Hush (Heoswi / 허쉬)

Hush (Heoswi / 허쉬)

Download Bengali Subtitle

Release info

HUSH Episode 03 NEXT Bangla Subtitle
HUSH Episode 03 WEB-DL Bangla Subtitle
হাশ্ - বাংলা সাবটাইটেল [ এপিসোড ০৩ ]
A Commentary by Nurullah_Mashhur
💥💥মাতৃভাষায় উপভোগ করুন কোরিয়ান মেগাস্টার হোয়াং জং মিন অভিনীত কোরিয়ান ড্রামা "হাশ্"।💥💥

Tags

Web-DL
web-dl
web
WEB-DL
Published on: 2020-12-31
Downloads: 21
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 200 lines.

:.:.: Hush Episode 03 :.:.: "Farewell Soup" অনুবাদক: নূরুল্লাহ মাশহুর

হেই, দেখুন।

কী?

:.:.: Hush Episode 03 :.:.: "Farewell Soup" অনুবাদক: নূরুল্লাহ মাশহুর

ওকে কী বলেছিলে?

গতকাল, ইন্টার্নরা সবাই লাঞ্চের সময় আমাদের পাশেই বসে ছিল।

কী বলছো?

আপনি যা যা বলেছেন ওরা সব শুনেছে।

কী?

শুনলাম স্বাক্ষী হিসেবে থানায় তোমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে।

হুম।

তুমি ওই কথা উল্লেখ করোনি তো?

না।

আচ্ছা।

অযথা গুজব তোমাকে হয়তো ঝামেলায় ফেলবে

আর জিনিসটাকে নিয়ন্ত্রণের বাইরে নিয়ে যাবে।

তাই মুখ বন্ধ করে রাখো, কিচ্ছু বোলো না।

ওকে?

নীরবতা।

সত্য সবসময় নীরবতার পাত্রে আটকে থাকে।

সেই অভেদ্য পাত্রে সত্য টগবগ করে ফুটতে থাকে,

কখনও স্তিমিত হয় না।

দেখলে...

অর্কিডটা দামী,

কিন্তু পাত্রটা সম্ভবত সস্তা ছিল।

আপনি তাদেরকে সত্যিকারের সাংবাদিক হিসেবে গড়ে তোলার জন্য ট্রেনিং দেওয়ার কথা ভাবেননি।

স্রেফ আর্টিকেল কপি-পেস্ট করাই হতো ওদের কাজ। কেন?

চিন্তা করো না।

আমি নতুন একটা পাত্রের ব্যবস্থা করব।

তোমার হাত ঠিক আছে?

এটা...

এটা আমাদের কাছে অর্থহীন।

কী হয়েছে?

ওনার সাথে রাগের মাথায় তর্কাতর্কি করেছ?

কী হচ্ছে?

তুমি ঠিক আছো?

চীফকে ভয় পেয়ো না।

তোমরা যা জানো স্রেফ তাই বলবে।

থামো।

এটা তোমার নাক গলানোর বিষয় না।

বসো, প্লিজ।

আমাকে ঢুকতে দেয় না কেন?

চা নাও।

জানি না ওহ সু ইয়েওন কী ভাবছিল।

তোমাদের চারজনই ইন্টার্ন পরীক্ষায় পাস করেছো,

আর সবাই আগামী মাস থেকে জুনিয়র রিপোর্টার হিসেবে যোগ দিতে যাচ্ছিলে।

ওহ সু ইয়েওন সহ।

তোমরা সবাই নিশ্চয়ই শোকাহত।

কিন্তু সাংবাদিকদের এমন পরিস্থিতিতেও নিজের কর্তব্য পালন করতে হয়।

আমাদের আবেগের বশবর্তী হওয়া চলবে না।

দুঃখ, রাগ বা আনন্দে আমাদের কর্তব্য বদলে যায় না।

আমি কী বলছি বুঝতে পারছো?

জি, বুঝতে পারছি।

তোমরা তিন জন ডিজিটাল নিউজে তোমাদের ট্রেনিং শুরু করবে।

সম্পাদক উমের কাছে আমি বিস্তারিত পাঠিয়ে দিবো।

মন খারাপ করে থেকো না।

যা-ই হোক,

তোমাদের মাঝে কেউ জানো কেন ও এমন কঠিন সিদ্ধান্ত নিল?

যেমন, টাকা, পরিবার,

বা বয়ফ্রেন্ডজনিত সমস্যা?

আমার জানা নেই।

আচ্ছা।

কিছু মনে পড়লে, যেকোনো সময় আমাকে বলতে পারো।

আর কাউকে বলো না।

সবাই একত্রিত হও।

প্রথমত, গত রাতের ঘটনাটা।

তোমরা সবাই নিশ্চয়ই জানো, তাই ভূমিকার দরকার নেই।

কেউ জানো কেন সে এমনটা করল?

