The first 200 lines.
Subtitle Translated By M
Subtitle Translated By Ma
Subtitle Translated By Mam
Subtitle Translated By Mamu
Subtitle Translated By Mamun
Subtitle Translated By Mamun A
Subtitle Translated By Mamun Ab
Subtitle Translated By Mamun Abd
Subtitle Translated By Mamun Abdu
Subtitle Translated By Mamun Abdul
Subtitle Translated By Mamun Abdull
Subtitle Translated By Mamun Abdulla
Subtitle Translated By Mamun Abdullah
Subtitle Translated By Mamun Abdullah
কীসের শব্দ?
জিমি?
- কী হলো? - কিছুতে লাগালাম নাকি?
কীসের শব্দ?
সমান কিছুতে নাকি?
না।
কীসের শব্দ? আরে তুই থেমে দেখ না।
শালা এখনও বেঁচে আছে। মার ব্যাটাকে!
মর, মাদারচোত!
মর!
যতটুকু মনে করতে পারি, ছোট থেকেই আমি গ্যাংস্টার হতে চাইতাম।
আমার কাছে একজন গ্যাংস্টার হওয়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি হওয়ার থেকেও বেশি কিছু ছিল।
এর আগে ট্যাক্সি স্ট্যান্ডে স্কুল শেষে কাজের জন্য গিয়েছিলাম তখনও আমি জানতাম ওদের দলের অংশ হতে চাই।
জানতাম সেটা ওখানেই ছিল। আমার কাছে, এর মানে হলো নেইবারহুডে কাউকে থাকতে হয়।
ওরা অন্য কারো মতো ছিল না। ওরা যা খুশি তাই করত।
রাস্তায় গাড়ি পার্ক করে কখনো টিকিট নিত না। রাত ভর তাসের আড্ডা মাতালেও কেউ পুলিশ ডাকত না।
টনি স্ট্যাকস, কী খবর?
টডি সিসেরো।
এটা ক্যানারসির ছেলে হতে পারে।
- কেমন আছো? - ভাল।
টডি।
টডি ট্যাক্সিস্ট্যান্ড আর বেলা ভিস্তা পিজেরিয়া চালাত, অপর দিকে ওর ভাই পল পুরো নেইবারহুডের বস ছিল।
পলি একটু কম খাটত, এর কারণ হলো পলি কারো জন্য খাটতে রাজী ছিল না।
- তোর দোষ! - শুরু তুই করেছিস!
আমি করেছি? দোষ তোর।
বাড়ির সামনে একটা চাকরী জুটিয়ে নেয়াতে বাবা মা প্রথম দিকে খুশি হয়েছিল।
আমার বাবা ছিলেন একজন আইরিশ। যাকে ১১ বছর বয়সে কাজে পাঠানো হয়।
আমি একটা চাকরি পাওয়ায় উনি খুশি হোন।
উনি সবসময় বলতেন, আমেরিকার বাচ্চারা সব অলস।
- বাই, বাবা। - বাবা।
আসি, মাইকি।
বাই হেনরি।
হেনরি! রাস্তা দেখে পার হবে!
দুধ নিয়ে এসো!
মা খুশি হয়েছিল যখন শুনে সিসেরোরা তারই মতো সিসিলির একই গ্রাম থেকে এসেছে। আমার মায়ের সব দোয়া এভাবেই কবুল হয়।
আমি ছিলাম দুনিয়ার সবচেয়ে ভাগ্যবান ছেলে। যেখানে খুশি যেতে পারতাম, যা খুশি করতাম।
আমি সবাইকে চিনতাম, আর সবাই আমাকে চিনত।
মাফিয়ারা কিছু বলত না, আর টডি ওদের ক্যাডিলাক আমাকে পার্ক করতে দিত।
এই যে ছোট ছেলেটিই আমি। স্টিয়ারিং হুইল থেকে গলা চেড়ে কিছুই দেখছি না, অথচ ক্যাডিলাক পার্ক করছি।
কিন্তু ট্যাক্সি স্ট্যান্ডের চাকরী নিয়ে বাবা মায়ের মন বদলাতে খুব বেশি সময় লাগেনি।
তাঁদের কাছে এটা হয়ত পার্ট টাইম জব ছিল, কিন্তু আমার কাছে ছিল তা ফুল টাইম।
সেটাই তো আমি করতে চাইতাম।
আমার বাবার মত মানুষেরা কখনো বুঝেই না, যে আমি কিছুর সঙ্গে ছিলাম।
আমি যুক্ত ছিলাম। আমার সাথে বড়দের মত ব্যবহার করা হতো।
ওকে জানাবে ৫১৯।
রোজ আমি টাকা কামানো শিখছিলাম।
এক ডলার এদিকে, আরেক ডলার ওদিকে। আমি স্বপ্নের দুনিয়ায় বাস করতাম।
স্কুল ভাল কেটেছে আজ?
