The first 200 lines.
"এই চলচ্চিত্রটি একটি বাস্তব ঘটনার উপর ভিক্তি করে নির্মিত, তবে ছবিতে প্রদর্শিত চরিত্র এবং স্থানগুলো আংশিকরুপে কাল্পনিক।"
— সাবটাইটেল অনুবাদক — স
— সাবটাইটেল অনুবাদক — সা
— সাবটাইটেল অনুবাদক — সাফি
— সাবটাইটেল অনুবাদক — সাফিন চৌ
— সাবটাইটেল অনুবাদক — সাফিন চৌ
— সাবটাইটেল অনুবাদক — সাফিন চৌধু
— সাবটাইটেল অনুবাদক — সাফিন চৌধুরী
"সন:- ২০০২, শানঘাই।"
চেং।
দোকানে স্বাগতম।
দোকানের মালিক আমাকে আবার ফোন দিয়েছিল...
আমি তাকে বলে দিয়েছি যে, তুমি এখনো দোকান খুলোনি।
ধন্যবাদ।
দোকানের ভাড়াটা পরিশোধ করার চেষ্টা করো।
এখন পারবো না....আমি অভাবের মধ্যে আছি।
আমার ব্যবসাটা তেমন ভালো যাচ্ছে না৷
আমি তোমাকে যে, তেলটা দিয়েছিলাম...সেটা তোমার গেস্ট হাউজে রেখেছিলে?
হ্যাঁ, আমি রেখেছিলাম।
কিন্তু, কেউই সেটা কিনেনি।
আজকাল লোকে ভায়াগ্রা ব্যবহার করে।
এখন আর কেউই এসব তেল ব্যবহার করে না।
আমি একবার ওই তেলটা ব্যবহার করেছিলাম...
তেলটা অতটাও কাজের না।
তেলটাকে দোষারোপ না করে, তোমার পুরুষত্বকে দোষারোপ করো।
মা**!
ওর আমাকে ফোন করার সাহস কি করে হলো!
আমি আর খাবো না।
আচ্ছা, আমিই খাওয়াচ্ছি.... দেন।
কী অবস্থা আপনার?
তোকে একটা কথা সাফ সাফ বলে দেই,
কেউই আমার নাতিকে... আমার কাছ থেকে কেড়ে নিতে পারবে না!
আচ্ছা, ঠিক আছে! ঠিক আছে!
সে আবার ফোন দিলে.... কলটা ধরার দরকার নেই।
সে আমাকে নাজেহাল বানিয়ে দিয়েছে।
চিন্তা করার দরকার নেই।
সিগারেট?
আপনার খাবারটা তো এখনো শেষ করেননি।
সিগারেট দেয়া যাবে না।
মুখ খুলেন।
তুমি উনাকে একটা ভালো ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাও...
দরকার নেই।
হাসপাতালের লোকেরা শুধু টাকা খাওয়ার ধান্ধায় থাকে।
রোগী অসুস্থ না হলেও, তারা তাকে অসুস্থ বানিয়ে...টাকা উসুল করতে চায়।
উনার তো কথা বলতেও সমস্যা হচ্ছে।
যদি উনি অসাড় হয়ে পড়েন...তাহলে, কি হবে?
চিন্তা কোরো না।
যৌবনকালে, উনি একটু বেশীই মদ খেয়ে ফেলেছিলেন....তাই এই অবস্থা।
শুনো...
এর পরেরবার থেকে, সারা বছরের ভাড়াটা একসাথে দিয়ে যেয়ো।
এদিকে সাঁতার কাটো।
এবার, ওইদিকে সাঁতরাও। যাও।
বাবা, ব্যথা লাগছে...
নড়াচড়া কোরো না।
আমি তোমার বাবা।
হাতটা সরাও।
সোনাটা ধীরে ধীর বড় হচ্ছে, তাই না?
তুমি না পাউরুটি খেতে চেয়েছিলে....?
তো এখন আবার পিজ্জা খাচ্ছো... কেন?
ওসব তেলে ভাজাপোড়া রুটি খেতে...আমার ভালো লাগে না।
বাবা?
হ্যাঁ?
আমার এক জোড়া জুতা লাগবে।
দাম কত?
২৬০ টাকা।
তোমার সৎ বাবার কাছে চেয়ে দেখো?
পারবো না।
এই নাও।
ধন্যবাদ, বাবা।
টাকাটা দেখেশুনে খরচ কোরো, কেমন?
আবার, পরের সপ্তাহে দেখা হবে...
ঠিক আছে।
তুমি কি বিষয়টা ভেবে দেখেছিলে?
