The first 200 lines.
তোমরা প্রত্যেকে যারা...
আমাদের পবিত্র মূল্যবোধের ওপর...
আঘাত হানা অশুভ শত্রুদের মোকাবেলা করতে যাচ্ছো,
এই দুঃসময়ে আমি তাদের নিজেদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানাচ্ছি।
ঊষার বিস্তার এখন প্রবল।
আর বাচ্চাটাও এখানে।
সময় হয়েছে।
জানি।
অনুবাদে: ☣ AsadujJaman ☣
এতোসব কিসের জিনিস?
যা বুঝলাম তুমি এখানে ঈয়োরেক বার্নিসনের পিঠে চড়ে এসেছো।
ভালুকদের নতুন রাজা। আমার ধারণা তুমি পুরোনোটাকে-ই পছন্দ করতে?
কিন্তু তোমার খুশি হওয়া উচিত, তুমি এখন মুক্ত।
একটা বাচ্চা মেয়ে কিভাবে প্যানজার্বিয়র্নদের রাজাকে অভিভাবক হিসেবে পেল?
এখানে আসতে বেশ লম্বা পথ পাড়ি দিতে হয়েছে।
ওটা কোন উত্তর নয়।
আর তোমাকে আমন্ত্রণের কথাও মনে পড়ছে না।
তুমি চাও না আমি এখানে থাকি?
তোমাকে নিরাপদ স্থানেই রেখে এসেছিলাম, লাইরা, জর্ডান কলেজে।
আমার জন্য যা-ই এনে থাকো...
আশা করি সেটা গুরুত্বপূর্ণ।
তো, জিনিসটা কী?
তোমাকে বলবো...
যদি আমাকে বলো কেন তুমি...
আমার বাবা হওয়ার ব্যাপারে কেন মিথ্যে বলেছিলে?
আমি কতোই না গর্ব বোধ করতাম।
কেন গর্ব বোধ করতে?
কারণ তুমি...
লর্ড এজরিয়েল।
আর তুমি আমার বাবা।
তোমার মা, সে...
তোমার মা কে সেটা জানো?
তোমার প্রেমিকা চয়েস প্রায় তোমার ভালুক চয়েসের মতোই ফালতু।
আমার মতে এই কথাবার্তা আর না আগানো-ই ভালো।
কেন?
কারণ ব্যাপারটা আবেগে রুপ নিচ্ছে।
আবেগ?!
আর কারণ আমি বলতে চাই না।
তুমি কাঁদছো? ওটা অপ্রয়োজনীয়।
লাইরা বেলাকুয়া, তুমি এর চাইতেও শক্ত।
নামটা এখন প্রিয়ভাষিণী।
তুমি আমার নাম রাখতে চাও না?
প্রিয়ভাষিণীকে-ই আমার আপন মনে হয়।
এটা আমাকে এমন একজন দিয়েছে যে সত্যিই আমাকে ভালোবাসে,
যেটা তোমার নামের চাইতে হাজারগুন ভালো।
এটার জন্য এখানে এসেছিলাম।
তোমাকে এটা পৌঁছে দিয়েছি, রজারকে বাঁচিয়েছি আর এখন আমার রাস্তা মাপছি।
এখন মাঝরাত।
তাহলে সকালে চলে যাবো।
এলিথিওমিটারটা তুমি-ই রাখতে পারো।
আমার এটার প্রয়োজন নেই।
তুমি এটা চাও না?
আমি তা বলিনি।
হুম।
আমি এটা আগলে রেখেছিলাম।
জর্ডান কলেজ থেকে পুরোটা পথে!
ম্যাজিস্টেরিয়ামের সাথে লড়েছি, উইচদের দলে টেনেছি, ভালুকদের সাথে লড়েছি,
শুধু তোমাকে পৌঁছে দেবার জন্য,
আর তুমি নিতে অস্বীকার করছো?
আবার নিজেকে বাবা দাবি করো?
আমার মতে ওটা ভুল ধারণা।
আমি কখনোই নিজেকে বাবা দাবি করিনি।
কোন বিশেষ কারণে বিরক্ত করছেন?
