Messi

Messi

Download Bengali Subtitle

Release info

Messi (2014)
A Commentary by LeoMohosin
আমার করা ৯ম সাব এটি। একজন ডাই- হার্ড মেসি ফ্যান হিসেবে করেই ফেললাম এই মুভির বিসাব। মোটামুটি হার্ডকোডেডের মতোই পরিশ্রম করতে হয়েছে কারণ সাবসিনের ইসাবে টাইম সিনক্রোনাজিং নিয়ে অনেক ভেজালে পড়তে হয়েছে আর মূল ভিডিওর হার্ডকোডেড ইসাবে কিছু ভুল রয়েছে যেগুলো সাধ্যমত

Tags

other
Published on: 2018-07-06
Downloads: 38
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 200 lines.

➜ মুভিঃ Messi(2014) আমার করা নবম বাংলা সাবটাইটেল এটি।

Jorge "Topo" López এর স্মরণে।

"সেই গল্পটাই এখন বলবো যেটা আপনাদের বলা উচিৎ ছিল" -

"সাথে Augustín আর Lucía ও আছে" - Verónica

বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদ, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

সাবের অনুবাদ হার্ড-কোডেডের চেয়ে সাবসিন থেকে ডাউন লোড কৃত ই-সাব দিয়েই বেশি করা হয়েছে। তাই কিছু ক্ষেত্রে অনুবাদ হার্ড-কোডেডের সাথে অমিল পাবেন। তবে, ভাবানুবাদ ঠিক রাখা হয়েছে।

ঝামেলা-যুক্ত টপিকগুলো যথাসম্ভব সহজভাবে ব্যক্ত করার চেষ্টা করেছি। দুই ই-সাবে বেশ কিছু ক্রিয়া ঘটিত ভুল ছিল, সেগুলো ঠিক করার চেষ্টা করেছি। আশা করি ভালো কিছু দিতে পেরেছি।

লিও একটা জিনিয়াস, জিনিয়াস, জিনিয়াস,

মেসি একজন জিনিয়াস।

নিঃসন্দেহে পৃথিবীর সেরা খেলোয়াড়দের একজন।

বার্সা আর মেসির প্রেমের গল্প অমর হয়ে থাকবে।

- সে একটা হীরা ... - দানব, আমার ভাষায়

- সে একের ভিতর সব। - আমার মতে, বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়

আমাদের কাছে নায়কও বটে।

সর্বকালের সেরা খেলোয়াড়।

পৃথিবীর অন্যতম সেরা খেলোয়াড়।

অনন্য প্রতিভার অধিকারী।

আমার দেখা সবচেয়ে সেরা!

ছোকরাটা এই গ্রহের নয়।

সে একজন ইলুমিনাতি।

ক্ষণিকের জন্য হলেও আমার আয়নায় তাকে দেখতে পারাটা অসাধারণ!

আমার নাম লিওনেল মেসি আর আমার বয়স ১৩ বছর। আমি সেন্টার- ফরোয়ার্ড পজিশনে খেলি আর ...

- হ্যালো। - শুভ সন্ধ্যা, স্বাগতম, ভিতরে আসুন।

ধন্যবাদ।

- দেখো, ক্রুইফ এসেছে। - ধন্যবাদ। ক্রুইফ=কিংবদন্তী ফুটবলার, নেদারল্যান্ড

১৯৭৪ এর বিশ্বকাপে সে ডাচ ক্যাপ্টেন এবং হল্যান্ডের সেরা খেলোয়াড় ছিল।

ওহ, ভালদানো ...

বিশ্বচ্যাম্পিয়ন, ১৯৮৬।

ক্রুইফ যুগান্তকারীদের একজন, প্রথমে খেলোয়াড় এবং পরে কোচ হিসেবে।

যখন সে স্টেডিয়ামে ঢুকে, কিছু না কিছু ঘটে।

- রোগা- পাতলা মেনত্তিও আছে। - বিশ্বাস করতে পারছি না, কত সুন্দর!

