The first 200 lines.
- এটাই। - দারুণ চয়েস।
প্লাটিনাম, ব্রাশড।
- ৬.২৫? - ৬.২৫।
তিনি অনেক ভাগ্যবতী।
হ্যাঁ।
তা তো অবশ্যই।
- এটা এখনো রেখে দিয়েছ! - কী রেখে দিয়েছি?
- ফুলটা। - বেকার মানুষ তো, কোনো কিছু ফেলে দিই না।
এসব ছাইপাঁশ জমালে একসময় আবর্জনার স্তূপ হয়ে যাবে।
- তাহলে আমার বাসাটা দেখে এসো একবার। - ওয়াও!
এখনো আমাদের ফার্স্ট ডেটই হয়নি, আর বাসায় নিমন্ত্রণ দিয়ে দিলে!
- ভেবেছিলাম, তুমি একটা বুদ্ধিমতী মেয়ে। - মাইকেল, বুদ্ধিমতীরা কিন্তু সবার শেষে চমক দেখায়।
তো চমক দেখাচ্ছ কোন সময়?
সেটা নির্ভর করছে, কখন শুরু করি তার উপর। গভীর শ্বাস নাও।
শ্বাস ছাড়ো।
শ্বাস নাও।
সারা, এদিকে একটু আসতে হবে।
আচ্ছা, আমি যাচ্ছি।
বাকিটুকু আমি পূরণ করে দিব।
এসব দেখার জন্য তো মাঠে নামিনি।
তো আমাদেরকে কী করতে বলছ? আত্মসমর্পণ?
- শুধু লিংকনকে এই সাজা থেকে মুক্ত করতে চাই। - লিংকন?
ভাইস প্রেসিডেন্ট রেয়নল্ড তাঁর ভাইয়ের কোম্পানিতে কোটি কোটি টাকা পাচার করেছে।
সেই টাকাগুলো আবার বৈধ উপায়ে ছোট-ছোট অ্যাকাউন্টে জমা হয়ে তাঁর প্রচারণার খরচ যোগাচ্ছে,
এটা তাঁকে কমিউনিস্টদের দুনিয়ায় নেতা বানিয়ে দিবে।
শুধু একটা মৃত্যুদণ্ড থামিয়ে এর সুরাহা করা যাবে না।
আমার মতে, করা যাবে।
আচ্ছা, এটা ধরো।
সার্জেন্ট সডোমি, এরপর তোর পালা।
ইয়ো।
- হাত দাও। - কার কীরকম লাগছে জানি না, কিন্তু...
কিন্তু আমার কাছে এসব খোঁড়াখুঁড়ি একদম ভালো লাগছে না।
মানে বলতে চাইছ, এই গর্ত খোঁড়ায় হাত লাগাতে চাও না?
হেই, ঝগড়া করো না।
ভাইয়েরা, আমার একটা প্রশ্ন ছিল।
এই লোকটা কাজ না করে এখানে জমিদারের মতো বসে আছে কেন?
আমি বাইরের দিক সামাল দিচ্ছি।
আসলেই? কী করছ শুনি? ঠিকাদারের কাজ?
ঠিক ধরেছিস। আমি এখানে ম্যানাজার।
- আর আমরা এখানে কামলা। তাই না? - হুম। এখন বুঝেছিস ভালো করে।
ম্যানেজারকে কিন্তু সবকিছু ঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা লাগে,
নইলে শ্রমিকরা আন্দোলনে নামতে বাধ্য হয়।
- কাজে নেমে পড়। - সিও আসছে।
তাড়াতাড়ি ভাইয়েরা।
ঢেকে দাও এটা, দ্রুত।
এটা ওইখানে রেখে দাও।
স্কোফিল্ড, এদিকে আসো।
তোমার স্ত্রী দেখা করতে এসেছে।
অপেক্ষা করছে তোমার জন্য।
তো, আপনি মিসেস স্কোফিল্ড?
এর আগে কখনো অভিজ্ঞতা আছে?
মানে এখানে দেখা করার অভিজ্ঞতা!
