The first 200 lines.
সবাই চুপ, সবাই চুপ!
এই যে, লাল শার্ট! আপনি ১০ মিনিট দেরিতে এসেছেন!
পা দিয়ে ধুপধাপ শব্দ না করে যেতে পারেন না?
উশেরার, দয়া করে ওকে ওর সিটটা দেখিয়ে দে!
আপনাদের গল্প করে কি মন ভরেনি? শো শুরু হতে চলেছে।
শো শুরু করো!
আপনি হয়তো আপনার পরিবার বা বন্ধুদের সাথে এই ছবিটি দেখতে এসেছেন।
আপনি কি আপনার পাশে থাকা কোনও অচেনা ব্যক্তির দিকে তাকিয়ে হাসি দিবেন?
শুধু ১৮০ মিনিটের এই সিনেমাতেই নয়,
যদি রাস্তায় একেবারে অপরিচিত লোকের সাথে দেখা হলে, একে অপরের দিকে চেয়ে মানুষের মতো হাসতে পারে,
তাহলে সমাজ অনেক ভালো হয়ে যেত!
পরিবারগুলিই এরকম সুস্থ সমাজের ভিত্তি...
পিলারের পাথর!
সাবটাইটেল অনুবাদেঃ দিহান মাহমুদ, সাগর আহমেদ এস.কে রাকিব, মুহাম্মাদ নাজমুল হাসান
সবাই সবকিছু ঠিকঠাক করতে পারে না।
সীতা হলে খুব ভালো করে দিত।
মনে হচ্ছে, সে এখনও ঘুম থেকে ওঠেনি।
আমি কি তাকে জাগিয়ে দেবো?
আমি কী বলেছি?
তুমি সবসময় গল্প করার সুযোগের অপেক্ষায় থাকো।
আমি নিজে গিয়ে উঠাচ্ছি।
সীতা!
সীতা!
উঠে পড়, সোনা!
উঠে পড়।
উঠে পড়! তুই প্রতিদিনই আমার অনেক আগে ঘুম থেকে উঠিস।
আজ আবার তোর কী হলো?
তাহলে, উঠোনে আমিই নকশা এঁকে ফেললাম।
পরে আবার ঘ্যানঘ্যান করিস না যে, মামির চেয়ে আমার ডিজাইন অনেক ভাল হতো।
আমি তোকে উঠতে বলছি! তুই এত অলস কেন? উঠে পড়! উঠে পড় বলছি!
আরে!
তুই কখন রেডি হয়ে গেলি?
কখন হয়েছি? অনেক আগে!
বাড়িতে তোর মত মেয়ে থাকা দরকার। মন শান্ত থাকবে।
তারমানে, দেরী করে ফেলেছি!
নাগমনি, বাবু কি দুধ এনেছে?
ভুলেই গিয়েছিলাম!
ভূ-মাতা!
আমি যতবার মাটিতে পা রাখব, সেটাকে হাঁটার বদলে আপনি চুমু হিসাবে গ্রহণ করুন।
সীতা!
দাদিমা!
- সাবধান! - ঠিক আছে।
সাবধানে থাক!
এটা অবশ্যই এখানে থাকবে না!
- এটা ওখানে! - কেন?
যদি ভাবি এটা অবশ্যই এখানে থাকবে না, তাহলে এটা থাকবে নাহলে উল্টোটা হবে।
তুই এটাও জানিস?
জানি না আবার, আমি এমনিই এমনিই সব জানি।
আমি যখন খুব ছোট ছিলাম তখন এই জুঁই গাছ আমার শ্বাশুড়ি লাগিয়েছিলেন।
জানি না, উনি কোন শুভ সময়ে এটা লাগিয়েছিলেন,
এতে ফুল ফুটতেই থাকে!
মারা যাওয়ার আগে, সবাইকে জীবনে কিছু না কিছু ভাল কাজ করে যাওয়া দরকার।
ওনাকে জিজ্ঞেস কর, উনি কী করেছেন?
