The first 200 lines.
সবাইকে শুভেচ্ছা।
আমার জীবন যাত্রায়, অনেক মানুষের গল্প শুনেছি।
সেই গল্পগুলো বেশিরভাগই ছিল আকর্ষণীয় ৷
একদিন এক লোকের সাথে দেখা করি।
তার বলা বেশির ভাগ কথা, আমি বিশ্বাস করতে পারিনি
আমাকে সেই গল্পটি এখন বলতে দিন, এবং আপনারা কি মনে করেন আমাকে বলুন।
এটি একটি পরিবারের গল্প।
চিক্কু পান্ডি ও তার ভাইয়েরা।
তাদের বাবা দিয়ে শুরু করা যাক।
তার নাম হলো... কিন্তু, উনার নাম জানি না ।
তাদের পরিবার গুলো হিংস্র প্রকৃতির।
তবে তিনি একজন নীরব মানুষ।
কিন্তু উনার স্ত্রী হিংস্রটা পছন্দ করে।
উনার বড় ছেলে, তার শ্বশুর ও তার দ্বিতীয় পুত্রের
হিংস্রটা প্রতি অনেক ঝোঁক।
কিন্তু তাদের বাবা এটি পছন্দ করেনি।</
এই জন্য ছোট ছেলে চিক্কু পান্ডি কে নিয়ে , উনি পরিবার থেকে আলাদা হয়ে যায়।
তিনি বিশ্বাস করতেন চিক্কু জীবনে উন্নতি করবে
যদি তাকে তার ভাই ও দাদার , খারাপ প্রভাব থেকে বড় করা যায়
তিনি চিক্কুকে সাথে নিয়ে ক্যাসুয়ারিনা গাছের যত্ন নেন
এটা ছিল তার ব্যবসা।
তা ছাড়াও, তিনি অল্প সময়ের জন্য অর্থদাতাও ছিলেন।
চিক্কু পান্ডির সবসময়ই , প্রকৃতি নিয়ে প্রশ্ন থাকতো।
গাছ কেনো দৌড়ায় না?
কেনো তারা স্থির থাকে?
যদি গাছগুলো চলতে পারতো, তাহলে বাবা তাদের থেকে কিভাবে টাকা আয় করতো?
তাহলে কাকগুলো কোথায় বাসা তৈরি করতো?
গরিব মানুষ কি দিয়ে তাদের ঘর বানাতো ?
দুটি গাছ কি প্রেমে পড়ে,ডিম পারে?
এটা কি বিশ্বাসযোগ্য?
আমি যদি বলি ওইগুলো কাকের ডিম তুমি বিশ্বাস করবে ?
গাছ কাটার পরেও , এটি দাঁড়িয়ে থাকে
এটিই প্রকৃতি, এবং এটি তার বাবার ব্যবসায় সাহায্য করে।
চিক্কু পান্ডির এইসব আজব প্রশ্নের উত্তর কেউই দেয়নি।
তাই, আমিও আপনাদের সময় নষ্ট করবো না। আমিও এসবের উত্তর জানি না।
এখন শুধু আমার দিকে মনোযোগ দিন।
এবার গল্পে আসা যাক।
আমি আপনাদের চিক্কু পান্ডি সম্পর্কে ধারণা দেব।
সে খুব ব্যস্ত থাকার ভান করে, সকালে ঘুরে বেড়ায়।
সে প্রতিদিন স্কুলে যায়।
সে ক্রিকেট খেলে।
যদি শিক্ষিত হন তবে, লোকেরা আপনার গল্পে বিশ্বাস করবে
তার বাবারও এটা বিশ্বাস যে, সে একদিন অনেক বড় হবে।
সরকারও এ ধারণাটি প্রচার করে, এবং চিক্কু পান্ডিও এর বাইরে নয়।
আসলে কি তাই?
তার দাদা ও ভাইদের মত গুন্ডা না হয়ে,
সে তার বাবার ইচ্ছা মতো চলতে পছন্দ করে।
সে জানত তার বাবা তাকে রক্ষা করার জন্য পাশে আছে।
সে বিশ্বাস করতো তার জীবন সবসময় সহজ সরল থাকবে ।
সে গার্ডের ডিউটিতে থাকলে প্রস্রাবও করতে যায় না ।
গাছের শিকরে মহিষের মতো হেলান দিয়ে থাকতো
যতই কষ্ট হোক না কেন, আমাদের তাকে নিচ থেকে বর্শা মারতে হবে।
তারপর,রক্তের দাগ মুছে ফেলতে হবে।
তোর প্লান মতো কাজ করলে শেষ পর্যন্ত তাকে হত্যা করতে পারবো।
-ঠিক এটাই আমি বলেছিলাম. -আমার কথা শোন.
