The first 122 lines.
আমাদের কলার রহস্য কখনোই যেন গোষ্ঠীর বাহিরে না যায়।
কোনোরূপ পরিস্থিতিতেই তা বহিরাগতদের জানানো যাবে না।
মনে রেখো জীবনই তোমার মিশন।
সূর্যোদয়ের দেশে শান্তি বজায় রাখতে আমরা নিজেদের সবটা উজাড় করে দিই।
আমরা পূর্বে কখনো এত বড়ো সন্ত্রাসী হামলার সাক্ষী হইনি।
এটা গোটা বিশ্বের ভিত্তি-প্রস্তরকে সম্পূর্ণরূপে নড়িয়ে দিয়েছে।
সম্প্রতি হওয়া ঘটনাগুলোর ফলে,
আমাদের সংগঠন জাপানের অধিক্ষেত্র ত্যাগ করে...
এক বৃহত্তর শক্তির কর্তৃত্বাধীন থাকবে।
সেজন্য, এখন আমাদের কলার রহস্য বিদেশীদের সাথে ভাগ করা যেতে পারে।
কোনোরূপ ভুল করবে না, আমরা এটা জাপানের ভবিষ্যতের জন্য করছি।
যারা এই সিদ্ধান্তের অমান্য করবে কিংবা পালিয়ে যাবে...
তাদের নির্বাসিত বিবেচনা করে খতম করে ফেলা হবে।
হিগান...
বাবা!
উফ, কী অবস্থাটাই না করেছো নিজের, হিগান।
তুমি এখানে কী করছো?
এরা শান্ত বসতে শেখেইনি।
ভাবিনি এই জীবনে আর তোমার দেখা পাবো।
পরলোকেই দেখা হবে বলে ধরে নিয়েছিলাম।
নি
নিন
নিনজা
নিনজা কা
নিনজা কামু
নিনজা কামুই
নিনজা কামুই : সি
নিনজা কামুই : সিজ
নিনজা কামুই : সিজন
নিনজা কামুই : সিজন-
নিনজা কামুই : সিজন-০
নিনজা কামুই : সিজন-০১
নিনজা কামুই : সিজন-০১ :
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : [
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : [এ
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : [এপি
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : [এপিসো
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : [এপিসোড
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : [এপিসোড-
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : [এপিসোড-০
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : [এপিসোড-০২
নিনজা কামুই : সিজন-০১ :
নিনজা কামুই : সিজন-০১ :
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : ভা
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : ভাবা
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : ভাবানু
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : ভাবানুবা
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : ভাবানুবাদে
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : ভাবানুবাদে:
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : ভাবানুবাদে: আ
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : ভাবানুবাদে: আক
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : ভাবানুবাদে: আকতা
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : ভাবানুবাদে: আকতার
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : ভাবানুবাদে: আকতার হো
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : ভাবানুবাদে: আকতার হোসে
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : ভাবানুবাদে: আকতার হোসেন
মারির ঘটনাটা দুঃখজনক।
নিজের পরিচয় লুকাচ্ছো না কেন?
সংগঠন কোনোভাবে আমাদের ব্যবহৃত মাস্কিং সিস্টেমকে ভেদ করে দেখার পদ্ধতি পেয়ে গেছে।
- অসম্ভব। - প্লিজ খুলে ফেলো। ওটার পরে আর কোনো লাভ নেই।
বলতেই হচ্ছে, যখনই দেখা হয়, তোমার অবস্থা নাজেহাল থাকে কেন?
তুমি তো একজন ডাক্তার, তাই না? এমনটাই তো স্বাভাবিক!
তুমি চরম চেতনার গুপ্ত কলাটা ব্যবহার করেছো?
আর কখনো করবে না।
পরেরবার মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়বে।
এক মিনিট, এটা কীভাবে সম্ভব? পরেরবারের কথা তো ভুলেই যাও।
এই ক্ষতের ফলে এতক্ষণে তোমার মরে যাওয়ার কথা।
হ্যাঁ, জানি।
বুঝতে পারছি না একমাত্র আমিই কেন বেঁচে গেলাম।
এর কৃতিত্ব তোমার ভাগ্যকে দিতে পারো।
কিংবা সম্ভবত কেউ তোমায় বাঁচিয়ে রেখেছে।
কাজে লেগে পড়া যাক। তোমার শক্তিমত্তা বিবেচনায় ধরেও,
পুরোপুরি সেরে উঠতে পাঁচ কিংবা ছয়দিন লেগে যাবে।
আমার শুধু নড়তে পারলেই হবে। তবেই আমাদের অতিথির থেকে উত্তরটা পাবো।
তারপর কী হবে শুনি?
