1945

1945

Download Bengali Subtitle

Release info

1945 (2022) Telugu TRUE WEB-DL - BSub by Rana Sarkar
১৯৪৫ (২০২২) তেলেগু মুভি বাংলা সাবটাইটেল বাই রানা সরকার
A Commentary by Md Rana Hasan Protty
উপভোগ করুন ২০২২ সালে রিলিজ হওয়া মুভি ১৯৪৫, রান টাইমঃ ০১/৫৯/৩৭. মুভি লিংক দেশীয় সব সাইটে পেয়ে যাবেন, ধন্যবাদ ❤️

Tags

other
Published on: 2022-02-09
Downloads: 38
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 200 lines.

❇অনুবাদ অংশগ্রহণে❇ মোঃ রানা সরকার কবির হোসেন তইবুর আহমেদ জয়নুদ্দিন

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ.

সহিংসতার ব্র্যান্ড তৈরি করেছিল, যা মানবজাতি কখনও দেখেনি।

যদিও যুদ্ধের উৎস ছিল ইউরোপ...

তবুও, এটা যা ধ্বংস করেছে, তা সমগ্র বিশ্বকে নাড়িয়ে দিয়েছে।

এই যুদ্ধ রাতারাতি হয়নি।

এটা সূক্ষ্মভাবে পরিকল্পিত ছিল ...

আর পুরোপুরি অর্কেস্ট্রেটেড বর্বরতা।

দ্বন্দ্বে থাকা দেশগুলোকে মিত্রশক্তি আর অক্ষশক্তিতে বিভক্ত করা হয়েছিল...

যা পরে একে অপরের সাথে যুদ্ধ করে।

প্রায় ১০০ মিলিয়ন সৈন্য এই যুদ্ধে নিয়োজিত ছিল।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, কারো,কারো জন্য দখলের অজুহাত ছিল।

কারো জন্য প্রতিরক্ষামূলক প্রচেষ্টা.

কারো জন্য লোভের।

কিন্তু আমাদের নেতাজির জন্য এটা ছিল স্বাধীনতার যুদ্ধ।

১৯৪১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণ করে...

জাপান সরাসরি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে প্রবেশ করে।

জাপান দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার বেশ কয়েকটা দেশ দখল করে...

পূর্ব ভারত পর্যন্ত এসেছিলো।

নেতাজি, বুঝতে পেরেছিলেন যে ভারতীয়দের স্বাধীনতা অর্জনের এটাই সময়...

তাই একটা শক্তিশালী বাহিনী তৈরি করে নাম দেয় ভারতীয় সেনাবাহিনী।

তিনি জাপানীদের সাথে মিত্রতা করেছিলেন আর ব্রিটিশদের সাথে যুদ্ধ।

আমাকে তোমারা রক্ত ​​দাও আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব।

এটা শুনে কয়েক হাজার লোক আইএনএ-তে যোগদানের জন্য এগিয়ে আসে।

আমিও তাদের একজন ছিলাম।

সম্পাদনায় মোঃ রানা সরকার

মন দিয়ে আমার কথা শোন।

নেতাজি, আমাদের শ্রদ্ধেয় নেতা আর আইএনএ-র কমান্ডার...

- মারা গেছেন বলে খবর পেয়েছি। - অসম্ভব।

উনি মরেনি! উনার মত মহান যোদ্ধাকে কেউ মারতে পারে না!

এটা ব্রিটিশদের চক্রান্ত।

উনি মরেনি! উনাকে কেউ মারতে পারে না!

প্রার্থনা করি যেন আমাদের নেতার কোন ক্ষতি না হয়!

বছর দুই আগে, ব্রিটিশরা বার্মাতে জাপানের কাছে হেরেছিল,এখন আবার দখল করছে।

আমরা যদি বন ছেড়ে মানুষের সাথে মিশে যাই...

ব্রিটিশরা ক্ষমতা নেওয়ার আগে, কেউ আমাদের চিনতে পারবে না।

এছাড়াও, মিঃ রামালিঙ্গেশ্বরমের কোন খবর নেই।

উনার কি হয়েছে জানি না। শুধু তাই নয়...

