The first 200 lines.
এই হল সেই পারস্য সাম্রাজ্য...
...যা আজ ইরান নামে পরিচিত।
২৫০০ বছর ধরে, এই দেশ বেশকিছু রাজা দ্বারা শাসিত হয়েছিল...
...যারা শাহ্ নামে পরিচিত।
১৯৫০ সালে, ইরানের জনগণ ধর্মনিরপেক্ষ ও গণতন্ত্রবাদী মোহাম্মাদ মোসাদ্দিকে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন করে।
ইরানের তেল ইরানবাসীকে ফিরিয়ে দিয়ে তিনি ব্রিটেন এবং আমেরিকান পেট্রোলিয়াম কোম্পানি রাষ্ট্রীয় তত্ত্বাবধানে আনেন।
কিন্তু ১৯৫৩ সালে...
...যুক্তরাষ্ট্র এবং গ্রেট ব্রিটেন দক্ষতার সাথে ষড়যন্ত্র করে মোসাদ্দিকে ক্ষমতাচ্যুত করে...
...এবং রেজা পাহ্লাভিকে শাহ্ হিসেবে সংস্থাপন করে।
তরুণ শাহ্ অত্যধিক প্রাচুর্য ও বিলাসিতার জন্য পরিচিত ছিলেন।
তার স্ত্রী দুগ্ধ-স্নান করতেন বলে শোনা যায়...
...যেখানে তরুণ শাহ্'র দুপুরের খাবার সুপারসনিক বিমানে করে প্যারিস থেকে আনা হত।
মানুষকে না খেয়ে থাকতে হত।
তরুণ শাহ্ তার নির্মম অভ্যন্তরীণ পুলিশ বাহিনীর মাধ্যমে ক্ষমতা ধরে রেখেছিলেন।
পুলিশ বাহিনীটির নাম 'দ্য স্যাভাক'।
সূত্রপাত ঘটে নিপীড়ন এবং ভয় সংবলিত একটি যুগের।
তরুণ শাহ্ এরপর ইরানে পাশ্চাত্য সভ্যতার প্রবর্তন ঘটাতে একটি ক্যাম্পেইন শুরু করেন...
...যার ফলে ঐতিহ্যবাহী শিয়া জনগোষ্ঠীর একটি অংশ ক্রুদ্ধ হয়ে ওঠে।
১৯৭৯ সালে, ইরানের জনগণ শাহ্কে ক্ষমতাচ্যুত করে।
নির্বাসিত ধর্মীয় নেতা, আয়াতুল্লাহ খোমেনি ইরান শাসনের জন্য ফিরে আসেন।
এরপর শুরু হয় প্রতিশোধের বন্যা, বিরোধী দলীয়দের হত্যা এবং বিশৃঙ্খলা।
শাহ্ যখন ক্যান্সারে মৃতপ্রায়, আমেরিকা তাকে আশ্রয় দেয়।
ইরানের জনগণ আমেরিকান দূতাবাসের বাইরে রাস্তায় জড়ো হলো...
...শাহ্কে ফেরত পাঠানোর দাবিতে...
...তার বিরুদ্ধে মামলা...
...এবং তার ফাঁসির দাবি।
সত্য ঘটনার ওপর ভিত্তি করে নির্মিত।
আমেরিকান দূতাবাসের সামনে - ৪ নভেম্বর, ১৯৭৯
আজ জনসমাগম বড্ড বেশি, কী মনে হয়?
জানালাগুলো তো গুলি-রোধক, তাই না?
আসলে সেটা কখনও পরীক্ষা করে দেখা হয় নি।
এক কাজ করুন, এই অংশটা পূরণ করে ফেলুন।
তারপরই আমরা আপনার ভিসার ব্যবস্থা করতে পারব।
আমাদের এখানে নিরাপত্তা দরকার। হ্যাঁ, আর সেটা আপনারই দায়িত্ব।
তারা দেয়ালের ওপর চড়ছে।
আমাদের সবার বের হয়ে যাওয়া উচিৎ। আমি আমার অফিস বন্ধ করতে যাচ্ছি।
ওহ খোদা।
মেরিন নম্বর এক। পিছে সরে যান।
- আমাকে শুনতে পাচ্ছেন? আমাদের সাহায্য প্রয়োজন। - এখনই পুলিশ ডাকুন। এখনই, যত্তসব।
- হায় ঈশ্বর ! - কেউ আমাকে শুনতে পাচ্ছো?