আমার বাবা সবসময় রেগে থাকতেন।
আয় অল্প করতেন বলে রেগে থাকতেন, ওদিকে আমার ভাই মাইকেল ছিল হুইল চেয়ারে থাকার কারণে
আমাদের পরিবারের সাতজন সদস্য ছোট একটা বাসায় থাকত বলে উনি রাগতেন।
এটার কথা বল। স্কুল থেকে চিঠি পাঠিয়েছে।
লেখা আছে তুই সারা মাস যাসনি।
সারা মাস!
হতচ্ছাড়া কোথাকার!
বড় হয়ে কামলা খাটতে চাস?
কিছু কাল পরে, উনি আরও রেগে থাকতেন কারণ আমি ট্যাক্সি স্ট্যান্ডে ঘুরঘুর করতাম।
উনি জানতেন সেখানে কী হত।
কখনো কখনো আমি মারও খেতাম। কিন্তু পাত্তা দিইনি।
যেভাবে আমি দেখতাম সেভাবে সবাই মার খায়।
- আমি আর ডেলিভারি দিতে পারব না। - পারব না মানে? সব কিছুর বারোটা বাজাতে চাও?
বাবা আমাকে মেরে ফেলবে। দেখেন।
আসো আমার সাথে।
- ঐ লোকটা? - না।
- ওটা নাকি? - না।
- ঐ লোকটা। - চল!
- শুনছেন? - জী?
- হারামখোর। - আয় আমার সাথে, ফকিরের বাচ্চা।
- ছেলেটাকে চেনো? - হ্যাঁ।
- কোথায় থাকে জানো? - হ্যাঁ।
- ওর বাড়িতে চিঠি বিলি করো? - হ্যাঁ।
এখন থেকে, ওর স্কুলের সব চিঠি সোজা এখানে আসবে। বুঝেছ?
স্কুলের আরেকটা চিঠি ওর বাসায় গেলে, ওভেনের ভিতরে দিয়ে তোমার মাথা ভুনা করব।
ব্যাস এতটুকুই। ট্রুটান্ট অফিসার এবং স্কুল থেকে আর কোনো চিঠি আসেনি।
আসলে, কারো কাছ থেকেই আর চিঠি আসেনি।
কয়েক সপ্তাহ পর, আমার মা পোস্ট অফিসে অভিযোগ দিয়ে আসে।
এর পরে আর কীভাবে স্কুল গিয়ে পতাকার সামনে মাথা নত করে শেষ পর্যন্ত আদর্শ সরকারের বয়ান শুনব?
পলি ফোন ঘৃণা করত। তার বাড়িতে কোন ফোন ছিল না।
- মিকি ফোন করেছে। ওকে ফোন করে জানাব? - আচ্ছা, ফোন দাও।
কেউ এসে তাকে জানিয়ে যেত, আবার বাহিরের ফোন থেকে জবাব দিতে হত।
পয়সা আছে? মিকিকে ফোন দাও।
সারাদিন কেউ না কেউ থাকত, পলির ফোনকল সামলানোর জন্য।
সারাদিন খেঁটে চলা একজনে জন্য, পলি ছয়জনের সাথে কথা বলত না।
উনিয়নের ঝামেলায় শুধু মাত্র টপ লেভেলর লোকেরা পলির সাথে সমস্যা নিয়ে আলাপ করতে পারে।
সবকিছুকে একে একে হতো। পলি কনফারেন্স এড়িয়ে চলত।
সে চাইত না তার কথা কেউ শুনুক আর চাইত না তাঁকে কী বলা হয়েছে কেউ জানুক।
শতশত লোক পলির উপরে নির্ভর করত, ওদের বানানো সবকিছুর মুনাফা পেত সে।
এটা ট্রিবিউট ছিল, ইতালির মতো করে, আশা করত সেটা আমেরিকাতেও করছিল।
সবাই পলির নিরাপত্তা পাচ্ছিল তাঁদের দুশমনদের হাত থেকে।
এটাই হলো আসল ব্যাপার। এটাই FBI কখনো জানতে পারেনি।
পলি আর অর্গানাইজেশন শুধু তাঁদের নিরাপত্তা দিত, যারা পুলিশের কাছে যেতে পারত না। ব্যাস।
ব্যাস এতটুকুই, ওরা মাফিয়ার কাছে পুলিশ ডিপার্টমেন্টের মতো ছিল।
মানুষ ভ্রূ কুঁচকে আমার দিকে তাকাত, ওরা জানত আমি কারো সাথে ছিলাম।
আমাকে রবিবার সকালে টাটকা রুটির জন্য বেকারির লাইনে দাঁড়াতে হতো না।
মালিক জানত আমার সাথে কে আছে, কতজন লোক দাঁড়িয়ে আছে তাতে কিচ্ছু আসে যায় না, আমি প্রথমে পেতাম।
প্রতিবেশীরা আমাদের ড্রাইভওয়েতে গাড়ি পার্ক করা বন্ধ করে দিল, যদিও আমাদের কোনো গাড়ি ছিল না।
তের বছর বয়সে নেইবারহুডে প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় আমি প্রয়োজনের বেশি টাকা আয় করতাম। আমি সব পেয়েছিলাম।
একদিন... একদিন কমিউনিটির কিছু ছেলেপুলে আমার মায়ের মুদির মালামাল বাড়ি পৌঁছে দেয়।
কেন জানেন? সম্মানের কারণে।
হাই, মা, কেমন লাগছে?
