The first 200 lines.
ইসাবে লাইন মিসিং থাকায় বেশ কিছু জায়গায় নিজের মত করে লাইন করে দিয়েছি। অনাকাংখিত ভুলত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
সাবটাইটেলটি উৎসর্গ করছি T E A M W B M F
অনুবাদেঃ কে এন হাসান সাবিকুন্নাহার সোনিয়া
সম্পাদনায় কে এন হাসান
'Luca' ""লুকা""
স্যার, ওটা মার্টিন আর সালোমি।
তারা এখানে চাকরের কাজ করত, উনারা প্রথমে দেখেছিলো।
দয়া করে বাইরে অপেক্ষা করুন।
স্যার, আজকে থেকে ছুটিতে যাওয়ার কথা ছিল না আপনার ?
হ্যা, আমি ছুটিতে ছিলাম।
কিন্তু জয়রাম স্যার সকালে ফোন করলেন, আর এখানে আসতে বললেন....
মৃত ব্যাক্তি একজন জনপ্রিয় শিল্পী, তাই না?
তাকে চেনো?
এক রকমের চিনি...
তার নাম লুকা।
মনে হয় মাস খানিক হয়ে গেছে.....
বাইন্নালের অংশ হিসেবে...
....সে আর তার বন্ধুরা একটা ইভেন্টের আয়োজন করেছিল।
যেটার জন্য কিছু লোক বিরক্ত হয়েছিলো।
কিছুটা ঝামেলার ও সৃষ্টি করেছিল।
আচ্ছা।
ওই পরিস্থিতিতে পুলিশের উপস্থিতির প্রয়োজন হয়েছিলো।
আমি দায়িত্বে ছিলাম।
এখানে কতদিন ধরে কাজ করছেন?
প্রায় পাঁচ বছর হয়ে গেছে স্যার...
লুকার মা মারা যাওয়ার পর থেকে আমরা এখানে আছি।
আজ সকালে ঠিক কি হয়েছে?
আমরা যখন আসি তখন দরজা ভেজানো ছিল।
তখন আমি রান্নাঘরে যাই আর কফি নিয়ে আসি।
কিন্তু স্যার রুমে ছিলেন না।
....আর যখন এখানে এলাম, দেখলাম...
সে আমার কান্নার শব্দ শুনতে পেয়ে ছুটে গিয়ে ডাক্তার নিয়ে আসে।
ডাক্তার...চেক করে বলে...
...যে লুকা আর নেই...
যখন আমরা এসেছি ডাক্তার তখনও ছিল।
তার জবানবন্দি নিয়েছি।
আমরা সহ্য করতে পারছি না স্যার...
গতকাল আমরা যখন চলে গেলাম...
.. ভাবতেই পারিনি এরকম কিছু একটা ঘটতে পারে।
তাহলে তুমি এখানে থাকো না?
না স্যার, আমরা কাছের বস্তিতে থাকি....
শহর থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে।
প্রতিদিন রাতের খাবার বানানোর পরে আমরা চলে যাই।
সে এখানে একা থাকতে পছন্দ করত।
প্রায়ই কখন আসতে?
আমরা ৬টার কাছাকাছি আসতাম...
সে প্রতিদিন সকালে সাইকেল চালাতে বের হত।
কিন্তু যদি রাতভর ছবি আঁকত, তার রুটিনে বিশৃঙ্খলা ঘটত।
কাজ করতে করতে, যেখানে কাজ করত সেখানেই ঘুমিয়ে পড়ত।
দরজাও খোলা রেখে দিত....
যদি দরজা বন্ধ থাকতো, তখন তাকে ডাকার আর কোনো পথ থাকতো না।
লুকার বাবা-মা আর আত্নীয়দের কি হয়েছে?
শুনেছি তার বয়স যখন ৬-৭, তখন তার বাবা মারা গিয়েছে।
তখন থেকে সে আর তার মা ই ছিল।
দুজনে ভীষণ ঘনিষ্ঠ ছিল।
কয়েক বছর আগে, তার মা ও মারা যায়....
..অসুস্থতার কারণে...
ওটা তার উপরে বাজে প্রভাব ফেলে।
তার প্রচুর চিকিৎসার প্রয়োজন হয়েছিলো, পুনরায় সুস্থ হতে।
তখন মি. শিভান আমাদের এখানে নিয়ে আসে।
ওটাই সেই লোক যে লুকাকে আঁকা শেখায়।
মনে হয় এটার কারণে...
শিভান, অন্য কয়েকজন শিল্পী...
..আমাদের কলোনির কুঞ্জুমান, তার বন্ধু।
সম্প্রতি এরা শ্রী সাই বিল্ডারের সাথে সংঘর্ষে জড়িয়েছিল....
