The first 200 lines.
এখানেই থাকতাম আমি।
বাড়িটার আগের রূপ দেখাতে পারবে?
আমি আপনাকে আমার বাড়িতে দেখেছি।
- এটা গোপন রাখতে পারবে? - এখানে কেন এসেছিলেন?
তুমি অনেক ছোট আর দুঃখ ভারাক্রান্ত ছিলে।
আমি তোমার যত্ন নিয়েছি।
তোর বাবা প্রতিটা পয়সা বিদ্রোহে উজাড় করে দিয়েছে।
আর পয়সা শেষ হওয়া মাত্র, লোকজনও ভেগে গেছে।
সে আমাকে বাঁচাতে গিয়ে মরেছে। আমাকে তার কাজ এগিয়ে নিতে হবে।
ভিনসারের গোটা বাহিনী আমাদের পিছন মারতে আসছে।
চলো।
দুঃসংবাদ। তোমার শিপ আস্ত নেই।
যদি দ্রুত মাদ্রিগাল ছাড়ার রাস্তা খোঁজো,
২০০ মাইল দক্ষিণ থেকে মালবাহী শিপ রওয়ানা দেয়।
তোমার মেরুদন্ডে বসানো হরমোনের ঔষধটি...
নেতিবাচক আবেগ পরিহার করে আর মিশনের দিকে মনোযোগ রক্ষা করে।
এটি তোমাকে স্পার্টান বানানোর একটি অংশ।
চাং'গাগামু। পবিত্র রিং।
কভেন্যান্টরা এটার কথাই বলছিল বলে মনে হয়?
হালো?
পিশাচটা আমার পরশ পাথর কোথায় নিয়ে গেছে?
আমি কিছুই বলবো না।
আমরা মাদ্রিগালের পথেই ফিরে যাবো।
আর পবিত্র রিং খুঁজে বের করবো।
দ্বিতীয় বস্তুটি এখানেই এরিডিনাসে আছে।
আর আমি জানি সেটা কোথায়।
এই রাস্তাটি অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিল্ডিং পেরিয়ে...
এলিসিয়াম ফিল্ড নামক জায়গাটি বরাবর এসেছে।
এখানেই শেখানোর কাজ চলে।
প্রকৃতি নিয়ে পড়াশোনাই আমাদের মূল লক্ষ্য,
মাটিতে চারা বোনার প্রযুক্তি নিয়ে।
পারিসা, ক্যাটরিনা,
- সুপ্রভাত। - সুপ্রভাত।
বুননগুলো সুন্দর লাগছে।
গ্রহগুলোর বিপ্লব সবখানেই ছড়িয়ে পড়েছে,
এমনকি আমাদের এই ছোট্ট নিরিবিলি গ্রহতেও।
এতে রিচ লাইফ প্রোজেক্টটি আরো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
কিন্তু এসব তো নিশ্চয়ই জানেন, নইলে পরিবার নিয়ে এখানে থিতু হতে চাইতেন না।
বাচ্চাদের কি এখানে মানিয়ে নিতে কষ্ট হয়েছে?
ঠিক তার উল্টো।
তারাও তাদের বাবা-মা'র উদ্দমে উদ্দীপ্ত হয়েছে।
দেখতেই পাচ্ছেন প্রাণের বিকাশে তারা কতোটা নিবেদিত।
তারা মজা করতেও ভালোবাসে।
এটুকুই জোর তোমার, রোলান্ড?
- থামো! - কী, ভয় করছে?
- ওহ, দেখ! উপরে! - জন!
বাঁচাও।
প্লিজ!
আমাকে তোলো!
জন! জন! জন!
- ওকে ওঠাও! - ওকে ওঠাও!
ঠিক আছো?
অবিশ্বাস্য ছিল তো!
মাঝেমাঝে বেশিই মজা করে ফেলে।
তো, আমাদের ছোট্ট স্কুলটা কেমন লাগলো?
আমার মতে স্কুলটা অসাধারণ।
তুমি কী বলো, ডার্লিং? তোমার কী মনে হয়?
হুম। হ্যাঁ, ভালোই লাগলো। হ্যাঁ।
এবার পাখির খাঁচার পাশ দিয়ে ফিরবো।
আমাদের বিজ্ঞানীরা বসতিতে অনেক ধরণের পাখি উন্মোচন করছে।
ওহ, চমৎকার।
ড: কিইস।
আপনার আর কোনো ফরমায়েশ না থাকলে,
আমাদের মাস্টার চীফের সাথে যোগ দেবার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বেশ তাহলে।
শুভকামনা রইলো, কাই।
আপনার জন্যও, ম্যাম।
আশা করি যা খুঁজছেন তা পেয়ে যাবেন।
এরিডিনাসে স্বাগতম।
একদম সময়মতো এসেছিস।
হলসি কী করছে, নিজস্ব বসতি স্থাপন করছে?
