The first 200 lines.
- হেই ডার্লা, কেমন আছেন আজকে? - হেই ড্যান।
- আমি মারকোস্কি নামে একজনকে খুঁজছিলাম। - ডেনিস মারকোস্কি?
ইনিই।
প্যারালিগাল - উকিলের প্রশিক্ষণ নেয়া কিন্তু উকিল না
আজকে আমার প্যারালিগাল নিয়ে এসেছি।
প্যারালিগাল? বড়লোক হয়ে গেছেন।
জানেনই তো।
হেই ডেনিস।
বসুন।
চাও এর কথা শুনেছ?
- সবাই বলছে ও শহর ছেড়ে পালিয়েছে। - ও মারা গেছে।
আমার হাতে না।
এটা কোনো মেসেজ না। এটা প্রতিশোধ।
তৃতীয় পক্ষ ভুলে একাজ করেছে, তাদেরকে সামলে নেয়া হয়েছে।
বুঝেছ?
- হ্যাঁ। - আরেকটা কথা।
তোমার সাথে ফ্রিঙের চুক্তি এখনো বলবৎ আছে।
আচ্ছা।
"আচ্ছা" বললে হবে না।
কিছু বলার আছে তোমার?
মাইক, আমি আমার মুখ খুলবো না।
লন্ড্রিটা ঠিক ল্যাবের উপরেই ছিল।
আমি এর সাথে জড়িত ছিলাম না, এটা কোনোভাবেই বিশ্বাস করাতে পারব না।
আমার কমপক্ষে ৮ বছরের জেল হয়ে যাবে।
কিন্তু তারপরেও আমি যা করার, তাই করছি।
আমি বেইমান না, তুমি জানো সেটা।
মানে, আর কী বলার আছে?
আচ্ছা, আমরা কী নিয়ে কথা বলছি?
ডিল তো ডিলই।
কীভাবে?
ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে কাজের জন্য বাড়তি টাকা
এফবিআই আমার হ্যাজার্ড পে নিয়ে গেছে।
আমার বউ মর্টগেজের টাকার উৎস জানতে চাচ্ছিলো। ওকে কী বলবো জানি না।
আমরা সবাই ঝুঁকিটা জানতাম।
কিন্তু সেটা তো ডিল ছিল না।
আমি নিশ্চিত ওরা কালকে হল্ট আর পেরেজকে ধরেছে।
আমি কিছু বলবো না, কিন্তু হ্যাজার্ড পে কেটে নিলে ...
- ...আগে হোক পরে হোক, কেউ সব বলে দেবে। - কেউ কিছু বলবে না।
সবাই হ্যাজার্ড পে পাবে, তুমিও পাবে।
তোমার কথা মানছি, কিন্তু লোকটা মারা গেছে।
তার ল্যাব মাটিতে মিশে গেছে।
- আমি কোনো আশা দেখছি না। - নতুন একটা কাজ পেয়েছি।
মাত্রই শুরু হচ্ছে। তোমাকে পুষিয়ে দেবো।
নতুন কাজ? এফবিআই তোমার ওপর চোখ রাখছে যে?
- কীভাবে? - সেটা আমার চিন্তা।
তোমার কাজ মুখ বন্ধ করে বসে থাকা।
তোমার পরিবারের কোনো সমস্যা হবে না। তুমি আবার আগের অবস্থায় ফিরে যাবে।
কথা দিচ্ছি।
আরো লাগবে?
না মাইক, আমি ঠিক আছি।
- এরপর কে? - সেটা আপনি বেছে নেন।
এপিডি মার্টিনেজকে ধরেছে শহরে, ম্যাকগান আছে স্যান্ডোভালে।
স্যান্ডিয়া ট্রাইবাল পুলিশেরা ওকে এফবিআই এর হাতে তুলে দেবে।
হল্ট আর পেরেজ আছে লস লুনাসের জেলে।
ওদের সবার কাছে নিশ্চয়ই আজকেই যাবেন না?
আজকেই যাবো।
হেই! খুলে দেন!
অনুবাদে - কুদরতে জাহান
বাংলায় সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে গুড রেটিং দিতে ভুলবেন না।
এখানে আছি।
ওহ হাই, তোমার দিনটা কেমন কাটলো?
আবার বাড়িতে ফিরছ?
আপাতত কন্ডোটা বেচবো না।
এখনকার মার্কেটে বেচলে ঠকা খেয়ে যাবো।
তবে হ্যাঁ। এখন আমি বাড়িতেই থাকবো।
সময় হয়েছে ফেরার।
তোমার কি মনে হয় ব্যাপারটা ভালো হবে?
হ্যাঁ।
ওকে এখানে নিয়ে এলেন? মানে কী!
আমরা তিনজন হলাম তিন মাস্কেটিয়ারের মতো।
সবাই সবার জন্য।
আরেকজনের দরকার নেই।
সউল, মাইক ব্যবসা চালাতে জানে, সরবরাহকারীদের চেনে।
- মাইক ঠিক আছে। - ঠিক আছে?