১৯৭৮ সালে কোচ।

- লিও কে কখন থেকে চিনতে, যোহান? - বাচ্চাকাল থেকেই, মূলত। যোহান= ক্রুইফের আরেক নাম

- প্রথম দিকের কিছু মনে করতে পার? - নার্সারি, থিয়েটার, কনসার্ট।

দমকল বাহিনীর পোশাকে দেখেছিলাম।

- ছবিটা দেখো। - পুরনো স্মৃতি এখনো মনে পড়ে।

- তখন চোখে চশমা ছিল না। - ৮ম শ্রেণীতে থাকাকালীন।

- সে দেখতে ক্লাস সিক্সের ছাত্রের মতো ছিল। - এটা নিয়েই আমরা আলোচনা করছিলাম।

এটা সিন্থিয়া, ওয়াল্টার ও আছে।

- এটা থিয়েটার পারফরমেন্স করার সময়ে। - তুমি পুরা আমার জেরক্স কপি ছিলে।

চার বছর বয়সে তোলা এই ছবিটাকে পছন্দ করি, তখন আমরা সবাই বাচ্চা ছিলাম।

আমাদের মা যুবতী ছিলেন, প্রায় এখন আমাদের মতো সমবয়সী।

- তার সাথে কি তোমার আরও ছবি আছে? - হ্যাঁ, আরও আছে।

সে ছিল দমকলকর্মী আর আমি ছিলাম রাজকুমারী।

- সে ছিল শামুকের মতো। - এই ছবিতে নেই।

৩য় শ্রেণীতে থাকাকালীন তার শামুকের পোশাক পড়া একটা ছবি। শেষের ছবিটা ছিল ১ম শ্রেণীর।

১৯৯৩ সালে স্কুলের খেলায় সে শামুকের ভূমিকায় ছিল। শামুক ক্যাটাগরিতে পৃথিবীর দ্রুততম খেলোয়াড়! শামুক খেলা= ল্যাটিন আমেরিকায় প্রচলিত বাচ্চাদের এক প্রকার খেলা।

আসলে এটা নিয়ে আগে কখনো মাথা ঘামাইনি।

শুনেছিলাম যে লিওনেল শামুক চরিত্রে খেলতে চাইত না,

- স্যুট দিয়ে সে তার মুখ ঢেকে ফেলত। - আমি দেখেছি তার মুখটা, লজ্জায় লাল ছিল।

কিন্তু সে খুব ভাল খেলেছিল।

- আমি তেলাপোকা ছিলাম, তুমি কী ছিলে? - প্রজাপতি।

- আর সে ছিল লাল বামুন। - আমি ঘুমে ছিলাম, আমার হিসাব ছিল না।

বাচ্চারা অনেক ভালো করেছিল, এর জন্য আমরা অনেক ট্রেনিং করিয়েছিলাম। লিওনেল খুব ভালো ছিল।

এটা "শিক্ষক উৎসব" এর একটা উপহার, যখন শিশুরা আমাদের ফুল বা অন্যকিছু উপহার দেয়।

লিও আর পাবলো ফুটবল খেলার সময় তাঁর দাদীর বাগানের সকল গাছ নষ্ট করে ফেলেছিল।

স্মৃতিগুলো দারুণ। আমরা সবসময় একসাথে থাকতাম।

- স্কুলে, বাগানে ... - লিও সবসময় তার সাথে বল রাখত।

বাচ্চারা বলত, "ম্যাডাম, আমরা আরেকটা বল চাই, একটা বলে হচ্ছে না"

কখন থেকে ফুটবল খেলা শুরু করেছ?

প্রথমে পাড়ার টিমে খেলা শুরু করেছিলাম।

- তার দাদীর জন্যই সে ফুটবল খেলত। - হ্যাঁ, তার দাদীর জন্যই।

সে(মেসির দাদী) তাকে(মেসি) ফুটবল খেলার অনুপ্রেরণা যোগাত।

কমপক্ষে ৪ বছর হলে তুমি ফুটবল খেলতে পারবে।

তোমার ভাই কত্যো মজা করে তা দেখলে তোমারও মজা করার মন চাইবে।

- কিন্তু এজন্য তোমায় আরও দুই বছর অপেক্ষা করতে হবে। - রদ্রি আর মাতিয়াসের মতো হতে?