আয়, উঠে পড়।
এই অস্থায়ী ক্যাম্পে সে যে পরিমাণ টাকা ঢেলেছে,
যে কেউই বুঝবে হলসি পাথর থেকে স্মারকটা বের করার উপায় বের করে ফেলেছে।
- তাহলে সমস্যা কী? - সে জানলেও, কিছু বলছে না।
সেজন্যই তোকে ডেকে পাঠিয়েছি।
শুনেছি এখন নিজের টিম চালাচ্ছিস।
মনে হলো এবার সময় হয়েছে সবাইকে তোর তাক লাগিয়ে দেবার।
তোর মাকে সহ।
ধন্যবাদ।
সে এখন কোথায়?
গুহার ভেতরে,
তার নতুন আবিষ্কারের সাথে।
মাস্টার চীফ, স্মারকটির কিছু তথ্য।
এটির গঠনপ্রকৃতির বিশ্লেষণ বলছে এটি যে শক্তি উৎপন্ন করতে পারে...
তা মাদ্রিগালের স্মারকটির চাইতে বহুগুণ বেশি।
সাইজ বিবেচনা করলে, আশ্চর্যের কিছু নয়।
চীফ?
জন, কর্টানা কী বললো শুনেছো?
তোমার আর অন্যদের জন্য এটা সাংঘাতিক নিরাপত্তাজনিত ব্যাপার।
আরো পরীক্ষা করার আগ পর্যন্ত,
আমি চাই তুমি এটা থেকে দূরে থাকো।
বুঝেছো?
অনুবাদে: 〄 AsadujJaman 〄
আমার শিপ নিয়ে ভেবেছিস আমি চুপ থাকবো।
ওটা ভাঙাচোরা অবস্থায় কিনবো ভেবেছিস?
নিজের টাকা আর সময় মেয়েটার পেছনে ব্যয় করছি।
জি না, স্যার।
ধুরো!
শিট।
ওহ। ফাটা কপাল রে!
- অস্থির দেখিয়েছেন। এবার কী? - সকালের মধ্যেই রাবলে পৌঁছে যাবো।
তাই নাকি? দেখে তো মনে হচ্ছে না কোথাও যেতে পারবো।
ওহ, হ্যাঁ, পারবো।
- মালবাহী শিপটা মিস করবো না। - আচ্ছা, আপনি যান।
আমার কাজ শেষ হয়নি।
হেই, আমাকে যদি একাও লড়তে হয় তবে একাই মাদ্রিগালকে স্বাধীন করবো।
বয়ানটা অস্থির ছিল। সত্যি।
কিন্তু তোমার মুক্তিযুদ্ধের দিন শেষ।
তুমি এখন আমার।
দাঁড়ান, কী?
আপনি এমন করতে পারেন না।
তুমি ঋণী!
একটা শিপ আর একগাদা ডিউটেরিয়াম বেচা টাকার।
সেই মূল্য পরিশোধ করবে তুমি।
কে জানে?
তোমাকে আধা দস্যুও বানিয়ে ফেলতে পারি।
কোথায় যাচ্ছেন?
আরেকটা গাড়ি খুঁজে আনতে!
মালবাহী শিপটা এখান থেকে একশো মাইলেরও বেশি দূরে।
আর আমি এখানে বসে কী করবো?
ভয়ানক বিছাগুলো থেকে সাবধানে থেকো!
হারামজাদা!
- অভিনন্দন, এটা খুঁজে পেয়েছো। - হ্যাঁ।
জিনিসটা বের করতে কতোক্ষণ লাগবে জানো?