আমি আমার ছেলেকে তার স্বামী হিসাবে দিয়েছি। সে আর কী চায়?
আমাকে দাও, আমি বাসায় নিয়ে যাই।
- ঠিক আছে, স্যার। যাই, স্যার। - ঠিক আছে।
- নমস্কার, স্যার। - এত ভোর বেলা কোথা থেকে আসলেন?
মন্দিরের কাছে কাজ ছিল, কাজটা শেষ করে বাড়ি ফিরে যাচ্ছি।
- আমরা খামারের দিকে যাচ্ছি। - ঠিক আছে।
সব ঠিক আছে তো?
- না দেখার ভান করছ কেন? - নমস্কার।
খবর সব ভালো? ঠিক আছে, যাও।
সীতা!
জি!
সীতা তার বোনের মেয়ে!
সে জানে, মানুষ কী চায় আর তারা কী ভাবে!
- শাড়িটা তো ভাল! - খুব ভালো!
তোর মামি কোথায়?
প্রভু! আমরা যেন সমস্যাগুলি কাটিয়ে উঠতে পারি,
অহংকার থেকে আমাদের রক্ষা করুন!
কী?
ওখানে দেখো, প্রভু রাম আর সীতা! আর এখানে আমরা দুজন!
সমস্যা?
তুমি কি দেখনি, রাম সীতার গায়ে হাত দিচ্ছেন না।
হাসতে থাকো, আমরা এই হাসি নিয়েই ৩০ বছর একসাথে কাটিয়েছি।
অনেক দিন হয়নি?
- কী হয়েছে? - কী আবার হবে?
যদি সন্তানেরা সময় মত জীবন গুছিয়ে বিয়ে করে,
নাতি নাতনিদের দিয়ে এই বাড়িটা হাসিখুশি থাকলে কত সুন্দর হবে!
বড় ছেলে কী করবে, সেটাই ঠিক করতে পারে না।
ছোট ছেলে এমনভাবে কথা বলে, যেন সে এই দুনিয়ায় থাকে না।
- জানি না কীভাবে... - বাদ দাও।
সেরকম কিছু হলে, ওরা নিজেরাই সব সামলে নিতে পারবে।
অবশ্যই করতে হবে, না হলে তাদের জন্য আর কে করবে?
স্যার, শুভ সকাল... স্যার!
সকাল শুভ হওয়ার কী হয়েছে? জীবন শুধু ভুল পথেই চলছে!
গোল্লায় যাক তোমার শুভ সকাল।
প্রথমবারের মতো আমি কাউকে এত জোরে কম্পিউটারে টাইপ করতে দেখছি।
মুখে হাসিও নেই!
তোমাদের মুখ এমন গোমড়া করে রেখেছ কেন? মনে মনে ফন্দি করছ?
- কী হয়েছে? - নিচে কিছু দেখনি?
ইংরেজরা ইংরেজিতে বলেছে, তাতে সবাইকে বরখাস্ত করেছে!
তুমি ওকে কেন বলছ?
অন্যদের সম্পর্কে জানি না, তবে সে নিশ্চিত বেঁচে যাবে!
বস তার চাচা!
স্যার, চাচা আপনাকে ডাকছে।
সত্য কিনা তা যাচাই করে দেখছি।
আরেকটা চার!
আরে, আরেকটা চার!
আমরা খেলা নিয়ে শুধু শুধু চিন্তা করে আমাদের সময় কেন নষ্ট করছি, স্যার?
আমাদের প্রধানত যা প্রয়োজন তা হচ্ছে এটা!
তুমি কি আমাকে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে টিভি বন্ধ করে নিজের কাজে মন দিতে বলছ?
- ভিতরে এসো। - সে আগেই চলে এসেছে।
তোমার ছেলেকে শান্ত লাগলেও, তার কিন্তু শক্তি আছে।
বসো।
তুই আর কতদিন চুক্তি অনুযায়ী কাজের উপর নির্ভর করবি?
