Black Girl

Black Girl (La Noire de...)

Download Bengali Subtitle

Release info

Black Girl 1966 720p BluRay H264 PhonoFilm
La Noire de (Black Girl) (1966) Bangla Subtitle
A Commentary by Maherab-Hossen
আফ্রিকান চলচ্চিত্রের জনক হিসেবে খ্যাত সেনেগালিজ পরিচালক উসমান সেম্বেনের অভিষেক ফিল্ম। রানটাইম 59:17 (FPS 24)। ডাউনলোড লিংক কমেন্ট সেকশনে এবং TXT ফাইলে দেয়া আছে। বাংলা সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে গুড রেটিং দিতে ভুলবেন না।

Tags

BluRay
720p
720
Published on: 2023-04-22
Downloads: 35
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 200 lines.

অ নু বা দ ক : মে হে রা ব হো সে ন

জাঁ ভিগো প্রাইজ (১৯৬৬)

শ্রেষ্ঠ আফ্রিকান চলচ্চিত্র ফেস্টিভ্যাল অব আফ্রিকান আর্টস, ডাকার (১৯৬৬)

'গোল্ডেন ট্যানিট' কার্থেজ ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল (১৯৬৬)

BLACK GIRL

কেউ কি আমার জন্য অপেক্ষা করবে?

ঠিকমতো পৌঁছাতে পেরেছো? চলো যাওয়া যাক!

মোড়টা ভালোই, তাই না?

ফ্রান্স, চমৎকার একটা দেশ!

জি, স্যার।

আর্মিটেজ রোড

অবশেষে, আমরা এসে পড়েছি!

তোমরা এসে গেছো?

হ্যালো, দিউয়ানা।

আশা করি শহরটা তোমার পছন্দ হবে।

বাচ্চারা আসতে আসতে তোমার রুমটা দেখিয়ে দেই।

এটা হলো তোমার বিছানা।

আর ওটা হলো রিভিয়েরা,

জুঁয়া-লি-পা, নিস,

কান,

আন্তিব।

এখন তোমাকে রান্নাঘরটা দেখিয়ে দেই।

রান্নাঘর, বাথরুম,

বেডরুম, লিভিং রুম।

এগুলোই আমার কাজ!

এসব করার জন্য তো আমি ফ্রান্সে আসিনি!

এখানকার মানুষগুলো কেমন?

রাতদিন সারাক্ষণ তাদের দরজাগুলো বন্ধ থাকে!

রাতদিন সারাক্ষণ!

আমি তো এসেছিলাম বাচ্চাদের দেখভাল করার জন্য!

কোথায় ওরা?

ম্যাডাম সারাক্ষণ আমাকে বকাঝকা করেন কেন?

আমি তো রাঁধুনি নই! ঘর মোছার চাকর নই!

তুমি তো কোনো পার্টিতে যাচ্ছো না!

একই পোশাক তিন সপ্তাহ ধরে পড়ে আছো!

তোমার জন্য এই অ্যাপ্রোনটা কিনেছি।

দেখি তো...

ঘুরে দাঁড়াও।

দুপুরে বাসায় কিছু মেহমান আসবে।

মাফে'র সঙ্গে ভাত রান্না কোরো। (মাফে - বাদামের ঘন মাখনের সঙ্গে মাংস দিয়ে পরিবেশিত আফ্রিকান ডিশ)

কেন আমি এই অ্যাপ্রোন পরবো?

কেন আমি এই বাসায় রয়েছি?

আমি তো কখনো রাঁধুনি ছিলাম না!

ম্যাডাম কেন ভাত চাইছেন?

ডাকারে তার রাঁধুনি তো কখনো ভাত রান্না করতো না!

সম্ভবত ডাকারের চাল এরকম ছিল না।

আমি এসেছি বাচ্চাদের জন্য। কোথাও ওরা?

বাচ্চারা যদি না-ই থাকে, তাহলে কেন তিনি আমাকে এখানে আনলেন?

ভাত খাওয়ার পর, হয়তো তারা আমাকে শহরটা ঘুরে দেখাবেন।

হয়তো আমরা যাবো কানে,

নিস, মন্টে কার্লোতে।

আমরা সুন্দর সুন্দর দোকানগুলো ঘুরে দেখবো,

আর যখন ম্যাডাম আমাকে বেতন দেবেন,

তখন আমি কিনবো চমৎকার পোশাক,

জুতো,

সিল্কের অন্তর্বাস,

আর দারুণ সব পরচুলা।

তারপর আমি সৈকতে আমার ছবি তুলবো,

আর ছবিটা ডাকারে পাঠাবো, সবাই হিংসায় জ্বলেপুড়ে মরবে!

আশা করি আমার ভাত ওদের পছন্দ হবে।

সসে আমি অত ঝাল দেইনি।

বাচ্চারা যদি না আসে তাহলে?