কে জানে! তাই এই আলোচনা বাদ।

শেষ কথা, লি জে উন?

হুম?

তোমার নাইট ডিউটি কেন একজন ইন্টার্নকে চাপিয়ে দিয়েছিলে ব্যাখ্যা দাও।

আমার বাচ্চারা হুট করে অনেক দিনের জন্য অসুস্থ হয়ে পড়েছিল।

আমি একটা কল পাই, আর...

আমি বদলির জন্য জলদি কাউকে খোঁজা শুরু করি

কিন্তু কেউ আমার সমস্যাটা অনুধাবন করেনি।

ফালতু কথা!

কান্না করলেই সব ঠিক হয়ে যাবে না।

তোমার মাথা ঠিক আছে?

তোমার বাচ্চারা হুট করে অনেক দিনের জন্য অসুস্থ হয়ে পড়েছিল? যত্তসব।

এ ব্যাপারে অফিসের বাইরে আলাপ না করতে চীফ আদেশ দিয়েছেন।

তাই নিজেদের মুখ বন্ধ রাখো।

কিছুক্ষণের মধ্যে সব পত্রিকা এই খবরে ছেয়ে যাবে।

তৎক্ষণাৎ চেক করে আমাকে জানাবে সব।

তাছাড়া কিছুদিনের জন্য,

কেউ সরাসরি অনলাইনে কোনো আর্টিকেল আপলোড করতে পারবে না।

কোনো জায়গায় কোনো কিছু আপলোডের আগে আমাকে জানাবে।

বোঝা গিয়েছে?

জি, স্যার।

শেষ কথা, লি জে উন!

জি?

এক্ষুণি তোমার পদত্যাগ পত্র লেখো।

তোমার কাছে সত্যিই আমি এটা চাই।

তবে তার আগে, ক্ষমাপ্রার্থনা করে একটা চিঠি লিখবে।

মিটিং শেষ।

কী ব্যাপার?

জানি কেন চীফ তোমাকে আগে ডেকেছেন।

তুমি ওর শেষ ট্রেইনার ছিলে,

তো উনি নিশ্চয়ই ভেবেছেন তুমি কিছু জানো।

কিন্তু...

কিছু শুনতে পেয়েছো?

না, শুনিনি।

একটা ঝামেলাময় ইন্টার্ন পুরো কোম্পানিকে বিপদে ফেলে দিল।

ওর শেষকৃত্যানুষ্ঠানের স্থান নির্দিষ্ট হলে,

ওর শোক সংবাদ আপলোড করবে।

আচ্ছা।

এই বছরটা আমার সবচেয়ে বাজে বছর।

সুইসাইড নোট: No Gain, No Pain.

একটা আঞ্চলিক ইউনিভার্সিটিতে আমি সমাজবিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা শেষ করেছি।

সাংবাদিক হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে,

৫ বছর আগে আমি সিওলে আসি।

নারী, ২৯ বছর বয়সী।

সাথে ছিল কেবল ৩০ মিলিয়ন ওন স্টুডেন্ট লোন

আর অনিশ্চিত ভবিষ্যত।

আমি আমার সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করি।

কিন্তু কখনোই শেষ দরজাটা আমার জন্য খোলে না।

আমি শিখেছি আর বিশ্বাস করি যে পরিশ্রম কখনও বৃথা যায় না

আর দৃঢ় সংকল্প দ্বারা সব বাধা অতিক্রম করা সম্ভব।

সিটি ডেস্ক আর আমার মতে তুমি সেরা।

সব ইন্টার্নের মধ্যে।

সত্যিই?

হুম।

সু ইয়েওন।

শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত নিজের সেরাটা দিয়ে যাও।

পুরষ্কার তুমি পাবেই।

কিন্তু বাস্তবতা ছিল আমার শিক্ষার চেয়ে অনেক ভিন্ন।

"No Pain, No Gain"(কষ্ট ছাড়া কেষ্ট মেলে না) এই দুনিয়ায় মিথ্যা।

আমি যথাসম্ভব বেশি অভিজ্ঞতা অর্জন করতে চেয়েছিলাম।

ঠিক। অভিজ্ঞতাই সবচেয়ে বড়ো যোগ্যতা।

তোমরা সবাই সাংবাদিক হওয়ার স্বপ্ন দেখো?