না।
অন্য কিছু ভাবার দরকার নেই, কথার কথা বলছিলাম শুধু।
সব ঠিক আছে।
ওকে চেনা চেনা লাগছে না?
না, ক্যাপ্টেন।
কোথায় জানি দেখেছি মনে হচ্ছে।
অবশেষে আসলে!
হ্যাঁ।
- কেমন আছ? - ভালোই। চাকরী পেয়েছি একটা।
শুনে ভালো লাগল।
এখানে খুব কষ্ট, তাই না?
বিমানবন্দরের পাশের ওই হোটেলটার কথা মনে আছে?
ওইখানের সাথে এখানের পার্থক্য শুধু ফ্রি শ্যাম্পু আর ৬৯ ডলারের।
সবসময় বুকে সাহস রেখেছ।
এখনো এটা পড়ো?
প্রত্যেকদিন।
তোমায় নিয়ে খুব চিন্তা হয়!
চিন্তা করতে হবে না।
তোমার জন্য আর কিছু করতে পারি?
চুক্তিতে যা ছিল, তা করলেই হবে।
চেক করার সময় অনেক নার্ভাস ছিলাম।
একটা প্রশ্ন ছিল।
জেলখানায় ক্রেডিট কার্ড দিয়ে কী করবে?
দাঙ্গার পরেও কিছুই পরিবর্তন হয়নি। বাজেট তালিকা দেখেছ?
- স্বাস্থ্যসেবা থেকে ১০% কর্তন। - প্রতিষেধক থেকে কমিয়েছে ৩৫%।
তিনি একদিকে যেমন গভর্নর, তেমনি তোমার বাবাও।
হয়ত ভেবেছেন, তালিকায় ঘাটতি রাখলেও তোমায় কেউ কিছু বলতে পারবে না।
স্ত্রীর সাথে খুব সতর্কতার সাথে দেখা করেছ। তাই না?
সবসময় এত সতর্ক থাকা যায় না।
আচ্ছা। পিছন ঘুরাও।
ওই মহিলার সাথে রুমে তাহলে ভালোই মজ-মাস্তি করলে!
আপনি যা ভাবেন, বস!
- এখানে এসেছে এর আগে? - এটাই প্রথম বার।
সিউর? কারণ ওকে আগেও কোথায় যেন দেখেছি।
হয়ত এখন আরেক কয়েদির বউ সাজার নাটক করছে। এক ঢিলে দুই পাখি মারা!
- কথাটা বুঝতে পেরেছ? - আপনার কথা কখনোই বুঝিনি।
সব ঠিক আছে, ক্যাপ্টেন।
ভালো করে গোসল সেরে নাও, স্কোফিল্ড। নারীরা কিন্তু পুরুষদের বিপদে ফেলতে উস্তাদ।
এই গানটা পারো না কেউ?
আরে মিয়া, গানটা ধরো কেউ। ভেবেছিলাম, তোমরা বুঝি গান-পাগল।
তোমার মা-বাবা বেঁচে থাকলে তোমায় নিয়ে খুব গর্ব করত।
শালা বস্তি থেকে উঠে আসা চামার।
তুমি একটা বর্ণবাদী, যৌন নিপীড়নকারী, সাথে একটা গর্দভও।
তোমরা ভাবো, এই রুমে আমিই একমাত্র খারাপ লোক।
সবাই দুধে ধোয়া তুলসী পাতা হলে, জেলের ঘানি টানা লাগত না।
এখানের কেউ তোর মতো নারীর খপ্পরে পড়ে জেলে আসেনি।
মাইকেল ফিরে আসছে।
একা একা।
আমি তোকে সবই বলেছি, তুই যে বিবাহিত সেটা বললি না কেন?
পরে কথা হবে।
আমাদের কপালটাই খারাপ, তাই না স্কোফিল্ড?
বাকিরা যেখানে গর্ত খুঁড়ে খুঁড়ে হয়রান,
সেখানে তুমি বউয়ের সাথে খেলে আসলে!
কথা কিন্তু ঠিক। কাজটা ভালো হয়নি।
- মুখ বন্ধ করে খুঁড়ো, টি-ব্যাগ। - বেকুবগুলো জানতে চাইছিল,
গর্ত খননের পর আমাদের প্ল্যানটা কী?
