Hang 'em High

Hang 'em High

Download Bengali Subtitle

Release info

Hang 'Em High(1968) BSub Sarahiqbal
A Commentary by Sarahiqbal
Download Link: https://www.yify-torrent.org/movie/40249/download-hang-em-high-1968-1080p-mp4-yify-torrent.html

Tags

other
Published on: 2017-10-12
Downloads: 36
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 196 lines.

অনুবাদিকা: সারাহ্ ইকবাল

আমার তোকে কোলে তুলে নিতে হবে বুঝি?

চলে আয়।

ওরে, বাছা।

আচ্ছা, ঠিক আছে। আপনার বন্দুকের কোমরবন্ধটি ছুঁড়ে ফেলুন, মশাই।

এসব কী চলছে?

ক্যাপ্টেন আপনাকে বন্দুকের কোমরবন্ধী ছুঁড়ে ফেলতে বলেছেন।

এক্ষুণি!

ওগুলোর গায়ে জোহানসনের দোকানের স্মারকচিহ্ন বসানো আছে বলে দেখতে পাচ্ছি, ক্যাপ্টেন উইলসন।

আর কিসেরই বা হতে পারে?

আপনি ওই গবাদি পশুগুলো কোথা থেকে কিনেছেন, মশাই?

যেই জায়গার কথা স্মারকচিহ্ন বলছে, সেখান থেকেই।

উইলসন: জোহানসন থেকে কিনেছেন, তাই না?

একদম ঠিক।

আর আপনার কাছে কি মূল্য পরিশোধের রশিদ রয়েছে?

রেনো: থামুন, থেমে যান।

এইতো ঠিক আছে।

আমি তো ভেবেছিলাম, আপনারা মূল্য পরিশোধের রশিদ দেখতে চাইছেন।

আমরা সেটাই দেখতে চাচ্ছি।

আপনি বলছেন, আপনি এটি জোহানসন থেকে পেয়েছেন?

জ্বি।

মি. ম্যাডো।

মি.ম্যাডো, এটা কি জোহানসনের আঙুলের চিহ্ন?

জোহানসনের আঙুলের ছিহ্ন লাগানোর কোন দরকার ছিলো না।

সে আপনার মতনই ভালোভাবে লিখতে জানে।

ওকে ঝুলিয়ে দাও।

ধুর যাহ!

আমি একজন প্রাক্তন আইনের লোক।

কুপার: আপনারা চাইলে সেন্ট লুইসের শেরিফ ডেভ রেমসির সাথে কথা বলে দেখতে পারেন।

জোহানসন নিয়ে আসুন! উনি সামনাসামনি এসে আমার সাথে কথা বলুক।

ঈশ্বরের দোহাই লাগে, খবর নিতে তো দেখুন!

আমরা কী ওকে ঝুলিয়ে মারবো নাকি পিটিয়ে মারবো?

অনেক হয়েছে!

- ওকে ওর ঘোড়ার উপর তুলে বসাও। - এক মিনিট দাঁড়াও, আমি ঘোড়ার পিঠের আসনটা নিয়ে নেই।

তোমার এটার উপর কোন অধিকার নেই, রেনো।

আমরা জোহানসনের গবাদি পশুগুলোকে ফিরে পেয়েছি, ক্যাপ্টেন।

আর আমরা ওগুলোর চোরকেও আটক করেছি।

এখন, আমি ন্যায়বিচার হতে দেখতে চাই, তবে আমি এই ঘোড়ার পিঠের আসনটাও চাই।

কারো কোন সমস্যা এতে?

এই ব্যাটা একটা গবাদিপশু চোর। ওর কাছে আমি চাই এমন কিছুই থাকার কথা নয়।

মিলার: ওর কাছে আমি চাই এমন কিছু একটা আছে।

আমি ওর টাকার ব্যাগ চাই। তোমরা যেহেতু কেউ এটা চাও না,আমিই নিয়ে নিচ্ছি।

যদি ও গবাদিপশু চোরই হয়ে থাকে,

তাহলে সুযোগ থাকাকালীন, ও দৌড়ে পালিয়ে গেলো না কেন?

একমিনিট, লুমিস।

এখন, বলো দেখি।

তুমি জোহানসন থেকে কিছু গবাদিপশু কিনেছো?

আপনি তো রশিদ নিজের চোখেই দেখলেন।

জোহানসন নিজের দস্তখতের বদলে যেটাতে আঙুলের চিহ্ন বসিয়েছে?