হ্যাঁ, এখন তুমি ওদের থেকে অনেক ছোট, আর দুই বছর পরেই তুমি খেলতে পারবে।

- শুনেছি, তার ভাই রদ্রিগো খুব ভালো খেলোয়াড় ছিল। - হ্যাঁ, আসলেই।

সে রদ্রিগোর খেলা দেখতে যেত।

একটা কথা জানো? তুমি তাদের থেকেও সেরা হতে পারবে। কেন, জানো?

কারণ, তোমার চিন্তাধারা কেউ বুঝতে পারবে না। এই ছোট মাথায় সিক্রেট লুকিয়ে আছে।

মনোযোগ দিয়ে শোনোঃ "তুমি বিশ্বের সেরা খেলোয়াড় হবে"

এবার চলো যাই?

- পাড়ার সেই টিমের নাম কী? - গ্রান্দোলি।

রদ্রিগো ওকে আবিষ্কার করতে পেরেছিল।

কাহিনীটা ভালো করে জানি না।

- সমস্যাটা কী বলতে পারো? - গ্রান্দোলির একজন খেলোয়াড় এখনো ঘুম থেকে উঠতে পারেনি।

- আর অপেক্ষা করতে পারছি না। - রেফারী, আমরা খেলা শুরু করতে চাই।

এটা কিন্তু ভালো হচ্ছে না।

- আমি কি খেলতে পারি, দাদী? - খেলতে চাও? - হ্যাঁ।

তিনি গ্রান্দোলির কোচকে কী বলেছিলেন আমার তা ঠিক মনে নেই।

- এই যে শুনুন, আমার দাদুভাই খেলতে চায়। - না না, অন্যরা ওর চেয়ে অনেক বড়।

- এখানে কে ফুটবল খেলতে পারো? - আমার দাদুভাই, সে ভালো খেলা পারে।

সে খুব ছোট ছিল, এজন্য কেউ তাকে বিশ্বাস করত না।

- তোমার বয়স কত? - ৬ এর কাছাকাছি, কিন্তু দ্রুত দৌড়াতে পারে।

- তুমি কী পারো? - সবকিছু।

যেহেতু ছোট, তাই দ্রুত দৌড়াতে পারবে। তোমাকে বাম দিকে রাখব। যাও, জার্সি পরে খেলতে নামো।

বাচ্চাটা কি মেসি পরিবারের?

যদি ভাইয়ের মতো যাদু দেখাতে পারে, তাহলে আমাদের জন্য ভালো।

ওই দেখো, সে বল নিয়ে টান দিয়েছে!

সাবাস!

সে কি সত্যিই তোমার নাতী?

- নিজের ভেতরের সেরাটা সে আবিষ্কার করতে পেরেছে। - যখন সে ফুটবল খেলে, তখন সে বল নিয়ে দ্রুত দৌড়ায়।

যখন সে গ্রান্দোলিতে খেলত, তখন আমি হরিজন্তেতে ছিলাম।

আমি তার থেকে ১ বছরের বড় ছিলাম, সে নিজের সেরাটা খেলত, সবার থেকে ভালো।

সে প্রতিদিন এসে দলের সাথে অনুশীলন করতে পারে, যাতে ছেলেরা তার থেকে শিখতে পারে।

রদ্রিগো, মাতিয়াস সহ অন্যান্য রাও আমাদের ড্রিবল করত না, এমনকি লিও ও।

এক পর্যায়ে এসে, লিও আমাদের ড্রিবল না করা পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে যেতে লাগল।

ছেলেরা বলতঃ "লিওকে ড্রিবল করার সুযোগ দিও না, পরে না হয় আমাদের ভোগান্তিতে পড়তে হবে"।

পরে তারা রাজি হয়েছিল কারণ তারা লিওর থেকে অপমান আশা করত না।

লিও!