শপিং করতে যাচ্ছি।
সব ঠিক আছে।
কেউ নেই।
ক্রেডিট কার্ড? গার্ডরা ধরতে পারলে, তাহলে তোর কপালে শনি আছে...
চিন্তা করিস না। ওরা ধরতে পারবে না।
- এত সিউর হলি কীভাবে? - কারণ...
এটা কোনো ক্রেডিট কার্ড নয়।
নিক?
একটু সাহায্য করুন...
আমার গাড়িটা অ্যাক্সিডেন্ট করেছে।
কেউ আছেন এখানে?
- আমরা এভাবে বসে থাকতে পারি না। - হ্যাঁ, বসে থাকা ঠিক হবে না।
বাঁচান, আমায়!
দয়া করে সাহায্য করুন।
- কীভাবে হলো এসব? - আমি ঘুমিয়ে পড়েছিলাম।
১২ ঘণ্টা ধরে গাড়ি চালাচ্ছিলাম।
- কুয়া থেকে জল নিয়ে আসব? - কুয়া তো শুকিয়ে গেছে।
ওইখানে মনে হয় মেডিকেল কিট আছে।
কেউ কোথাও যাচ্ছে না।
জুনিয়রকে বিদায় জানানোর সময় এসেছে।
মানব শরীরে কয়টা পিন্ট আছে জানো?
উত্তরটা হলো ১০, ১০ টা পিন্ট।
মেঝেতে শোয়া ওই লাটসাহেবের আর কয়টা পিন্ট বাকি আছে জানো?
৮ টা। সেটা ৭ এ যাবে?
তাঁকে মেঝে থেকে উঠিয়ে নিয়ে যাব, একটু কথা আছে ওর সাথে।
যথাসময়ে তোমাকেও আমার প্ল্যানের অংশ করে নিতে চাই।
লিংকনের কেসের ব্যাপারে সবকিছু খুলে বলো, আর কে কে এর সাথে জড়িত...
তাহলে হয়ত মি. স্যাভরিনকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়ার সময় পাবে।
সিদ্ধান্ত নাও, কার জীবন বাঁচানোটা বেশি মূল্যবান।
ওই মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামী, নাকি মেঝেতে পরে থাকা এই লাটসাহেব?
কালো রঙয়ের স্যুট, একটা।
কালো রঙয়ের মোজা, এক জোড়া।
জুতা আর শোলেস, এক জোড়া।
ছোট একটা টেপ রেকর্ডার।
একটা গোল্ড ওয়াচ।
কখনো বিলাসবহুল হোটেলে থেকেছ, এলজে?
সকালে রুমটা নোংরা রেখে চলে গেলে,
বাথরুমের ফ্লোরে ময়লা তোয়ালে, পুরো রুমটাকে বস্তি বানিয়ে রাখলে।
ফিরে এসে দেখলে সবকিছু সাফ-সুতরো।
নতুন তোয়ালে, নতুন বিছানা, বালিশের উপর চকলেট।
সম্ভবত দুনিয়ার সেরা অনুভূতির একটা।
কারণ কেউ একজনের স্বার্থ ছিল বলে, সেই জঞ্জাল সাফ করে গেছে।
- ওদের কোনো ক্ষতি করবে না। - আচ্ছা।
যা কিছু জানো, তা আমায় বলে দিলে...
আজ রাতে কাউকে মরতে হবে না।
আমায় সাহায্য করো, আমিও তোমায় সাহায্য করব।
কসম কেটে বলছি, এই ব্যাপারে কিচ্ছু জানি না।
এই কথাটাও আমায় বিশ্বাস করতে হবে?
- বেলিক আমার সেলে নতুন একটাকে এনেছে। - আবার ঢুকিয়েছে নাকি?
নতুন কিছু চান্দু এসেছে। আচমকা আমার সেলে একটাকে ঢুকিয়ে দিলো।
মুখ দিয়ে খই ফুটে, হাতও চলে খুব।
- ইয়ো মামা, কী অবস্থা? - বলতে বলতেই হাজির।
- মাইকেল স্কোফিল্ড, ডেভিড অ্যাপোলস্কি। - কেমন চলে?
