The first 200 lines.
আমরা মারা যেতে ভয় পাই না!
সাবটাইটেল
সাবটাইটেল অনুবাদেঃ
সাবটাইটেল অনুবাদেঃ মুহাম্মাদ
সাবটাইটেল অনুবাদেঃ মুহাম্মাদ নাজমুল
সাবটাইটেল অনুবাদেঃ মুহাম্মাদ নাজমুল হাসান
হে আল্লাহ, আমাদের সাহায্য করুন।
আলফা টিম, পজিশন নিয়ে নাও।
ডিটেইল টিম, গার্ডদের মেরে ফেল।
ব্র্যাভো টিম, পজিশনে চলে যাও।
- লাইট বন্ধ করে দাও। - লাইট বন্ধ করা হচ্ছে।
আরে না, আবারও লোডশেডিং! যাও, জেনারেটর চালু করে দাও।
দ্বিতীয় তলায় মানুষের চলাফেরা দেখতে পারছি।
শত্রু সিঁড়ি বেয়ে নিচে নামছে।
স্যার, দেখতে পাচ্ছি শত্রুরা ওই জায়গা থেকে বের হয়ে আসছে।
- স্নাইপার-স্কোপে পাল্টে নাও। - স্নাইপার-স্কোপে পাল্টে দেয়া হচ্ছে।
আপনি কি মিঃ লি চ্যান?
আমার নাম এসপি এহতেশাম খাটাক।
আপনি এখন নিরাপদে আছেন।
তুমি কি চাও ওকে মেরে ফেলি?
ওকে আমার জীবিত লাগবে!
শত্রু একজনকে জিম্মি করতে যাচ্ছে!
জিম্মি একটা বাচ্চা, স্যার!
আদেশের অপেক্ষায় আছি।
মেরে ফেল!
ব্যাস, আমাদের কাজ তো ছিলো শুধু পৌঁছে দেয়া।
কী পরিকল্পনা ছিল? আমাকে মেরে ফেলে পরে আমার জানাজা পড়া?
তুই এখানে একা আসিসনি, তাই না?
- আপনি এই মানুষদের কাছে সমসময় একজন ফেরেশতার মত। - ধন্যবাদ।
এই ক্যাম্পের মানুষ তো দেশের জন্য সন্ত্রাসবাদের কাছে সর্বস্ব হারিয়েছে।
এই মানুষদের বাড়ি, পশুপ্রাণী বা চাকরি কিছুই নেই। সবকিছুই ধ্বংস হয়ে গিয়েছে!
- প্রতিদিন পাঁচশ থেকে হাজার মানুষ এখানে আসে। - আচ্ছা।
এত এত মানুষ আসে, আর তাদের চাহিদাও অনেক বেশি।
কিন্তু আমাদের জিনিসপত্রের যোগান যথেষ্ট নয়!
আমাদের জিনিসপত্রের যোগান আরো বাড়ান দরকার।
আদুরে বাচ্চা!
- ওদের খাবার পানি, রেশনের কী অবস্থা? - হ্যাঁ, ওরা রেশন হিসেবে শুকনো খাবার পায়।
- ইনশাআল্লাহ, শিগগিরই আরও কিছু জিনিস আসবে! - ধন্যবাদ।
হ্যালো!
আমি কি ইজাজ খানের সাথে কথা বলতে পারি, প্লিজ!
- হ্যাঁ ম্যাডাম, দয়া করে ধরুন! - আমার মতে...
স্যার, জয়া ম্যাডাম ফোন করেছেন!
মাফ করবেন, ভদ্রলোকেরা।
হ্যালো!
হাই।
জ্বি।
দেখো, আমি জানি তুমি ব্যস্ত, কিন্তু সত্যিই তোমার সাহায্য দরকার!
এছাড়া তো তুমি এমনি এমনি ফোন করো না।
অন্য কাউকেই সাহায্য করতে হয়!
ক্যাম্পগুলোতে খাবার ও ওষুধের ট্রাকগুলো আনতে হবে।
ঠিক আছে।
সরকারের অনুমতি ছাড়া এটা করা যাবে না। তোমাকে আমার ওই অনুমতি এনে দিতে হবে।
মুশতাককে বলব তোমার সাথে যোগাযোগ করতে, তোমার যা প্রয়োজন তাকে বোলো!
ধন্যবাদ।
আজ রাতে তোমার সাথে দেখা হচ্ছে?
আচ্ছা, ঠিক আছে।
- ম্যাডাম ফোন করলে তাকে একটু সাহায্য কোরো। - জ্বি, অবশ্যই স্যার।
ভদ্রলোকেরা।
শাহ্ জি, প্রথম দিকে আমাদের এই বাঁধের ধারণা একদমই পছন্দ হয়নি।
কিন্তু, এটা আপনার বা আমার পছন্দের ব্যাপার নয়। এটা পুরো দেশের ব্যাপার।
চৌধুরী সাহেব, এসব কী কথা বলছেন আপনি?