- দাদী। - একজন সফল দাদীর গল্প।

ছুটির ঘণ্টা বাজলেই সে আরেক লিও হয়ে যেত।

প্রিয় জিনিস বলতে গেলে ছিল শুধু বল আর সে তার বয়সে বড় ছেলেদের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মেতে থাকত।

সবাই বলতঃ "আসো, আমার সাথে খেলো"

- প্রতিপক্ষ দল কখনোই জিততে পারত না - সবসময় লিওর দলই জিততো।

মাঝেমধ্যে তারা বল নিয়ে যেত না, কারণ এর ফলেই সমস্যা সৃষ্টি হবে।

বলের অভাবে সে প্লাস্টিকের বোতল দিয়ে খেলত।

মাঝে মধ্যে সে ব্যাগের ভিতরে কাগজ ঢুকিয়ে ফুটবল বানিয়ে খেলতে চাইত।

তারপর সে একটা ভালো বল পেল, যেটা প্রতি শটে ফেটে যেত না।

স্কুল বাদে সে সব জায়গা পছন্দ করত।

অন্য সবকিছুই সে পছন্দ করত।

গণিত আর ভাষার ক্লাস বাদ দিয়ে সে শুধু বল খুঁজত।

ইচ্ছা করলে সে ভালো করে পড়তে পারত।

- তাকে নিয়ে এরকম কথা আগে কেউ বলেনি। - কিন্তু আমরাতো তাকে আর জোর করে পড়াতে পারি না!

সিন্থিয়া তাকে ভয় দেখিয়ে বলত, "তুমি যদি গোসল না করো, হোম ওয়ার্ক না করো, তাহলে তোমাকে ফুটবল খেলতে দিবো না"

- লিও সব হোম ওয়ার্ক করলে আমি বলতাম সে করে ফেলেছে। - ধন্যবাদ, সিন্থিয়া।

সে সবসময় আমার সামনে বসতো আর আমি তাকে কিছু বললেই সে আমার চেয়ারে লাথি মারত!

আমি কাগজ দিয়ে বল বানিয়ে ওর দিকে ছুঁড়ে মারতাম।

- আমরা কিছুই দেখিনি। - ওইসময় না।

- তারা ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিল। - ভাই- বোনের মতো।

স্কুলে বলতাম, আমরা কাজিন।

আমি তার জন্য সব করতে পারি।

সে লাজুক লিওর পক্ষ থেকে শিক্ষকের সাথে কথা বলত। সে লিওর মা/বোনের মতো ছিল!

একবার মা ওকে বুকের দুধ খাইয়েছিল যেটা আমি পরে জানতে পেরেছিলাম।

আর ওর মা ও আমাকে দুধ খাইয়েছিল।

এরকম একটা কথা প্রচলিত আছে...

- তারা ছিল দুধবোন - হ্যাঁ, দুধবোন।

বৃষ্টি হলে, হাঁটুর সমান জল জমা হয়ে যেত...

অসুস্থ হবার ভয় থাকা সত্ত্বেও আমরা নোংরা পানিতেই খেলতাম।

আমার ভাই আমার চেয়ে এক বছরের বড় ছিল।

১৯৮৭ এর টিমে সে ছিল পুরাই মেশিন!

মাঠে ঢুকেই আমরা সরাসরি মিডফিল্ডে চলে যেতাম না। প্রথমে টাচ লাইন, এরপর অন্যসব লাইন এবং এরপর মিডফিল্ডে।

মাতিয়াসের বাবা, রাউল, ওরা আমাদের দিকে কাগজ ছুড়ে মারত।

আমরা মনে করতাম আমরা ৫০ হাজার দর্শকের সামনে খেলছি, আর তারা আমাদের খেলা দেখে হাততালি দিচ্ছে!

- তুমি কোন পজিশনে খেলতে? - ওর সাথে সেন্ট্রাল স্ট্রাইকার হিসাবে।

- সে কি তোমায় গোল করার সুযোগ দিত? -সে প্রায় সময় আমায় বল থেকে বঞ্চিত রাখত, কিন্তু মাঝে মধ্যে ওর থেকে বল কেড়ে নিয়ে আমিও গোল দিতাম...

