Earth at Night in Colour

Earth at Night in Colour

Download Bengali Subtitle

Release info

Earth at Night in Color Episode 06 Bangla Subtitle
Earth at Night in Color Episode 06 Bangla Subtitle by Nurullah
Earth at Night in Color Episode 06 WebDL Bangla Subtitle
আর্থ এট নাইট ইন কালার এপিসোড ০৬ বাংলা সাবটাইটেল
বাংলা সাবটাইটেল - আর্থ এট নাইট ইন কালার [এপিসোড ০৬]
আর্থ এট নাইট ইন কালার এপিসোড ০৬ বাংলা সাবটাইটেল বাই নূরুল্লাহ
Earth at Night in Color - Bangla Subtitle [Episode 06]
Earth at Night in Color - Episode 06 (Cheetah Plains)
A Commentary by Nurullah_Mashhur
🔷🔴 রাতের আঁধারে লুকিয়ে থাকা প্রাণীজগতের বিস্ময়সমূহ তুলে ধরা হয়েছে এই ডকুমেন্টারিতে। টম হিডলস্টোনের বর্ণনায় মনোরম এই ডকু সিরিজটি এখন উপভোগ করুন মাতৃভাষায়। ষষ্ঠ পর্বে থাকছে কেনিয়ার মাসাই মারাতে বসবাসকারী চিতাদের জীবনকাহিনী। সিরিজের ডাউনলোড লিংক থাকছে প্রথম

Tags

other
Published on: 2021-02-05
Downloads: 29
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 96 lines.

রাত।

এক ছায়াচ্ছন্ন জগত যার আড়ালে লুকিয়ে থাকে আমাদের গ্রহের অর্ধেকের বেশি প্রাণী।

এখন পর্যন্ত, ক্যামেরায় কেবল তাদের জীবনধারার এক ঝলক ধরা পড়েছে।

কিন্তু নেক্সট-জেনারেশন টেকনোলজির সহায়তায়,

আমরা রাতকে দিনের মতোই স্পষ্ট দেখতে পারি।

মানুষের চোখের তুলনায় শতগুণ সেন্সিটিভ ক্যামেরার সাহায্যে...

আমরা এখন রাতের সৌন্দর্যকে ধারণ করতে পারছি...

রঙিন অবস্থায়।

ভিন্ন জগতের ভূদৃশ্য।

অন্ধকারে জেগে ওঠা অদ্ভুত প্রাণীকূল।

অদেখা আচরণ।

এখন আমরা প্রাণীদের জীবনযাত্রা অনুসরণ করতে পারছি...

পৃথিবীর শেষ সত্যিকারের বিজনপ্রদেশে...

রাত।

:.:.: Earth at Night in Color :.:.: Episode 06 অনুবাদক: নূরুল্লাহ মাশহুর

কেনিয়ার মাসাই মারার'র প্রান্তরে সূর্য অস্ত যাচ্ছে।

আফ্রিকার অন্যতম সুরক্ষিত বুনো অঞ্চল।

আর স্থলভাগের সবচেয়ে দ্রুতগামী প্রাণীর আবাসস্থল...

চিতাবাঘ।

এই ক্ষিপ্র বিড়ালদের সবসময় দিবা শিকারী বলেই ভাবা হতো।

এক কিলোমিটারের বেশি দূর থেকে তারা শিকারকে টার্গেট করে।

আর ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটারের বেশি গতিতে তাদের তাড়া করে।

অর্ধেকেরও কম প্রচেষ্টা সফল হয়।

আর আজ সন্ধ্যায়, এই তরুণ পুরুষটি সুযোগ নষ্ট করেছে।

সৌভাগ্যক্রমে, সে একাকী নয়।

চিতারা সাধারণত নিঃসঙ্গ (একাকী) থাকে।

কিন্তু তার একটা ভাই রয়েছে।

তাদের জন্মের দিন থেকেই, এই চার বছর বয়সী দুই ভাই অবিচ্ছেদ্য।

একত্রে কাজ করে, তারা তাদের ৬০ বর্গ কিলোমিটার শিকারক্ষেত্র রক্ষা করে।

কিন্তু আজ রাতে, একটা ব্যর্থ শিকারের অর্থ হচ্ছে ভ্রাতৃদ্বয় মূল্যবান শক্তি অপচয় করেছে

এবং অবশ্যই জলদি খাবার খেতে হবে।

সন্ধ্যা নেমে আসার সাথে সাথে...

তাদের শিকারের সম্ভাবনা ম্লান হয়ে যাচ্ছে বলে মনে হয়।

কিন্তু রাতজুড়ে এই দুই ভাইকে অনুসরণ করে...

জানা যায় ভিন্ন এক গল্প।

লো-লাইট ক্যামেরার সাহায্যে...

আমরা এখন চিতাদের রাতের দুনিয়া দেখতে পাচ্ছি...

সম্পূর্ণ ভিন্ন এক উপায়ে।

চাঁদের আলোয়...