ব্রিটিশ বাহিনী মান্দালয়ের জঙ্গলে আমাদের সৈন্যদের পরাজিত করে গ্রেফতার করেছে।

তাই, এখনি বন ছেড়ে চলে যাও!

যারা আমার সাথে একমত, হাত তুলো!

আসো.

পাগলামি করিস না সবাই হাত তুলেছে, আদি।

নেতাজি অবশ্যই ফিরে আসবে।

যারা হাতগুলো তুলেছে তারা শীঘ্রই রাইফেল ধরবে।

চল, আদি।

সাবটাইটেলটি উৎসর্গ করা হলো। সেই সব শহিদের যারা নিজ, নিজ দেশের স্বাধীনতা অর্জনের জন্য নিজের প্রাণ বিসর্জন দিয়েছিল।

কি হয়েছে?

তার বাবা তার প্রেমিকের পরিবর্তে আরেক জনরে সাথে বিয়ে ঠিক করে।

সহ্য করতে না পেরে বিষ খেয়েছে।

ভারত মাতা, তোমাকে প্রণাম!

জয় মহাত্মা গান্ধী!

ভারত মাতা, তোমাকে প্রণাম!

আমার মা ভারতে ছিলো। বাবা বার্মায়।

আমি লন্ডনে ছিলাম। পরিবার থেকে আলাদা...

বোনের বিয়েতে একসাথে হই।

আমাদের পরিবার আনন্দে পরিপূর্ণ ছিল!

কিন্তু নিয়তি অন্য কিছু রেখেছিল।

একটা দুর্ঘটনা বাবা-মাকে আমার কাছ থেকে কেড়ে নিয়েছে।

পরিবারে আমিই ছিলাম যে বাবার ব্যবসার দায়িত্ব নিতে পারি।

তাই, লন্ডনে পড়াশোনা বন্ধ করে...

বার্মা চলে গেলাম।

যত বাধাই আসুক না কেন, বিশ্বাস রাখো। তুমি জিতবে.

- শীঘ্রই বার্মা আসার জন্য প্রস্তুত হও। - বুঝেছি.

তোমাকে কি এখনই যেতে হবে, যখন আমি বাচ্চা নিতে যাচ্ছি?

ভয় পেয়ো না, লক্ষ্মী।

তোমার ভয় ভিতরে থাকা সন্তানকেও ভয় দেখাবে।

এই ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটাতে হবে।

তাই বার্মা যাচ্ছি আইএনএ-তে যোগ দিতে। হাসিখুশি বিদায় দাও!

কেঁদো না, মা।

গর্বিত হও নেতাজি স্বাধীনতার জন্য লড়াই করতে আমাকে বেছে নিয়েছে!

ধন্যবাদ জনাব প্রকাশম পান্থুলু, আমাকে আইএনএ-তে তালিকাভুক্ত করেছে, বাবা।

আমি তোমাকে বাধা দিচ্ছি না।

নেতাজির আইএনএ-তে মহিলাদেরও নেয়, তাই না?

আমাকে তোমার সঙ্গে নাও!

আমি তোমার সাথে যুদ্ধ করব!

তাকে সাথে নিয়ে যা!

সে সাহস করে বলছে, তাই না? তাকে সাথে নিয়ে যা!

মিঃ রামালিঙ্গেশ্বরম বার্মায় আছে।

একবার সেখানে গেলে, বলবি প্রকাশম পান্থুলু তোদের পাঠিয়েছে।

সে তোকদের আইএনএ-তে নিয়োগ দেবে।

তারপরে, তোদের জাপানিদের সাথে যুদ্ধ করতে হবে আর ব্রিটিশদের পরাজিত করতে হবে।

তা হলেই আমাদের জাতি স্বাধীনতা পাবে!

আমাদের স্বাধীন পতাকা উড়বে!

জয় নেতাজি!

ঈশ্বরকে ধন্যবাদ. কিছুই হয়নি!

ওহ না!

এটা কি আপা?

এটা অ্যালার্ম ঘড়ি।

এটা আমার বাবার জন্য।

কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়লে, খেতে যে হবে সেটা ভুলে যায়।

তাই,ঘড়িটা খাবার ব্যাগে রাখি...