ও আমার ঠ্যাঙ ভেঙে দেবার হুমকি দিয়েছিল।
আবার বলেন না যে ও এমনি একথা বলেছে।
ও যেভাবে রক্তচক্ষু দিয়ে বলেছিল, দরকারে আসলেই তাই করবে ও।
সউল, মাইক আমাকে হুমকি দিয়েছে। জেসিকেও হুমকি দিয়েছে।
কে জানে হয়তো আজ সকালে নাশতা খাবার আগে কাউকে হুমকি দিয়ে এসেছে।
এটাই ওর কাজ। এতে ভয়ে অর্ধেক হবার দরকার নেই।
আমি কিন্তু কাজটা চাপে পড়ে করছি, বলে রাখলাম।
শুনে রাখলাম।
বেশ, ওকে ঢুকতে দাও, হুয়েল।
মাইক, আমি আপনার দিকে --
আমরা এখন সবাই একত্র হয়েছি, তাই কিছু নীতি মেনে চলতে হবে।
কাজ ভাগাভাগি হবে। আমি ব্যবসা দেখবো।
জিনিস বানানো আপনাদের কাজ।
আপনাদের কেমিক্যাল মিক্সিং এর ব্যাপারে আমি কিছু জানি না...
...আবার আপনারাও ব্যবসার ব্যাপারে আমাকে উপদেশ দিতে আসবেন না।
কথা পরিষ্কার?
- নিশ্চয়ই। - বেশ, ভ্রমণ শুরু করা যাক।
হেই, আপনি ওর ব্যাপারে রাজি?
হ্যাঁ।
ও ব্যবসা সামলাবে, আমি ওকে সামলাবো।
আমরা ভাড়া নেবার কথা বলছি, কিনে ফেলব না।
আপনার তো একটা ব্যবসা আছেই, সেটায় ঢুকে পড়েন ...
... কাজ করেন, আর গা ঢাকা দিয়ে থাকেন। সোজাসুজি বলছি।
এটাই আপনার সেরা সুযোগ।
মেশিন চলবে, ফোর্কলিফট আর মানুষ আসা যাওয়া করবে।
আরামে গা ঢাকা দিয়ে থাকতে পারবেন।
মালিকও ভালো। ও আপনাদেরকে পর্দার পেছনে দিয়ে ...
...সামনে কয়েকটা বাক্স বসিয়ে দেবে, আপনার জায়গা আপনাকে ছেড়ে দেবে।
তারপর সে তার ব্যবসায় ফিরে যাবে, আপনি আপনারটায় ফিরে যাবেন ...
...আর কখনো ওর মুখোমুখি হতে হবে না।
দারুণ ব্যাপার, তাই না?
এরকম মেশিনের নিশ্চয়ই অনেক ক্ষমতা।
গন্ধটার কী হবে?
আরো ভালো খবর।
কাজ চলা অবস্থায় এখানে এসেছিলাম। তখনই এ জায়গা দিয়ে গন্ধ বেরোচ্ছিল।
- আপনাদের গন্ধ আলাদা করে বোঝা যাবে না। - কর্মী কয়জন?
জিজ্ঞেস করবেন, জানতাম।
ষোলজন অবৈধ অভিবাসী, কালা, বোবা এবং অন্ধ হয়ে যাবার জন্য কড়াভাবে বলে দেয়া আছে।
ওদেরকে নতুন করে শেখাতে চান নিশ্চয়ই।
তা চাই বটে।
তো, কী বলেন, ওস্তাদ?
Is it unanimous?
হাইস্কুলে থাকতে এক গ্রীষ্মে একটা বক্স ফ্যাক্টরিতে কাজ করেছিলাম...
...তারপর বহুবছর এমন কিছু দেখিনি।
স্মৃতির পাতায় ফিরে গেছেন, চমৎকার।
এটা কী, জানেন?
করুগেটর - ছোট ছোট মেশিন দিয়ে বানানো একটা বড় মেশিন
এটা কী জানেন? একটা করুগেটর।
ক্রাফট পেপারকে ধোঁয়া আর লবণ দিয়ে কার্ডবোর্ড বানায়।
বানানোর সময়ে বিকট আওয়াজ হয়, ভালো না?
না।
ধোঁয়া আর লবণ।
যখন এটা চালু থাকবে, মনে হবে মহাগ্যাঞ্জাম হচ্ছে এখানে।
শিট, তাতে তো মাল নষ্ট হয়ে যাবে।
আপনি কসকো থেকে ডিহিউমিডিফায়ার নিয়ে আসতে পারবেন না?
কী--? বেশ, পরের জায়গায় যাই।
খোলামেলা, আলাদা জায়গা, জলীয়বাষ্প নেই...
...যত খুশি টরটিলা রুটি নিয়ে খেতে পারবেন।
এ জায়গার বিশেষ বৈশিষ্ট্য।
কী জানি।
এতে টরটিলা থেকে বিড়ালের পেশাবের মতো গন্ধ বেরোবে।
কেউ নিশ্চয়ই সেটা খেয়াল করবে।
এর সমাধান আছে নিশ্চয়ই?