এটা হচ্ছে প্রথা, আমাদের পূর্বপুরুষদের ঐতিহ্য!
এই ঐতিহ্যকে কীভাবে পানি দিয়ে ধুয়ে দেবো?
এটা কীভাবে সম্ভব যে আমরা আমাদের ভোট কোন নদী বা বাঁধকে দেবো,
এবং সমাবেশে আমাদের ভোট হারাব।
ইজাজ, তুমি একটা ছোট মানুষ, তবে তোমার সাহস সত্যি প্রশংসা পাবার যোগ্য!
তবে... এই ব্যাপারে আমাদের পার্টির অবস্থান খুব স্পষ্ট!
আমরা কখনই আমাদের পূর্বপুরুষদের ঐতিহ্য থেকে পিছু হটতে পারব না।
এই দল, শ্রদ্ধা, ভোট... এসব তারাই আমাদের দিয়েছে!
পীর সাহেব, আমাকে একটা কথা বলুন।
আপনি কি একজন মুসলমান?
আল্লাহকে ধন্যবাদ, আমি একজন মুসলমান।
কিন্তু, আমার মুসলমান হবার সাথে এই বাঁধের কী সম্পর্ক?
এর সম্পর্ক আছে!
শাহ্ জি, আপনি আমাকে বলুন! আপনার পূর্বপুরুষ, ওনারা কি মুসলমান ছিলেন?
হয়তো না।
তাহলে আপনার পূর্বপুরুষরা তাদের সংস্কৃতি ও ধর্মকে কেন পিছনে ফেলে দিয়েছিল?
আমি আপনাকে বলছি।
তারা জানত, এটা একটা ধারণা মাত্র যাদের একদিন পিছু হটাতেই হয়েছিল।
শাহ্ জি, তারা জানত এটা করা ঠিক ছিল।
আর শাহ্ জি আপনি জানেন, এই বাঁধ এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস!
কারণ, আপনি যদি এই বাঁধ না বানান আপনার সমস্ত ক্ষেত খামার নষ্ট হয়ে যাবে!
কল কারখানা সব বন্ধ হয়ে যাবে, মানুষজন রাস্তায় নেমে যাবে!
আপনি কি আপনার লোকদের এই উপহারই দিতে চান?
আমাদের পূর্বপুরুষেরা কি চেয়েছিলেন তাদের পরের প্রজন্ম খালি পেটে, ঘর ছাড়া রাস্তায় থাকবে?
প্লিজ, আপনি দেশের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করবেন না!
এই বাঁধ নির্মাণ করা হবেই! এটা বানানো জন্য খুবই জরুরি, শাহ্ জি।
ওয়ালাইকুম সালাম।
তোমার ছোট্ট দুর্ঘটনার কথা শুনেছি!
মুজতবা, তোমাকে দেখতে তো ভয়ংকর লাগছে।
স্যার, আপনাকে দেখেও ভালো লাগছে।
দেখতে পাচ্ছি, নাগরিক জীবন তোমার মুগ্ধকর ব্যক্তিত্বের তেমন কিছুই করতে পারেনি।
আর আমি দেখছি, এক মাসের অনুশীলন আপনাকে পাল্টানোর জন্য খুব বেশি সাহায্য করেনি, স্যার।
স্যার, আপনি কী মনে করেন আমি আমার দুর্ঘটনার জন্য খুশি হওয়া উচিত না?
তুমি কেন জীবনে অন্তত একবারের জন্য হলেও সোজা সাপ্টা হতে পারছ না?
কেন, স্যার?
আমি জানতে চাই, আমাকে কে হত্যার চেষ্টা করেছিল।
এটা কি আপনার কাছে সোজা হওয়া না?
দেখো, আমরা জানি না কে করেছিল!
তুমি তোমার জীবনের বেশিরভাগ সময়ই কাউন্টার ইন্টেলিজেন্সে কাজ করেছ।
এজেন্সির ৯০% মানুষ জানেও না যে তোমার অস্তিত্ব আছে!
এমনকি কেউ যদি জেনেও থাকে,
তারা বুঝতে পারবে যে, তোমার মৃত থাকার চেয়ে জীবিত থাকার মূল্য অনেক বেশি।
স্যার, আমাকে জানতেই হবে!
আশপাশের পরিবেশ ভাল লাগছে না।
মুজতবা, আমার একটা স্পেশাল টিম আছে। আর আমি চাই তুমি এতে যোগ দাও!
