The first 200 lines.
পূর্বে যা দেখেছেন:
গৌরবময় দিনগুলোর স্মৃতিচারণ করছো?
আমার মনে পড়ে প্রতি ম্যাচের আগে তোমাকে দেখার জন্য
এই লকার রুমে চুপিচুপি প্রবেশ করার কথা।
এ কারণেই সম্ভবত আমরা সবসময় জিততাম।
তুমি নার্ভাস?
- কে, আমি? - উম-হুম।
কখনও না।
আমি আগেও ক্যাপ্টেন ছিলাম, অবশ্যই, কিন্তু এই ব্যাপারটা ভিন্ন।
এটা...
দুনিয়ার সবাই...
আমাকে কিছু একটা হওয়ার প্রত্যাশা করে।
আর আমি তাদের হতাশ করতে চাই না।
- জানি। - হুম।
নিজের মতো হও।
হুম।
ওরা তোমাকে ভালোবাসবে।
শুভকামনা।
- ভালোবাসি। - ভালোবাসি।
- এখনও বমি করেছে? - এখনও করেনি। তোমার পালা।
- কপি দ্যাট। - শুভ সকাল।
শুভ সকাল, আমেরিকা। শুভ সকাল।
না, তুমি ক্যাপ্টেন আমেরিকা, তুমি কোনো...
শুভ সকাল। জন, ক্যাপ্টেন, আহ...
ক্যাপ্টেন আমেরিকা।
আর এ কারণেই তুমি ড্রামা ক্লাসে ফেল করেছিলে।
- বিশ্বাস করতে পারো এটা? - আমি জানি, ওকে?
- হুম। - দুই সপ্তাহ আগে আমরা চিলিতে স্পেশাল অপস
মিশনের জন্য প্রস্তুত হচ্ছিলাম, আর এখন এটা।
আমাকে ভুল বুঝো না, এটা দারুণ ছিল,
এটা দারুণ, কিন্তু অনেক বেশি করমর্দন,
অনেক বেশি স্যুট, অনেক বেশি বক্তব্য,
আর সিনেটর মিটিং হয়েছে,
আর আমি স্রেফ আসল কাজটা করতে চাই।
- এটাই কাজ, জন। - হুম।
এই সবকিছুই।
পরিকল্পনাবিশিষ্ট এক তারকাখচিত মানব আর সব কিছু।
চাকরির বিবরণে এটা সবসময়ই ছিল।
শোনো, এই স্যুট, এর সাথে অনেক প্রত্যাশার বোঝা চলে আসে, ভাই।
উম-হুম।
এখন থেকে আর চাইলেই সমস্যাগুলোকে এড়িয়ে যেতে পারবে না, জানো তো?
উম-হুম।
কাজে যাওয়ার পালা।
কাজে যাওয়ার পালা।
:.:.: THE FALCON AND THE WINTER SOLDIER :.:.: Episode 02 অনুবাদক: নূরুল্লাহ মাশহুর
:.:.: THE FALCON AND THE WINTER SOLDIER :.:.: Episode 02 অনুবাদক: নূরুল্লাহ মাশহুর
ধন্যবাদ।
সুধীমণ্ডলী...
আপনাদের নতুন ক্যাপ্টেন আমেরিকা!
শুভ সকাল, আমেরিকা।
ইয়াহ!
আসার জন্য অনেক ধন্যবাদ। যদিও, ব্যাপারটা নিশ্চয়ই দারুণ মজার,
এতকিছু বদলে যাওয়ার পরে, নিজের হাইস্কুলে ফিরে আসা?
- জন ওয়াকার! - ওহ, এটা দারুণ। আমরা...
ওহ!
ইয়াহ!
জন, আমার মতে প্রথমত যে ব্যাপারটা সবাই জানতে আগ্রহী
তা হচ্ছে ক্যাপ্টেন আমেরিকা হওয়ার অনুভূতি কেমন?
যেখানে যাও সেখানেই কি তোমার মাথার ওপর ঈগল ওড়ে?
