The first 200 lines.
ফয়েজীর গল্পটা শুরু হয়েছে তার জন্মের অনেক আগে থেকেই !
সত্যি নাকি ?
অবশেষে আমার একটা ছেলে হবে ।
ছেলেটা আমার হ্যান্ডসাম হবে ।
আমি ওকে ফয়েজী বলে ডাকবো ।
ওর নাম রাখলাম ফয়েজী ।
সে হবে আমার সম্পত্তির উত্তরাধিকারী ।
এজন্যই বলেছিলাম যে জন্মের অনেক আগে ফয়েজীর কাহিনী শুরু হয়েছে ।
এই ৯ মাসে আবদুর রাজ্জাক ফরিদাকে সব কিছু দিয়েছে ।
তার কাছে প্রিয় থেকে আরো প্রিয় হয়েছে ফরিদা ।
অবশেষে সেই দিনটি এলো ।
মেয়ে হইছে !
আফসোস ! তার নাম রাখা হলো ফাতিমা ।
পরের বছর ছেলের জন্য তারা আবার ট্রাই করলো ।
...আবদুর রাজ্জাক ফয়েজীর জন্মের জন্য ওয়েট করছিলো ।
অবশেষে ফরিদা আবার মা হলো ।
ছেলে না মেয়ে ? - মেয়ে !
এবারেরজনের নাম রাখা হলো ফৌজিয়া ।
পরের বছর আবার ফরিদা আবার আসলো একই হাসপাতালে ।
মেয়ে হইছে !
এবারেরটার নাম রাখা হলো ফিরোজা !
পরের বছর একই জায়গায় একই সময়....
আল্লাহ আমারে একটা ছেলে দাও ।
মেয়ে হইছে !
এটার নাম রাখা হলো ফাজিহা ।
পরিবারের মেম্বার বাড়ছে ।ব্যয় বাড়ছে ।তাই আবদুর রাজ্জাককে সংসারের ঘানি টানতে ব্যবসায় মন দিতে হলো ।
দু বছর পর ফরিদা আবার মা হলো ।
কিন্তু তখন রাজ্জাক সাহেব ছিলেন দুবাই ।
...ফরিদার পাশে এবার থাকতে পারেননি ।
ফরিদার কোন স্বজন আছেন ?
ছেলে না মেয়ে ? - ছেলে হইছে !
ও মোর খোদা পোলা হইছে !
আল্লাহর রহমত ।
আবদুল শুনেছিস.....
যখন আমি সব কিছু অসম্ভব ভাবছিলাম তখনই ফয়েজী এলো ।
সন্তান জন্ম দিতে দিতে ফরিদার শরীরের অবস্থা কাহিল ।
বেচারী মারা গেরো ।
অবুঝ ফয়েজী মা হারালো...
...রইলো শুধু ৪ বোন আর বাবা ।
কেদো না ।
খেয়ে নাও ।
সেদিনই ফয়েজী প্রথম মুখে মিষ্টি পেলো ।
ফরিদার মৃত্যুর পর রাজ্জাক তার সন্তানদের নিয়ে দুবাই চলে এলো ।
বোনেরা মায়ের আদর দিয়ে ভাইকে বড় করা চেষ্টা করলো ।
তার স্বপ্নের পৃথিবী আর এই কিচেনেই সে বড় হতে লাগলো ।
মায়ের মত ভালোবাসা দেয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করলো বোনেরা ।
মায়ের মতই তারা ভালো রান্না করতে পারতো ।
কিন্তু ছেলেটা রান্না ঘরে গিয়ে ভজঘট বাধাতো ।
তার উপস্থিতিতে রান্না ঘরে সবাইকে মজা দিতো ।
কিন্তু বাবা তা পছন্দ করতো না ।
তুমি এখানে কি করছো ? যাও ভেতরে যাও ।
পড়তে বসো ।
ফয়েজী এখন টগবগে তরুন ।
কিন্তু এখন বোনদেরও বিয়ের বয়স হয়ে গেছে ...
...রাজ্জাকা সাহেব দুবাইয়ে তাদের জন্য বর খুজে বের করলো ।
এই বিশাল বাড়িতে ফয়েজী এখন একাকী ।
উনি তোমার নতুন মা !
এগুলো দেখো ।
মনোযোগ দিয়ে পড়ো ।
তারপর সিদ্ধান্ত নাও কোথায় এমবিএ করবে ।
তোমাকে সাথে নিয়ে নতুন বিজনেস চালুর পরিকল্পনা আছে আমার ।
পড়ো ।
তাহলে কোন দেশে যাবে পড়াশোনা করতে ?