ওই শালা আমাদের শেষ শিকার.
চিক্কু ওকে ১২ নাম্বার বনে নিয়ে যাবে ।
কিভাবে?
ঐ সময় সে বনে কী করবে ?
-আরে শোন -সে আগেই বনে যাবে।
আমরা বনে গিয়ে নাম্বার ৩ ও ৪ কে আক্রমণ করবো।
তারপর ওই শালারে... ঠিক আছে ভাই।
এখন বলো,চিক্কু কোথায় থাকবে?
চিক্কু কোথায় থাকবে?
আরে চিক্কু!
চিক্কু !
আরে!
কী হইছে চিক্কু ?
এখানে মনোযোগ দে।
আমরা মার্ডারের প্লান করছি,
টয়লেটে যাওয়ার প্লান না!
লাইট অফ কর।
মোমবাতি নিয়ে আয়।
আবার প্রথম থেকে শুরু করা যাক।
এখানে ৬০ একর রাবার বাগান, এবং মাঝখানে বাংলো আছে।
আমাদের মেইন টার্গেট সাত্যায়াণ সেখানে থাকবে
সরি,গাধার বাচ্চা।
আমরা এখানে তাকে খুন করতে এসেছি।
এটাই পারফেক্ট টাইম বলে মনে হচ্ছে।
আশেপাশে খুব বেশি মানুষ নেই।
মাত্র পাঁচ থেকে ছয়জন কাজের লোক আছে।
রাতের ডিউটির পর তারাও ক্লান্ত হয়ে যায়
তাদের শিফট শেষ হওয়ার আগে, আমাদের কাজ শেষ করতে হবে।
অবশ্যই.
আমরা সকাল ৫ টায় এখান থেকে চলে যাবো।
আমি ভোর ৫:৪৫ মিনিটে কাঞ্জিরাপল্লীর, আগের মোড়ে নামবো ।
এবং দুই মাইল হাঁটার পর তাদের প্রতিবেশীর বাগানে পৌঁছাতে হবে ।
সেই সময়ে,আমিও কাঞ্জিরপল্লী বাস স্টপে নেমে হাঁটা শুরু করবো।
পনেরো মিনিট পর,
আমি গাধা টার বাড়ির চারপাশের বাগানে পৌঁছে যাবো।
পেরিয়া আন্না মিস কল দিলে আমরা বাগানের ২০০ ফুট ভিতরে যাবো।
সেই সময় পাহারাদার গুলা বন পাহারা দেবে।
অস্ত্র আমার হাতে থাকবে...
আমি তাদের পিছন থেকে মারবো।
তারপর,আমি যেখানে অস্ত্র লুকিয়ে রেখেছি সেখানে সবাই এক হবো।
সেখানে কয়েকদিন আগে পুঁতে রাখা অস্ত্র গুলা খুঁড়ে বের করবে।
আমিও তোমাকে সাহায্য করব।
আমি অস্ত্র নিয়ে গিয়ে,
ড্রাগন নোস এবং ড্রিল নোস কে মেরে ফেলবো।
অস্ত্র পাওয়ার পর আমি, শোয়ার্জনেগারের মতো লুকিয়ে রাখব।
কালো আর কঙ্কাল মুখো আমার ।
ট্যাক টিস মালটা আমার।
ট্যাক টিসকে অ্যাটাকের আগে, তাকে বোল্ডার দিয়ে মারতে হবে।
না হলে তাকে আটকাতে পারবো না।
ট্যাক টিস এর পাঁজর তার চরিত্রের চাইতে শক্ত।
কি বিশ্রী দুর্গন্ধ! সে কি খায়?
অসহ্য!
তার পাদ সেই দুর্গন্ধ।
এই রুমালটা মাথায় বেঁধে নেবার পর...
শুধু অ্যাকশন হবে।
কারণ …
আমার কাছে নয় ইঞ্চির অস্ত্র আছে।
আমি লালের সাথে তোমার কাছে আসব।
আমি যে কাজ দিয়েছিলাম, তা কি তোর মনে আছে?
নইলে আমি অস্ত্র নিয়ে সেখানে আসব।
লাল আর আমি ওখানে আসব।
যখন আমরা কাজটা করবো তোকে মাথা থেকে পা পর্যন্ত পিটাবো ।
আমি অনেক বার বলেছি।
তুই কি মনে করিস আমি তোমার পায়ে পড়বো?
তোকে কতবার বলতে হবে? তোকে চাবি দিয়েছি, তাই না?
স্ট্রবেরি ফ্লেভার ।
সেখানে তাদের অনেক জন আছে, আর আমরা মাত্র তিনজন!
এটা কি সত্যিই সম্ভব?