- আমি আর তর সইতে পারছি না! - এটা খেতে দারুণ তবে খুব ঝাল!

- এই নিন। - আচ্ছা।

ধন্যবাদ।

খাঁটি আফ্রিকান রান্না!

ভাতের প্লেটটা এগিয়ে দিন প্লিজ।

আপনার পছন্দ হয়েছে?

- হ্যাঁ, এটা দারুণ! - খুব মসলাদার!

মসলাদার খাবার আমার পছন্দ! কপাল খুলে গেছে!

দিউয়ানা...

এক প্লেট ভাত আর ওয়াইন দিও।

এরা খায় শুয়োরের মতো আর সারাক্ষণ বকবক করে!

আর মদও খায়!

খানিকটা সস।

দেখতে দারুণ মনে হচ্ছে!

আরেকটু।

তোমার ডাকারে আসা উচিত!

এতগুলো গৃহযুদ্ধ হবার পর, আফ্রিকা এখন নিরাপদ নয়।

সেনেগাল নিরাপদে আছে।

হ্যাঁ, খাবারটা বেশ ভালো হয়েছে, তবে একটু শক্তিসমৃদ্ধ।

রান্নাটাও ভালো হয়েছে! তোমার রাঁধুনি তো মহামূল্যবান!

আফ্রিকানরা শুধুই ভাত খায়।

- 'মাফে' জিনিসটা কী? - এটা খেলে কি মোটা হয় নাকি?

আশা করি খাবারটা কামোদ্দীপক হবে!

সবসময়ই ঠাট্টা করেন!

ধন্যবাদ, দিউয়ানা।

কিছু মনে করবেন না তো, ম্যাডাম?

আমি কখনো কোনো কৃষ্ণাঙ্গ নারীকে চুমু খাইনি।

মনে হচ্ছে সে রেগে যাচ্ছে।

ওদের স্বাধীনতাই ওদের স্বাভাবিকতা কমিয়ে এনেছে।

সে স্রেফ মজা করছিলো!

তোমার ভাত ভালোই হয়েছে! আমি গর্বিত!

এখন আমাদেরকে ভালো করে কফি বানিয়ে দাও!

ওটা নামিয়ে রাখ।

এদিকে আয়!

পাবলিক চিঠি-লেখক

কোথায় যাচ্ছো?

কাজের খোঁজে।

এসবের সূচনা হয়েছিল ডাকারে,

সেই সকালটিতে।

আমি এক তলা থেকে অন্য তলায়...

সিঁড়ি দিয়ে ওপরে-নিচে গেলাম।

সব জায়গাতেই এক অবস্থা।

কেউই কাজের লোক রাখতে চাইছিলো না।

- ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করো! - আমার কাছে তো ভবিষ্যৎ অন্ধকার!

জাতীয় বিধানসভা

- মানুষ আর মত পোষণ করতে পারবে না! - এটা তো বাধা!

অবশেষে তুমি স্বীকার তো করলে!

এতে তোমার ফায়দা আছে!

- তোমার জেলায়... - আমি তো জনগণের দ্বারা নির্বাচিত!

- এত জোরে বোলো না! - কেন না? আমি বলছি 'না'!

নিজের পরিবারের কথা ভাবো!

সে ঠিকই বলছে। তোমাকে আরেকটু শান্ত হতে হবে।

মাফ করবেন...

লাগবে না আমার কাজের লোক!