আমি সব পড়েছি ।
যেখানেই পড়ি সেটা তো সেই সাধারন এমবিএ হবে ।
কিন্তু আমি যদি ভিন্ন কিছু করতে পারি সেটা তোমার বিজনেসের জন্য ভালো হবে ।
সুইজারল্যান্ডে অনেক ভালো ভালো কোর্স আছে ।
যেমন হোটেল ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউট ।
আমি সেখানে ভর্তি হতে চাই ।
বর্তমানে টুরিজ্যমের চাহিদা দিনকে দিন বাড়ছেই ।
টুরিজ্যম,হোটেল ম্যানেজম্যান...খারাপ না ।
এই কোর্স শেষ করে কি তুমি আমাকে ফাইভ স্টার হোটেল বানাতে সাহায্য করতে পারবে ।
অবশ্যই ।
আমরা সময়ের সাথে সবকিছু বদলে দেবো ।
কিভাবে কি করতে হবে....
তার জন্য আমাদের সবার চেয়ে আলাদা চিন্তা করতে হবে ।
তুমি যা বলবে তাই ঠিক ।
যাই হোক সবাই যেন আবদুর রাজ্জাককেই অনুসরন করে এমন হতে হবে ।
আমি একমত ।
তুমি ফিরে এলেই ফাইভ স্টার হোটেলের কাজ শুরু করবো ।
এক সময় মানুষ আমাকে বার্বুচির ছেলে বলতো ।
...আর লোকে তোমাকে বলবে ফাইভ স্টার হোটেল মালিকর ছেলে ।
যা চিন্তা করছিলাম তারচেয়েও খারাপ ।
সুইজারল্যান্ডে পড়াশোনা শেষ করে ফয়েজী লন্ডনে জব করতে চলে গিয়েছে ।
গার্লফ্রেন্ডকে নিয়া লন্ডনে বাড়ী কেনার মতলবও করছে ।
ওর কি মাথায় সিট আছে ?
অন্তত একটা সুন্দরী মেয়েকে গার্লফ্রেন্ড বানাতে পারলো না ! ?
শোনো
আমাদের বাবাকে বলে দেয়া উচিত যে সে ঘরে ফিরবে না ।
ও খোদা ! বাবা এ খবর জানলে তো মারা যাবো ।
সে যদি জানে তার ছেলে দেশে আসতে চায় না তাহলে সে মরেই যাবে ।
তর্ক করে লাভ নেই ।
সমাধানের বুদ্ধি বের করো একটা ।
আমরা ওকে ফিরিয়ে আনবো ।বাবাকে ওর গার্লফ্রেন্ডের কথা বলা যাবে না ।
এয়ার পোর্ট থেকে সরাসরি ওকে আমার বাসায় নিয়ে গেলে সমস্যা আছে কি ?
আমার ছেলে আমার কোন কথাতে না করবে না ।
শুধু তাই না,
আমার পরিবারের কেউ এই বিয়েতে অমত করার আগেই আমরা জলদি বিয়ের তারিখ ঠিক করে ফেলবো ।
ফয়েজীর মত পাত্র যেকোন পরিবারের জন্য আর্শীবাদ ।
সবদিক দিয়েই সে নাম্বার ওয়ান...
এ কেমন স্টাইল রে !
উনি কলিমউদ্দিন হায়দার ।
উনি তোমার হবু আত্নীয় ।সালাম দাও ।
তুমি আবদুল্ৰাহর গাড়িতে এসো ।
সাথের লোকগুলো কারা ? -এরা তোমার বিয়ের সমন্ধ নিয়ে এসেছে !
খাইছে !
তোমার সাথে একজন কথা বলবে ।
শয়তান বোনের দল !
জামাইবাবু আমাদের না জানিয়েই বউ দেখতে যাচ্ছো ?
তাহলে এসব তোমাদের ষড়যন্ত্র্র ।
আমি তো তোমাদের বলেছি আমার গার্লফ্রেন্ড আছে ।তারপরও আমাকে নাচাচ্ছো !
আমরা সবই জানি ।কিন্তু মেয়ে দেখলে তো আর অসুবিধা নাই তোমার !
আমাকে দে ফোন ।
হঠাত করা সর্ম্পকে ভরসা রেখো না ভাই ।
এ হতে পারে না ।
তাহলে এ কারনেই সবাই আমাকে জরুরী তলব করেছো ?
আগে জানলে প্রেমিকাকে নিয়ে আসতাম
আর নাজেহাল করো না আমাদের ।
তোমার সাথে মেয়েটা আসে নাই এতেই আমরা খুশী !
চিন্তা করো না পরের ফ্লাইটে আসছে !