ওর থেকে বল কেড়ে নিতে?

যদি কোনো সমস্যা থাকত, তার কাছে বল দিলেই সে সমস্যা সমাধান করে দিত।

- তোমার নাম কী? - দিয়েগো রভিরা। - কোন ক্লাবে খেলো? - নিওয়েল।

ক্যামেরার সামনে তোমার দেয়া গোলটার ব্যাপারে কিছু বলতে পারবে?

এটা ফ্রি কিক ছিল, মারিয়ানো মিরো বলটা মেসির কাছে দিয়েছিল, আমি পায়ের কাছে বলটা পেয়েই জালে ঢুকিয়ে দিয়েছি।

- এই জয়টা কাকে উৎসর্গ করতে চাও? - আমার চেনা সকলকে।

আমি অনেক গোল দিতে পারতাম কারণ সে ডিফেন্সের প্লেয়ারদের দিকে নজর রাখত।

আমরা ছিলাম স্পেশাল, কারণ জয়টা সবসময় আমাদেরই হতো। তারপর এটা আরও কঠিন হতে থাকলো।

সমস্যাটা ছিল আমরা ২-১, ৩-১ বা ৩-২ এ জিততাম, আমরা হতাশ হতাম।

- তোমার নাম কী? - জেরার্দো গ্রিনি। - কোন ক্লাবে খেলো? - রিভার।

লিও থাকলে আমরা ৭-০, ৮-০ বা ৯-০ তে জিততাম। কিন্তু তাকে ছাড়া স্কোর লাইন হতো ১-২, ৩-১...

একটা ম্যাচ আমরা ১৬-০ স্কোরে জিতেছিলাম, যেটাতে সবাই গোল পেয়েছিল।

কিছু সময় পর আমরা বললাম, "চলো, নিজেদের বিরুদ্ধে খেলি"

অপরিচিতদের সামনে যেতে লিও লজ্জা পেতো কিন্তু আমাদের কাছে ঠিকই থাকত!

সে মজা করত, গল্প করত, সে ছিল আমাদের কাছের একজন।

- তোমার নাম কী? - ফ্রাংকো ক্যাসানোভা। - কোন ক্লাবে খেলো? - নিওয়েল।

- এই ম্যাচটা কাকে উৎসর্গ করতে চাও? - যারা আমাকে চিনে তাদের সবাইকে।

আমরা জানতাম সে আমাদের ক্যাপ্টেন। সে থাকলে আমরা জয়ের ব্যাপারে নিশ্চিত থাকতাম।

আমাদের বাস্তব ক্যাপ্টেন।

সে ১১ বছর থেকেই আমার সাথে, যেখান থেকে তার পথচলা শুরু।

এই ছবিতে আমি নেই, কিন্তু এটা ডমিনগেজ সহ আমাদের মেশিন টিম।

- ফ্রাংকো, আমি, লিও আর লুকা... - ৯৯ সালের কথা। - দিয়েগোও আছে।

আমি একটা লাল পশমের সোয়েটার, লাল প্যান্ট পড়েছিলাম আর গলায় একটা লাল ব্যাগ ঝুলানো ছিল।

সে আমার সাথে হ্যান্ডশেক করে বলেছিল, "হ্যালো, সান্টা ক্লজ!"

- সে ফুটবলের বুটগুলো লুকিয়ে রাখত। - সবসময়, সে সবসময় জোকস বলত।

একবার আমি আমার গাড়ির চাবি হারিয়ে ফেলেছিলাম। সবখানে খুঁজেও পেলাম না।

ওইদিকে আবার ম্যাচ শুরু হয়ে যাচ্ছিল। ড্রেসিং রুমে চাবি খোঁজার জন্য গিয়ে যেই দরজা খুললাম তখন দেখি

লিও ইঞ্জিনের মতো শব্দ করে বলছে "এটাই কি আপনার চাবি?"

