The first 200 lines.
টু তে কোনো ঝামেলা হয়েছে।
টু তে বড় কোনো ঝামেলা হয়েছে।
আমার দিকে তাকাও।
একটা শব্দ এখানে আসতে এক সপ্তাহ লেগেছে।
বিল্ডিং এর ঐ সাইডে ঘটা ঘটনাকে নিয়ে
ভয়ে মরছ তুমি!
ওরা কি শুনছে বলে মনে হয়?
শুনলেও মনে হয় তুমি জানতে।
আমি এটুকু জানি যে,
ওরা আমাদের গোনে না।
ওদের কাজ দিনে দুইবার এই মেঝেতে কারেন্ট চালু করা
আর যন্ত্রের সংখ্যা বাড়াতে থাকা।
আমার লোন লাগবে।
তুমি কারো কথা ভাবছ।
তালিকাটা খুব লম্বা নয়।
তারপরেও বলতে ভয় পাচ্ছ।
ড্যাভো স্কালডান।
সে তো কোনো ব্যাংকার নয়।
সে একটা ঠগ।
তোমার নিঃশ্বাসের গতি দুর্বল লাগছে।
কালকে ডাক্তার এসেছিল এখানে।
তুমি আসলেই জানো না ও কোথায় আছে?
নতুন লোক এসেছে!
কেউ নড়বে না!
আমি একটা নতুন বুদ্ধি অএয়েছি।
অ্যান্টো ক্রিগির।
- ওর সাথে দেখা করো তুমি। - অ্যান্টো ক্রিগির?
স্পেলহাউসের ইম্পেরিয়াল পাওয়ার স্টেশনে খোঁচাখুঁচি করছে সে।
আমাদের জেলে এক বিদ্রোহী পাইলট আছে। অ্যান্টো ক্রিগিরের দলের লোক।
ও যে হারিয়ে গেছে, সেটা মনে হয় ক্রিগির এখনো জানে না।
আমরা যদি এই শিপটাকে নষ্ট করে দেই?
ককপিটে মৃত পাইলটটাকে পাওয়া যাবে।
যত দ্রুত সম্ভব একাজ করো। সাবধানে এবং সর্বোচ্চ গুরুত্বের সাথে।
আমরা কোনো সূত্র ফেলে আসিনি।
- কী, তুমি ওকে বাঁচাতে পারলে না? - বাঁচানোর মতো কিছুই ছিল না।
ও স্ট্রোক করেছিল।
টু তে কী হয়েছিল?
ফোর থেকে ছাড়া পাওয়া এক লোককে পরের দিনেই টু তে পাওয়া যায়।
এই কথা জানাজানি হবার পরে ঐ ফ্লোরের সবাইকে মেরে ফেলে তারা।
কেউই বের হতে পারবে না, তাই না?
এখন না।
এরপরে না।
আমাদেরকে কালকে যেতে হবে।
- আগামীকালকে? - শুনেছই তো।
কোথায় যাবো?
যেকোনো জায়গায়।
কালকেই যেতে হবে।
- আগামীকালকে। - অপেক্ষা করা যাবে না।
এর চেয়ে ভালো সুযোগ আর পাবো না।
- তুমি একটা পাগল। - না, আমার কথা শোনো।
ওদের যথেষ্ট গার্ড নেই, ওরা নিজেরাও জানে একথা।
এ মুহূর্তে ওরা ভয়ে আধমরা।
ভয়? কীসের ভয়?
কথা চেপে রাখার জন্য একশো লোককে মেরে ফেলেছে তারা।
- একে কী বলবে তুমি? - আমি বলব, এটা ওদের ক্ষমতার জোর।
ক্ষমতা? ক্ষমতাশালীরা ভয় পায় না।
এখন পাঁচ হাজার মানুষ জেনে যাবে যে, ওরা এখন থেকে আর কখনোই বেরোতে পারবে না।
এই ব্যাপারটায় কি উপরের মহল ভয় পায় না?
আমরা এখানে যা করছি, তা নিশ্চিতভাবেই ওদের দরকার।
ওরা আর চমকিত হতে পারবে না।
কালকের পর থেকে গার্ডের সংখ্যা বাড়বে। তুমি জানো সেটা।
অন প্রোগ্রাম।
যত অপেক্ষা করব, তত ওদের জোর বাড়বে।
- একটা প্ল্যান করাই বুদ্ধিমানের কাজ। - আমাদের তো প্ল্যান আছে।
কী? তুমি, বারনক আর মেলশি মিলে পালাবে?
