প্রিন্স ফয়সালকে খুঁজতে। লরেন্স তার কাজ করে ঠিকই, বরং আরও বেশি করে। ব্যক্তিজীবনের আত্মিক টানাপোড়ন

Tags

BluRay
x264
1080
brrip
720p
720
Published on: 2017-05-26
Downloads: 252
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 200 lines.

Subtitle Translated By M

Subtitle Translated By Ma

Subtitle Translated By Mam

Subtitle Translated By Mamu

Subtitle Translated By Mamun

Subtitle Translated By Mamun A

Subtitle Translated By Mamun Ab

Subtitle Translated By Mamun Abd

Subtitle Translated By Mamun Abdu

Subtitle Translated By Mamun Abdul

Subtitle Translated By Mamun Abdull

Subtitle Translated By Mamun Abdulla

Subtitle Translated By Mamun Abdullah

Subtitle Translated By Mamun Abdullah

উনি ছিলেন আমার দেখা সবচেয়ে অসাধারণ ব্যক্তি।

তাকে কি ভালভাবে চিনতেন?

তাকে চিনতাম আমি।

বেশ, নিল নাইসি বোনুম।

তিনি কি আসলেই এখানে জায়গা পাওয়ার মতো মানুষ ছিলেন?

লর্ড অ্যালবেনি, লরেন্সের ব্যাপারে কিছু বলবেন?

আরও বলতে হবে?

মধ্যপ্রাচ্য অভিযানে মরুভূমির বিদ্রোহে তিনি প্রধান ভূমিকা পালন করেন।

- জী, স্যার, কর্নেল লরেন্সের ব্যাপারে বলেন। - না, না। তাকে আমি ভালভাবে চিনতামও না।

মি. বেন্টলি, আপনি লরেন্সকে অন্য যে কারো থেকে বেশ কাছ দেখেছেন।

জী, তাকে চেনাটা আমার সৌভাগ্য ছিল। আর তাকে বিশ্বের কাছে পরিচিত করেছি।

তিনি ছিলেন একজন কবি, জ্ঞানী, এবং সাহসী যোদ্ধা।

ধন্যবাদ।

সেই সাথে সে বারনাম আর বিলির পরে সবচেয়ে বেহায়া জোকার।

- এই যে জনাব, কে আপনি? - আমার নাম জ্যাকসন বেন্টলি।

আমি পিছন থেকে আপনার শেষের কথাটা শুনলাম, সেটা আমার কাছে প্রচণ্ড আপত্তিকর মনে হয়েছে।

- তিনি একজন মহাপুরুষ ছিলেন। - আপনি চিনেন তাকে?

না, তাকে আমি চেনার দাবী করি না। দামেস্কয় তার সাথে হাত মেলানোর সৌভাগ্য আমার হয়েছিল।

চিনতাম কিনা? না তাকে চিনতাম না।

সে কায়রোয় আমার অফিসে ছোট পদে চাকরী করত।

মাইকেল জর্জ হার্টলি, এই ঘরটা খুব ছোট, নোংরা আর অন্ধকার।

একদম ঠিক।

আমাদের এখানে একটুও ভালো লাগছে না।

আমারও। তবে নোংরা, ছোট, অন্ধকার ট্রেঞ্চের তুলনায় ভালো।

- তাহলে তুমি একজন চমৎকার সঙ্গী। - একদম ঠিক।

উইলিয়াম পটার আমার পত্রিকা নিয়ে চলে এসেছে।

- এই নাও, টশ। - থ্যাংকস।

কর্পোরাল হার্টলির সিগারেটে ভাগ বসাবে নাকি?

- লেখা আছে? - আছে তো।

শিরোনাম।

তবে আমি নিশ্চিত এটা টাইমসে লেখা হয়নি।

"বেদুঈন জাতি তুর্কি দুর্গে হামলা করেছে।"

আমি বাজি ধরে বলতে পারি হেডকোয়ার্টারের কেউ এই ঘটনার কিছুই জানে না।

কিংবা দুশ্চিন্তা নেই। তোমার সিগারেট ধরিয়ে দিচ্ছি।

- মি. লরেন্স? - বলো।

- ফ্লিমসি, স্যার। - ধন্যবাদ।

লেফটেন্যান্ট, আবার করলে ধরে ফেলব। হাজার হলেও রক্ত মাংস তো।

মাইকেল জর্জ হার্টলি, তুমি ভাল দার্শনিক।

আর আপনি চমৎকার!

- উফ! জ্বলছে তো! - জ্বলবে তো অবশ্যই।

তাহলে চালাকিটা কী?

চালাকিটা হলো উইলিয়াম পটার, ভাবা যাবে না জ্বলছে।

ও হ্যাঁ, ক্যাপ্টেন গিবন আমার খোঁজ করলে জানাবে আমি জেনারেলের সাথে আলাপ করতে গিয়েছি।

- সে চমৎকার। - হ্যাঁ ভালই।

- লরেন্স? - জী?

তোমার তো...

- তুমি কী মেসেও ক্যাপ পরো? - সব সময়।

তুমি তো ডিউটিতে ছিলে। যাচ্ছ কোথায়?