সে সিরিয়াস ভাবে তাকিয়ে ছিল, কিন্তু সত্য কথা হচ্ছে লিও দুষ্টামি করতে খুব ভালোবাসতো।

সে আমাকে তোমার সাথে যেতে দেয়নি।

লিও ফল পাড়তে গাছে উঠত।

পুরো গ্রীষ্মকাল আমরা গাছেই কাটাতাম..

ছোট, শান্ত, লাজুক একটা ছেলে।

কিন্তু সে কোনোদিন কারো ক্ষতি করতে চাইত না।

সে ছিল লাজুক আর মিতভাষী।

তার বাবা- মার সাথে তার কোনো সমস্যা ছিল না। বড়দের সাথে কিছু সমস্যা বোধহয় ছিল কিন্তু মা- বাবার সাথে না।

এরকম কিছু ট্রফি ছিল, যে জিতবে সে বাইসাইকেল পাবে।

ফ্রাংকো, মনে পড়ে? ঐ বাইসাইকেলটা? আমরা ২-০ তে পিছিয়ে পড়েছিলাম, লিও আসতে দেরী করেছিল।

- সে বাইসাইকেলের জন্য খেলেছিল। - একটা বাইসাইকেল? - না, প্রত্যেক খেলোয়াড়ের জন্য একটা। মোট ১১ টা।

২য় আর ৩য়'র জন্যও পুরষ্কার ছিল। কিন্তু, আমাদের বাইসাইকেলটা চাই।

বাবা! ম্যাচের দেরী হয়ে যাচ্ছে!

ওকে টয়লেটে আটকে রাখা হয়েছিল।

নিওয়েলসের খেলোয়াড়রা এই লাইন আপে খেলবে: জোয়ান লেগুইজামন, মারিয়ানো মিরো-

ব্রুনো মিলানেসে, হেক্টর কোরেয়া, লুকা সাগলিয়া, ফ্রেডরিক রুসো

ফ্রাংকো ক্যাসানোভা, দিয়েগো রভিরা, জেরার্দো গ্রিনি,

এবং লিওনেল মেসি।

- এতক্ষণ কোথায় ছিলে? - তুমিই মহা তারকা!

- দাঁড়ান, এটা ফাইনাল আর আমরা স্কোরে পিছিয়ে আছি। - সব দোষ আপনার।

আমরা ২-০ তে পিছিয়ে আছি।

- একটা ছবি, শুধু একটা ছবি। - পাবলিতো, এভাবে শট দিও না?

- আর কত মিনিট বাকি আছে? - ২০ মিনিট, লিও। রেফারি, খেলোয়াড় পরিবর্তন করবো।

এখানে আসো পাবলিতো।

গোলকিপারটা গ্রাউন্ডের বল একদমই ধরতে পারে না। কাম অন, লিও!

ওর বাবা জর্জ, সবসময় খেলা দেখতে যেত কিন্তু অন্য কাউকে সংগ দিত না।

শান্ত- শিষ্ট, ভদ্র লোকটা গোলবারের পিছনে বসে নিজ সন্তানের খেলা উপভোগ করতো।

গোল না করা পর্যন্ত সে ড্রিংলিং করেই যেত, যতক্ষণ না বল কিপারের কাছে পৌঁছায়!

গোল না করতে পারলে সে হতাশ হয়ে যেত। সে প্রত্যেক ম্যাচেই গোল করতে চাইত।

- এখনো। - এটাই তাকে ক্ষিপ্র বানিয়েছে।

ছেলেবেলা থেকেই সে এরকম ছিল।

যখন লিওকে ওরা খেলতে নিত না, লিও তখন সেইরকম ক্ষেপে যেত। ৯ বছরের একটা শিশু সবসময় খেলতে চাইত।

তুমি তাকে খেলতে না দিলে, সে হিংস্র হয়ে যাবে।

সে আমাদের ইতিহাস উপস্থাপনা করছে।

চিন্তা করা যায় মেসি কোরিয়ায় জন্ম নিলে কী হতো? অথবা জার্মানে?

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left