তোমার এখন বোকামির সময় নেই!
এমন কোরো না!
নতুন লোক আসার সাথে সাথেই প্ল্যানটা কাজ করবে।
ওরা কালকে উলাফের বদলে আরেকজনকে আনবে।
অনেক দেরি হয়ে যাবার আগে হয়তো এটা ঘটবে না।
ওদের ইচ্ছাপূরণ করতে গিয়ে মরতে চাই না আমি, ওদেরকে হারাতে গিয়ে মরতে চাই।
এর চেয়ে ভালো সুযোগ আর পাবো না।
যা করার কালকেই করতে হবে।
প্রোগ্রাম।
হোম ব্লু, সরাসরি তোমার সেলের দিকে যাও
কিফ, ও কোথায়?
ও মারা গেছে।
ও বাঁচেনি?
কী হয়েছিল?
ও মরে গেছে, দেখছ না?
- কে? - উলাফ, বুড়ো লোকটা।
কাল নতুন লোক আসবে।
হচ্ছেটা কী?
বলো ওদের।
হাঁটার সময়ে পড়ে গিয়েছিল।
- বলো ওদের! - কী বলবে?
কী হয়েছে?
এক ডাক্তার এসেছিল।
ও তেমন কিছু করেনি, তাই না?
কিনো?
সবাই নিয়ম মেনে চলো এক্ষুণি,
নইলে সতর্কতা ছাড়াই মেঝেতে কারেন্ট চালু করে দেয়া হবে।
কিফ! মেঝে!
কী হয়েছে?
টু তে কী হয়েছে, সেটা বলল ঐ ডাক্তারটা।
কথাটা সত্যি, না?
ওরা পুরো ব্রিজের সবাইকে পুড়িয়ে মেরেছে।
অবস্থা তার চেয়েও খারাপ।
- পোড়ানোর কারণ শুনলে বুঝবে। - জোরে বলো।
ডাক্তারটা বলল, ওরা নাকি ভুল করে
ছেড়ে দেয়া এক লোককে আবার ওখানে ফিরিয়েছিল।
- দুই শিফটের সবাইকে ওরা পুড়িয়ে মেরেছে এজন্য। - ওর মুখ থেকে শুনেছ একথা?
ও কী করে জানল?
আমি একথা বিশ্বাস করি না।
ও একজন ডাক্তার। ওরা কখনো...
কেউই পালাতে পারবে না!
কথাটা সত্যি।
গুজবগুলো সত্যি।
ও বলেছে, একথা সত্যি।
ওরা আমাদের ছাড়বে না।
কক্ষনো না।
আমরা এখানেই মরব।
কিংবা এর পরের জেলে।
তাই সবাই নিজেদের সেলে গিয়ে
এ নিয়ে ভাবি চলো।
ক্রিগিরের লোক টোপ গিলেছে।
ওরা একটা ল্যান্ডিং বে চাইছে।
- ওরা খুঁজে পেয়েছে এটা? - স্যার, ওরা শিপটাকে নিয়ে যাচ্ছে।
"পাইলট মৃত। শিপ অনিয়ন্ত্রিত।
"শিপের আগমনস্থল নিশ্চিত না।
"কাফ্রিন রেসকিউ স্যালভেজ কোনো সাড়া দিচ্ছে না, জিপিই 7000।
"হাইড্রলিক ত্রুটি কিংবা হাইপারস্পেসে আবার ঢুকতে গিয়ে অপারেটর সম্ভবত জমে গিয়েছিল।"
প্ল্যান কাজ করেছে।
এখন আমরা অপেক্ষা করব।
- এখন কী করব, স্যার? - হ্যাঁ।
আমার মনে হয় না আমাদের দূরে সরে যাওয়া উচিত।
- বলতে থাকো। - আমরা সবসময়ে যা করি, তাই করব।
পরিচয়বিহীন শিপ, মৃত পাইলট, আমাদের দেখা উচিত না?
ধরো, ক্রিগির নজর রাখছে।
তাই আগ্রহ দেখালেই ক্রিগির কম সন্দেহ করবে।
তাই আমরা ঠিক এই কাজই করব।
শোনো সবাই!