আড্ডাখানায় না, ফ্রেডি, মেসেও না। আমি জেনারেলকে হাজিরা দিতে যাচ্ছি।

তোমার সুপেরিওর হিসাবে না, মেসের সেক্রেটারি হিসাবে বলছি।

ডিউটির সময়ে আমরা ঘোরাঘুরি পছন্দ করি না।

কোথায় যাচ্ছ তুমি?

আমাকে বলতেই হচ্ছে, লরেন্স।

- স্যরি। - তুমি একটা জোকার, লরেন্স।

তা বটে, আমরা সবাই তো আর রিং মাস্টার হতে পারি না।

স্যরি।

এটা একটা চক্রান্ত, ড্রাইডেন।

আমি বোকা লেফটেন্যান্টের তার কমান্ডারকে দেখিয়ে নাকে বুড়ো আঙ্গুল চেপে উপহাস করতে দিতে পারব না।

কত বড় ক্ষতি হয়ে যাবে তা ধরনা করা কঠিন কিছু না, স্যার।

ওসব বোলো না, ড্রাইডেন। এর সাথে আদর্শ জড়িত।

তা তো অবশ্যই।

কায়রোয় তার কোন কাজ নেই। তার আরবে থাকা উচিত, নিজের কাজ বুঝে সে, স্যার।

বইয়ের কথা বলছ তো। আমি আগেই তোমাকে কর্নেল ব্রাইটনকে দিয়ে রেখেছি। যে কিনা একজন সৈনিক।

যদি ব্রাইটন মনে করে আমাদের কিছু অস্ত্র পাঠানো দরকার, তবে পাঠাব।

আবার কী চাও?

তাহলে লেফটেন্যান্ট লরেন্সকে মিলিটারি এডভাইস দেয়ায় কোন আপত্তি নেই।

দোহাই লাগে, তা যেন না হয়।

শুধু মাত্র আরব ব্যুরো এই সুযোগে নিজের লোক চায় যেন...

যেন কী?

যেন এই পরিস্থিতিতে নিজের আঁখের গোছাতে পারে।

তাহলে শোনো, আমি যতটুকু বুঝছি আমার কোন কর্মী বেদুঈনদের সাথে সময় কাটালে তা শুধু নষ্টই হবে।

ওরা দুম্বা চোরের জাত।

ওরা মদিনায় হামলা করেছিল।

- আর তুর্কিরা ওদের কিমা বানিয়েছে। - আমরা তা জানি না।

আমরা জানি ওরা দখল করেনি। এটা চায়ের কাপে ঝড় ছাড়া আর কিছুই না।

আমার মতে, পুরো অপারেশনটা একটা সার্কাস।

আসল যুদ্ধ হলো জার্মানদের বিরুদ্ধে, তুর্কিদের সাথে না।

এখানে না, বরং ওয়েস্টার্ন ফ্রন্টের ট্রেঞ্চে।

তোমার বেদুঈন আর্মি কী যেন নাম সেটার, তা হলো সার্কাসের উপরে সার্কাস।

বড় যাত্রার আরম্ভ একটা ছোট পদক্ষেপের মাধ্যমে হয়, স্যার।

আরব ব্যুরো কি আরবে বড় কিছু চায়?

ব্যুরো কি ভেবে দেখেছে, যুদ্ধ শেষে আমাদের তাঁবেদারিতে কাজ করতে পারবে?

ব্যুরোর এখনকার উদ্দেশ্য হলো, স্যার, যুদ্ধ জেতা।

আমার দায়িত্ব স্মরণ করে দিও না, মি. ড্রাইডেন।

- লরেন্স, স্যার। - পাঠিয়ে দাও।

শুভ সকাল, স্যার।

স্যালুট!

হুকুম তালিম না করলে তোমাকে বন্দী বানানো হবে, লরেন্স।

- আমি এভাবেই পালন করি স্যার। - কী পালন করো?

হুকুম। বেয়াদবি মনে হলেও আসলে তা না।

এটা তোমার বেয়াদবি নাকি বোকামি আমি বুঝি না।

- আমিও সেটা বুঝি না, স্যার। - চুপ করো।

আরব ব্যুরো মনে করে ওদের কাজে তোমার আরবে যাওয়া উচিত। কেন, তা কল্পনা করতে পারছি না।

তুমি ঠিক মতো এখানকার ডিউটিই করতে পারো না।

"আমি বেহালা বাজাতে পারি না, তবে একটি ছোট শহরকে বিরাট রাজ্য বানাতে পারি।"

- কী? - থেমিস্টোক্লিস, স্যার।

- একজন গ্রীক দার্শনিক। - আমি জানি তুমি অনেক লেখা পড়া করেছ, লরেন্স।

সেটা তোমার ফাইলেও লেখা আছে।

তুমি এমন একধরণের প্রাণী, যা আমি সহ্য করতে পারি না, লরেন্স।

কিন্তু আমি হয়ত ভুলও হতে পারি। শোনো ড্রাইডেন, তুমি ৬ সপ্তাহের জন্য ওকে পেয়েছ।

কে জানে? হয়ত মানুষ হয়ে ফিরে আসবে। আসো।

হ্যাঁ, বলো কী হয়েছে?