বাতাস দিক পরিবর্তন করেছে।
এখন দ্রুতগতিতে এগোবার কথা।
সকালের মধ্যেই পৌঁছে যাবো।
সর্বশক্তিমান নিশ্চয়ই আমাদের পক্ষে।
অতো অহংকারের সাথে কথাটা দাবি করতে পারি না।
আশা করি, খুব শীঘ্রই উত্তরটা পেয়ে যাবো।
আমরা যত দ্রুতই যাই না কেন, এজরিয়েল তৈরি থাকবে।
আমাদের অস্ত্রের শক্তি আর বিশ্বাস আছে।
দুই শক্তিশালী অস্ত্র।
তার শুধু আছে বিকৃত অহংকার।
আর তার কাজ।
যে কাজ আপনি অন্যদের দেখতে দিতে চান না, কিন্তু...
আপনি আসলে নিজেও সেগুলো দেখতে চান না।
আপনি দেখতে চান?
আমি ওসবে ভয় পাই না।
সে আপনাকে আসলে কী করেছিল?
তার এখনো কিসের এতো ক্ষমতা!
আপনি কিছুই জানেন না।
আমি আপনাকে জানতাম।
ভালো ঘরে বিয়ে হওয়া এক উচ্চাকাঙ্ক্ষী যুবতী মহিলা,
বেশ ভালো কোন পদের দিকেই অগ্রসর হচ্ছিলো,
আর তারপর ওই লোকটা এলো আর আপনি...
- তার সামনে দূর্বল হয়ে... - আমি দূর্বল হইনি।
আপনি নিজের সন্তানের দ্বায়িত্ব পর্যন্ত দাবি করেননি।
হুম।
ধরে নিচ্ছি আপনি নিজেকে নিষ্পাপ মনে করেন।
কেউই নিজেকে নিষ্পাপ দাবি করতে পারে না।
তো আপনার পাপটা কী,
তাই ভাবছি?
হুম?
যৌনক্ষুধা?
লোভ?
না।
ওটা হিংসা।
আপনি এজরিয়েল আর আমার মতো হতে চান...
নিশ্চিত পদক্ষেপ, একটা দৃঢ় বিশ্বাস,
কিন্তু আপনার... আপনার সেটা নেই।
আমি-ই হচ্ছি আপনার তূণের সেরা অস্ত্র।
জিনিসটা তোমাকে কোন উত্তর দিয়েছে?
এলিথিওমিটার শুধু তোমার প্রয়োজনীয় উত্তরটুকুই দেয়,
ঠিক তোমার কাঙ্ক্ষিত উত্তরটি নয়।
- মাঝেমধ্যে উত্তরটা অনেকটা ধাঁধার মতো... - কী বলেছে ওটা?
যে প্রশ্নটা আমি খুবই স্পষ্টভাবে করেছিলাম, তা হচ্ছে, "গ্রুম্যান কী আবিষ্কার করেছে?"
জিনিসটা কী উত্তর দিয়েছে?
ওটা বলেছে...
দেবদূতদের দ্বারা পরিবেষ্টিত একটি দালানে একটা ছুরি আছে।
সে ওটাই আবিষ্কার করেছে।
- আর? - তার ছেলে তোমাকে সে পর্যন্ত নিয়ে যাবে।
কিন্তু গ্রুম্যান তো বিয়েই করেনি, কোন ছেলেও নেই।
তাই আমাকে কি অন্যকোন প্রশ্ন করতে হবে, নাকি...?
ছেলে?
তুমি নিশ্চিত ওটা ছেলে-ই বলেছে?
ওই অংশে, কাঁটাগুলো আমাকে বাচ্চা, দেবদূত আর পুতুলের সংকেতগুলো দেখিয়েছে।
উত্তরটা বেশ পরিষ্কার-ই ছিল।
বলুন তো, স্যার, ওর কাছে কী সবকিছু আছে?
- হুম? - যেমন ধরুন, দাঁত মাজার ব্রাশ।
ওর কাছে কি টুথব্রাশ আছে?
আমি হলে বেশি মাথা ঘামাতাম না।
যেহেতু ঈয়োফার মারা গেছে,
উড়োজাহাজ ভর্তি সেনার দল এ পথে রওনা হয়ে গেছে।
কিন্তু ম্যাজিস্টেরিয়াম-ই বেশিদিন আমাদের একমাত্র শত্রু থাকবে না।
আপনি আরো বড় শত্রু খুঁজে পেয়েছেন?
আসল শত্রু।
আর এখন যেহেতু ঈয়োফারের প্রহরীরা আর নেই, আমি ওটার পেছনে যেতে পারবো।
মনে হচ্ছে ম্যাজিস্টেরিয়াম এসে পৌঁছনোর সময় আমি এখানে থাকবো না।
আমি চাই তুমি লাইরার নিরাপত্তা নিশ্চিত করো।
এতোকিছুর পর,
আপনি চান না আমি সাথে যাই?