একটা আইন ভঙ্গ হয়েছে।
পুড়িয়ে ফেলো সব ! এখনই !
ঠিক আছে, সবকিছু পুড়িয়ে ফেলো ! সকল ফাইল, ফাইলের আসবাব, সিন্দুক সবকিছু।
একটা ট্রলি নিয়ে আসো। সব পুড়িয়ে ফেলো, জলদি।
সবকিছু পুড়িয়ে ফেলো ! গোপন ফাইলপত্র ! সবকিছু !
কাউকে গুলি করবে না।
আমাদের কারণে যুদ্ধ শুরু হওয়া উচিৎ হবে না।
গোপন ফাইলপত্র পোড়াতে তাদের ১ ঘণ্টা সময় লাগবে।
আমি চাই তোমরা টিকে থাকো।
ভুলেও যদি ওদের একজনকে গুলি করো, আমরা সবাই মারা পড়ব।
আমার কথা শোনো, যেতে চাইলে এখনই সুযোগ।
- আমাদের একটা সিদ্ধান্ত নিতেই হবে... - পুলিশ আসা পর্যন্ত কি অপেক্ষা করা যায় না?
না, পুলিশ আসবে না। ৪৫ মিনিট পার হয়ে গেছে।
- তুমি কীভাবে জানো? - পুলিশরা তাদের কর্মস্থল ত্যাগ করেছে।
পুলিশ না আসলে আর্মিরা আসবে।
প্রধানমন্ত্রী দূতাবাসকে অন্যের নিয়ন্ত্রণে দেবে না।
প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল আসতে পারে, কিন্তু বৈপ্লবিক কমিটি আজই এসে পড়বে। তাই আমাদের এই স্থান ত্যাগ করতেই হবে।
আমার কথা শোনো। কেউ আসবে না।
ডেস্ক ড্রয়ার খুলে সবকিছু নিয়ে আসো। সাজানো লাগবে না।
খিলানের নিচে চুল্লিতে ওগুলো পুড়িয়ে ফেলো! এখনই যাও!
কাঁদন গ্যাসই এখন শেষ রক্ষা ।
আবারো বলছি: শুধুমাত্র জীবনহানির আশঙ্কা থাকলে তবেই গুলি করবে।
এখানে থাকা মানে আমেরিকাতে অবস্থান করা। কেবল বাইরেই আমরা ইরানের বাসিন্দা।
- এটা আমেরিকার মাটি... - আমি বাইরে যাচ্ছি না।
মানুষগুলো এখানে নিরাপদ না।
আমেরিকার ভিসা করতে গিয়ে যদি তারা ধরা খায়?
মার্ক, শুধুমাত্র এই বিল্ডিং দিয়েই সরাসরি রাস্তায় যাওয়া সম্ভব।
- যেতে চাইলে এখনই যেতে হবে। - হ্যাঁ, আমি রাজি।
- হ্যাঁ। - হ্যাঁ, চলো যাই।
- আমি বাইরে যাচ্ছি। - কেন?
তাদের সাথে বোঝাপড়া করার জন্য।
দরজা খোলো!
আল্লাহর ওয়াস্তে দরজাটা খোলো !
তুমি পৃথিবীটা দেখতে চেয়েছিলে, তাই না টম?
আমাকে ভিতরে আসতে দাও ! আমাকে ভিতরে আসতে দাও !
সবকিছু পুড়িয়ে ফেলো, জলদি।
সিন্দুক, ফাইলের আসবাব সবকিছু নিয়ে আসো।
চারটা ড্রয়ার আমি এখনই টুকরো অবস্থায় চাই।
টুকরো হতে সময় লাগবে।
ভিসা প্লেটগুলো নিয়ে আসো!