তোমাকে আগেও দেখেছি। তুমি পিআই ক্রু'দের একজন, তাই না?
আমায় দলে নিতে পারো, কিছু পয়সার বন্দোবস্তও হবে।
- ঘণ্টায় মাত্র ১৯ সেন্ট। - ১৯ সেন্ট মাত্র? এ তো দেখি কামলা-গিরি।
এটা তো জেলখানা। তাছাড়া আমাদের দলে আর লোক লাগবে না।
হ্যাঁ, ভায়া। বুঝতে পেরেছি।
তবুও আমায় মনে রেখো, যদি কোনো সুযোগ-টুযোগ পাও আরকি!
আমাকে বাইরে এভাবে কিছুক্ষণ ঘুরতে দিলেই ঘণ্টায় ১৯ সেন্ট দিব।
এটাকেও তালিম দিতে হবে, একটাকে অবশ্য দিয়েছি। কিন্তু শরীরে আর কুলায় না।
R&D থেকে কোনোকিছু চুরি হতে শুনেছেন?
অবশ্যই। গার্ডরা তো সবসময়ই চুরি করে।
সমস্যা হলো, বাইরে কী হচ্ছে তা তুমি জানতে পারবে না।
- এখানে কারও কিছু করার নেই। - এমন ঘটলে কেমন হবে জিনিসটা?
শোনো ভাই, আমাকে এসব ঝামেলায় জড়িয়ো না।
কোনো গার্ডকে গোল্ড ওয়াচ পড়তে দেখেছেন কি না, তা জানতে চাচ্ছি।
এখানে অনেকেই তো গোল্ড ওয়াচ পড়ে।
- হ্যাঁ, আমার শুধু নির্দিষ্ট একটা গোল্ড ওয়াচের সন্ধান চাই। - ওয়েস্টমোরল্যান্ড।
পোপ তোমার সাথে দেখা করতে চায়। এদিকে আসো।
এরকম কাউকে দেখিনি।
তবে একটা সিও আছে, সে একেবারে জাতি চোর।
আমার স্ত্রী এগুলো কাউন্টি রেকর্ড থেকে ফ্যাক্স করে পাঠিয়েছে।
স্কোফিল্ডের কাবিননামার কপি। সে বলছে, তুমি নাকি তাঁর কাছে ঋণী।
বৈধ মনে হচ্ছে। কোনো বেশ্যাকে ভাড়া করেনি।
কাগজ অনুযায়ী, স্কোফিল্ড ব্যাংক ডাকাতি করার আগের দিন বিয়ে করেছে।
এমনটা করল কেন সে?
- ভেরোনিকার সাথে কথা হয়েছে। - না।
এলজে একটা নোটে লিখেছে, সে ভেরোনিকার সাথে নিরাপদেই আছে।
কিন্তু অনেকদিন তো হয়ে গেলো। জিনিসটা সুবিধার ঠেকছে না।
- আমায় যেতে হবে। - গড়বড় লাগছে।
এখানে এসেছি মূলত একটা কাজ সম্পাদন করতে।
হয় মিস ডনোভান আর ওই ছোকরাটা তোমায় পছন্দ করে না,
বা তোমার হৃৎপিণ্ডের কার্যক্ষমতার উপর ওদের অন্ধবিশ্বাস আছে।
এখনো বলো, নিক।
শুধু এগুলোই তোমার কাছে? শুধু অভিযোগের এই দলিলগুলোই?
আর কিছু নেই?
তোমার উপর এখন আর নজরদারি নেই, তাই কাউকে জবাবদিহি করতে না।
সত্যি করে বলো, এগুলোই পেয়েছ শুধু?
মি. সারভিন, এই বুলেট তোমার টেরেস মেজর ছেদ করে...
ডানার পার্শ্বিয় প্রান্তের ১২ টা বাজিয়ে দিয়েছে, হাতের কোনো চিকিৎসাও হয়নি এখনো।
তাই, যদি ওই কাঠের টুকরাটা দিয়ে আমায় আঘাত করতে চাও...
No comments yet. Be the first to leave one.