The first 199 lines.
বিঃদ্রঃ ''এই সাব দিয়ে ভিডিও টি দেখার কারনে, কারো ইহকাল বা পরকালের কোনো ক্ষতি হলে সাবমেকার দায়ী থাকবে না''
অনুবাদ ও সম্পাদনায় মোঃ সুমন হোসেন
আমি এটা চাইনা।
তুমি এটি করবে না?
এটা বলার অধিকার তোমার আছে।
তবে, বিপর্যয় শুরু হলে.....
ঠিক আছে।
মাফ করবেন....
শিক্ষকরা ক্লাস থ্রির জন্য কি কিছুই করবেনা?
তারা অবশ্যই তাদের সর্বোচ্চ দিয়ে সহযোগীতা করবেন।
তবে এই বিষয় নিয়ে বেশী আলোচনা করা ঠিক হবেনা,
বাইরের কারো সাথে।
পরিবারের সাথেও না???
আমাদের অবশ্যই নিয়ম-কানুন গুলো মানতে হবে।
১ই মে (শুক্রবার)
আমি তো ভাবছিলাম এ বছর কিছু ঘটবে না।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে,
টেবিল ও চেয়ারের সংখ্যা ঠিকই ছিলো।
কিন্তু নতুন স্টুডেন্ট আসাতে ঘাটতি হয়েছিল।
এক মাস পরে এসেছিল?
তাই মনে হচ্ছে।
তো...
যাইহোক, তুমি তাকে দেখেছ, তাইনা?
কোথায় গেছে?
মনে হয়না যে ওটাই সে।
তুমি কিভাবে বুঝলে?
সে ইয়োমিয়ামায় থাকতো না।
তার কোন ভাইবোন নেই।
এবং তার হাত ঠান্ডা ছিলনা।
এখনও...
এখনও...
যদিও এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়,
তবুও কেন আমায় বলা হয়নি?
তুমি ইতিমধ্যে আমার সাথে কথা বলেছো।
তাই বিষয়টা তাদের কাছে আরও জটিল হয়ে গেছে।
আরও কিছু বিষয় তোমার থেকে জানার ছিলো।
তোমার চেয়ার-টেবিল ওরকম কেন?
তুমি এত বয়সে ক্লাসে কেন?
এটাই নিয়ম।
অবশ্যই কোন কারন আছে, হয়তো এটা কবজটাকে রক্ষা করে।
কে মারা গেছে??
”কে মারা গেছে?” লেখাটা আমি তোমার টেবিলে দেখেছি।
তুমি লিখেছো?
হ্যাঁ।
জানি যে আমি মারা যাইনি,
তাই লিখেছি,কে সে?
তুমি বলতে পারবে?
আসলে...
আমার বন্ধু,সাকাকিবারা।
ভালো। এভাবে আসার জন্য দুঃখিত।
স্কুলের বন্ধু?
নাকি আর্ট ক্লাবের?
সে এখানের একজন গ্রাহকও।
সে এটাকে প্রচুর উপভোগ করছে।
ওহ,তাই?
এগুলোতে আগ্রহ শুনে অবাক হলাম।
তুমি পুতুল পছন্দ করো?
আমি.....
তোমার এখন যাওয়া উচিত, সাকাকিবারা।
ওহ, আচ্ছা।
পরে দেখা হবে।
আবার দেখা হবে।
যেকোন সময় এখানে আসতে পারো।
তুমি কি সব সময় এভাবে থাকো?
কিভাবে?
তোমার মায়ের সাথে যেভাবে কথা বললে।
দেখে মনে হলো তোমরা দুজন অপরিচিত কেউ।
আমরা এভাবেই থাকি।
তোমার পরিবার কেমন?
আমার মা নেই।
আমার জন্মের পরেই মারা গেছে।
আচ্ছা।
আসলে, এটা আমার কাছে স্বাভাবিক বিষয়।
আমি তার কাছে শুধু একটা পুতুল মাত্র।
খুবই খারাপ।
তুমি তার মেয়ে, রক্তের সম্পর্ক ।
হয়তা রক্তের সম্পর্ক আছে, কিন্তু আমি তার কাছে অস্তিত্বহীন।
তো, তোমার মা কি ক্লাস থ্রি সম্পর্কে জানেন?
না, তাকে বলিনি।
তিনি কি জানেন যে তুমি ঠিকমতো স্কুলে যাও না।
সে আমার কোন যত্নই করেনা বা খেয়ালই রাখেনা।
কিছু জিনিস ব্যাতীত।
কি ব্যাতীত?
তো, এখন আমি ক্লাস থ্রির গোপন কথা জানি ....
কিন্তু তুমি কিভাবে এতো সব মেনে নিয়ে থাকো?
কোন উপায় নেই।
এটা আমায় করতেই হতো।
যদি না করতাম,
তাহলে অন্যদের অনুসরণ করতে হতো।
এতে অন্যকেউ হয়ে যেতো অস্তিত্বহীন ।
আমার নাম কেটে গিয়েছে, এটাই ভালো।
ছোটদের পার্ক।
কেন তারা সিদ্ধান্ত নিল দুজনের অস্তিত্ব না রাখার?
তারা সম্ভবত ভেবেছিল কবজ রাখতে হবেনা,
যদি তুমিও আমায় উপেক্ষা করে যেতে।
সুতরাং তারা দ্বিতীয় জনের অস্তিত্ব না রাখলে ,
কবজ শক্তিশালী করতে পারবে?
হ্যাঁ।
এটা তাদের বাঁচিয়েছে।
তোমার কাছে ব্যাখ্যা করার থেকে,
এটা বেশী যৌক্তিক।
তবে, খুবই আকর্ষণীয়, তাইনা?