স্যার,
আপনি কেন অনুশীলন চালিয়ে যাচ্ছেন না,
যাতে দশ বছর পর এসে দেখতে পারি, আপনি আরো ভালো স্কোর করেছেন।
মুজতবা, বুঝার চেষ্টা করো।
আমি অবসর নিয়েছি, স্যার।
আমি আর এসব কাজ করি না!
কখন তুমি তোমার অতীতকে ভুলে যেতে পারবে!
মারাত্মক জ্বালানি সংকটযুক্ত দেশে, মানুষ শুধু একে অন্যের দিকে আঙুলই তুলছে না...
তবে একজন রাজনীতিবিদ যিনি এই সমস্যা সমাধানকে তার জীবনের মিশন বানিয়ে ফেলেছেন।
আমাদের সাথে এখানে আছেন, মিঃ ইজাজ খান।
মিঃ খান, আমাকে এটা বলুন জনগণ আপনাকে গণতন্ত্রের ভরসা বলে বিবেচনা করছে।
এমনকি তারা আপনাকে "মুক্তিদাতা" বলেও ডাকছে।
- এই সমস্যা সমাধানে আপনার কাছে কি উপায় আছে? - না, একদমই ঠিক...
আমি কোনো একক রাজনীতিবিদ বা মুক্তিদাতা নয়।
আমি তো চেষ্টা করছি পাকিস্তানের সব রাজনীতিবিদকে সাথে নিয়ে চলতে।
আর যখন এই বাঁধের কাজ শেষ হবে, এটা একা কারো বিজয় না হয়ে পুরো পাকিস্তানের জন্য হবে!
ঠিক! কিন্তু স্যার, মানুষজন রাস্তায় নেমে ঘেরাও করে আগুন ধরিয়ে প্রতিবাদ করছে।
এই পরিস্থিতি দেখেও আপনি অনুমান করছেন যে এই বাঁধ নির্মাণ করা হতে পরে?
অনুমান করছি না, জনাব। এটা আমার দৃঢ় বিশ্বাস।
আর প্রত্যেক মুসলমানের জন্য দৃঢ় বিশ্বাস রাখা তার জন্য খুবই জরুরি।
না, না! এক মিনিট, স্যার। একটা সহজ সরল প্রশ্ন আছে!
স্যার, আমরা কেবল দৃঢ় বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে তো বাঁধ নির্মাণ করতে পারি না!
এর জন্য কর্মশক্তির সাথে জনবল আর দক্ষতারও প্রয়োজন! শুধু বিশ্বাসে তো আর কাজ হয় না।
এই দেশ কোনো আন্তর্জাতিক অর্থায়নে গড়ে ওঠেনি।
এই দেশ বানিয়েছে পাকিস্তানিরা, মুসলিমেরা, তাদের ভালবাসা, আবেগ এবং তাদের রক্তের বিনিময়ে!
আপনি ঠিক বলেছেন। আমাদের সম্পদ আর দক্ষতা প্রয়োজন।
কিন্তু আপনি পাকিস্তানের মানুষকে নিচু করে দেখছেন।
- সরো। - এর আগে পাকিস্তানের ইতিহাসে এমন কখনও হয়নি...
যে, পাকিস্তানের লোকজন নিজেরা তহবিলের ব্যবস্থা করেছে।
এটা...
এহতেশাম, বন্ধ কর। আমি অনুষ্ঠানটি দেখার চেষ্টা করছি।
ইনশাআল্লাহ, আগামী তিন মাসে আমাদের কাছে এত টাকা আসবে...
এহতেশাম, থাম!
ঠিক আছে, আমি দুঃখিত। আমি যাচ্ছি, শান্ত হও।
তুই কেন তোর জিনিসগুলি তুলে নিয়ে সঠিক জায়গাতে নিয়ে রাখছিস না!
তোকে সবসময় চোখে চোখে রাখা বিরক্ত হয়ে গিয়েছি।
ওটা তুলে নে, আর সারাক্ষণ আলসেমি করা বন্ধ কর!
অলস?
তুমি কি সিরিয়াস?
দেখো, ১৬ জন মৃত সন্ত্রাসীও তোমার সাথে একমত হতে চাইবে না!
চীন সরকার তোমার সাথে একমত হতে চাইবে না!
শুধুই লোক দেখান!
আরে, ধুর!
- হ্যালো। - জাভেরিয়া, তোমার ভাই কি তোমার সাথে আছে?
হ্যাঁ, ও তো এখানেই আছে!
তোমরা দুজনেই ১৫ মিনিটের মধ্যে পয়েন্ট ব্রাভোতে রেডি হয়ে থাকবে।
- অবশ্যই, আমরা... আমরা ওখানে থাকব! - আমরা?
আমরা মানে কী বলতে চাচ্ছ?