সবগুলো ড্রয়ার ! যা-ই নজরে আসবে সব টুকরো করবে।
সন্দেহ হওয়া মাত্রই টুকরো করে ফেলবে !
হাতে আর ১০ মিনিট সময় আছে ! দ্রুত সবকিছু নিয়ে চলো !
হাতুড়িটা নিয়ে আসো।
পুলিশ এখনও আসে নি।
হায় ঈশ্বর !
বিল্ডিং ত্যাগ করুন, এক্ষুনি যান।
ইরানিরা আগে বের হোন।
এখনই, জলদি !
কে করেছে এটা?!
যা হওয়ার হয়েছে। ওরা ঢুকে পড়েছে।
ঠিক আছে, জলদি। আমাদের রাস্তায় থাকা যাবে না।
এই দিকে। এখান থেকে বা দিকে।
মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় - ৭ম তলা
- এই হারামিগুলো আমাদের মারতে পারলে আমরা কেন নয়? - মোসাদ্দি, আমরাই কিন্তু আক্রমণ শুরু করেছি।
তোমার মনে হয় সোভিয়েতরা এসব চুপ করে সহ্য করত? তারা নিশ্চিত পাল্টা আক্রমণ করত।
আমরা এমন মানুষকে আশ্রয় দিয়েছি যে অত্যাচার করে পুরো জাতিটাকে ধ্বংস করেছে।
- কতজন আছে সেখানে? - ৫০ জন তো হবেই। নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।
- শেফার! - তুমি এখনও শেফারকে খুঁজে পাও নি?
না, কখন থেকে চিৎকার করছি কিন্তু তার খোঁজ নেই।
কানাডিয়ান রাষ্ট্রদূতের বাসভবন, তেহরান।
ভিতরে আসুন।
আমরা নিশ্চিত হয়েছি, স্যার। ৬ জন পালিয়েছে।
- আমাকে বলা হয়েছিল ৫ জন। - না, স্যার, এটা স্পষ্টতই ৬ জন।
- ঘটনা কী আসলে? - পরিষ্কার না। শুধু জানি তারা পালিয়েছে।
- যারা পালিয়েছে তারা এখন কোথায়? - কানাডিয়ান রাষ্ট্রদূতের বাড়িতে।
- তারা ওখানেই থাকবে নাকি আমরা উদ্ধারের প্রচেষ্টা চালাবো? - রাষ্ট্রসচিবের জন্য অপেক্ষা করি।
হ্যাঁ। হোয়াইট হাউস কি যোগ দিবে?
তাদের দাবী দূতাবাসটা নাকি গুপ্তচরদের আড্ডাখানা ছিল।
কখনও না।
সেখানে গোয়েন্দা সংস্থার ৩ জন মানুষ ছিল, এরপরও তারা বিপ্লবের আগামবার্তা পায় নি?
- গোয়েন্দা তো না ছাতা ! - চিফ অফ স্টাফ এসে গেছেন।
আমি তাকে কলব্যাক করবো।
শাহ্কে ফেরত না পাঠানো পর্যন্ত জিম্মিরা মুক্তি পাবে না।
- তাকে ইরানে পাঠিয়ে আপদ বিদায় কর। - সে এমনিতেই আধমরা এবং তাকে কেমোথেরাপি দেয়া হচ্ছে।
আমরাই তাকে এনেছি। সে এখন আমাদের দায়িত্ব।
বেশ, তাহলে যেকোন বদমাশের ক্যান্সার হলেই আমরা তাকে আশ্রয় দিব?
না, শুধু আমাদের পক্ষের বদমাশদের।
যাতে আমাদের বাকি যেসব বদমাশদের হাতে রাজকীয় শক্তি আছে, যেন জানতে পারে যে...
...তারা ক্ষমতাচ্যুত হলে কেউ তাদের দিকে থুও ফেলবে না।
ঐ ৬ জনের কী হবে যারা কানাডিয়ানদের বাড়িতে আছে?