জ্বি।

জোহানসন দেখতে কেমন ছিলো?

ত্রিশের কাছাকাছি বয়স।

কালো চুল, কালো চোখ, মোটাসোটা,

মুখে গুটিকয়েক দাগ, স্বাভাবিক উচ্চতা।

তোমার দৃষ্টিশক্তি তো দারুণ প্রখর, তাই না?

আমি আগেই বলেছিলাম, আমি আইনের লোক ছিলাম। এসব আমার কাজ ছিলো।

মোটাসোটা,

মুখে গুটিকয়েক দাগ,

ত্রিশের কাছাকাছি বয়স।

মিথ্যুক।

জোহানসনের বয়স ৬০ ছিলো।

তাহলে, হয়তো লোকটি উনার কর্মী অথবা এমন কেউ একজন ছিলো। আমি আসলে ঠিক জানি না।

তবে আমরা ওখানে গিয়ে ব্যাপারটা খোলাসা করে আসতে পারি।ঘোড়ায় চড়ে যেতে একদিন লাগবে মাত্র।

কুপার: আমরা গিয়ে দেখে আসতে পারি।

মি.ম্যাডো।

উইলসন: ওকে বলুন।

আমি মাত্রই জোহানসনের বাড়ি থেকে ঘুরে এলাম।

উনার পশুর পাল উধাও।

আমি জোহানসন ও তাঁর স্ত্রীকে রান্নাঘরের মেঝেতে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় খুঁজে পেয়েছিলাম।

মৃত।

না।

- ওকে ঝুলিয়ে দাও। - আপনারা ভুল করছেন! না।

কুপার: না।

অনেকেই এটাকে নরক বলবে, যদিওবা আপনি এখনো ওকলাহোমা অঞ্চলের ভেতর আছেন।

নিঃশ্বাস বাঁচিয়ে রাখুন।

আমি জানি না, কারা আর কেনই বা আপনাকে এভাবে ঝুলিয়ে গিয়েছে।

কিন্তু যদি আপনি নির্দোষ হয়ে থাকেন, বিচারক আপনাকে মুক্তিদান দিবেন।

আর যদি না হোন,

উনাদের আবারো আপনাকে ঝুলানোর ব্যবস্থা করতে হবে।

তাহলে চলে আসুন, উঠে দাঁড়ান।

আপনার পশুটাকে পানি খাওয়ানোর পর, লোকগুলোর জন্য এক বালতি পানির ব্যবস্থা করে রাখবেন।

মার্শাল ডেভ ব্লিস। শুনলাম, আমার জন্য নাকি একটা বন্দি ধরে রাখা হয়েছে।

ঠিক শুনেছেন, মার্শাল। রাস্তার ওপাশের খাদ্যশস্যের দোকানটাতে গেলেই পাবেন।

এই যে চাবি। আপনার এটার দরকার হবে।

মার্শাল।

ওর ব্যাপারে সতর্ক থাকবেন। ব্যাটা একটা উন্মাদ।

ওরে ঈশ্বর! ওরে, ঈশ্বর!

ওরে,ঈশ্বর!

ওরে,ঈশ্বর!

ওরে, ঈশ্বর!

আপনি ঈশ্বরের পয়গম্বরকে মারতে এসেছেন!

উত্তেজিত হওয়ার দরকার নেই, বুঝলে?

ওরে, ঈশ্বর! আপনি ঈশ্বরের পয়গম্বরকে মারতে এসেছেন!

তুমি কি হাঁটতে পারবে?

ওরা আমার বিরুদ্ধে!

ওরা আমার উপর নজরদারি করছে। ওরে, ঈশ্বর।

ওরা ঈশ্বরের ক্রোধ নিয়ে ভীতসন্ত্রস্ত।

নিজের পায়ের উপর ভর করে দাঁড়াও।

না! চলো তো।

এমনকি জেলের কামরাও এর থেকে ভালো।

আপনি ঈশ্বরের পয়গম্বরকে হত্যা করতে এসেছেন!

-দাঁড়াও। বলছি! -ওরে,ঈশ্বর!

ওরে, ঈশ্বর! ওরে, ঈশ্বর!

আপনি ঈশ্বরের পয়গম্বরকে হত্যা করতে এসেছেন!

ধুর যাহ, থামো বলছি!

-থামো নাহলে আমি গুলি করবো! -ওরে, ঈশ্বর!