পয়েন্ট ব্র্যাভোতে ১৫ মিনিটের মধ্যে একটি মিটিং আছে।
বুঝতে পারি না, ওরা কেন আমাকে এসব মিটিংয়ে ডাকে?
আমি ফিল্ড অপারেশনের লোক, এসব মিটিংয়ে আমাকে দিয়ে কী হবে?
তার উপর, ওরা তো আমাকে কথাই বলতে দেয় না!
জানো কী হবে?
- কী? - এবার...
আমি কথা বলব।
আচ্ছা!
- আমি সিরিয়াস! - তুই তো জানিস, বস ঠিক কী কথা বলবে, তাই না?
হ্যাঁ, সে বলবে... ও এহতেশাম, শুধু নিজের মত হবার চেষ্টা কোরো না!
আচ্ছা, চল যাই!
আমার জন্য কোনও নির্দেশনা আছে, বস?
হ্যাঁ, নিজের মত হবার চেষ্টা কোরো না!
কন্ট্রোল টিম! তোমাদের কিছুই কন্ট্রোলে নেই!
তোমরা যদি আর এক মিনিট দেরি করতে, তবে লি চ্যানের লাশ টুকরো টুকরো করে পাওয়া যেত!
আমরা আমাদের সবচেয়ে ভালো বন্ধুদের সামনেই অপমানিত হতাম।
এই যুদ্ধে আমাদের এখন পর্যন্ত ৪০,০০০ পাকিস্তানী মারা গেছে।
আমাদের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, আমাদের ধর্ম, সবকিছুই ঝুঁকিতে রয়েছে।
সম্মানের সাথেই বলছি, এই খারাপ লোকেরা এত সফল হল কীভাবে?
কারণ, তারা তাদের সমস্ত শক্তি একটা লক্ষ্যের দিকে টার্গেট করে।
তাদেরকে কাগজপত্র এবং আমলাতন্ত্রের মুখোমুখি হতে হয় না!
তারা কেবল পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রস্তুতি নেয়! আর তা কার্যকর করে।
- ব্যাস এটুকুই! - ধন্যবাদ, এহতেশাম!
আমি আপনাদের সবাইকে রাতের এই সময়ে ডেকেছি, কারণ...
আমরা একটা হুমকির সম্মুখীন হয়েছি!
আব্বাস, আপনি কি সংক্ষিপ্ত করে কাউন্সিলকে বলতে পারবেন!
তোমরা সবাই জানো যে, আমাদের স্পেশাল টিম একটা সফল অভিযান চালিয়েছে।
এই অভিযানের সময় ৬ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে।
মিস জাভেরিয়া!
টিম সঞ্জয় ভরদ্বাজ নামের এই লোককেও হত্যা করেছে!
প্রথম কন্টাক্ট, নিচু লেভেলের, র-গোয়েন্দার সহযোগী!
সঞ্জয় লোক দেখানোর জন্যে চাল রফতানির ব্যবসা করত!
মধ্য প্রাচ্য, ইউরোপ এবং মধ্য এশিয়া থেকে।
সে নিখোঁজ হবার পর থেকে এখন পর্যন্ত তাকে আর কোথাও খুঁজে পাওয়া যায়নি।
আমাদের সোর্স জানিয়েছে যে, বিশাল অংকের টাকা এসব অপারেশনের পেছনে ব্যয় হচ্ছে।
যার মানে হচ্ছে, এই সংস্থাগুলি আমাদের অর্থ দান করছে।
কিন্তু কখনও বন্দুক দেয়নি, স্যার!
ক্রস বর্ডার এবং আমাদের সোর্স থেকে শোনা যাচ্ছে,
এক উচ্চ লেভেলের স্বতন্ত্র ঠিকাদারকে নিয়োগ করা হয়েছে,
পাকিস্তানের ইতিহাসের অন্যতম সর্ববৃহৎ সন্ত্রাসী হামলা চালানোর জন্য।
যদি আমাদের তথ্য সঠিক হয়, তবে এই আক্রমণটি মেরিয়ট হোটেলের বোমা মারাকে পিকনিকের মত মনে হবে!
আমরা এও বিশ্বাস করি যে, এই স্বতন্ত্র কন্ট্রাক্টর...
দুই কি এক দিনের ভিতরে সীমান্ত অতিক্রম করার চেষ্টা করতে পারে।
আমরা সম্ভাব্য একটা ছোট তালিকা তৈরি করেছি।
হাবিব আফগানি ওরফে আবু হামজা ওরফে রামাল নামের এই লোক আমাদের তালিকার উপরে রয়েছে।
সিরিয়াল কিলার থেকে ভাড়ায় খাটা সন্ত্রাসীতে পরিণত হয়েছে।
No comments yet. Be the first to leave one.