বিষয়টা তা নয়। আমার তোমাকে এখানে প্রয়োজন।
আমি তোমাকে আমার মেয়েকে রক্ষা করতে বলছি।
ওকে কি বিদায় জানাবেন না?
না। না, আমার কাজ আছে।
অন্তত এটুকু তো করতে পারেন।
আমাদের লর্ড এজরিয়েল'কে প্রয়োজন নেই।
আমরা ভোর হলেই চলে যাবো।
- লাইরা, ভেতরে আছো? - আছি।
আর তুমি ভেতরে আসছো না।
আমি ভেতরে ঢুকে, পেছন ফিরে আসবো আর পেছন ফিরে বসবো।
আচ্ছা।
- কোন কিছুতে ধাক্কা খেতে যাচ্ছি কিনা বলো। - খাবে না।
ওখানেই বসতে পারো।
তো কী পেয়েছো?
কী?
বলার জন্য। বাথরুমে কেন এসেছো?
ওহ।
একটু ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম।
কী দেখে?
তোমার বাবাকে দেখে। সে এখানে কী করছে?
সে তোমাকে দেখে ভীষণ ক্ষেপে গেল,
আর তারপর আমাকে দেখলো আর তৎক্ষণাৎ ঠান্ডা হয়ে গেল।
সে আমার দিকে ঠিক নেকড়ের মতো তাকাচ্ছিল।
আমার বাবা...
এখন তাকে তোমার বাবা বলতে পারবো?
সে জানে আমি জানি।
খুব একটা ভালো যায়নি?
একদম না।
আমার কী ধারণা জানো?
বাবা-মা যতোটা না গুরুত্বপূর্ণ তার চাইতে বেশি ঝামেলার।
এজন্যই আমি কখনো আমার বাবা-মা সম্পর্কে জানতে চাইনি।
ভালো করেছো।
জানো, আমার সবসময়ই ভালো লাগতো, যে আমরা দু'জন-ই একরকম।
এতিম।
তাই যদি চাও...
আমরা এই অভিনয় চালিয়ে যেতে পারি।
তোমার তাকে হাতছাড়া করা উচিত হয়নি।
আমি জানতাম না তাকে আমাদের দরকার ছিল। তুমি শুধু চিঠিগুলো চেয়েছিলে।
সে দরকারি।
সে গুরুত্বপূর্ণ।
কী করতে হবে বলো।
বুঝতে পারছি না তোমাকে দিয়ে কেন কোনকিছু করাতে যাবো!
তুমি ঝামেলা পাকাও।
আমার সাহায্য চাও।
আমি থমাস'কে দিলাম, এবং তুমি আবারো ঝামেলা পাকালে।
এক মিনিট...
আর আমাকে নিজে আসতে হলো।
বলো দেখি...
একা কোনো কাজ করার মুরোদ কি তোমার আছে?
এবার, ভাবো...
উইল কোথায় থাকতে পারে...
কী করতে পারে।
ছেলেটার বন্ধু-বান্ধব নেই। আমার ধারণা, সে রাস্তাতেই কোথাও আছে।
আমি খুঁজে দেখবো।
লাশটার ব্যবস্থা করো।
হয়ে যাবে।
আর ছেলেটাকে খুঁজে বের করো।
কন্ট্রোল, ডিএল. ওয়াল্টার্স বলছি। অক্সফোর্ড এলাকার সকল ইউনিটকে জানাচ্ছি...
পারিবারিক নাম প্যারি, প্রথম নাম উইলিয়াম নামের...
১৫ বছরের এক ছেলের, প্রায় ৫ ফুট ৭ ইঞ্চি লম্বা। সম্ভবত পথচারী বেশে আছে।
নিখোঁজ রিপোর্ট পাওয়া গেছে।
কিছু চোখে পড়লে, সরাসরি আমার সাথে যোগাযোগ করবে।
ওভার।
বুঝেছি, ডিএল. ওয়াল্টার্স। কন্ট্রোল বলছি।
তল্লাশি শুরু করছি পারিবারিক নাম প্যারি, প্রথম নাম উইলিয়াম...
১৫ বছরের ছেলে...
থামো!
সে বিস্মিতও হয়নি।
সে মনোক্ষুণ্নও হয়নি। সে শুধু...
No comments yet. Be the first to leave one.