- ওদের সবক'টাকেই খতম করবো। - একাই?
তুমি সাহায্য করবে?
এতে ব্যথা হওয়ার কথা নয়।
অবশ্যই, ভেতরে যাওয়ার পর।
বোকাচোদা! যা ছেঁড়ার ছিঁড়ে নে।
ব্যস এটুকুই দৌঁড় তোর? ভুলে যাস না, একজন নিনজা কখনোই বশ্যতা স্বীকার করে না।
হ্যাঁ, জানি।
কী প্রমাণ করতে চাইছিস?
মেরে ফেললেই তো পারিস!
ওহ, হ্যাঁ। তোর প্রিয়তমার কথা মনে পড়লো।
ওর মুখখানা দেখা উচিত ছিল তোর। কী স্বস্তিটাই না পেয়েছিলাম!
বাচ্চাটার মুখে চিরাচরিত ভয়ের ছাপ ছিল।
তবে তোর স্ত্রী, ওর চোখ দু'টো শেষ অব্ধি ক্ষোভ ও ঘৃণায় ফুঁসছিল।
আর, শোন না, ওকে যতই ছুরিকাঘাত করছিলাম, ততই চেঁচিয়ে উঠছিল।
যেটা বলি শোন।
আমি ওদের চাহনি তোর স্মৃতি থেকে চিরতরে মুছে দেবো।
তুই নরকে ঢলে পড়তে চলেছিস,
যেখানে চামড়া ছাড়ানো, হাড়গোড় চূর্ণ হওয়া আর মেরুদণ্ড টেনে বের করার শব্দ শুনতে পাবি...
তবুও তোর হৃদপিণ্ড বন্ধ হবে না।
শান্তিতে মরার আশা ছেড়ে দে।
বিস্মৃতিতেও, পরকালের ওনির ভয়ে তুই কেঁপে উঠবি।
আরে, ধ্যাত।
আমায় তদন্তকার্য থেকে সরাচ্ছেন কেন?
জানেনই তো আমরা কিছুই হয়নি এমন ভান করে থাকতে পারি না।
এমা!
এই প্রসঙ্গে তো কথা হয়েছিলই।
দেখো, ঐ রক্ত কার আর সেখানে ঘটা ঘটনার কোনো সিসিটিভি ফুটেজ না থাকায় আমাদের হাত বাঁধা।
এটাই বাস্তবতা।
তাছাড়াও, উপরিমহল থেকে সরাসরি আদেশ এসেছে।
এই তদন্তকার্যে আর হস্তক্ষেপ কোরো না।
আপনি আবার কবে থেকে এত ভীতু হয়ে গেলেন?
ভাট বকো না, মাইক।
অবসরের দোরগোড়ায় এসে তোমায় বহিষ্কৃত হতে দেখতে চাই না।
চুপচাপ অন্য কোনো কেস বেছে নাও।
এমার ব্যাপারে কী বলবেন? ও সব'টা দেখেছিল।
ও গুপ্তঘাতকের দলকে লোগানের ওপর হামলা করতে দেখেছিল।
তুমি নিশ্চিত?
আমি বলি কী তুমি বরং ওকে আরেকবার জিজ্ঞেস করে দেখো।
এমা!
সিরিয়াসলি? কী হয়েছে বলো তো তোমার? প্রভুভক্ত কুকুরের মতো আচরণ কোরো না।
ওহ, প্লিজ। বাচ্চাদের মতো নাকে কান্না করে লাভ নেই।
আদেশ পালনের ভান করাই বুদ্ধিমানের কাজ।
একটু ঝেড়ে কাশো তো?
ওদের এটাকে ধামাচাপা দেয়ার মরিয়া চেষ্টা দেখে হাসিই পেয়ে গিয়েছিল।
এই কেসে স্পষ্টতই কিছু গরমিল রয়েছে।
আমাদের শুধু মেজাজ হারানো চলবে না।
অবিশ্বাস্য।
No comments yet. Be the first to leave one.