এটা কখনোই হবে না৷
আর খবরদার...এরপর থেকে, আমার বাবাকে আর কখনোই কল দিবে না!
তুমি উনার কাছ কী চাও?
ঠিক আছে, তাহলে....আমার উকিলই তোমার সাথে কথা বলবে।
কেউই আমার সিদ্ধান্তটা বদলাতে পারবে না।
কথাটা তোমার কানে গেছে?
এটা কখনোই হবে না!
যাই হোক, মিঃ চেং...
বিদেশে যাওয়াটাই.... আপনার বাচ্চার ভবিষতের জন্য মঙ্গলজনক হবে।
ক্যাট, তোমার কি মুখ নেই... নাকি? অন্য কেউ তোমার হয়ে কথা বলছে কেন?
মিঃ চেং,
মিস. ছাও, আপনার ছেলের বদলে...আপনাকে কিছু টাকা দিয়ে দিবেন।
আর টাকার পরিমাণটাও আপোসজনক।
আপনি এসব...কী বলছেন?
আপনি কি আমায়...নিজের ছেলেটাকে বিক্রি করে দিতে বলছেন?
আমরা আপনার আর্থিক অবস্থা সমন্ধে...অবগত।
সে আপনার সাথে থাকলেও....আপনি তার ভরণপোষণ করতে পারবেন না।
মিস. ছাও, আপনার দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।
আমার ওর সাহায্যের দরকার নেই।
তুমি আমাকে টাকার গরম দেখাচ্ছো?
ওই টাকাগুলো কি তোমার নিজের?
দেখুন, মিঃ চেং,
চেং ইয়ং।
তোমার অহংবোধটা কমাতে পারো না?
শুনো, আমি চেং শিয়াওশু'র বাবা!
ওকে বিদেশ নেবার কথা কখনো...মুখেও আনবে না!
বাবা? সত্যি করে বলো তো, তুমি কেমন বাবা?
তুমি ওর ভরণপোষণের দায়িত্ব নিয়েছো...কখনো?
ওকে তোমার সাথে রেখে কী লাভ হবে....বলো?
ও বড় হলে...ওকে দিয়ে তোমার মতো যৌন ঔষধ বেচাবে নাকি?
কী বললে?
আমার দিকে ওভাবে তাকিয়ো না।
তুমি প্রস্তাবটা না মানলে, আমি তোমাকে আদালতের কাঠগোড়া পর্যন্ত নিয়ে যাবো।
তুমি আমাকে হুমকি দিচ্ছো?
আমি কিন্তু, এখন তোমাকে ঘুষি মেরে বসবো।
হ্যাঁ, তুমি তো সেটাই করবে।
তুমি তো এত বছর ধরে আমাকে ঘুষিই মেরে গিয়েছো, তাই না?
শুনো, চেং ইয়ং।
আমি তোমাকে ভয় পাইনা।
মনে মনে তো, আমি তোমাকে... পুরুষই মনে করিনা।
দয়া করে...শান্ত হোন, মিঃ চেং।
বেরিয়ে যাও এখান থেকে!
তুমি এত দাপট দেখাচ্ছো কেন, হ্যাঁ?
তো....দেখালে কি করবেন, শুনি?
আমি আপনাকে সাবধান করে দিচ্ছি... থামুন!
তুমি আমাকে সাবধান করবে, হ্যাঁ?
থামুন বলছি, আমার গায়ে হাত দেয়ার সাহস কী করে হলো?
উকিলকে মেরো না।
ওকে তো মারবোই!
মিস. ছাও!
ছাও, স্যার।
ছাও, স্যার।
ছাও, স্যার।
ছাও, স্যার।
শান্ত হোন।
ছাও, স্যার।
ছাও, স্যার।
শান্ত হোন।
এরপর থেকে, কখনো আমার বোনের গায়ে হাত তুললে... আমি তোকে মেরেই ফেলবো!
ব্যস, যথেষ্ট হয়েছে...ছাড়ো আমাকে!
দুলাভাই কোথায়?
ব্যবসায়িক কাজে...বিদেশে গেছে।
তুমি কখন যাবে?
দুই মাসের মধ্যেই যাবো।
তুমিও আগেভাগেই সেখানে চলে যাও...
আমি শিয়াওশুকে পাঠানোর ব্যবস্থা করে দিবো।
আমি সব সামলে নিবো।
চেং।
এদিকে আসো।
তোমাদের দুজনকে...পরিচয় করিয়ে দেই।
আমার পুরানো প্রতিবেশী, "আইভি শুয়ি।"
মিঃ চেং।
হ্যালো, কেমন আছেন?
ও কী চায়?