..যে আমাদের কলোনি উচ্ছেদ করার চেষ্টা করছিল।
তারা গিয়েছিল আর আমাদের ছবি কম্পানির দেওয়ালে এঁকেছিল..
.. যেটা কিছু সমস্যার সৃষ্টি করেছিল।
তারপর থেকে, আমরা ভাবি না লুকা আমাদের কোনোরুপ শত্রু।
একটা মেয়ে ছিল...২-৩ মাস আগে...
তার নাম ছিল নিহারীকা
তারা একে অপরকে প্রচুর ভালবাসতো।
আমরা ভাবতাম সে তাকে বিয়ে করবে....
২-৩ সপ্তাহ আগে আমরা যখন এলাম, মেয়েটা চলে গিয়েছিলো।
যখন আমরা জিজ্ঞস করলাম, স্যার বলেছিল সে বেঙ্গালোরে ফিরে চলে গেছে।
মেয়েটা চলে যাওয়ার পরে, সে সত্যিই যেন কিছু হারিয়ে ফেলেছিল...
গতকাল আমরা যখন চলে যাচ্ছিলাম তখন,
অনেক দিন পরে তাকে হাসিখুশি দেখাচ্ছিলো।
তার মুখ উজ্জ্বল লাগছিলো স্যার।
এর কি অন্য কোনো কারণ ছিল?
গতকাল... সন্ধ্যায়, আমরা যখন চলে যাচ্ছিলাম...
....একটা কুরিয়ার এসেছিল।
আমার মনে হয় ওই মেয়েটা কিছু পাঠিয়েছিলো।
তোমার সব কিছু চিহ্নিত করতে হবে।
শিভান, নিহারীকা আর শ্রী সাই বিল্ডার্স।
ওকে স্যার।
হ্যা, আমার হয়ে গেছে ফাতিমা। তুমি তৈরি হও।
আচ্ছা, তাহলে আমি যাচ্ছি।
কোথাও একটা যেতে হবে ফাতিমার সাথে।
পুরোপুরি তল্লাশি চালাও।
যদি সন্দেহজনক কিছু পাও, আমাকে ফোন করো।
লাশ ময়না তদন্তের জন্য পাঠিয়ে দাও, আইনি অনুসন্ধান হয়ে যাক।
যদি কোনো আত্নীয় আসে,
জিজ্ঞাসা করে নিশ্চিত হবে, তারপর এগোবে।
কাউকে এখানে ঘোরাফেরা করতে দিও না।
তার চিত্রকর্ম মনে হয় দামি।
একবার সব শেষ হয়ে গেলে, জায়গাটা সিল করে দেবে, ঠিক আছে?
সন্ধ্যায় তোমাকে ফোন করব।
আগামীকাল বিস্তারিত আলোচনা করব।
স্যার, আমার মেয়ের বার্থডে পার্টির কথা ভুলে যাবেন না।
৭.৩০- ৮টার ভেতরে চলে আসবেন।
আচ্ছা। মনে থাকবে। আচ্ছা।
স্যার।
জয়রাম স্যার।
স্যার।
আকবর, কাজ কতদূর?
প্রাথমিক তদন্ত শুরু করে দিয়েছি স্যার।
আলোশি আজকের জন্য সব সামলে নেবে।
ওকে আকবর।
মিডিয়া এই ব্যাপারে জানতে পারলো বলে..
তাদের নিজেদের মতকরে খবর বানানোর আগে
এই বিষয়ের উপরে আমাদের শকুনের মত চোখ রাখতে হবে।
আগামীকাল সন্ধ্যায়, আমরা আবার শুরু করব।
ততক্ষণ পর্যন্ত পোস্টমর্টেম রিপোর্ট ও তৈরি হয়ে যাবে।
আচ্ছা, তুমি যাও। সন্ধ্যায় দেখা হবে।
ওকে স্যার।
অ্যান্টোনি, তাদের জবানবন্দি নাও আর বাড়িতে পাঠিয়ে দাও।
ওকে স্যার।
সত্যিই তোমরা এ ব্যাপারে ভেবেছো?
যারা আলাদা হতে চায় আমরা সাধারণত তাদের বলি....
এই ব্যাপারে নিজেদের ভেতরে খোলাখুলি কথা বল আর দেখো যদি ব্যাপারটা মেটে।
কিন্তু তোমাদের দুজনের ভেতরে কোনো কারণই নেই।
আবার কি ভাবছ?
ওকে। যদি তোমরা আগ্রহী না হও, আমার আর কিছু বলার নেই।
না, আমরা এই ব্যাপারে অনেক ভেবেছি।
আমরা ভাল বন্ধু আর কোনো সমস্যার সৃষ্টি করব না।
বন্ধুত্ব বজায় রাখবো, এমনকি ডিভোর্সের পরেও।
ফাতিমা, তোমার কিছু বলার নেই?