এতদিনে তোর আরেকটা কাজ পাওয়া উচিত ছিল।
আপনি কি আমাকে রাখছেন নাকি বাদ দিচ্ছেন?
এটাই তোর সমস্যা।
তুই হয়তো ভাবতে পারিস, তোকে এত ভালো করে চেনার পরেও তোকে সাহায্য করিনি।
অন্য কেউ যেন তোকে বলতে না পারে। তোকে অবশ্যই দ্রুত হতে হবে!
নতুন কোনো খবর আছে কিনা বলুন, আমি খুব বিরক্ত হয়ে আছি!
- এটাই তোর ... - আমার চেহারার দিকে তাকিয়ে বলুন!
আমি তোর দিকে তাকিয়েই বলছি!
২৩ বা ২৪ বছরের ছেলেরা প্রতি মাসে এক লাখ করে টাকা উপার্জন করছে।
তুই কি কখনও তাদের সাথে তুলনা করে নিজের অবস্থানের ব্যাপারে চিন্তা করেছিস?
তুমি সেটা না করে বরং রাগ করিস!
আমি তোকে ৬ বছর ধরে দেখছি,
তুই কি এখানের কাউকে কখনও শুভ সকাল বলেছিস?
কীভাবে বুদ্ধিমান হতে হয় জানিস না! কীভাবে বাঁচতে হয় জানিস না!
তোর বাবাও তোর মত সহজ সরল ছিলেন, আর তার সম্পত্তিও হারিয়েছিলেন।
মোট কথা হলো, দয়া দেখালে এমনই হয়।
যখন কঠিন সময় আসে, আমাদের মাথা নত করতে হয়!
দেখেন, বিক্রি করার মত আমাদের কাছে কিছু নেই!
আমি যদি এরকম থাকি তাতে সমস্যা কী? আমি আমার মতই থাকব।
"শুভ সকাল" না বলা নিয়ে বেশি চিন্তায় পড়েছে।
আমি আপনাকে সম্মান করি কিনা সেটা নিয়ে ভাবুন, অন্যদের ব্যাপারে ভাবতে হবে না।
মানুষ কি টাকা পয়সা তাদের সাথে নিয়ে যাবে?
অনেক লোক এই জায়গা ছেড়ে চলে গেছে, এখানের কেউ তাদের মনেও করে না।
এমন চাকরির দরকার নেই আমার!
আমরা এখানে এসেছি ৩ বছর হয়ে গেল।
৩০টি ইন্টারভিউ দিয়ে ফেলেছি। সফটওয়্যার কোম্পানির চাকরি পাওয়া এত কঠিন হয়ে গেল কেন?
আমাকে দিয়ে দে, জুনিয়র!
শান্তিমত একটু ধূমপানও করতে পারি না।
নে, ধূমপান করে মরে যা!
এমন কোমর সে কীভাবে বানাল? খুব পাতলা কোমর!
দেখতে তো সুদর্শন এবং শান্তি লাগছে। কিন্তু বাজে কথা বললেন কেন!
এমন গুন্ডাপান্ডা বন্ধু থাকলে যে কেউই এমন বলবে!
এটা কী হলো? বাজে কথা বললি তুই, আর দোষ পড়ল আমাদের উপর!
আমাদের বিজয়ওয়াদা হলে, জানো না, কী করে বসতাম।
আমিও বিজয়ওয়াদাতেই থাকি, আমার বাড়ি বেঞ্জ সার্কেলে!
ভাই, এখন তুই ওকে সামলা।
যখন তোমার বয়স ষাট হবে,
তখন তুমি এটা মনে করবে যে কিছু হ্যান্ডসাম ছেলে তোমাকে উত্যক্ত করেছিল।
সম্ভব হলে মানুষকে কাজের মধ্যে থাকতে উতসাহিত করো,
তাদের জোর করে অলস বানিয়ে দিও না।
কলেজে যাও, দেরী হয়ে যাচ্ছে।
সে ভাল ছিল, কিন্তু তোদের দেখে ডাইনি হয়ে গিয়েছিল।
বাড়ির মধ্যে একজন অবস্থান পাকা করলে অন্যরা সেটা সামলে নিতে পারে।
চাকরিতে ছোট বা বড় বলে কিছু নেই, যেটা পাবি সেটাই করবি!