যেনো ঠিক সময়ে বেজে উঠে!

শুধুমাত্র ভারতীয় মেয়ের ধারাই এমনটা করা সম্ভব।

- বার্মা কেন যাচ্ছো? - বাবা সেখানে ব্যবসা করতে চায়।

তাই, তিনি সবাইকে নিয়ে যাচ্ছে।

কিন্তু আমার একদম ভালো লাগে না আপা।

আমিও অল্প বয়সে বার্মায় এসেছি!

আমারও পছন্দ হয়নি।

এই কারণেই এখানে আমার ঠাকুরমার বাড়িতে আসি, যখন মন চায়।

এখন, আর পারবো না।

- কেন? - আমাকে দেখতে আসছে!

আমার সাথে কেউ না থাকলেও বাবা আমাকে এক্ষুনি সেখানে চায়।

- জাহাজ চলে যাচ্ছে। চলো যাই. - এসো, লক্ষ্মী!

মা ডাকছে। পরে দেখা হবে আপা!

- কেউ সন্দেহ করেনি, তাই না? - না।

- আমাদের ছেলেরা সব এখানে আছে? - হ্যাঁ.

চলো যাই.

চেকের জন্য মহিলাদের স্পর্শ করবে না!

যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে চেক করার অডার আছে!

পুলিশ আসছে! পালাও, বাবা!

ভয় পাচ্ছো কেন?

তাদের শুধু মারলেই হবে না! জানে মেরে ফেলতে হবে!

তারা চলে এসেছে, বাবা. তাদের ক্ষমতা অনেক!

এমনকি তারা তোমাকে হত্যা করতেও দ্বিধা করবে না। চলো যাই!

আসো! তোমাকে আমার গাড়িতে নিয়ে যাই!

আদি ! কেমন আছিস?

তুই ঠিক আছিস? আনতে যেতে পারিনি। দুঃখিত।

তোর কিছু হয়েছে ভেবে খুব ভয় পেয়েছিলাম।

এই সব সত্যিই প্রয়োজনীয়?

দুঃখিত সাহেব. ক্ষমা করবেন

আপনি মালিকের ছেলে বুঝতে না পেরেই আপনাকে জড়িয়ে ধরেছি।

দয়া করে, ক্ষমা করবেন.

আমি সবসময় তোর ছোটবেলার বন্ধু আদি, দোস্ত!

আয়!

দরজা খোল. চল ভিতরে যাই.

চুপচাপ আসতে পারিসনি? এসেই পুলিশের সঙ্গে ঝগড়া বাধালি কেন?

দোষ আমার না।

সেই ব্রিটিশ বাস্টার্ডের দোষ।

তার নাম জানলি কিভাবে?

বাস্টার্ড একটা গালি! নাম না!

গালি ইংরেজিতে কুল শোনায়!

বাবা, আদি, আমি তোমার বাবা।

পুত্র, তোর অনুমতি ছাড়াই তোর জন্য পাত্রী দেখেছি।

এ আর কেউ নয় মিস্টার সুব্বাইয়া চেট্টির মেয়ে!

দয়া করে আমার সিদ্ধান্তকে সম্মান করিস। আমি তাদের কথা দিয়েছি।

তুমি মেনে নিবিত?

প্রতিটি অক্ষর একই রকম।

তিনি যত্ন করে প্রতিটা অক্ষর লিখেছে।

তুই চিঠিটা পড়ে মেয়েটাকে প্রত্যাখ্যান করবি, এ ভয়ে তিনি এটা পাঠায়নি।

তুই যদি সুব্বাইয়ার মেয়েকে বিয়ে করিস, তবেই তোর বাবার আত্মা শান্তি পাবে!

মেয়েটা কে?

গোসল করে রেডি হ। পুরো পরিবার তোর জন্য অপেক্ষা করছে!

আমি অবশ্যই তোমার ইচ্ছা পূরণ করব বাবা।

তোমাকে ধন্যবাদ জনাব প্রকাশম পান্থুলু, আমাদের এইরকম দক্ষ সৈন্য পাঠানোর জন্য!