সে আমার সঙ্গে চলতে শুরু করলো। সে শুধু আমার দিকে তাকিয়ে ছিল।

আমার মন ছিল অন্যকোথাও।

আমার কাজ দরকার ছিল।

শুধু দুজন মহিলা ব্যতীত সড়ক পুরোটা ফাঁকা ছিল।

ওদেরকে দারুণ লাগছিলো। আমি ওদেরকে চলে যেতে দেখলাম।

কিন্তু সে কথা বলতে লাগলো।

সে একটা স্কয়ারের কথা বললো যেখানে দাসীরা কাজের আশায় অপেক্ষা করে।

যখন সেখানে পৌঁছুলাম, সে আমাকে ছেড়ে চলে গেলো।

আমি কথা দিলাম যে আবার ওর সঙ্গে দেখা করবো।

বাকিসব মেয়েদের মতো, আমিও ফুটপাতে বসে অপেক্ষা করতে লাগলাম।

সূর্য আমাদের মাথার ওপর দিয়ে বহুবার অতিক্রম করলো,

কিন্তু আমরা প্রত্যেক সকাল আর সন্ধ্যায় ফিরে আসলাম।

সেই সকালে, রোজকার মতোই আমি স্কয়ারে গেলাম।

বাকিরাও ছিল সেখানে,

আমি ফুটপাতে বসলাম,

যেটা আমি প্রতিদিন করতাম, নিয়তির জন্য অপেক্ষা।

তিনি পেছন দিক থেকে এলেন।

তিনি ঘুরে ঘুরে আমাদেরকে পর্যবেক্ষণ করছিলেন।

কেউ তার চোখ দেখতে পাচ্ছিলো না।

তিনি আমাদের সবাইকে একবার করে দেখে নিলেন।

আমরা বুঝলাম তিনি কাজের লোক খুঁজছেন।

সবাই হুমড়ি খেয়ে তার কাছে ছুটে গেলো।

প্রত্যেকেই কাজ পেতে চাইছিলো।

তার দিকে এগিয়ে আসা হাতগুলো থেকে,

তিনি পিছু হটলেন।

আমি উঠে দাঁড়াচ্ছিলাম, তখন তিনি আমার দিকে এগিয়ে এলেন,

আর জিজ্ঞেস করলেন আমি কাজ চাই কিনা।

আমি বললাম, 'জ্বি, ম্যাডাম'।

- 'তুমি বাচ্চাদের দেখভাল করতে পারবে?' - 'জ্বি, ম্যাডাম।'

'শ্বেতাঙ্গদের জন্য তুমি কাজ করেছো?'

'না, ম্যাডাম'।

তিনি আমাকে নিয়োগ করলেন। আমার আনন্দ হচ্ছিলো।

আমি কাজ পেয়েছি! যখম সেই সন্ধ্যায় বাড়িতে পৌঁছুলাম,

আমার খুবই আনন্দ হচ্ছিলো!

আমি কাজ পেয়েছি!

আমি শ্বেতাঙ্গদের বাড়িতে কাজ পেয়েছি!

স্কুল

রোজকার মতো, মা সেখানে ছিল।

আমি তাকে আমার কাজের ব্যাপারে বললাম।

মা মুখোশটা ফেলে দিলেন, আর বললেন সাহসী হতে।

মুখোশটা আমাকে দে, বেতন পেলে তোকে ৫০ ফ্রাঙ্ক দেবো।

এটা আমার জন্যে?

জ্বি, ম্যাডাম।

চাকরানির পক্ষ থেকে উপহার।

দেখে তো আসল মনে হচ্ছে!

গতকাল তো কাজে আসোনি। এ হলো নতুন নার্সারি চাকরানি।

ওকে বাড়ির নিয়মকানুন বুঝিয়ে দাও।

কোনো জিনিস ভাঙলে, তার খেসারত দিতে হবে।

- ওকে খাইয়ো। - জ্বি, ম্যাডাম।

সাবধানে। পড়ে যেও না।

এরা হলো আমার ছেলেমেয়ে।

সোফি,

দামিয়েন,

আর ফিলিপ।

এখন যাও, বাইরে খেলো।

ডাকারে, আমি রান্নাবান্না করতাম না,

কাপড়চোপড় ধুতাম না।

আমি শুধু বাচ্চাদের দেখভাল করতাম।

আমি ওদেরকে হাঁটতে নিয়ে যেতাম,

স্কুলে নিয়ে যেতাম,

আর আবার বাড়িতে ফিরিয়ে আনতাম।

আমি অত নিশ্চিত নই!

- সেনেগালে... - সেঙ্ঘোর থাকতে চিন্তার কিছু নেই।

আমাকে এ নিয়ে ভেবে দেখতে হবে।

এটা কিন্তু একটা সুবর্ণ সুযোগ!

কিন্তু ঐ গৃহযুদ্ধ! আমারও তো একটা পরিবার আছে!

দূর থেকে দেখলে, ওটাকে তো খারাপ মনে হবেই।

কিন্তু কঙ্গোর দিকে দেখো!

সেনেগাল তো আর কঙ্গো নয়! সেখানে জীবন আরামদায়ক।

ফ্রান্সে ফিরতে আমার কতদিন লাগবে?

প্রতি দুই বছরে ছুটি পাবে। আর এতে কোনো ঝুঁকি নেই।

তোমার বেতনের একটা অংশ ফ্রান্সে পরিশোধ করা হবে।

শুনতে তো দারুণ মনে হচ্ছে...

- আর গৃহস্থালির কাজকারবার? - সবকিছুর খেয়াল রাখা হয়।

তোমার কোনো চিন্তা থাকবে না।

কফি।

- সে ফ্রেঞ্চ বলতে পারে? - না।

- বুঝতে পারে। - প্রবৃত্তিগতভাবে?

মনে তো হয় তা-ই।

জানোয়ারের মতো!

যাই হোক, সে রান্নাবান্নায় ভালো।

আমাদের যাবার সময় হয়েছে।

- বিদায়। - শুভবিদায়।

- বিদায়। - শীঘ্রই দেখা হবে।

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left