দূতাবাসে এই মুহূর্তে ৬০ জন মানুষের মাথায় গুলি তাক করা।
বিশ্ববাসীর নজর এখন দূতাবাসের দিকে; যার কারণে জিম্মিরা পলাতক ৬ জনের চেয়ে বেশি নিরাপদ।
বনিসদর বলছে এটা নাকি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শেষ হয়ে যাবে।
ওই ৬ জন যেখানে আছে সেখানেই থাকুক। আমি রাষ্ট্রপতিকে ব্যাপারটা বুঝিয়ে বলবো।
ঠিক আছে, কাজ শুরু হোক তাহলে।
এখন পর্যন্ত ঘটনাটি সম্পর্কে প্রাপ্ত সরকারি মন্তব্য আশ্বাস দিচ্ছে যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে।
৬৯ দিন পর
ইরানের বৈপ্লবিক রক্ষীবাহিনী এক সন্ত্রাসীদলকে পাকড়াও করেছে...
...যাদের ওপর আয়াতুল্লাহ খোমেনির ৬ জন অনুসারী হত্যার রোপ আছে।
শোনা যাচ্ছে খোমেনির বাড়ির নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করা হয়েছে।
আজ তেহরানে আটক আমেরিকানদের ৬৯তম দিন।
সেখানকার পরিস্থিতি এখনও অপরিবর্তিত।
এই দেশে, জর্জ মিনি গতরাতে মারা গিয়েছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল ৮৫ বছর।
হ্যাঁ।
হ্যাঁ।
কী?
শুরুতে অবশ্যই...
...আমরা আমেরিকান দূতাবাসে বন্দীদের অবস্থা সম্পর্কে জানতে চেয়েছি।
তারা হয়তো বুঝবে না তাদের অগ্নিপরীক্ষা তাদের দেশবাসীর কাছে কতটা মূল্যবান।
কিন্তু এই জাতি, তাদের জাতি, উভয়ই এই পরিস্থিতিতে ক্ষুব্ধ।
কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা, ভার্জিনিয়া।
এবং সত্যি বলতে আমরা জানি না জেলখানার মধ্যকার পরিস্থিতি কেমন, জেলখানা যা কিনা একসময় আমাদের দূতাবাস ছিল।
ইরানের ঘটনাটি বিশ্ববাসীকে নাড়া দিয়েছে।
আমাদের দূতাবাস তারা দখল করে নিয়েছে...
...এবং ৬০ জনেরও অধিক আমেরিকান নাগরিককে জিম্মি করে রেখেছে।
আজ সকালেও ইরানে জিম্মিদের পরিস্থিতি অপরিবর্তিত।
ইরানের ন্যাশনাল ব্রডকাস্টিং কোম্পানির পরিস্থিতির যদিও পরিবর্তন ঘটেছে।
- সে কোথায়? - অফিসে আছে।
কী হয়েছে?
৬ আমেরিকান বিল্ডিঙের পিছনের পথ দিয়ে বেড়িয়ে গেছে।
ব্রিটিশ কিংবা কিউইদের কেউই তাদের আশ্রয় দেয় নি।
শেষ পর্যন্ত কানাডিয়ানরা তাদের আশ্রয় দিয়েছে।
ট্রাফিকের ভাষায় তারা ''দ্য হাউজগেস্টস্'' ।
ঘটনার পর থেকে তারা সেই বাড়ি ত্যাগ করে নি।
- আরও ১০ সপ্তাহ আগে আমরা উদ্ধারের চেষ্টা করলাম না কেন? - তখন পরিস্থিতি অনেক বিপদজনক ছিল।
বৈপ্লবিক রক্ষীবাহিনী যিহোবার সাক্ষীদের মত ঘরে ঘরে তল্লাশি করছে।
তাদের অর্ধেকেরই ধারণা খোমেনি নাকি জিম্মিদের প্রতি বেশি সদয়।
হোয়াইট হাউজের খবর কী?