আমাদের একমাত্র লক্ষই হল ব্রিটিশদের তাড়ানো!

আমরা বহুভাষিক ও বহু-সাংস্কৃতিক হলেও আমরা ভারতীয়।

ব্রিটিশরা আমাদের সম্পদ চুরি করে আমাদেরই ক্রীতদাস করে রেখেছে।

তাদের আর নেতাজির ভারতীয় সেনাবাহিনীর মধ্যে চূড়ান্ত যুদ্ধে...

আমাদের অবশ্যই জাপানীদের সাথে মিলতে হবে আর ব্রিটিশদের পরাজিত করতে হবে!

একই উদ্যম আর যোদ্ধাদের সাথে...

আমরাও ব্রিটিশদের ভারত থেকে বের করে দিতে পারি!

ততক্ষণ পর্যন্ত, তোমাদের পরিবারের কথা মাথায় আনবে না!

গোলাম হয়ে বেঁচে থাকার চেয়ে জাতির জন্য লড়াই করে মরে যাওয়া অনেক ভালো!

স্বাধীন ভারত! জয় নেতাজি!

জয় নেতাজি!

প্রশিক্ষণ শুরু করো, সবাই!

কালেক্টরের প্রাসাদে গোয়েন্দাগিরি করার জন্য ইংরেজি ভালো জানে এমন কাউকে পাঠাও।

জী স্যার

শাস্ত্রী সাহেব! লম্বা কতটুকু? দ্রুত করো!

একাউন্ট কি যাচাই করা উচিত নয়?

- আমি কি যাবো? - যাও।

কি হয়েছে, সুব্বাইয়া? এত তাড়াহুড়া কেন?

মেয়েকে দেখতে পাত্র পক্ষ আসছে.

সত্যি? বর কোথায় থাকে?

- লন্ডন ! - দেখি!

- সাদা চামড়ার বর, হাহ? - একদমই না!

সে আমাদের শহরের, কিন্তু সেখানে পড়াশোনা করে।

উনি কে? দেখতে কালেক্টরের মত!

আসলেই. সে লন্ডন থেকে এসেছে!

নির্লজ্জভাবে তিনটা মেয়েকে নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে!

বিরক্তিকর!

যখন সে একটা মেয়েকে দেখে, তখন তাকে গিয়ে বলে তার সাথে একা কথা বলতে চায়।

সবকিছু হওয়ার পরে, সে বলে তাকে পছন্দ করে না।

সে আসার পাঁচ দিন হয়ে গেল।

এ পর্যন্ত বিশটা মেয়েকে নিয়ে ঘুরেছে!

তোমার জামাইও লন্ডনে পড়াশোনা করেছে, হ্যাঁ?

সাবধান!

তুমি যখন বলেছো, এমনটা হতে পারে!

এনগেজমেন্ট না হওয়া পর্যন্ত জামাই আমার মেয়েকে দেখতে পারবে না!

- পারফেক্ট! - দেখা হবে!

লাশগুলো এখানে কেন?

পুড়িয়ে ফেলা হবে, স্যার.

- নমস্কার, স্যার! - নমস্কার!

ভিতরে আসো, বাবা!

বর এত লম্বা! তোমার বাড়িতে লম্বা দরজা লাগবে মনে হয়!

- নমস্কার, বাবা. - নমস্কার.

প্লিজ, ভিতরে আসো.

- নমস্কার! - নমস্কার !

একটু বসো ভাই।

সবকিছু ঠিক আছে, তাই না?

কেমন? বর পছন্দ হয়েছে?

কি? দেখার সঙ্গে সঙ্গে পছন্দ করে ফেলেছিস?

কারণ সে সুদর্শন বলে?

একদমই না!

সে বন্দরে ব্রিটিশ পুলিশের সাথে ঝগড়া করে এক মহিলার ইজ্জত বাচিয়েছে।

যদি একজন নারীকে এত সম্মান দিতে পারে...

আমার বিশ্বাস সে আমার অনেক খেয়াল রাখবে।

তো তোরা দুজনে আগে থেকেই পরিচিত!

ওহ, মোটেই না!

1945 subtitles in other languages

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left