আহ, হ্যাঁ।
হ্যাঁ, এটা আর বাতাসে রাজকীয় ভঙ্গিতে পতাকা দুলতে থাকে।
আর তোমার ট্যুর কেমন ছিল?
জানি ওরা তোমার জন্য বিশাল রোলআউটের আয়োজন করেছে, তাই না?
এটা আমার জীবনের সবচেয়ে বড়ো সম্মানের ব্যাপার।
আম, তবে আমি কিছুটা বিস্মিত, সম্ভবত।
আমার মতো একজন কীভাবে এখানে এলো?
ওহ, দাঁড়াও, দাঁড়াও, দাঁড়াও। "আমার মতো একজন?"
তুমি একটু বেশিই বিনয়ী হচ্ছো।
আপনারা যারা জন এর প্রোফাইল সম্পর্কে জানেন না,
"জন ওয়াকার, আমেরিকার ইতিহাসে তিনটি মেডেল অফ অনার প্রাপ্ত প্রথম ব্যক্তি,
সন্ত্রাসবাদ দমন আর জিম্মি উদ্ধারে আরএস-মিশন পরিচালনাকারী।
সরকারের পক্ষ থেকে এমআইটিতে তোমার দৈহিক পরীক্ষা চালানো হয়েছিল,
আর তুমি প্রতিটি ক্যাটাগরিতে অসাধারণ ফলাফল প্রদর্শন করেছ।
গতি, সহ্যশক্তি, বুদ্ধিমত্তা...
দেখুন, ব্যাপারটা হচ্ছে, আমি টনি স্টার্ক নই,
আমি ড. ব্যানার নই, ওকে?
আমার চটকদার গ্যাজেট নেই, আমার সুপার স্ট্রেংথ নেই।
তবে আমার যা আছে তা হলো
সাহস।
যেটা ক্যাপ্টেন আমেরিকার সবসময় ছিল,
সবসময় থাকতে হয়, আর আমার সবচেয়ে বেশি থাকা জরুরি।
কারণ আমাকে বিশাল দায়িত্বের ভার বহন করতে হবে।
তুমি স্টিভ রজার্সকে চিনতে?
আমি দুই বছর ওয়েস্ট পয়েন্টের বাইরে ছিলাম যখন দৃশ্যপটে স্টিভের পুনরাগমন ঘটে।
একজন অ্যাভেঞ্জার হিসেবে তার ক্যারিয়ার আমি খুব কাছ থেকে অনুসরণ করেছি।
আমি ভাবতে পছন্দ করি যে আমি উনার মতো করে নিজের কাজকে সাজিয়েছি।
তুমি সবসময়ই হিরো হতে চাইতে?
ব্যাপারটা আমার ভালো লাগত যে আমি যা করছি তাতে লোকজন নিরাপদ অনুভব করবে।
স্টিভ রজার্স এমন একজন ছিল যে এই কাজে সক্ষম,
উনি আমাকে আশা জুগিয়েছেন।
যদিও উনার সাথে আমার কখনও সাক্ষাৎ হয়নি,
উনাকে আমার নিজের ভাইয়ের মতোই মনে হয়।
বাহ।
ভালো মানুষ মনে হচ্ছে।
- ওর সাথে সাক্ষাৎ করেছ? - না।
এত অল্প সময়ের নোটিসে এসব করার জন্য ধন্যবাদ।
হুম। সমস্যা নেই। আমি বাকি কাজগুলো সামলাচ্ছি।
মিউনিখে নামলেই সবকিছু প্রস্তুত থাকবে কাজের জন্য।
- তোমার শিল্ডটা তুলে দেওয়া উচিত হয়নি। - দেখা হয়ে আমারও ভালো লাগল, বাক।
- এটা ভুল। - হেই, হেই, দেখো, আমি কাজ করছি, ঠিক আছে?
তাই এসব রাগারাগি পরে করতে হবে।
তুমি জানতে না এসব ঘটতে যাচ্ছে?
