The first 200 lines.
একটি টুকরো ভগবান মাল্লান্নার জন্য
একটি টুকরো ধরিত্রীর জন্য ভালু,পক্ষী, গন্ধগোকুল, ঈশ্বরীয় ষণ্ডের জন্য...
আপনি পাঠিয়েছেন হিংস্র বাঘ সর্বদা আমাদের সুরক্ষার জন্য।
দিয়েছেন বৃক্ষ, পর্বত, বাতাস, ঝরনা যা জলপ্রাচুর্যে ভরপুর।
আপনি আমাদের খাদ্য ও সম্মান দিয়েছেন।
আপনি শিশুদের নিজের কোলে তুলে নিয়েছেন।
তাদের রাজা করে তুলেছেন আপনি সর্বদা আমাদের অটুট আশ্রয়।
কাটা ডাল ভূমিকে উৎসর্গ ও বিজিত স্থান আমার মাটিকে সমর্পণ করা হবে।
অরণ্য দেবী আমার চরিত্র গঠন করেছেন।
বিপদে আমিই রক্ষক হব।
“আমিই রক্ষক হব”
“ভোকাবেল”
“ভোকাবেল”
“দেখো কীভাবে সিংহ ধেয়ে আসা একদল ষাঁড় শিকার করছে”
“দেখো কীভাবে তাদের বুক চিরে ফেলছে”
“এক হস্তি যে শুঁড়ের শক্তিতে ধুলাময় পর্বতকে দূরে নিক্ষেপ করতে পারে।”
“সে উন্মত্ত হয়ে দুলে দুলে চলেছে”
“দেখো! এক পথভ্রষ্ট মূর্খ তার সাথে ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েছে”
“দেখো! এক পথভ্রষ্ট মূর্খ তার সাথে ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েছে”
“পাথর থেকে সৃষ্ট আগুন সৃষ্টি ও নিদ্রারত উপত্যকায় বিশৃঙ্খলা একই”
“হ্যামলেট-এর হৃদয় দুলে উঠল”
“হিসহিস শব্দে গাছগুলি জ্বলে উঠল”
“প্রবাহিত জলধারা শীঘ্রই শুকিয়ে গেল”
“সঙ্গীতের মতো বাতাস স্তব্ধ হয়ে গেল”
বালাজী, কী হয়েছে? গতি বাড়ালে কেন?
আমরা বাঘের এলাকায় এসে গেছি, স্যার।
বাঘ এখন খাওয়াদাওয়া করে ঘুমাচ্ছে।
আরামে চালাও।
ঠিক আছে, স্যার।
“ভোকাবেল”
“শিকারী কে?”
“শিকার কে?”
“এই শিকারের শেষে কে মৃত্যুবরণ করবে?”
“ভোকাবেল”
“ভোকাবেল”
আচ্ছা! এটা কী?
-এটা আমার ড্রাইভিং লাইসেন্স, স্যার। -আচ্ছা!
এটা আর সি, স্যার।
এই ব্যাগে কি আছে?
এগুলো কি?
-এগুলো আমার সম্পত্তির দলিল। -তাই নাকি?
কি বলছেন! আপনি তো কিছুদিন আগে পরীক্ষা করলেন
আবার করতে চাইছেন!
আগের বার আমরা পরীক্ষা করেছি। আজকে ওরা করবে।
আপনারা তো সবাই এক।
দেখতে পাও না?
আমরা পুলিস।
-ওরা শুল্ক বিভাগের লোক। -দুঃখিত স্যার।
কী, রামাস্বামী?
এর সাথে কোনও আদান-প্রদান হবে না। ওকে এগুলো খুলতে বল।
বাহ! এখানে কোনও সানি লিওনি নেই।
এগুলো সব সিমেন্ট-এর বস্তা। খুললে আমরা ধুলোয় ভরে যাব।
-এই, চল! -ধন্যবাদ স্যার!
চল! চল! গাড়ি চালু কর!
হ্যাঁ!
তাহলে, রামাস্বামী! আশা করি তুমি বুঝতে পেরেছ।
ছাড় ভাই!