কার্টার ভয় পেয়েছে, পারলে হাত গুটিয়ে বসে থাকে।
কানাডিয়ানরা বেশি সময় আশ্রয় দিতে পারবে না।
বলছে তারা অত্যধিক ঝুঁকি নিয়ে ফেলেছে।
তাদের পররাষ্ট্র সচিব ব্রাসেলস্ এ ভ্যান্সকে কোণঠাসা করেছে...
...আর বলেছে সে চায় সেই ৬ জন যেন কানাডিয়ান দূতাবাস ত্যাগ করে।
- আর কে জানে এই ব্যাপারে? - শুধু তাদের পরিবার।
এদিকে দূতাবাসের কোন এক ধুরন্ধর সেখানকার কর্মরত প্রত্যেকের ছবি ফাইলে সংরক্ষণ করছিল।
হায় ঈশ্বর !
শুনেছি ইরানিরা দূতাবাস দখলের পূর্বে ছবিগুলো টুকরো করা হয়েছিল।
কিন্তু হারামজাদারা এখন কারখানার শ্রমিক বাচ্চাদের দিয়ে ছবির টুকরো জোড়া লাগাচ্ছে।
টুকরো জোড়া লাগলেই তারা জেনে যাবে ৬ জন আমেরিকান পালিয়ে গেছে।
আর এও জানবে সেই ৬ জন কেমন দেখতে।
তাদেরকে পাওয়ামাত্রই সাথে সাথে তাদের শিরশ্ছেদ করে ফেলবে।
- ব্যাপারটা কারা সামলাচ্ছে? - পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই ব্যাপারে সলা-পরামর্শ করছে।
মন্ত্রণালয় ?
- কিন্তু তারা তো এক্সফিলের কাজ করে না। - এখন করে।
তারা কঠোরভাবে জানিয়ে দিয়েছে আমরা যেন এ ব্যাপারে পরামর্শ দিই।
এঙ্গেল বলছে মিশনটা সফল হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।
মিশনটা ব্যর্থ হলে তারা সর্বসমক্ষে মারা পড়বে।
মন্ত্রণালয় তাদের মৃত্যুর দায়ভার নিতে চাইলে, আমাদের আপত্তি নেই।
সে আমাকে এখানে কী জন্যে চায়?
যাতে মন্ত্রণালয়কে বলতে পারে সে সবচেয়ে দক্ষ ব্যক্তিকে দিয়ে এক্সফিল করিয়েছে।
ঠিক আছে।
স্টেট ও.এস. থেকে বব পেন্ডার ।
তিনি এক্সট্যাফ-এ মরগান এর সাথে কথা বলছেন।
- বব? - ধন্যবাদ।
ঠিক আছে।
মার্ক এবং কোরা লাইজেক।
একজনের বয়স ২৯, আরেকজনের ২৫। স্বামী দূতাবাসের কর্মকর্তা, স্ত্রী তার সহকর্মী।
নবদম্পতি। মাত্র কয়েক মাস আগে ইরানে গিয়েছিল।
ওখানকার ভাষায় দক্ষতা, দেশ সম্পর্কে জ্ঞান - কোনটাই নেই।
আইডাহো থেকে হেনরি লি শ্যাটজ, দূতাবাসে কৃষির সহদূত।
বাকিদের থেকে একটু আলাদা।
সে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাক্টর বিক্রির জন্য গিয়েছিল।
জো স্ট্যাফোর্ড। ২০ থেকে ২৯ এর মধ্যে বয়স।
বুদ্ধিদীপ্ত এবং উচ্চাভিলাষী।
ফারসিতে কথা বলে।
তার স্ত্রী ক্যাথির চাকরির জোগাড়ও সে ওখানে করেছিল।.
দূতাবাসে কর্মচারীর ঘাটতি ছিল, তাই অনেকের স্ত্রীই সেক্রেটারি হিসেবে নিয়োগ পাচ্ছিল।
এবং বব অ্যান্ডারস্। দূতাবাসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা...
...৬ জনের মধ্যে সবচেয়ে বয়স্ক এবং খুব সম্ভব তাদের দলনেতা।
No comments yet. Be the first to leave one.