না, অবশ্যই আমি জানতাম না এসব ঘটতে যাচ্ছে।
তোমার ধারণা ওকে ওখানে বের হয়ে আসতে দেখে আর ওকে নতুন ক্যাপ্টেন আমেরিকা
- ডাকতে দেখে আমার মন ভেঙ্গে যায়নি? - স্টিভ এমন কিছু চাইত না।
ওহ, মাই গড। আমাকে কী করতে বলো?
আমেরিকাকে কল করে বলব যে আমি মত বদলে ফেলেছি? হাহ?
হুম, ঠিক। দারুণ পুনর্মিলনী হলো, বন্ধু, ভালো থেকো।
ওই শিল্ড হস্তান্তরের কোনো অধিকার তোমার ছিল না, স্যাম।
হেই, এটা করতে এসো না।
তুমি নিজের দীর্ঘায়ু জীবন নিয়ে এখানে এসে
আমাকে নিজের অধিকার সম্পর্কে বয়ান দিবে না।
এটা শেষ, বাকি।
তাছাড়া, আমার এখন এর চেয়ে বড়ো ব্যাপার সামলাতে হবে।
এর চেয়ে বড়ো ব্যাপার কী হতে পারে?
এই লোকটা।
সমস্ত পূর্ব আর কেন্দ্রীয় ইউরোপ জুড়ে বিদ্রোহী সংগঠনগুলোর সাথে ওর সম্পৃক্ততা,
আর ও শক্তিশালী। দারুণ শক্তিশালী।
আর?
বেশ, সে ফ্ল্যাগ স্ম্যাশারস নামের এই অনলাইন গ্রুপের সাথে সম্পৃক্ত।
তো, রেডউইং তাকে মিউনিখের বাহিরে একটা বিল্ডিংয়ে ট্রেস করেছে।
- তাই আমি সেখানে যাচ্ছি। - বেশ, আমি রেডউইংকে ভরসা করি না।
- এক মিনিট দাঁড়াও। - তোমার রেডউইংকে ভরসা করতে হবে না,
কিন্তু আমি গিয়ে দেখব ওর তথ্য সঠিক কি না।
কারণ আমার মনে হচ্ছে ওরা বিগ থ্রি'র অংশ হতে পারে।
- কীসের "বিগ থ্রি"? - দ্যা বিগ থ্রি।
- কীসের বিগ থ্রি? - এন্ড্রয়েড, এলিয়েন, উইজার্ড।
- এটা ভিত্তিহীন। - এটার অবশ্যই ভিত্তি আছে।
না, নেই।
প্রতিবারই যখন আমরা লড়াই করি, এই তিনটার মাঝে একটার বিরুদ্ধে হয় সেটা।
- এখন তুমি কার সাথে লড়াই করছো, গ্যান্ডালফ? - তুমি গ্যান্ডালফের ব্যাপারে কীভাবে জানো?
আমি The Hobbit পড়েছি, ১৯৩৭ সালে, যখন এটা প্রথম প্রকাশিত হয়।
- তো আমার পয়েন্ট বুঝতে পেরেছ? - না, বুঝিনি। বাস্তবে কোনো উইজার্ড নেই।
- ডক্টর স্ট্রেঞ্জ। - একজন সর্সারার।
আহ!
সর্সারার হচ্ছে হ্যাট ছাড়া উইজার্ড।
ভেবে দেখো এটা। ঠিক?
আমার কথাই ঠিক। আমার মাথায় মাত্রই এলো এটা। এটা অদ্ভুত।
কিন্তু এটা আসল পয়েন্ট না। এরা ম্যাজিক্যাল কেউ না।
ওরা পেশী শক্তি ব্যবহার করে, তোমার মতো,
আমার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা অবিশ্বাস্যরকম বিরক্তিকর লোক যার চাহনিতে সমস্যা আছে।
- আমি তোমার সাথে আসছি। - না, আসছো না।
ড্রপ অফের বাকি এক মিনিট, স্যাম।
তো আমাদের প্ল্যান কী?