মনে হয় না বেশিক্ষণ লাগবে।
- এডুন, তোমার কী মনে হয়? - বেশিক্ষণ লাগবে না, ডক্টর।
এই কাচের স্তরটা প্রাকৃতিকভাবে এতো স্বচ্ছ হয়ে তৈরি হতে পারে না।
আমি এটা নিয়ে কিছু পরীক্ষা করতে চাই।
ওটা এমন কোনো কাজে আসতে পারে যা আমরা এখনো জানি না।
- এডুন। - জি, ডক্টর।
আমি দুটো খন্ডের-ই অন্তর্নিহিত বলক্ষেত্রের তুলনা করে দেখতে চাই। দেখো।
বোধহয় আমরা সংযোগস্থলটি অনুমিত পরিমাণ ফাকাই পাবো।
হ্যাঁ।
স্মারকটি পাথর থেকে বের করা মাত্র,
আমাদের মিশন হচ্ছে যতো দ্রুত সম্ভব ওটাকে পায়োনিয়ারে নেওয়া,
কভেন্যান্টরা আমাদের অবস্থান জানার আগেই।
স্মারকটি শিপে উঠানো মাত্র,
চীফ চান ওটা নিয়ে উড়াল দিয়ে রিচে ফিরে যেতে।
- হেই। ভ্যানেক। - হুম?
কখনো ভেবেছো যে ওরা কী চায়?
- কারা? - কভেন্যান্টরা।
ওরা গুহার ভেতরের জিনিসটা চায়।
হ্যাঁ, কিন্তু ওরা আসলে কী চায়?
আমাদের মারতে, যেমন আমরা তাদের মারতে চাই।
কখনো কি ভেবেছো কেন?
না।
কখনো কি ভেবেছো কেন এটা নিয়ে কখনো ভাবোনি?
ভাবছি চুলে লাগানো ওই বন্দুকের ময়লাগুলো তোমার ঘিলুতেও ঢুকে পড়লো কিনা,
যত্তসব আহাম্মকি টাইপের প্রশ্ন করছো।
কী দেখছো তুমি?
ওহ, হ্যাঁ। আমিও ওটা খেয়াল করেছি।
রঙটা মানিয়েছে তার সাথে।
কাই। আমার সাথে এসো।
চীফ, কী হয়েছে?
তোমার হেলমেট খোলো।
কেন?
খোলো ওটা।
ডেল্টা টিম, ৩০ মিনিটের মাঝে পরিদর্শনের জন্য জড়ো হও।
ডেল্টা টিম, ৩০ মিনিটের মাঝে পরিদর্শনের জন্য জড়ো হও।
ঔষধটা কখন সরিয়েছো তুমি?
আপনাকে সরাতে দেখার পরপর-ই।
- ওহ, কাই। - না, এখন বুঝে গেছি।
সারাজীবন ধরে, আমরা কেবল লক্ষ্যবস্তু আর মিশন-ই দেখেছি।
কিন্তু এখন...
অনেককিছু দেখছি, জন...
আর যতো বেশি দেখছি, ততো বেশি ইচ্ছা করছে...
আমি...
জানি না।
এটা বোঝানোর মতো কোনো শব্দ আছে?
তোমাকে যুদ্ধের অনুমতি দিতে পারবো না, কাই।
- কেন? - তুমি অন্যমনস্ক।
- আমার চোখ খুলেছে। - তুমি নিজের ও অন্যদের জন্য বিপজ্জনক।
চীফ, আমি লড়াই ভুলে যাইনি।
তোমাকে অব্যাহতি দিলাম, কাই।
ড: কিইসের শিপে ফিরে যাও,
আর রিচে পৌঁছানোর আগ পর্যন্ত নামবে না।
জি, স্যার!
আর আপনি কী করবেন?
আপনিও আপনার ঔষধ সরিয়েছেন।
আমি এতো বিপজ্জনক হলে, আপনি কী?
আলফা টিম!
সে ঠিক বলেছে।
ঔষধ সরানোর পর তোমার যুদ্ধের সক্ষমতা এখনো পরীক্ষা করা হয়নি।
বলতেই হচ্ছে কাই প্রতিবাদ করায় তাকে নিয়ে গর্বিত আমি।
গবেষণা বলে হালকা মনমালিন্য যেকোনো কাজের সম্পর্কের জন্য ভালো।
- কর্টানা? - হ্যাঁ, চীফ।
একটা উপকার করো।
- যা চাই বলো। - চুপ থাকো।
ভালোমতো চিন্তা করতে পারি না।
ওহ, আমি পারি, আর বেশিকিছু মিসও করছো না।
মহামান্য।
কিছু পেলে?
ক্ষমা করবেন, মহামান্য,
কিন্তু পবিত্র বস্তুটি মাদ্রিগালে নেই।
আমি জানি ওটা আর এখানে নেই।
কিন্তু ওটা এখানে সক্রিয় হয়েই সংকেত প্রেরণ করেছিল।
বড়ো পরশ পাথরটির কাছে পৌঁছাতে এটুকুই যথেষ্ট।
খুঁজতে থাকো।
জি, মহামান্য।
No comments yet. Be the first to leave one.