আরে, কিসের জন্য অপেক্ষা করছেন, মার্শাল? গুলি করুন!

- ওকে হত্যা করুন। - কী সমস্যা, মার্শাল?

আসামি ১: ফাঁসির দণ্ডদাতা বিচারকের সাথে প্রতারণা করতে ভয় পাচ্ছেন বুঝি?

আসামি ২: ওকে হত্যা করুন।

হত্যা করুন! হত্যা করুন! হত্যা করুন! হত্যা করুন!

আমরা আপনার পক্ষ নিয়ে কথা বলবো, মার্শাল।

আমরা বলবো যে, আপনি আপনার সাধ্যমতো ওকে জ্যান্ত নিয়ে যেতে চেষ্টা করেছেন।

আসামি ৩: ওকে হত্যা করুন, মার্শাল!

আসামি ৪: ওকে হত্যা করুন! আসামি ৫: হ্যাঁ, ওকে হত্যা করুন!

আসামি ৬: ওকে হত্যা করুন! আসামি ৭: আরে চলুন, ওকে হত্যা করুন!

দাঁড়াও, ধুর শালা!

আসামি ৮: ওকে হত্যা করুন, মার্শাল।

এমনিতেই এখানে লোকজনের ভীড়ে থাকা কষ্টকর!

আসামি ৯: ওকে হত্যা করুন, হত্যা করুন ওকে! আসামি ১০: ওকে হত্যা করুন, মার্শাল।

ঈশ্বর!

আপনারা ওকে বেঁধে রেখেছিলেন, এখন আপনারাই ওকে দাফন করবেন।

আপনার এই কাজে বিচারক অসন্তুষ্ট হবেন।

আমার কী করা উচিৎ ছিলো তাহলে শুনি,ওকে ভেগে যেতে দেওয়া?

আমি বলছি না, আপনি ভুল কিছু করেছেন।

আমি শুধু বলছি, বিচারকের কানে এই কথা পৌছালে তিনি মোটেও খুশি হবেন না।

এখন যেহেতু তুমি কথাটা বলেই ফেলেছো, উইলিয়াম, গাড়িটা চালানো শুরু করো।

মেয়েরা! মেয়েরা! ঘোড়ার গাড়ি চলে এসেছে, এসে দেখে যাও!

আমাদের জন্য জীবন্তগুলোকে বাঁচিয়ে রাখবেন, মার্শাল।

মার্শাল, আপনি নিশ্চয়ই সবাইকে ফাঁসিতে ঝুলাতে যাচ্ছেন না!

এই তো চলে এসেছে! এই তো সেই ঘোড়ার গাড়ি!

আর আপনি বস্ত্রাদি আমার ওখানে পাঠিয়ে দিবেন তো নাকি?

আমার হাতে এসে পৌছালেই, পাঠিয়ে দিবো।

আর আমার কিছু সুগন্ধি লাগবে।

এক ডজন বোতল?

সবথেকে কম দামিগুলো, তবে গন্ধ যেন ভালো হয়।

এগুলো আমার মেয়েদের জন্য কিনছি না। এগুলো ওই শনিবারে আগত রাখালগুলোর জন্য।

ওরা খামার থেকে কী যে বিচ্ছিরি গন্ধ নিয়ে আসে...

ওই যে, ঘোড়ার গাড়ি চলে এসেছে!

এই, ওটা সেই বিলি নামের পিচ্চিটা না?

একটু ভালো করে দেখো। নিজের বুড়ো বাপটাকেও পেয়ে যেতে পারো।

থামাও!

আসামি: আমরা শহরের বাইরে ঘুরতে যাচ্ছি, ওদের উপর একটু অনুশীলন করে নিলে কেমন হয়!

ঠিক আছে, গাড়ি চালানো শুরু করো। উইলিয়াম: চলরে, ঘোড়া চল।

বেরিয়ে আসো।

তোমাদের দু'বেলা খাবার দেওয়া হবে। সকাল ৮টায় ও বিকাল ৪টায়।

যদি তোমরা নিজেদের কোন রকম ঝামেলার সাথে না জড়াও আর মাথা গরম না করো,

তোমাদের আমোদপ্রমোদের জন্য রোজ এক ঘন্টা করে জেলের উঠোন উন্মুক্ত থাকবে।

নিজের জন্য একটা জায়গা খুঁজে নিলে তোমার জন্যই ভালো হয়।

দুপুরের দিকে আরো একটি ঘোড়ার গাড়ি আসার কথা।

এই গন্ধ আস্তে আস্তে তোমাদের নাকে সয়ে যাবে।

আর যদি তা না হয়, তার জন্য একটা উপশম রয়েছে।

ফাঁসিতে ঝুলানো!