দারুণ। তো কোনো প্ল্যান নেই।
ত্রিশ সেকেন্ড!
- রাইড উপভোগ করো, বাক। - না, আমাকে এই নামে ডাকবে না।
কেন না? স্টিভ তোমাকে এই নামেই ডাকত।
স্টিভ আমাকে অনেক বেশি দিন ধরে চিনত, আর স্টিভের প্ল্যান থাকত।
ড্রপ করতে আর ১৫ সেকেন্ড।
আমার প্ল্যান আছে।
সত্যিই?
কী সেটা?
দারুণ।
প্যারাসুট কোথায়?
আমরা ২০০ ফিট উচ্চতায় আছি। প্যারাসুটের তুলনায় এটা খুব নিচু।
আমার এমনিতেও এটার দরকার নেই।
তুমি নিশ্চিত এ ব্যাপারে?
হুম।
পুরো দৃশ্যটা আমি ক্যামেরায় ধারণ করেছি। জানো তো সেটা?
আমার মুখের সামনে থেকে সরো, স্যাম, নাহয় এটা ভেঙ্গে ফেলব।
ওকে, উত্তরে এসো। চলো।
ওহ-হো-হো। ওকে আঘাত করো না।
তুমি আবারও ওই চাহনি দিচ্ছো।
ওরা ওখানে।
- ওই লোকটা কোথায়? - জানি না।
আমার ধারণা ওরা অস্ত্র চোরাচালান করছে।
- বেশ, সম্ভবত তোমার ধারণা সঠিক। - হুম।
কিন্তু জানার একটাই উপায় আছে।
আমি পরিষ্কার পথ দেখতে পাচ্ছি। আমি বলি কী আমরা সেই পথ গ্রহণ করি।
আমরা গুপ্তঘাতক নই।
ভেতরে তোমার সাথে দেখা হবে নাহয় হবে না।
হেই, কাম অন, ভায়া। আমি মজা করছিলাম তোমার সাথে। ফিরে এসো।
আরে বাহ। একদম নিঃশব্দচারী।
ওয়াকান্ডায় অল্প কয়েকদিন সময় কাটিয়েই হোয়াইট প্যান্থার হয়ে গিয়েছ।
- এটা আসলে হোয়াইট ওলফ হবে। - হাহ?
আচ্ছা, আমি ভেতরে। যার অর্থ, তোমার থেকে অনেক এগিয়ে।
এটা দারুণ কিছু না, তবে অত্যন্ত কার্যকর।
হাহ?
- হ্যালো। কেমন আছো? - ভালো। কী মিস করলাম আমি? কিছুই না।
- আচ্ছা, চলো। - না, দাঁড়াও।
আমার ভাইব্রেনিয়ামের হাত আছে। আমি ওদের কুপোকাত করে দিতে পারব।
আর আমি উড়তে পারি। তাতে কী আসে যায়? অপেক্ষা করো।
- আমি দেখতে চাই ওরা কোথায় যাচ্ছে। - ওখানে মাত্র দুজন লোক।
- তুমি মাত্র দুজন দেখছো? - আমি তাই দেখছি।
- দেখা যাক রেডউইং কী দেখছে। - আচ্ছা।
দেখা যাক রেডউইং কী...
ওহ, তাকাও এবার। কতজন দেখতে পাচ্ছো?
এক, দুই... ওহ, আবারও।
- চার। পাঁচ। - হুম, পাঁচ। হুম।
তো ওরা শক্তিশালী। যাইহোক।
- আচ্ছা, চলো। - না, না, দাঁড়াও।
ধ্যাত।
আচ্ছা, চলো।
চলো। ইয়াহ।
অষ্টম একজন ব্যক্তি রয়েছে। আমার মনে হয় ওদের কাছে একজন জিম্মি আছে।
ওরা ওষুধ চুরি করছে। ভ্যাকসিন।
হাই।
বাকি, কথা বলো। কী হচ্ছে?
জিম্মিকে খুঁজে পেয়েছি।
No comments yet. Be the first to leave one.