কনভয় কাল রাতে পোর্ট সাইদে পৌঁছে যাবে।

- শিওর নাকি? - জী, স্যার।

কোন আর্টিলারি পাওয়া যায়নি, স্যার।

আর্টিলারি তো থাকতেই হবে।

স্যার, অভিযানের ব্যাপারে আরেকটা কথা।

লরেন্সকে ইয়েনবোয় পৌঁছে একজন গাইড খুঁজতে হবে, আরবদের খুঁজতে হবে, তারপর ফিরে আসবে।

ছয় সপ্তাহে তা সম্ভব না।

- দুই মাস তাহলে। - তিন।

বেশ, তিন। এখন আমাকে একটু কাজ করতে দেবেন, মি. ড্রাইডেন?

ধন্যবাদ, স্যার।

আমি এজন্য আপনার কাছে খুব কৃতজ্ঞ, স্যার।

চুপ চাপ চলে যাও।

স্যার?

আর্টিলারি ছাড়া আমি কীভাবে যুদ্ধ করব বলতো দেখি?

- কীভাবে করলেন? - বরং জিজ্ঞাসা করো কেন করলাম।

- কারণ, আমিই সেই কাজের লোক। - আমি অবাক হয়ে সেটাই ভেবেছি।

তা তো বটেই। কিন্তু কাজটা কী?

প্রিন্স ফয়সালকে খুঁজে বের করবে।

বেশ, তাকে পাওয়ার পর?

জানবে উনি কোন ধরণের মানুষ।

উনার উদ্দেশ্য জানবে। তার সাময়িক উদ্দেশ্যর কথা বলছি না।

সেটা কর্নেল ব্রাইটনের কাজ, তোমার না।

অর্থাৎ, আরবে তার আসল উদ্দেশ্য।

এটা নতুন।

ওরা এখন কোথায়?

মদিনার থেকে ৩০০ মাইলের আশেপাশে কোথাও আছে। ওরা হাশেমী বেদুঈন।

মরুভূমিতে ওরা এক দিনে ৬০ মাইল পথ পাড়ি দিতে পারে।

আপনাকে ধন্যবাদ, কাজটা করে মজা পাওয়া যাবে।

লরেন্স, শুধু দুই ধরণের প্রাণী মরুভূমিতে মজা পায়: বেদুঈন আর দেবতারা, তুমি দুটোর একটা নও। আমার কথা মানো।

সাধারণ মানুষের জন্য, মরুভূমি হলো একটা জ্বলন্ত অগ্নিকুণ্ড।

না, ড্রাইডেন। মজা তো হবেই।

বুঝতে পারলাম তুমি মজা নিয়েও মজা করতে পারো।

পান করে নিন।

এক কাপ।

তুমি পান করবে না?

না।

তুমি পান করলে তবেই আমি করব।

আমি বেদু।

সত্য করে বলেন তো, আপনি আসলেই ব্রিটিশ অফিসার?

হ্যাঁ।

কায়রো থেকে এসেছেন?

হ্যাঁ।

- আপনি কায়রো থেকে উটের পিঠে আসেন নি? - না।

সর্বনাশ! ৯০০ মাইলের পথ। নৌকায় এসেছি আমি।

তার আগে?

ব্রিটেন থাকে?

হ্যাঁ।

আসলেই?

অক্সফোর্ডশায়ার থেকে।

সেটা কী শুকনো রাজ্য?

না, মোটা দেশ, মোটা মানুষ।

আপনি তো মোটা না।

না।

আমি আলাদা।

এই যে...

নাও।

আগে আপনাকে বাদশাহ ফয়সালের কাছে নিয়ে যাব তারপর আপনি এটা আমায় দেবেন।

এখন নাও।

বেদু খাবার।

ভালই।

আরও?

- বেদু। - কোথায়?

এখান থেকে বাদশাহ ফয়সালের শিবির হারিথদের এলাকায়।

হ্যাঁ, জানি আমি।

- আমি হারিথ না। - না।

বেনি সালেমের হাজিমি

হ্যাঁ, হাহাহা!

ডান পা তুলে রাখবেন। বাম পা দিয়ে আটকে রাখবেন।

যাবার জন্য তৈরি হলে কাঁধে গুঁতো মেরে বলবেন, "হাট-হাট-হাট।"

আজ কঠিন লাগবে, কিন্তু কাল থেকে সহজে চালাতে পারবেন।

- মনে হয় আগামীকাল মাতসুরা কূপে পৌঁছব। - আচ্ছা।

মাতসুরা কূপ থেকে বাদশাহ ফয়সালের শিবিরে যেতে আরও একদিন।

চলো!

ভালো?

পান করা যায়।

এটা হারিথ কূপ।

হারিথরা খারাপ মানুষ।

তুর্কি?

বেদু।

কে সে?

মারা গেছে।

হ্যাঁ।

কেন?

কুয়াটা আমার।

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left