শিফট গোনা শেষ।
হাতে সময় আর বেশি নেই।
পথ মাত্র একটাই।
যেভাবে খুশি খেলো।
আমি নিজেকে মৃত ধরে নেবো।
তারপর যা করার করব।
নাইট শিফটকে সতর্ক করার দরকার নেই।
ওরা যেকোনোভাবে এর কথা জানবে।
চলো খেল দেখিয়ে দেই।
নতুন নিয়মের ঘোষণা।
পরবর্তী ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত সকল স্কাইব্রিজ ট্র্যান্সফার অন প্রোগ্রাম এবং শব্দহীন অবস্থায় থাকবে।
যে শিফট এই নিয়ম মানবে না, তাদের সবাইকে একসাথে শাস্তি দেয়া হবে।
অন প্রোগ্রাম। এক্ষুণি।
অন প্রোগ্রাম!
আর ঘোরো।
- প্রস্তুত? - হ্যাঁ।
ডক্টর মালময়, আমরা কী করব বুঝতে পারছি না।
ওর ওষুধ দরকার, ও জানে সেটা, কিন্তু ও যে ওদেরকে লুকিয়ে রেখেছে, সেটা ধরে ফেলেছি আমরা।
আর যখন ওকে জিজ্ঞেস করলাম যে, ও কী ফন্দি করেছিল,
ও বলল, তোমার পিলগুলোর কারণে ওর ক্ষুধামন্দা হয়েছে।
আর ও খেতে চায়, তোমার ভান আর সহ্য করতে চায় না।
ঠিক আছে, ও কোথায়?
- এটা ওখানে আছে। - বুঝেছি। ধন্যবাদ।
আমি এখানে একবার এসেছিলাম। ৩০ বছর আগে।
মাত্রই চান্দ্রিলা ছেড়েছিলাম তখন।
আর আমার তখনকার বস ভেবেছিল, ওটা দেখতে আমার ভালো লাগবে।
এটা কি খুব বেশি বদলেছে?
বলতে পারি না।
তেমন মন দিয়ে দেখিনি।
হয়তো ভেবেছিলাম, আমি প্রায়ই এখানে আসবো।
এটা সরকারের সম্পদ।
ঘর সাজানোর নিয়ম কড়া ছিল। তেমন কিছু বদলানোর সুযোগ ছিল না।
এটা একটু সেকেলে, তাই না?
আমার নতুন জিনিস পছন্দ।
আমি জানি এটা নীরস আর একঘেয়ে।
কিন্তু অনেক ধন-সম্পদ থাকার একটা ভালো দিক হলো, অন্য মানুষের মতামত থেকে বাঁচা যায়।
তা তুমি ঠিকই বলেছ।
হ্যাঁ, সবাই বলেছে, তুমি সোজা কথা বলে দাও।
সিনেটরের অনেক দায়িত্ব আছে।
উনি সেই অনুযায়ী তার সময় সাজিয়ে নেন।
সবকিছু পরিষ্কার হলে আমার ভালো লাগে।
কিন্তু তারপর মনে হয়, এতে আমার কী লাভ?
হুম, তোমার কৌতুহলে অনেকই লাভ হয়েছে।
তোমার স্বামীর সাথে বেশ কয়েকবার দেখা হয়েছে।
তা তো হবেই।
ধরে নিচ্ছি, আমাদের কথাবার্তায় এই প্রসঙ্গটা তোলা যাবে না।
ঠিক ধরেছ।
অনেক জায়গাতেই চান্দ্রিলার বিয়ের সোজাসাপ্টা নিয়মটাকে পছন্দ করা হয় না।
আমাদের নিজেদের লোকেরাই অনেকসময়ে বিরক্ত হয়ে যায়।
সীমার মধ্যে অনেক স্বাধীনতা আছে।
পুরানো নীতির মূল্য আছে।
ভালো।
আমরা একে অপরের কথা বুঝেছি।
আরো তরল টাকার খোঁজ করছ, তাই না?
ড্যাভো, আমাদের এ নিয়ে কথা হয়েছে।
আমি ওর মুখ থেকে এ কথা শুনতে চাই।
হ্যাঁ।
আমরা আমাদের ফাউন্ডেশনের জন্য ভিন্ন অর্থখাত খুঁজছি।
টে নিশ্চয়ই তোমাকে বলেছে যে,
আমাদের ধারণক্ষমতা সীমা ছাড়িয়ে গেছে,
তার জন্য বিপুল অঙ্কের টাকা আদান-প্রদান
কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
হ্যাঁ, আমাকে জানানো হয়েছে।
দুর্ভাগ্য হলো, তোমার মতো মানুষেরা,
তোমার মতো সম্মানিত মানুষেরা,
মাঝে মাঝে ভাবে যে, সুযোগ নিলে
তাদের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হবে।
এই টাকা তোমার।
No comments yet. Be the first to leave one.