আমার জুতো জোড়া হেব্বী না?
তোকে গ্যাংস্টারের মত দেখাচ্ছে।
ওরা আমাকে গুলি করেছে! বাঁচাও!
হেনরি, দরজা লাগিয়ে দে!
সেবারই প্রথম আমি কাউকে গুলি খেতে দেখলাম।
এখানে কোরো না! কী করছ!
এসব জয়েন্টে হতে দিতে পারব না।
ওর কথা মনে পড়লে আমার খারাপ লাগে। তাছাড়া মনে হয় টডি ঠিক ছিল।
আমি জানতাম পলি চায় না তার দালানে কেউ মরুক।
তুমি আসলেই একটা বদল। ব্যাটার জন্য একটা ভালো এ্যাপ্রন নষ্ট করলে।
তোমার সমস্যাটা কী বলতো? এই ছেলে আরও ঝামেলা বাড়ায়।
সময়টা ভীষণ চমৎকার ছিল, আর মাফিয়ারা ছিল সব জায়গায়।
অ্যাপালেচিয়ানদের আগে, পাগলা জোর আগে একজন বস ঠিক করত আর লড়াই শুরু করত।
এখানে আমি দুনিয়ার সাথে পরিচিত হয়েছিলাম।
সেখানেই আমি জিমি কনওয়েনকে দেখি।
তখন তার বয়স ২৮-২৯ এর বেশি ছিল না, কিন্তু ততদিনেই উনি কিংবদন্তী ছিলেন।
উনি দরজা দিয়ে ঢুকার সাথে সাথে ঘরের সবাই নড়েচড়ে বসে।
দারোয়ানকে শুধু দরজা খোলার জন্য ১০০ ডলার দিলেন।
উনি শতশত ডিলারকে আর লোককে টাকা দিতেন যারা গেম চালায়।
আইস কিউব ঠাণ্ডা রাখার জন্য বারটেন্ডারকে দিলেন ১০০ ডলার।
আইরিশম্যান তোমার সব গিনির টাকা নিয়ে নেবে।
- ড্রিঙ্ক করবেন? - আমাকে 7&7 দাও।
হেনরি খোকার সাথে পরিচয় করিয়ে দিই তোমার।
কেমন আছ?
ধন্যবাদ।
কাজ ছাড়বে না কখনো।
জিমি ছিল শহরের অন্যতম ত্রাস।
সে প্রথম জেলে যায় ১১ বছর বয়সে, আর ডনের জন্য প্রথম খুন করে ১৬ বছর বয়সে।
খুন করতে জিমির কোনো আপত্তি নেই। এটা তার ব্যবসা।
কিন্তু জিমি যা আসলেই পছন্দ করত... আসলেই সে যা পছন্দ করত তা হলো চুরি করা।
জিমি সেটার মজা নিত।
জিমি মুভিতে বদমাইশদের জন্য রুট করার মত মানুষ ছিল।
তোমার ওয়ালেট দাও।
তুমি হয়ত আমাদের চিনতে পারো, কিন্তু আমরা তোমাকে ঠিকই চিনি, বুঝেছ?