যেমনটা বললাম, সিদ্ধান্ত তোমাদের...
তোমাদের উকিল হিসাবে, আমি কাজ করতে পারি...
কিন্তু একজন ভাল বন্ধু হিসাবে....
আমি সম্পূর্ণ এর বিপক্ষে।
প্লিজ ডিভোর্স ফাইল করেন।
তুমি নেমে যেতে পারো।
আমার রাতে আসতে দেরি হবে।
ডিনার করে ঘুমিয়ে পড়ো।
হাই। দেখো কে এসেছে.....
শুভ জন্মদিন।
ধন্যবাদ।
তোমরা দ্রুত পৌছাতে পারবে?
দেরি হল কেনো?
আচ্ছা, পার্টি তো মাত্র শুরু হল নাকি?
এখানে কারোর ডায়বেটিস নেই তাই না?
আমার নেই।
আকবরের মনে হয়....
যতটা জোয়ান তাকে দেখে মনে হয়, ততটা সে নয়....
তোমার উচিত ছিল ফাতেমাকে নিয়ে আসা...
বাবা, আমার দুইটা কেক...
কেক খেলে মোটা হয়ে যাবে।
একটা বাচ্চার অনেক পরিবর্তন হয়....
তাই মনে হয় না?
তখন যদি তারা বাচ্চা দত্তক নেওয়ার সিদ্ধান্ত না নিত...
আজকে, হাসপাতালে চক্কর কেটে মরত।
সম্পূর্ণ্য ভেঙে পড়ত।
রক্তের সম্পর্কই সব নয়।
এই তিনজন সেটা প্রমাণ করে দিয়েছে।
পরিবার তৈরি হয়....
ঠিক এর উপরে ভিত্তি করে।
আঙ্গুরের জুসকে ওয়াইন থেকেও শক্তিশালী মনে হচ্ছে।
মন থেকে কথা বলতে সব সময় মদের দরকার হয় না।
যাইহোক, আমাদের কথায় ফিরে আসি।
আলোশি আমাকে একটা সংক্ষিপ্ত বিবরণ দিয়েছে।
আমি সেরকমই একটা ছবি মিডিয়াকে দিয়েছি..
গতকাল আমার সাথে যারা যোগাযোগ করেছিল তাদের।
তাহলে, তোমার প্রাথমিক তদন্ত কি বলছে?
আমার কাছে এখনো ব্যাপারটা স্পষ্ট হয় নি, স্যার।
চূড়ান্ত কোনো কথা বলতে পারছি না...
যতক্ষণ না পোস্টমর্টেম রেজাল্ট পাই।
আমিও তাদের এটাই বলেছিলাম....
যখন আমি ছুটিতে ছিলাম......
আমার মেয়ে এসে লুকার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করেছিলো
শেষ বাইন্নাল অনুষ্ঠানের স্বেচ্ছাসেবক ছিল সে।
সে বলছিল লুকা সবকিছু সাজিয়েছিল, যা ছিল ব্যাক্তিক্রমী।
কিন্তু আমি তাকে কখনো দেখিনি...
আমাদের শহরের কোনো সামাজিক সার্কেলে।
আমার মনে হয় সে নিজেই এসব করত।
হ্যা স্যার।
তার কাজের লোকেরাও একই কথা বলেছে।
যে বিষয়ে প্রথম আমাকে যে ডাকে...
সে হক মনোরামার মনোজ।
কিছুদিন আগে, আমি লুকাকে রিসেপশনে দেখেছিলাম।
তার সাথে একটা মেয়ে ছিল।
আমি জানি না তারা কেনো ওখানে ছিল।
আমার মনে আছে কারণ....
ওই দিন লুকা সত্যিই মাতাল ছিল।
...আর জে পি স্যারের সাথে এক চুমুক মদ খাচ্ছিলো।
জে পি।
জয়া প্রকাশ।
যে দ্যা টাইমসে কাজ করে...
হ্যা, উনিই।
সে আমার কাছে একজন পরামর্শদাতার মত...
ওই দিন, লুকা জেপি স্যারের সাথে তর্ক করছিল...
তখন তারা ধাক্কাধাক্কি আর হুড়োহুড়ি শুরু করে দিয়েছিল...
লুকার সাথে যে মেয়েটা ছিল...
সে তাকে বুঝিয়ে টেনে বের করে নিয়ে গিয়েছিল।
জে পি মনেহয় সেদিন পাগল হয়ে গিয়েছিল।
আমার মনে হয়না এটা সম্পর্কিত।
কাজের লোকদের কথার ভিত্তি অনুযায়ী...
তার মন অনেক নরম।
তবে এরকমটা ঘটতে পারে..
No comments yet. Be the first to leave one.