The first 200 lines.
[ সিনেমাটি জুড়ে আমেরিকার রাজনীতি ও সংস্কৃতিসমাজের প্রচুর রেফারেন্স আছে। মূলভাব বজায় রেখে সেগুলো সহজবোধ্য করতে তুলনামূলক পরিচিত ও জনপ্রিয় শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে।]
আমি গানারি সার্জেন্ট হফম্যান, তোদের সিনিয়র ট্রেইনার।
এখন থেকে তোরা কেবল আদেশ পেলে কথা বলবি...
...আর তোদের গন্ধ-ভরা মুখে ''স্যার'' ছাড়া আর একটা শব্দও যেন না শুনি।
বুঝলি, কুলাঙ্গারের দল?
জি, স্যার।
বাকোয়াজ। কিচ্ছু শুনতে পাইনি। মাইয়াদের মত আওয়াজ তোদের।
জি, স্যার।
হিজরাগুলান যদি আমার থেকে রেহাই পেয়ে ট্রেইনিং-এ উত্তীর্ণ হতে পারিস,
মারণাস্ত্র হয়ে উঠবি তোরা।
যুদ্ধে যাওয়ার যোগ্য সিপাহীতে পরিণত হবি তোরা।
কিন্তু ততদিন পর্যন্ত, তোরা কুলাঙ্গার।
দুনিয়ার সবচেয়ে নিকৃষ্ট প্রাণী তোরা।
মানুষ হওয়ার যোগ্যও না তোরা এখন।
তোরা হচ্ছিস অগোছালো, পুটকি মেরে বেড়ানো অমানুষের দল।
কারণ আমি কঠোর ; আমাকে পছন্দ হবে না তোদের।
কিন্তু যত আমাকে ঘৃণা করবি, তত বেশি শিখবি।
আমি জাতে মাতাল, তালে ঠিক।
কোনো জাতিকে ছোট করা চলবে না এখানে।
নিগ্রো, ইহুদী, ইতালিয়ান, মেক্সিকান সবাই আমার চোখে সমান।
আমার চোখে সবাই অপদার্থ তোরা।
আর আমার নিয়ম হচ্ছে সব অপদার্থের দল ছাঁটাই করা...
...যারা না খেটেই আমার সেনাবাহিনীর অংশ হতে চায়।
বুঝলি, কুলাঙ্গারের দল?
জি, স্যার।
বাকোয়াজ। কিচ্ছু শুনতে পাইনি।
জি, স্যার !
- তোর নাম কী রে, হারামি? - সিপাহী ব্রাউন, স্যার !
বাকোয়াজ। এখন থেকে তুই সিপাহী দুদুমিয়া।
- পছন্দ হয়েছে নামটা? - জি, স্যার !
কিন্তু একটা জিনিস তোর পছন্দ হবে না, দুদুমিয়া।
আমাদের মেসে নিয়মিত মুরগির রোস্ট আর তরমুজ পাবি না।
জি, স্যার !
গরিবের জেমস বন্ড নাকি? ওটা কি তোমার বন্ধুক?
কে বলল রে?
কোন হারামি বলল রে?
নির্লজ্জ, সাম্যবাদের দালাল, ফাজিল আবালচোতটা কে রে...
...যে নিজের পায়ে কুড়াল মারল?
ধোঁয়া তুলসি সবাই?
'ঠাকুরমার ঝুলি'র ঠাকুরমা বলেছে তাহলে। খেয়েদেয়ে কাজ নাই।
না মরা পর্যন্ত তোদের দেহ-ধোলাই করবো।
দেহ-ধোলাই করবো যতক্ষণ না তোরা ন্যাতায়ে পড়িস।
- তুই বলেছিলি, বাটপার কোথাকার? - না, স্যার।
হুমুন্দির পুত। দেখতে তো তেলাপোকার মত। নিশ্চিত তুই-ই বলেছিলি।
- না, স্যার। - আমি বলেছি, স্যার।
বলিস কী !
ঘটনা কী? অনেক মজায় আছিস বুঝি। সিপাহী জোকার।
তোর সততা প্রশংসাযোগ্য।
তোকে ভালো লেগেছে আমার। বাড়ি এসে আমার বোনকে লাগাতে পারিস।
হারামির বাচ্চা। চিনে রাখলাম তোকে। খবর আছে তোর।
হাসবি না। কাঁদবি না।
তোকে যা বলবো, তাই করবি। আমি শেখাবো তোকে।
ওঠ এবার। নিজের পায়ে দাঁড়া।
শুধরে যা, নইলে তোর মাথার স্ক্রু-ঢিলা করে ঘাড় মটকাবো।
- জি, স্যার। - সিপাহী জোকার, সেনাবাহিনীতে কেন এসেছিস?
- মারার জন্য, স্যার। - মানে তুই খুনি?
- জি, স্যার ! - যোদ্ধার মত চেহারা কর দেখি।
- স্যার? - পারিস যোদ্ধার মত চেহারা করতে?
এই না হলে যোদ্ধার চেহারা। এবার তুই যোদ্ধার মত চেহারা কর।
বাকোয়াজ। মনে ধরল না। সত্যিকার যোদ্ধার চেহারা কর।
ভয় পেলাম না। চেষ্টা চালিয়া যা।
জি, স্যার !