মনে হচ্ছে, স্কমিড সাহেব সকালের জন্য কোন উৎসবের আয়োজন করছে।

উৎসব?

ঝুলানোর উৎসব!

বন্দি ১: মনে হয়, ১০০ কেজি ওজনের বস্তা মাটিতে ফেলা হচ্ছে।

নিশ্চিত হবে তো নাকি যে, দড়ি মানুষের ভার নিতে পারে।

বন্দি ২: স্কমিড সবসময় উন্নত মানের দড়িই ব্যবহার করে থাকে।

ভালো করে তেল লাগিয়ে নেয় যাতে দড়ি সহজে পিছলে গিয়ে,

তোমার গলাকে শুকনো গাছের ডালের মতন মট করে ভেঙে দেয়।

নিজের এই ধান্দায় বেশ পারদর্শী আমাদের স্কমিড সাহেব।

হারামজাদা!

বন্দি: না!

এটা কোন ধরণের ন্যায়বিচার যে একজন মানুষকে প্রাণভিক্ষা চাওয়ার সুযোগের আগেই ফাঁসিতে ঝুলানো হবে?

বন্দি: না!

ভেতরে আসুন।

উনাকে রেখে যাও। শিকল খুলেই রেখে যাও।

জ্বি, স্যার।

ঠিক আছে, প্রহরী।

তোমার কথার সত্যতা যাচাই করা হয়েছে, কুপার। তোমাকে মুক্তি প্রদান করা হলো।

১১ ডলার?

আর ৪০ সেন্ট। এই অর্থগুলোই ম্যাকলিউডের কাছে ছিলো যখন আমরা ওকে গ্রেফতার করি।

ম্যাকলিউড?

ম্যাকলিউড আইনের চোখকে ফাঁকি দিয়ে পালানোর সময়,

জোহানসনের বাড়িতে থেমে, ওই বুড়ো লোক ও তাঁর স্ত্রীকে হত্যা করে।

আর ঠিক তক্ষুণি সেখানে তুমি আগমন ঘটিয়ে তালগোল পাকিয়ে ফেলেছিলে।

একজন আগন্তুক কয়েকটি গবাদিপশু কিনতে এসেছিলো বলেই, ম্যাকলিউড তোমার সাথে সেগুলো বিক্রি করেছিলো।

সে নিশ্চয়ই তোমাকে বোকা বানাতে পেরে মনে মনে দারুণ হেসেছিলো।

তুমি ওর চেহারাসুরত কেমন তা দেখতে চাও?

চলে আসো। চলে আসো।

ম্যাকলিউড তোমাকে প্রতারিত করে যে অর্থ আয় করেছিলো তা নিয়ে,

এই শহরে আরামে কিছুদিন কাটানোর জন্য চলে আসে।

আমরা ওকে ওই বেশ্যালয়ে খুঁজে পেয়েছিলাম।

ঈশ্বর ওর আত্মাকে শান্তি প্রদান করুক।

তুমি যেতে পারো, কুপার।

আমার ১১.৪০ ডলার সাথে নিয়ে?

আর এই আত্মসন্তুষ্টির সাথে যে, তোমার সাথে প্রতারণাকারীর ফাঁসি তুমি নিজ চোখে দেখতে পেরেছো।

আর ওই নয়জন লোকের কী হবে,যারা আমাকে ফাঁসিতে ঝুলিয়েছিলো?

তুমি শুধু নিচতলায় গিয়ে আমার কোন একজন ডেপুটিকে ওদের চেহারাসুরতের বর্ণনা দিয়ে রাখো।

ওরা ওদেরকে ধরার চেষ্টা চালাবে।

আসলে, এটা তেমন সন্তুষ্টজনক কথা নয়।

কুপার, তুমি শুধু আইনকে নিজের হাতে তুলে নিয়েই দেখো না, আমি ওয়াদা করছি,

তাহলে আমি তোমাকে বাইরের ওই দড়িগুলোর একটাতে ঝুলিয়ে ছাড়বো।

আমি নিজেও একটু আধটু আইনের কথাবার্তা বুঝি, ইওর অনার।

তা ঠিক।

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left