স্বপ্ন।

আজকাল, স্বপ্ন হচ্ছে এমন ফাঁদ যেখানে ব্যর্থ হলে কোনো ক্ষতিপূরণ থাকে না।

আমি ছিলাম স্রেফ এই দুনিয়ার একটা শিকার।

ওহ সু ইয়েওন অভিজ্ঞতার দিক দিয়ে সবার চেয়ে এগিয়ে।

কিন্তু ওকে নিয়োগ দিলে ব্যাপারটা ভালো দেখাবে না।

ও ডেইলি কোরিয়ার নামের সাথে যায় না।

[ডেইলি কোরিয়ার ইন্টার্ন সাংবাদিকের সুইসাইড নোট]

[শেষ সুযোগ। অবশ্যই পাশ করতে হবে। ব্যর্থ হওয়া চলবে না।]

কোরিয়াতে, শুধু সফলদেরই ব্যর্থ হওয়ার অধিকার আছে।

ব্যর্থদের ব্যর্থতার দিকে কেউ ফিরেও তাকায় না।

আমার ব্যর্থতা দুনিয়ার অন্য অসংখ্য ব্যর্থতার অন্যতম হতে যাচ্ছে।

এই জীবনে, আমার কোনো সুন্দর ভবিষ্যতের আশা নেই।

এই জীবনে, আমি সুখের দিকে দৌড়াতে পারব না।

শুধু দুর্ভাগ্য থেকেই পালিয়ে বেড়াতে হবে।

আর সেটা মৃত্যুর সমতুল্য।

স্বপ্ন দেখা আমার জন্য শাস্তিস্বরূপ।

তাই, আমার এই দুঃসহ নিয়তির লাইফ সাপোর্ট আমি খুলে নিচ্ছি।

যাইহোক, পরাজিতদের জন্য সবসময় একটা অজুহাত থাকে।

No Gain, No Pain.

আমি যতই এই কাঠামোতে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করি,

কাঠামোটা আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠে,

আর আমি আরও বেশি কষ্ট পাই।

লাঞ্চ টাইম!

কোনো কিছুর আকাঙ্ক্ষা না থাকলে,

কোনো কষ্টও থাকবে না।

কোনো কিছুর আকাঙ্ক্ষা না থাকলে,

কোনো কষ্টও থাকবে না।

[ডেইলি কোরিয়া রিপোর্টার ওহ সু ইয়েওন]

না, আপনি ভুল।

শুরু থেকেই আপনি ভুল।

কী?

সবার আগ্রহ শুধু এটা জানার জন্য যে কেন সে মারা গেল।

কে তাকে মেরেছে সেটা না।

কী বলতে চাইছো?

এটা একটা খুন। আত্মহত্যা না।

এ কারণেই সবাই কারণ জানতে চাইছে।

এটা প্রমাণের জন্য যে তারা এর জন্য দায়ী না।

আমি বলছি না এটা সমাজের দোষ।

বলছি যে কেউ একজন ওকে খুন করেছে।

কী যা তা বলছো?

কিছু মনে করবেন না।

আপনি বুঝবেন বলেও আশা করিনি।

ও যদি আত্মহত্যাও করে থাকে,

তবুও আপনি সেই দায় এড়াতে পারবেন না।

যদিও জানি না আপনার মধ্যে আদৌ দায়িত্ববোধ আছে কি না।

এই।

লি জি সু!

হুম।

আমি হান জুন হিউক।

ডিটেকটিভ নাম তোমার ব্যাপারে আমাকে বলেছে।

আমি ওর ছোটো ভাই, ওহ সাং ইয়েওন।

তোমার অপূরণীয় ক্ষতির জন্য আমি ব্যথিত।

ধন্যবাদ।

নাও।

ওর ইন্টার্ন এপ্লিকেশন থেকে স্রেফ এটাই আমাদের কাছে আছে।

এটাই ওর সবচেয়ে সুন্দর ছবি।

কারণ এই ছবিটা তোলার সময় ও সবচেয়ে বেশি সেজেছিল।

যথাসম্ভব সব জায়গায় আমি কল করেছি।

জি। আমিও যথাসম্ভব সব জায়গায় কল করেছি, কিন্তু...

অনলাইনে আমরা সত্যিই কিছু করতে পারব না।

সমস্যাটা ট্রেন্ডিং টপিক।

এটা কি এখনও শীর্ষে আছে?

জি।

যেকোনো সংবাদ আসা মাত্রই আমরা সেটাকে ফিল্টার করছি।

সোশ্যাল মিডিয়াতে এটা কোনো মেজর ট্রেন্ড না,

তাই জলদিই এটা স্তিমিত হয়ে যাবে।

অন্য কোনো ইস্যু সামনে আসতে হবে।

এমপি গো'র বিচারের রায় আসতে কতক্ষণ লাগবে?

আজ শেষ শুনানি ছিল,

তাই সন্ধ্যার সংবাদে খবর দেখতে পারবেন।

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left