যথেষ্ট দায়িত্ব পালন হয়েছে।
চল, থানায় গিয়ে চা খাওয়া যাক।
গাড়িগুলো সরাও।
অন্ধ্রপ্রদেশ পুলিস
এইসময় এখানে গাড়ি কি করে এলো?
এই, গাড়িটা থামাও!
শুধু এটা দেখে নেওয়া যাক।
এই! থামো!
থামো!
থামো!
-স্যার! -লাইসেন্স?
এই দেখুন স্যার!
কোথা থেকে আসছ?
হায়দ্রাবাদ থেকে, স্যার।
-কোথায় যাবে? -আটাকেস্বারাম স্যার।
এত রাতে এই পথে যাচ্ছ কেন? হাইওয়ে দিয়ে যেতে পরতে।
আমার বসের জঙ্গলের রাস্তা পছন্দ, স্যার।
তাই!
শুধু জঙ্গল?
নাকি সেখানের জিনিসও?
স্যার, স্যার, স্যার।
দরজা খুলবেন না।
ধুর ছাই!
কে ফেলে দিল আমাকে?
-হ্যাঁ! কে? -গবেট, আমি ফেলেছি।
-হ্যাঁ? -আমিই তোমাকে টেনে নামিয়েছি।
তাতে কি হয়েছে? তুমি কি কোনও নেতা?
-হ্যাঁ? -এই লোকটা কে?
হ্যাঁ, আমি একটা নেতা।
-আমি নেতা। এসো! -বাছাধন!
-এই! -হ্যাঁ?
আমি যদি তোমাকে এই লাঠি দিয়ে মারি...
-তুমি আমাকে মারবে? ঠিক আছে! -পুলিশের গায়ে হাত দেওয়া!
এই! রাতে এভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছ কেন?
সরে দাঁড়াও!
এই! আমার ওপর হামলা করছ কেন?
স্যার, মারবেন না স্যার।
-ছাড়বে না ওকে। -স্যার ওকে মারবেন না স্যার।
-ওহ মা গো! -তোমার ঠ্যাং ভেঙ্গে দেব!
তাহলে আমার পায়ে মারবে? হ্যাঁ?
দাঁড়াও, হতচ্ছাড়া! আমি জানি কে তোমায় ঠাণ্ডা করতে পারবে!
স্যার! এই লোকটা একেবারে মাতাল।
বিবেচনা ছাড়াই আমাদের ও শুল্কবিভাগদের মারছে।
জলদি আসুন, স্যার!
ওদের ছেড়ে দিতে বলুন স্যার। আমার বস মাতাল।
মাতাল হয়ে পুলিশকে মারবে!
এই!
আমার লোকেদের পেটাচ্ছে।
স্যার দয়া করে জলদি আসুন, স্যার!
স্যার! স্যার! স্যার!
এই, কি হয়েছে?
এই! ওটা কে ছিল?
ওই!
ওই! কে ওখানে?
এই!
এই! এই!
কে?
এই!
তুমি কে হে?
আমি ভিমলা নায়ক। সাব-ইন্সপেক্টর।
শ্রীসাইলাম তহসিল, হটকেস্বারাম মণ্ডল, অন্ধ্রপ্রদেশ।
পিনকোড মনে নেই আমার।
ঠিক আছে তো?
চেক পোস্টটা কোথায়?
এই, বালাজী! আমাকে বলনি তো?
স্যার, ও মনে হয় মাতাল।
মদের নেশা কেটে গেছে, কিন্তু অহংকার বেশ আছে।
এই, রামাস্বামী!
ফোনটা ওর থেকে নিয়ে নাও।
-এই! দাও ওটা! -স্যার!
সুদর্শন! পাথরের মত দাঁড়িয়ে আছ? ওকে গাড়িতে তোলো।
সর! সর!
এই, সর!
উর্দি পরলে অহংকার বাড়িতে রেখে আসবে।
নিয়ম না মানলে চামড়া গুটিয়ে নেব।
সরাও এটা!
সরাও এটা!
মাঝরাতে যত আপদ!