ও তোমাকে দিয়ে... ভারত থেকে কিছু ঔষধ আনাতে চাচ্ছে।
ঔষধ আনাতে চাচ্ছে, মানে?
পাচার করাবে?
তোমার দোকানে যেসব মাল আছে...সেগুলোও তো পাচার করেই আনা, তাই না?
ব্যাপারটা তোমার উপরেই ছেড়ে দিচ্ছি।
আমি গেলাম।
তুমি ওকে এসব গোপন কথা... কেন বলেছো?
আমি জানি...তোমার ব্যবসা ভালো যাচ্ছে না।
আমি তোমাকে ব্যবসা জোগাড় করে দিয়েছি...আর টাকার পরিমাণটাও আপোসজনক।
এটা করো।
একট কমলা খেয়ে দেখেন...
ছুলে দাও।
জানো, ওষুধগুলো পাচার করতে গিয়ে যদি ধরা পড়ি...তাহলে আমায় জেলে যেতে হবে।
আরে অত খারাপ কিছু ঘটবে না।
অতটা খারাপ কিছু ঘটবে না, তো কি ঘটবে!?
আর এত বড় ঝুঁকি নেবার পরিবর্তে মাত্র ৩০,০০০ টাকা দিবে?
আরে, এটা তো ব্যবসা করার একটা সুবর্ণ সুযোগ।
একটা ভারতীয় জেনেরিক ওষুধের মূল্য মাত্র ২,০০০ টাকা আর সেগুলো আসলটার মতোই কাজ করে।
আপনি ওরকম অনেকগুলো নিয়ে আসতে পারলে...
সেটা কী আসল ওষুধের মতোই কার্যকরী?
তাও আবার... সেটার দাম আসলটার বিশ ভাগের এক ভাগ?
এখান থেকে যাও তো!
ওটা একদম আসল, মিঃ চেং। ওষুধটা ব্যবহৃত ও পরীক্ষিত।
আমি নিজেই একজন রোগী। আমার পক্ষে সম্ভবপর হলে, আমি নিজেই ভারতে যেতাম...
যদি তোমার পক্ষে সম্ভব না হয়, তাহলে তোমার কোনো বন্ধু বা আত্মীয়কে দিয়ে আনাও?
বুঝাই যাচ্ছে যে, তুমি ধরা পড়ে যাওয়ার ভয় পাচ্ছো।
আমি এটা করতে পারবো না। অন্য কাউকে দিয়ে করিয়ে নাও।
না, আমি নিশ্চিত যে, আপনি এ পর্যন্ত...বহুবারই মালামাল পাচার করেছেন।
ফালতু কথাবার্তা!
শুনো, আমি কখনোই কোনোকিছু পাচার করিনি।
কখনোই না। আমার সামনে থেকে দূর হও।
আমি আপনাকে আমার ফোন নম্বর দিয়ে যাচ্ছি।
আপনি রাজি হলে....দয়া করে, আমাকে একটা কল দিয়েন।
ওই ওষুধগুলো আমার জীবন বাঁচানোর জন্য লাগবে।
আসি তাহলে...
ডক্টর ওয়্যাং, হিসাবে... কিছু তো একটা গড়মিল হয়েছে।
না, কোনোকিছুতেই গড়মিল হয়নি।
খরচটা তো অনেক বেশী।
চং হাসপাতালে তো মাত্র ৮০,০০০ টাকা নেয়।
তাহলে, সেখানেই যাও। এখানে থেকো না।
আপনি তো এখানকার প্রধান বিশেষজ্ঞ ডাক্তার...
আপনি কিছুটা সাহায্য করলে....কৃতজ্ঞ থাকবো, স্যার।
হাসপাতালের কর্তৃপক্ষই টাকাটা নির্ধারণ করে। এতে আমার কিছুই করার নেই।
তোমাকে শীঘ্রই টাকাটা জোগাড় করতে হবে।
এনজিওমাটা একবার ছড়িয়ে পড়লেই,
উনি মারা যাবেন।
"চাবির জন্য আগে দোকান ভাড়া পরিশোধ করুন।"
লিউকেমিয়া প্রতিকারের জন্য গ্লিনিকই সবচেয়ে কার্যকরী ওষুধ...
আর এর জন্য অনেক দীর্ঘস্থায়ী চিকিৎসার দরকার হয়।
আপনি কি কখনো ভারতীয় গ্লিনিক ওষুধের নাম শুনেছেন?
ওটার ব্যাপারে তোমাকে কে বলেছে?
আমি অন্য রোগীদের কাছ থেকে... ওটার ব্যাপারে জেনেছি।
ওটা কীভাবে কাজ করে?
No comments yet. Be the first to leave one.