চিতারা এক গোপন নৈশজীবন কাটায়।

ভ্রাতৃদ্বয় খেলাধুলাপ্রিয় আর অন্ধকারের পর আশ্চর্যজনকরকম বাকপটু।

বেশিরভাগ বড়ো বিড়ালের মতো চিতারা গর্জন করতে পারে না।

তবে তারা ঘরঘর আওয়াজ করতে পারে।

গৃহপালিত বিড়ালের ক্ষেত্রে, এটা তৃপ্তির লক্ষণ।

তবে ধারণা করা হয় চিতারা নিজেদের বন্ধন শক্তিশালী করার জন্যও ঘরঘর আওয়াজ করে।

আর আজ রাতে, ভ্রাতৃদ্বয়ের একে অপরকে যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি প্রয়োজন।

তাদের অবশ্যই শিকার করতে হবে।

বেশিরভাগ বিড়াল নিশাচর।

কিন্তু চিতাদের চোখ দিনের আলোর জন্য অভিযোজিত।

তাই দুই ভাইয়ের অন্ধকারে দেখতে বেগ পেতে হয়।

কিন্তু আমাদের ক্যামেরাসমূহ এখন আমাদেরকে তাদের চেয়ে ভালোভাবে দেখার সুযোগ করে দিচ্ছে।

শিকার প্রাণীরা সাধারণত তাদের শিকারীদের থেকে যথাসম্ভব দূরত্ব বজায় রাখে।

কিন্তু রাতের আঁধারে নিরাপদ থাকার জন্য, নু-হরিণ এক বিস্ময়কর পন্থা অবলম্বন করে।

ভ্রাতৃদ্বয় যেখানে যায়...

হরিণের দল তাদের অনুসরণ করে।

কৌশলটা হচ্ছে চিতাদের সবসময় চোখে চোখে রাখা...

নিজেরা নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে...

যাতে পালানোর সুযোগ পাওয়া যায়।

কিন্তু ভ্রাতৃদ্বয়ের কাছে এই খেলা নতুন নয়।

অন্ধকারের মাঝে দুর্বল নাইট ভিশনধারী একটা চিতার পক্ষে...

এরকম দ্রুতগতির ধাওয়া প্রচেষ্টা এক প্রকার অসম্ভব মনে হয়।

কিন্তু সম্প্রতি আবিষ্কৃত হয়েছে...

যে চিতাদের এক-তৃতীয়াংশ শিকার রাতে সংঘটিত হয়।

এক দক্ষ শিকারী, সে দ্রুতগতিতে শিকারকে কাবু করে ফেলে।

কিন্তু এরপর যা ঘটে তা আমাদের দেখিয়ে দেয় ভ্রাতৃদ্বয়ের জন্য রাতের জীবন কতটা কঠিন হতে পারে।

হরিণের দল কাছে চলে আসে।

দলবেঁধে, তারা একটা চিতাকে শিকার থেকে তাড়িয়ে দিতে সক্ষম।

তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য তার ভাই রয়েছে।

কিন্তু এটা সবে সমস্যার শুরু।

মুহূর্তের মধ্যে, মৃতদেহের আকর্ষণে চলে আসে হায়েনা, এক নিশাচর ধাঙড়।

একটা চিতার চেয়ে বেশ শক্তিশালী...

একটা হায়েনা একাই দুই ভাইয়ের সমকক্ষ।

নিজেদের শিকার রক্ষার জন্য তাদের অবশ্যই লড়াই করতে হবে।

কিন্তু এই চোর একলা নয়।

মাসাই মারাতে, হায়েনারা ৬০ জনের একটা দল বেঁধে বাস করে।

আর চিতার ১০টি শিকারের মাঝে ১টি চুরি হয়।

রাতের বেলা শিকার করা...

সম্পূর্ণ এক ভিন্ন জগত।

তাদেরকে আবার চেষ্টা করতে হবে।

কিন্তু অন্ধকার নামার পর কেবল চিতারাই এখানে খাবারের খোঁজে বের হয়নি।

আফ্রিকার নদীগুলোর কূল ঘেঁষে...

১ লাখেরও বেশি জলহস্তী তাদের জলজ আবাসের নিরাপত্তা ছেড়ে বেরিয়ে আসে...

এক অসাধারণ নিশাচর মিশনের উদ্দেশ্যে।

দিনের বেলায়, জলহস্তীরা কুখ্যাতরকম অলস নদীর বাসিন্দা।

নদীর পানিতে নিমজ্জিত হয়ে উত্তপ্ত সূর্য থেকে লুকিয়ে থাকতে ভালোবাসে।

কিন্তু রাতের বেলায়, তারা বেশ সক্রিয়।

সুস্পষ্ট পায়ের ছাপ তাদেরকে উন্মুক্ত সাভানায় দশ কিলোমিটার ভেতর পর্যন্ত নিয়ে যায়।

রাতের ঠান্ডা আবহাওয়ায় তারা এখানে ঘাস খেতে আসে।

প্রতি রাতে তারা প্রায় ৫০ কেজি ঘাস এবং লতাপাতা খায়।

এত বিশাল পরিমাণে খাবার খাওয়ার মাধ্যমে,

এই গোপন রাতের মালীরা তৃণভূমিগুলোর ভারসাম্য বজায় রাখতে...

এবং এই প্রাচুর্যপূর্ণ আর বৈচিত্র্যময় বাস্তুতন্ত্রের...

উর্বরতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

নিজের নদী এলাকার নিরাপত্তা থেকে এত দূরে চলে আসাটা...

কিছুটা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

কিন্তু যখন আপনি তিন-টনের এক লনমোয়ার...

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left