সে শহরের অন্যতম বড় হাইজ্যাকর ছিল; মদের, সিগারেটের, রেজার ব্লেরেডের, শলা চিংড়ি আর গলদা চিংড়ির।
শলা চিংড়ি আর গলদা চিংড়িই সেরা ছিল।
ওরা দ্রুত চলে যায়।
বেশিরভাগই ছিল কাজের জিনিষ। ওরা শুধু দিয়ে দিত, ঝামেলা হতো না।
সবাই তার নাম দিয়েছিল 'জিমি দ্য জেন্ট'।
মহিলাকে সাহায্য করো।
ড্রাইভাররা তাকে পছন্দ করত, ওরা জিমকে গোপনে চালানের সংবাদ দিত। অবশ্যই, সবাই ভালো টাকা পেত।
থ্যাংকস, বাকীগুলো পরে নেব আমি।
হেনরি, এদিকে আসো।
টমিকে হ্যালো বলো।
তোমরা একসাথে কাজ করবে, বুঝেছ? সাহায্য করবে ওকে, যাও।
জিমি ভালো কিছু পেলে?
পুলিশেরা যখন জিমিকে থামাতে দল বেঁধে আসত, সে কী করত?
ওদের পার্টনার বানিয়ে ফেলত।
আমি নালিশ দেব, কিন্তু কে শুনবে?
- আপনার কী লাগবে? - দুইটা লাকস।
- নে, হেনরি। - থ্যাংকস।
- আপনার কী লাগবে? - একটা পাল মাল।
কী করছিস তোরা?
- খারাপ কিছু না। - কে বলেছে, তোর মা?
কতগুলো পালমাল লাগবে আপনার?
- সিগারেট কোথায় পেয়েছিস? - কেটে পর এখান থেকে।
- কোনো সমস্যা নাই তো। - সমস্যা আছে!
বুঝছেন না আপনারা।
তুই বুঝিস নাই। দোকান বন্ধ।
- হেনরিকে তুলে নিয়ে গেছে। - কোথায়?
কারখানা থেকে।
হেনরি হিল স্টেট অব নিউ ইয়র্কের জনতা বনাম হেনরি হিল।
ডকেট নাম্বার 704162.
জী স্যার। আমিই।
এদিকে আসো। এখানে দাঁড়াও।
কাউন্সিলর, শুরু করেন।
কংগ্রাচুলেশনস।
তোমার গ্রাজুয়েশনের উপহার নাও।
- কেন? আমাকে তো ধরেছে। - সবাইকেই ধরে, কিন্তু তুমি উচিত কাজ করেছ।
- ওদের কিছুই জানাওনি। - ভেবেছিলাম আপনি রেগে যাবেন।
রেগে না, খোকা, তোমাকে নিয়ে গর্বিত।
তোমার প্রথম গ্রেপ্তার পুরুষের মত হয়েছে, আর জীবনের সেরা দুটো জিনিষ শিখেছ।
- কী? - তাকাও আমার দিকে।
কখনো বন্ধুদের ভরসা করবে না আর সবসময় মুখ বন্ধ রাখবে।
ঐ তো চলে আসছে।
ঢোল ফাটল তোমার!
কংগ্রাচুলেশনস!
এভাবেই আমি বড় হই, বছরে ৩০ বিলিয়ন কার্গো আইডিয়াল ওয়াইল্ড এয়ারপোর্ট থেকে যায়, আর আমরা সেটার প্রতিটা অংশ চুরির ধান্ধা করি।
আপনাকে বুঝতে হবে, আমরা এয়ারপোর্টের কাছেই বড় হয়েছিলাম।
আমরা পলির হয়ে কাজ করতাম, আমাদের বন্ধু-বান্ধবরা সবখানে কাজ করত।
ওরা আমাদের গোপনে জানাত কীসের কার্গো আসত।
কোনো ট্রাকার আর এয়ার লাইন্স ঝামেলা করলে পলির ইউনিয়নের লোকেরা ধর্মঘটের ভয় দেখাত। কী চমৎকার ছিল সেসব স্মৃতি।
এটা নাম্বারের থেকে আরও বড় টাকার গাছ ছিল, আর জিমি ছিল সেটার দায়িত্বে।
যখনই আমাদের টাকার দরকার পড়ত, আমরা এয়ারপোর্ট লুট করতাম।
আমাদের কাছে, এটা সিটি ব্যাংক লুটের থেকে বেশি কিছু ছিল।
- ফোন আছে? জলদি দাও। ফোন আছে? - কী হয়েছে?
No comments yet. Be the first to leave one.