কবজের জন্য এতোকিছু?
আসলে, তারা মরিয়া ছিল,
যখন তারা ভাবলো যে পরবর্তী শিকার যে কেউ হতে পারে।
এটা তাদের সিরিয়াস হতে বাধ্য করলো।
তুমি কি মনে করো এটা অযোক্তিক?
অবশ্যই!!
কোন নিশ্চয়তা নেই।
যদি সুযোগ থাকে তাহলে বিপদের সময় সবার পাশে দাড়াও,,
এটাই কি যৌক্তিক নয়?
মানুষের মৃত্যু দেখাটা কষ্টকর।
ধন্যবাদ।
সাবধানে বাড়ি যেয়ো।
যেহেতু আমরা দুজনেই মৃত্যুর কাছাকাছি।
আমি ভালো থাকবো।
আমি তোমাকে এটা আগেই দেখিয়েছিলাম , তাইনা?
আমি ক্লাস ফোর এ খাকতেই এটা হারিয়েছি।
একটা টিউমারের কারনে।
একদিন সকালে ঘুম থেকে ওঠে লক্ষ করলাম একচোখে দেখতে পাচ্ছিনা।
মা বললো, তোমার একটি চোখ কৃত্রিম যেটা আগের মতো আর কাজ করবেনা।
সে আমার জন্য সবচেয়ে ভালোটাই করেছিল।
তোমার এটা লুকানোর দরকার নেই।
তোমার চোখটি সত্যিই সুন্দর।
তারা বলেছিল, অপারেশনের সময় আমি প্রায় মারা যাচ্ছিলাম।
তারপর যা ঘটেছিল তা আমার ভালমতোই মনে আছে।
তোমার বিশ্বাস হয়?
বলতে চাচ্ছো মৃত্যুর স্বাদ?
মৃত্যু কষ্টকর।
এটা অন্ধকারাছন্ন, যতদূর দেখতে পাবে সব কালো,
এবং তুমি সেখানে একা।
শুধু একা...
হ্যাঁ, কিন্তু এটা বেঁচে থাকার চেয়ে আলাদা কিছু না, তাইনা?
আমাদের যতই আত্বীয়-স্বজন থাক না কেন,
আমরা সবাই একা।
আমি,মা...
এবং তুমিও।
মিসাকিও ।
আগামীকাল থেকে আমাদের দুরকম ভাবে শুরু হচ্ছে।
ওহ, হুম।
ক্লাবে স্বাগতম, সাকাকিবারা।
হ্যা..
ওহ খোদা, ভারতে এতো গরম কেন!
বাবা।
কি হয়েছে তোমার?
হেই, কি বলছো?
যদি আমার স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তিত থাকো, তাহলে বলবো আমি ভাল আছি।
আসলে...
মা কি কখনও তোমায় “জুনিয়র হাই স্কুল” এর ব্যাপারে কিছু বলেছে?
আ..? হঠাৎ এই কথা?
মা নবম গ্রেডের ক্লাস থ্রিতে ছিলো, তাইনা??
কিছু মনে পড়ছে?
আহ.....
নাহ..!
কিছুই না?
আসলে, কিছু একটা বলেছিল মনে হয়....
রিতসুকো যখন ক্লাস থ্রিতে ছিলো, তাইনা?
যাইহোক, কেমন লাগছে,
দের বছর পর ইয়োমিয়ামায় ফিরে?
দেড় বছর??
জুনিয়র স্কুলে ভর্তির পর তো এখানে প্রথম আসলাম।
হাহ? না, আমি নিশ্চিত যে—
ও আচ্ছা।
হ্যাঁ, ঠিক বলেছো।
আমারই ভুল।
কে মারা গেছে?
জুন ৮ (সোমবার) অনুশীলনী চর্চা কোন ফিসফিস নয় ঘোরাঘুরি নয়
মিসাকি!
সাকাকিবারা!
এটা করা ঠিক হবেনা...
মা তোমার জন্য খাবার তৈরি করে দেয়না?
মাঝেমাঝে। যখন ইচ্ছা হয়।
তবে সত্যি বলতে, খুব ভালো হয়না সেগুলো।
তুমি রান্না পারো?
একদমই না।
আমি কেবল রান্না খাবার গরম করতে পারি।
আমার বয়সী একজন বাচ্চার জন্য এটাই যথেষ্ট না?
আসলে আমি কিছুটা রান্না পারি।
সত্যি?
অবাক হলাম।
আগের স্কুলের ক্লাবে রান্না করেছিলাম।
তাহলে তো তোমার হাতের রান্না খেতে হয়।
অবশ্যই, কেন নয়।
যাইহোক,
এর আগে তুমি এখানে কিছু আঁকছিলে।
ওটা কি শেষ হইছে?
হয়েছে।
তুমি ওটার ডানা দিয়েছো?
হুম।
তোমায় দেখাবো... কোনো একদিন।
আচ্ছা।
তুমি কি শখে আঁকো?
আমি মনে করি,আঁকাআঁকিটা একটা শিল্প, কোন কিছু তৈরির চেয়ে।
আমি বেশি ভাগ সময়ই আর্ট বই দেখি।
আমাদের বাড়িতে প্রচুর আছে।
তুমি কখনও যাদুঘরে গিয়েছো?
না, এখানে খুব বেশি কিছু নেই।
তবে কোন একদিন আমার সাথে টোকিও যেতে পারো।
আমরা সেখানে যাদুঘরে যেতে পারবো।
No comments yet. Be the first to leave one.