আরে আমি তো মজা করেছি ।
ও তো স্পেন গেছে ছুটি কাটাতে ।
১০ দিনের মধ্যে আমাদের ফ্লাট লন্ডনে রেডি হয়ে যাবে ।
তারা আগেই আমরা লন্ডন চলে যাবো ।
আরে গাধা একটা সুন্দরী মেয়ে খুজে বের করতে পারলি না ?
এইডা তো পছন্দ করার মত কিছুই নাই ।
এ
এই
এই
এই ছ
এই ছব
এই ছবি
এই ছবিট
এই ছবিটি
এই ছবিটি
এই ছবিটি ব
এই ছবিটি বা
এই ছবিটি বাং
এই ছবিটি বাংল
এই ছবিটি বাংলা
এই ছবিটি বাংলায়
এই ছবিটি বাংলায়
এই ছবিটি বাংলায় অ
এই ছবিটি বাংলায় অন
এই ছবিটি বাংলায় অনু
এই ছবিটি বাংলায় অনুব
এই ছবিটি বাংলায় অনুবা
এই ছবিটি বাংলায় অনুবাদ
এই ছবিটি বাংলায় অনুবাদ
এই ছবিটি বাংলায় অনুবাদ ক
এই ছবিটি বাংলায় অনুবাদ কর
এই ছবিটি বাংলায় অনুবাদ করে
এই ছবিটি বাংলায় অনুবাদ করেছ
এই ছবিটি বাংলায় অনুবাদ করেছে
এই ছবিটি বাংলায় অনুবাদ করেছেনন</u
জার্নি কেমন হলো ? -কষ্ট হয়নি কোন
শাহানা...
এসো রাজ্জাক ।
তুমি এখানে বসো ।
যাও বাবা ।
যাও গিয়ে বসো ।
তুমি এখানে বসো ।
জন্মভূমি এসে স্বস্তি বোধ করছো তো ?
জ্বী স্বস্তিতে আছি ।
কিন্তু বিদেশে এরকম খাবার পাওয়া যায় না ।
যুগ পাল্টে গেছে ।
ফয়েজ আর শাহানা চাইলে একান্তে কথা বলতে পারে যাতে তারা একে অপরকে জানতে পারে ।
আমি ফয়েজ ।
শাহানা ।
আমি জানি না উনারা আপনাকে কি বলেছে ।
আসলে আমি এটার জন্য প্রস্তুত ছিলাম না ।
কতটুকু মিষ্টি ?
হ্যা মিষ্টি এবং রোমান্টিকও বটে !
জনাব আমি চায়ের চিনির কথা বলছি !!!
দু চামচ ।
আমার পরিবার খুবই কড়া ।
কিন্তু আমি নই ।
শুরুতে আমি তো ভাবছিলাম আমরা একে অপরের সাথে কিভাবে কথা বলবো ।লজ্জা পাচ্ছিলাম ।
আপনি কি জানেন আমরা এখানে বসে কেন কথা বলছি ?
যাতে কেউ বিরক্ত না করে ।
না ।আসলে এই জায়গা থেকে আমাদের বাসার সবটা দেখা যায় ।
ওদিকে তাকালে দাদা ,দাদী আর আংকেলকে দেখতে পারবে ।
আমার বড় বোন ।তার ছেলে ।তার স্বামী ।সবাই আছেন ।
জলদি চলো ।
সবাই আমাদের মতামত শোনার জন্য ওয়েট করছে ।
কিন্তু তারা আমাদের মতামতকে পাত্তা দেবে না ।
আপনার মত ছেলে কি করে এরেঞ্জ ম্যারেজ করতে রাজি হলেন ?
হ্যান্ডসাম ছেলে.........
চেহারা ভালো ...
উচ্চ শিক্ষিত...
আপনার নিশ্চই ইউরোপীয়ান গার্লফ্রেন্ড আছে ।
তাহলে কি মনে করে এই বিয়েতে রাজি হলেন ?
আমার যদি পছন্দ করার স্বাধীনতা থাকতো তবে আমি কাউকেই বিয়ে করতাম না ।
কিন্তু আপনাকে তো বলেছি....
আমার পরিবার খুব কড়া ।
বিয়ের জন্য আমার চাই মনের মত একজন পার্টনার ।
যে কি না আমার দৃষ্টিভঙ্গিকে সম্মান দিতে শিখবে ।
আপনার ছোট বোন বলেছে আপনিও এমনটাই চান ।
তারা আপনাকে কি করে চিনলো ! ?
প্রথমে এক বোন এসেছিলো ।
No comments yet. Be the first to leave one.