-ওটা কে স্যার? -ভন্ড লোক একটা।
মদ খেয়ে ঝামেলা করছিল। তাই পিটিয়েছি।
আমার বস একজন অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট। মদটাও কোটা থেকে আনা।
তুমি আমার ড্রাইভার।
ফালতু লোকের মত ভিক্ষা চাইবে না।
-শক্তি! -স্যার!
ওটা ফেরত দাও।
তুমি আমার জামাকাপড় খুলিয়ে আমাকে পিটিয়েছ।
কিন্তু তুমি তো শার্টটা এখনও পরে আছ। ধুতিটা পর।
আমার কোনও লজ্জা নেই।
আমি এইভাবেই যেতে পারি।
আমরা পারি।
ভিতরে মহিলা কনস্টেবেলরা রয়েছেন। পর এটা।
এই!
তোমার নাম কি যেন?
ড্যানি।
ড্যানিয়েল শেখর।
তোমার নাম?
ভিমলা!
ভিমলা নায়ক।
কীসের অপেক্ষা করছ?
আলাদা ভাবে নেমন্তন্ন করতে হবে?
কোনও প্রয়োজন নেই। জামা পরে চলে এস।
সুদর্শন! ওকে নিয়ে এস।
স্যার।
আমরা শুল্ক বিভাগ থেকে এসেছি, স্যার।
-এই, সর! -এই!
আমি কি লাইনে দাঁড়িয়ে আছি নাকি? আমাকে ধাক্কা মারলে কেন?
এটা আমাদের, স্যার।
সেলটা কোথায়?
প্রয়োজন নেই। এখানে বস।
ভুল করছেন স্যার।
আমার মত অপরাধীকে ছেড়ে রাখছেন কী করে?
আমাকে হাতকড়া পরিয়ে সেলে ঢুকিয়ে দিন।
আমাকে উত্তেজিত করতে চাইছ? বস!
আমাকে গ্রেফতার করেছেন কেন?
রাজ্যের সীমানায় একটা বোতল পেলেই আমরা গ্রেফতার করি।
আর তুমি তো পুরো মদের দোকান নিয়ে ঘুরছ!
তোমাকে কী সম্মান জানিয়ে অভ্যর্থনা করব?
সীমানা পার করা মানে কী?
আমি নালাপাতলা যাচ্ছিলাম।
ওটা তেলেঙ্গানায়।
নালাপাতলা তেলেঙ্গানায়।
কিন্তু তুমি অন্ধ্রের সীমানা দিয়ে যাচ্ছিলে।
সুতরাং, তুমি সীমানা পেরিয়ে যাচ্ছিলে।
বস!
আমি জানতাম না এর পিছনে এত প্রযুক্তি, ইতিহাস আর ভূগোল আছে।
তুমি তো অনেক আইনই জানো না দেখছি।
কী কী?
এই রাজ্যে তিন লিটার পর্যন্ত মদ নিয়ে যাওয়ার অনুমতি আছে।
আর তুমি তিরিশ লিটার নিয়ে যাচ্ছিলে!
অন্ধ্রপ্রদেশ শুল্ক আইন ১৯৬৬, ধারা ৩৪ অনুযায়ী এটি একটি দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওহ!
তুমি কিছুক্ষণ আগে একজন শুল্ক আধিকারিককে আক্রমণ করেছ। ধারা ৫০এ।
কর্তব্যরত আধিকারিককে আক্রমণ করেছ। আইপিসি ধারা ৩৫৩...
আমাকে হুমকি দিচ্ছেন, হ্যাঁ?
তাই নাকি?
কী?
-এই রামাস্বামী! -স্যার!
এফ আই আর তৈরি কর!
দশ মিনিটের মধ্যে স্টেটমেন্ট ও রিম্যান্ড রিপোর্ট তৈরি কর।
লোকটা বেশ ধূর্ত। আমরা কি করতে পারি এবার দেখাবো।
-ঠিক আছে স্যার। -যাও এবার বাইবেল আর গীতা দুটোই লেখ।
লেখ
উল্লেখ কর ৫০এ, বি, সি, ডি... জেড পর্যন্ত!
No comments yet. Be the first to leave one.