এগুলো টেকনিকাল সমস্যা, আপনারা এগুলোর বিশেষজ্ঞ।
মাথা খাটিয়ে কিছু একটা বের করেন।
খাবার সম্পর্কিত সেকোনো জায়গায় অতর্কিতে সরকার অভিযান চালাতে আসে।
শুধু একটু উদারমনা হতে বলছি।
স্কি-বল গেমের পেছনে ড্যানি ইতিমধ্যেই জায়গা করে রেখেছে।
- না। - কোনোমতেই না।
জানতাম এ জায়গার কোনো আশা নেই।
এ জায়গার পক্ষে একটা কথাই বলি ...
...এখানকার মালিক এমন এক জন, যাকে কি না, কী বলবো, উনি খুবই নমনীয় স্বভাবের।
দেখুন, আমি বুঝেছি, না বলুন, আমরা ডিনার খেতে চলে যাই।
বেশ, শুরু করছি।
কোনোভাবেই এখানে কাজ করা যাবে না।
গন্ধ বেরোনোর কোনো জায়গা নেই।
Look at that door. That thing rolls up and we're open to the world.
কেউ খেয়াল করেছে কি না জানি না ...
...এখান থেকে কোয়ার্টার মাইল দূরে একটা কপ শপ আছে।
একবার টের পেলে রক্তারক্তি কাণ্ড হয়ে যাবে।
- এটাই ভালো হবে। - কী?
এখানে ল্যাব বসাবো কোথায়?
এখানে বসাতে হবে কে বলেছে?
একটা বাড়িতে পোকা ধরেছে।
ইঁদুর তেলাপোকা দিয়ে বোঝাই।
বাড়িওয়ালারা পোকামাকড় মারার লোক ডেকেছে।
ট্রাক এসেছে, বাড়িওয়ালারা চলে গেছে।
ক্রুরা বাড়ি ঢেকে দিয়েছে।
ওরা এখানে বিষ ছিটাবে।
বাড়িটা এভাবে দিনের পর দিন পড়ে থাকবে।
ঢাকা দেয়া বাড়ির দিকে কেউ দুইবার ফিরে তাকায় না।
এখন হয়তো সেটা দিয়ে একটা অদ্ভুত গন্ধ আসছে।
কেউ কি অনুসন্ধান করতে আসবে? না।
কেউ ভেতরে যাবে? ভুলেও না।
সে জায়গাতেই আমরা কাজ করবো।
ওরা সপ্তাহে ৩/৪টা বাড়িকে ঢেকে দেয়।
আমরা আমাদের সুবিধামতো বাড়িকে বেছে নেবো।
যেটা প্রশস্ত, ঢুকতে সুবিধা, সেটায়।
ডেকে দেয়ামাত্র ঢুকে এক ব্যাচ বানিয়ে ...
...বোমা মেরে বের হয়ে আসবো আমরা।
প্রতিবার বানানোর সময়ে জিনিস আনা-নেয়া করা লাগবে?
ল্যাব বসিয়ে, মেথ বানিয়ে, সবকিছু নিয়ে বেরিয়ে আসা লাগবে?
কাজটা কঠিন, কিন্তু অসম্ভব না।
এ লোকগুলোর কথা বলেন।
ফুটপাতে দাঁড়ানো পনিটেলওয়ালার নাম ইরা, সেই মালিক। ছাদে দাঁড়ানো লোকের নাম স্যান্ডর।
মইয়ে দাঁড়ানো ফার্নান্দো, নিচে যে দাঁড়িয়ে আছে ও টড।
ওরা আসলেই পোকা মারে। ওদের লাইসেন্স আছে।
এ শহরে ওরাই সেরা।
ওরা হলো সেকেন্ড স্টোরি মেন।
- মানে? - চৌর্যবিদ্যায় পটু।
ওরা চোর।
কাজটা ওরা করে বুদ্ধি খাটিয়ে।
কাজে থাকার সময়ে কিছু করে না।
চাবি নকল করে, দামি জিনিস আর অ্যালার্মটা দেখে রাখে...
...সেই তথ্য অন্য চোরদের জানায়, তারপর কিছুদিন বাদ দিয়ে...
- ...জিনিসপত্র তুলে নিয়ে যায়। - ওদের চেনেন কীভাবে?
আমি ওদেরকে আইনের হাত থেকে বাঁচাচ্ছি পাঁ বছর ধরে।
ইরা আর ওর দলবল ভালো, মুখ বন্ধ রাখতে জানে।
ওদের টাকা দিয়ে কিনে রাখতে পারবেন।
নিজেই খোঁজ নিয়ে দেখতে পারেন।
দরকার হলে দেখবো।
ভোট করবো আমরা?
কেন?
- শুনতে দারুণ লাগছে। - জব্বর, ভাই, একেবারে রকিং।
ইয়ামাহাটা ভালো বানিয়েছে।
শব্দটা ভালো লাগছে? একেবারে গর্জে ওঠে না?
No comments yet. Be the first to leave one.