আমরা আমাদের বাবার জন্য এটা করছি।
আমি সত্যিই জানি না, আমরা জীবিত ফিরে আসবো কি না।
কিন্তু অন্য কোনো রাস্তা নেই।
এটা করতেই হবে।
আমরা যদি চালাকি করে, তাদের বডিগুলা নষ্ট করতে পারি ।
সবাই কে আমরা গর্বের সাথে বলতে পারবো গাধার বাচ্চাকে মেরেছি ।
চিক্কু পাণ্ডি ছিল প্রভুভক্ত প্রানীর মতো।
তার ভাইরা তাকে জঙ্গলের দিকে নিয়ে গেলো।
তারা যদি চিক্কুকে শত্রু দেখিয়ে দিয়ে ধরতে বলে,সে কি করবে?
এই ভীতু কুকুরটি সাহসী হওয়ার ভান করে দরজা বন্ধ করে ঘেউ ঘেউ করতে পারে।
পোষা কুকুর লেজ গুঁটিয়ে বাড়িতে ফিরবে।
নেক্সট স্টপ ।
এতো সকালে ১০০০ টাকার নোট দিয়ে কি করব?
-এখন ১০০ টাকারো খুচরা হবে না। -শেষ স্টপ।
নামার আগে বাকি টাকা নিয়ে নিয়ো।
থাম !
আরে! থাম!
আরে! কে সে?
দৌড়ে কোথায় যাচ্ছিস?
কত দূর দৌড়াবি?
আরে!
দয়া করে দৌড়ানো বন্ধ কর!
আমি আর দৌড়াতে পারছি না।
আমাকে যেতে দাও,আন্না।
আমি চুপচাপ চলে যাবো।
আমি চলে যাবো।
আমি আর বাড়ি ফিরবো না,আন্না।
প্লিজ, আন্না।
আমি চলে যাব।
বিশ মাইল!
আমি এখন কথা বলতে পারবো না।
দাড়াও
- সে কি তোদের পাশে আছে? -হ্যাঁ, সে এখানে।
কথা বলবে কি?
আরে চিক্কু!
আরে! নে ধর !
- হ্যালো? -হ্যালো?
তুমি কি আমার ছেলে?
কিসের জন্য তুমি জন্মছিলে?
তোমার বাবা আমাদের সবাইকে বের করে দিয়ে তোমাকে একা বড় করেছে!
কুচ্চার বাচ্চা!
একটা কুত্তার বাচ্চা তোমার বাবাকে মেরেছে।
তোমার কি সাহস নেই সেই ব্যক্তিকে মারতে?
তুমি কাপুরুষ!
তার গলা কেটে প্রমাণ করো যে তুমি তোমার বাবার ছেলে!
না হলে,মরে যাও! ফোনটা তোমার বড় ভাইকে দাও!
যদি সে আবার পালানোর চেষ্টা করে, তাকে ভাই বলে মাফ করবে না।
তোদের মা যেমনটা বলে ঠিক তেমনটা কর তাকে শেষ করো!
পরশু ওনামের উৎসব
কত বড় মাথা!
আমরা এই খাবারের জন্য তাদের মারতে পারি ।
শুধু তাকে মাফ নয়, আমরা জীবনটা ইনজয় করতে পারি।
এই শুয়োরের মাংস কেমন?
আন্না,এটা আমরা যা ভেবেছিলাম তার চেয়ে ভালো।
আমরা আমাদের কিছুটা এলোমেলো করছি।
আমরা দুই ঘণ্টা লেট আছি ।
আমরা কাল এটা করতে পারব না।
শ্রমিকরা ছুটির দিন বাদে রাবার বাগানে প্রতিদিন কাজ করে।
আজ তাদের ছুটির দিন, তাই এই দিন বেছে নিয়েছি।
আমরা আজ তাদের খুন করবোই।
আমরা এখনই এটির পরিকল্পনা করবো।
যেহেতু আমরা খুনের প্ল্যান করছি, তাই খাবার মজা করে খাবো।
আমাদের খিদা মিটানোর পর...
আমরা একে একে তাদের খুন করব।
আরে চিক্কু
একটা একটা করে বিবরণ দে।
-ভাই, এই নিন আপনার অ্যাপম । -এক শালার চেহারা তো নাই-ই ।
-এবং এটি ট্যাপিওকা। -আরেকটার মাথা মোটা শরীরে খালিই হাড্ডি।
-আর কিছু লাগবে? -টিকটিকির চাইতে অধম একটা।
-হবে হবে। -বেশি হয়ে গেলো?
ভাই…
মালায়ালামে " হাগু"কে কি বলেন ?
-শিট -হ্যাঁ.
আপ্পি বলে।
আপ্পি, তাই না?
তোর মুখেও কিছু আপ্পি লাগাই!
ছিঃ
No comments yet. Be the first to leave one.