আমার বাবা প্রচুর টাকা কামাচ্ছেন, কিন্তু নিজের টাকা কামানোর জন্য জোর দিচ্ছেন।
কিছুই বুঝতে পারি না।
হ্যালো?
হ্যালো?
কী খবর, ভাইয়া?
হ্যালো?
আপনার কথা শুনতে পারছি, বলেন।
- আমি... - আপনি...?
আমি চাকরি ছেড়ে দিয়েছি।
ভালো! আবারও শুরু করেছে।
অন্য কোন চাকরি খুঁজে পেয়েছেন?
ওসব নিয়ে পরে দেখব, আপাতত আমি চাকরি ছেড়ে দিয়েছি।
আপনি তো দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে নেন।
আমি এরকম কখনই করতে পারি না।
বাদ দে! সব কিছুর একটা সীমা আছে।
সারাজীবন কি এরকমই থাকব?
আপনি ঠিক বলেছেন, জিততে হলে আমাদের অবশ্যই বড় কিছু জিততে হবে।
কয়েক হাজার টাকার চাকরি করে কী লাভ। বাড়ি চলে যান! আমি এখানেই আছি।
বাবাকে এসব নিয়ে কিছু বলেছেন?
কাউকে কিছু বলিনি, আমি শুধু তোকেই বললাম।
এখান থেকে সবকিছু গুছিয়ে নিচ্ছি।
- আর কী? - আর কী, ভাইয়া?
- কিছু তো বল! - ঠিক আছে, বিদায়।
ঠিক আছে।
সব কিছুর সীমা আছে, তাই না?
সারাজীবন কি এরকমই থাকব?
ইনি হচ্ছেন কোন্ডাল রায়ের ছেলে!
তার কি নাম নেই?
মানুষ তাকে গোদু রাজু বলে ডাকে!
কিন্তু, কোন্ডাল রাও আবার কে?
কিরে, তোমার বাড়িতে আজ কী রান্না হচ্ছে?
সে চায় পুরো পৃথিবী যেন জানে যে আজ তার বাড়িতে মাছ রান্না হবে।
মূলকথা হলো, বাপ বেটা ভালো নাকি খারাপ মানুষ?
এমনকি ভগবানও এসব নিয়ে মাথা ঘামান না।
তাহলে আমরা কেন মাথা ঘামাচ্ছি?
দেখা যাক, তাদের ঝামেলা কীসের?
কিরে তাস খেলছিস? জোকার কে পেয়েছে?
কেউ পায়নি?
কেউ কীভাবে পাবে? জোকার তো আমার কাছে।
ফালতু জিলাপি খাচ্ছ, কাজিকায়ালু খাও না কেন?
নিজের চরকায় তেল দিন!
বলেছিলে তো তুমি দুবাই যাচ্ছ, যাওনি, নাকি ওরা তোমাকে ঢুকতে দেয়নি?
থাকার জন্য ভারতের চেয়ে ভাল আর কোন দেশ নেই।
যেখানে খুশি সেখানে আমরা হাঁচি, থুতু ফেলতে বা ঘুমাতে পারি।
কেউ বিরক্ত করলে তার বারোটা বাজিয়ে দেয়া যায়,
সেটা না করলে, সে তোমাকে বিরক্তও করবে আবার বারোটাও বাজিয়ে দেবে।
- সে একজন চালাক মানুষ! - আমি চালাক?
সে আমার শালাবাবু, ঠিক না? আমাকে নিয়ে মজা করে।
- কেমন চলছে সব? - ভালো, স্যার।
দেখো, ওকে দেখো! কী সুন্দর হাসি দিয়ে এদিকে আসছে!
No comments yet. Be the first to leave one.