অজুহাত কী দিবি?
কীসের অজুহাত, স্যার?
প্রশ্ন করার কাজ আমার, সিপাহী। বোঝা গেছে?
- জি, স্যার ! - অসংখ্য ধন্যবাদ।
- জনাব অনুমতি দিলে কিছু প্রশ্ন করি? - জি, স্যার !
- ঘাবড়ে গেছিস? ভয় পাচ্ছিস? - জি, স্যার।
- আমাকে দেখে ভয় পাচ্ছিস? - স্যার....
স্যারের পর কী? আবালচোত বলতে যাচ্ছিলি আমাকে?
- না, স্যার। - তোর উচ্চতা কত, সিপাহী?
৫'৯", স্যার।
৫ ফুট ৯ ইঞ্চি। গোবরের স্তূপের উচ্চতা এত বেশি হয় জানতাম না।
তোর সেই গোবর আমার গায়ে ছিটাতে চাচ্ছিস?
- না, স্যার। - বাকোয়াজ। দেখে মনে হয়, তোর ভালো অংশটুকু...
...জন্মের সময় তোর মায়ের পটি দিয়ে বেড়িয়ে গিয়েছিল।
মনে হচ্ছে তুই ঠকেছিস।
তুই কোথাকার, সিপাহী?
- টেক্সাস, স্যার। - কস কী মমিন ! টেক্সাস?
টেক্সাসে তো যত্তসব বলদ আর সমকামী পয়দা হয়, সিপাহী কাকাবাবু ।
কিন্তু তোকে দেখে যেহেতু বলদ লাগে না, তাই সেই সম্ভাবনা বাদ।
- ধোন চুষিস? - না, স্যার।
- সমকামী নাকি তুই? - না, স্যার।
আমি নিশ্চিত, তুই তোর বয়ফ্রেন্ডের পুটকি মারিস...
...কিন্তু তাকে তোরটা মারতে দেয়ার ভদ্রতা দেখাইস না।
তোর ওপর নজর রাখবো আমি।
তোর বাপ-মার কোনো জীবিত সন্তান হয়েছিল?
- জি, স্যার ! - নিশ্চিত আফসোস হচ্ছে তাদের।
তুই এতই কুচ্ছিত যে তোকে জাদুঘরে সাজিয়ে রাখা উচিৎ।
- তোর নাম কী রে, মোটা-মামা ? - লিওনার্দ লরেন্স, স্যার।
লরেন্স? আরবের লরেন্স?
- না ,স্যার। - রাজকীয় নাম। তুই রাজবংশের?
- না, স্যার। - ধোন চুষিস?
- না, স্যার। - বাকোয়াজ। নিশ্চিত তুই ক্রিকেট বলকে...
- ...ধোনের বিচি মনে করে খেলিস। - না, স্যার।
লরেন্স নামটা আমার পছন্দ হয়নি।
কেবল হিজড়া আর নাবিকদের নাম লরেন্স হয়।
- এখন থেকে তুই হচ্ছিস গোপাল ভাঁড়। - জি, স্যার !
আমি কি সুন্দরী কমলা, সিপাহী গোপাল? হাস্যকর লাগে আমাকে?
- না, স্যার। - মুখ থেকে দাঁত-কেলানো হাসিটা সরা।
জি, স্যার।
আরেকবার করলে তুই শেষ, ময়নাপাখি।
- চেষ্টা করছি, স্যার। -সিপাহী গোপাল, ৩ সেকেন্ড দিচ্ছি তোকে...
...একদম ৩ সেকেন্ড দিচ্ছি...
... মুখ থেকে বলদমার্কা হাসিটা সরানোর জন্য...
...নইলে কোটর থেকে চোখ উপড়ে তোর বারোটা বাজাবো।
১। ২। ৩।
- পারছি না, স্যার। - বাকোয়াজ। হাঁটু গেড়ে বয়, হারামির বাচ্চা।
নিজের গলা টেপ এবার।
আমার হাত দিয়ে, ফইন্নির পুত।
আমার হাত ওখানে টানিস না। নিজের গলা টিপতে বলেছি।
এবার সামনে ঝুঁকে গলা টেপ নিজের।
- হাসি ছুটেছে এবার? - জি, স্যার !
বাকোয়াজ। কিচ্ছু শুনতে পাইনি।
জি, স্যার।
বাকোয়াজ। এখনও শুনতে পাইনি। মাইয়াদের মত আওয়াজ তোর।
জি ,স্যার।
অনেক হয়েছে। খাড়া হ।
গোপাল, দ্রুত এখান থেকে কেটে পড়ে ট্রেনিং-এ কোমর বেঁধে লাগবি...
...নইলে তোর ছাল তুলবো পিঠের।
জি, স্যার।
বাম, ডান, বাম, ডান ; বাম, ডান, বাম।
বাম, ডান, বাম, ডান, বাম।
বাম, ডান, বাম, ডান, বাম...
প্যারিস আইল্যান্ড, দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়া...
...মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী সংগঠন কমিটি।
অস্বাভাবিকরকম কষ্টসহিষ্ণু ও ভয়াবহ সাহসী সৈন্য তৈরির ৮ সপ্তাহ'র প্রশিক্ষণশালা।
আম্মা আর বাবা শুয়ে ছিলেন খাটে
আম্মা আর আব্বা শুয়ে ছিলেন খাটে
আম্মা পাশ ফিরলেন আর কইলেন
আম্মা পাশ ফিরে কইলেন
- ওহ, আমায় দাও একটু, আমায় দাও একটু - ওহ, আমায় দাও একটু, আমায় দাও একটু
- দেহ-ধোলাই। - দেহ-ধোলাই।
- দেহ-ধোলাই। - দেহ-ধোলাই।
- মজা পাবা তুমি - মজা পাবা তুমি
- মজা পাবো আমি - মজা পাবো আমি
- খুব মজা - খুব মজা
উঠে যাই সকালে যখন সূয্যিমামা উঠে যান
উঠে যাই সকালে যখন সূয্যিমামা উঠে যান
ছুটে যাই সারাদিন যতক্ষণ না ছুটে ঘাম
ছুটে যাই সারাদিন যতক্ষণ না ছুটে ঘাম
হো চি মিন একটা কুত্তার বাচ্চা
হো চি মিন একটা কুত্তার বাচ্চা
নির্লজ্জের মত মারে হাত বলে বউ বলে, ''আমি গেলাম, চাচা''
নির্লজ্জের মত মারে হাত বলে বউ বলে, ''আমি গেলাম, চাচা''
বাম, ডান, বাম, ডান, বাম।
তোদের বাম কাঁধে।
বাম, ডান, বাম। বামে ধর।
বাম, ডান। খাড়া হ। থাম।
বাম কাঁধে।
সিপাহী গোপাল, আমার সুসজ্জিত সেনাদলের সাথে কী করার ফন্দি তোর?
- জানি না, স্যার। - তুই একটা আবাল, সিপাহী গোপাল...
... কিন্তু এটা কি বিশ্বাসযোগ্য যে তুই ডান থেকে বামে যেতে অক্ষম?
- না ,স্যার। - তাহলে ইচ্ছা করেই করেছিস কাজটা।
- নিজেকে বাকিদের থেকে আলাদা দেখাতে চাস। - না, স্যার।
- কোনদিকে রাখার কথা, সিপাহী গোপাল? - বাদিকে, স্যার।
- শিওর তো, সিপাহী গোপাল? - জি, স্যার !
- এইটা কোনদিকে ছিল, সিপাহী গোপাল? - ডানদিকে, স্যার।
আর যদি গুটিবাজি করিস আমার সাথে, গোপাল।
ক্যাপ তুলে নে।
জি, স্যার।
তোদের বাম কাঁধে।
বাম ,ডান, বাম। বায়ে ধর।
বাম কাঁধে।
তোদের ডান কাঁধে।
বাম ,ডান, বাম, ডান। তোদের বাম কাঁধে।
বাম, ২, ৩, ৪।
তোদের ডান কাঁধে।
আজরাতে হতচ্ছাড়াদের দল রাইফেল সাথে নিয়ে ঘুমাবি।
নিজেদের রাইফেলের একটা মেয়েলি নাম দিবি।
কারণ এখানে এই রাইফেলই তোদের সবসময়ের সঙ্গী।
প্লেবয় ম্যাগাজিনের মডেলদের দেখে হাত মারার দিন শেষ।
লোহা এবং কাঠের তৈরি এই অস্ত্র এখন থেকে তোদের বউ।
ধোঁকাবাজি করবি না এর সাথে।
হাতে নে (রাইফেল)।
চড়ার জন্য তৈরি হ।
চড়।
বায়ে ধর।
প্রার্থনা কর।
এটা আমার রাইফেল।
এরকম আরো আছে, কিন্তু এই রাইফেলটি একান্তই আমার।
আমার রাইফেল আমার প্রিয় বন্ধু।
আমার জান।
এটাকে ততটাই যত্নে রাখবো, যতটা রাখি আমার জীবনকে।
আমি ছাড়া আমার রাইফেল অকেজো।
আমার রাইফেল ছাড়া আমি অকেজো।
আমি আমার রাইফেলের সদ্ব্যবহার করবো।
শত্রুপক্ষ, যারা আমার রক্তপিপাসু, তাদের যেন কুপোকাত করতে পারি।
তারা আমাকে মারার আগে আমিই যেন তাদেরকে মারি।
আমার দ্বারাই হবে।
ঈশ্বরকে কথা দিচ্ছি।
আমি আর আমার রাইফেল দেশের রক্ষাকর্তা।
শত্রুদের অবস্থান আমাদের পদতলে।
আমাদের জীবন কেবল আমাদের হাতে।
শত্রুপক্ষকে পরাজিত করে আমরা যেন শান্তি ফেরাতে পারি।
আমীন।
রাখ এবার।
আরামসে।
শুভরাত্রি, হাফলেডিসগণ।
শুভরাত্রি, স্যার।
No comments yet. Be the first to leave one.