A Plastic Ocean

A Plastic Ocean

Download Bengali Subtitle

Release info

A Plastic Ocean 2016 BluRay Translator MJasim
A Commentary by Galaxy.Traveler
"Planet or plastic?" হুম এই প্রশ্নটা আমি ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক চ্যানেলে দেখি । এর তাৎপর্য হচ্ছে, আমরা যদি পৃথিবীকে বাঁচাতে চাই, তাহলে প্লাস্টিক বর্জন করতে হবে; আর যদি না পারি, তাহলে পৃথিবীকে হারাতে হবে । প্রশ্নটাই বলে দেয়, মানবজাতিসহ গ্রহের পুরো প্রাণিকূলের

Tags

BluRay
Published on: 2018-11-02
Downloads: 37
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 200 lines.

অনুবাদক: মুহাম্মাদ জসীম উদ্দীন;

সাগর ও স্থলভাগ, উভয়কে বিবেচনা করে দেখুন;

তো নিজের মাঝে আপনি কি কোনোকিছুতে অদ্ভুদ একটা মিল খুঁজে পাচ্ছেন না?

উৎসর্গ: শাহাদাত হোসেন ভাইকে, যিনি এই ডকুমেন্টারির বিসাব করার জন্য আমাকে বলেছিলেন ।

আমার মনে পড়ে প্রথম দেখা একটা নীলতিমির একটি ছবি,

যেটা ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ম্যাগাজিনে ছিল ।

নীলতিমিটার একটা অংকন, আর তারপর একটা পুঁচকে মানুষ সেটার পাশে দাঁড়ানো ।

এই জিনিসটা যেকোনো ডাইনোসরের চেয়ে বড় ছিল ।

এবং আট বছর বয়সী হিসেবে,

আমি চিন্তাও করতে পারতাম না যে এরকম বড় কিছু আছে ।

আমি শৈশব থেকেই তাদেরকে অনুসরণ করেছি অদ্বিতীয় নকশার সাথে

নিজের মাঝে কিছু বিষয়ে চিত্র ধারণ করতে ।

আর সেটা ছিল ৪০ বছর পর ।

লেখার একটা স্লেট ছিলনা আগে...

ডা. লিন্ডসে একজন স্তন্যপায়ী বিশেষজ্ঞ ।

আর বেন ফগল একজন ইউ.কে. অ্যাডভেঞ্চারী ।

তো, লিন্ডসে, আমাকে শুধু বল, আমরা নির্দিষ্ট করে

কোন ধরণের তিমি খুঁজছি?

আজ, আমরা নীলতিমি খুঁজছি ।

এই জায়গায় আমরা দুই ধরণের নীলতিমি দেখব,

- সত্যিকার নীল এবং ক্ষুদ্রকায় নীল । - আর তাদের পার্থক্য কীরকম?

সত্যিকার নীলতিমির চেয়ে ক্ষুদ্রকায় নীলরা কিছুটা ছোট ।

"কিছুটা ছোট" বলতে তুমি কোন সাইজের কথা বলছো?

২৪ মিটার ।

লিন্ডসের সেরকম গভীর জ্ঞান আছে যে

যখন একটা তিমির ব্যাপারে আমার প্রশ্ন জাগে তখন সে আমার প্রথম আশ্রয় ।

তাই, যেহেতু প্রবাহ ও তরঙ্গসমূহ আসে, তারা এটাকে খুব প্রোডাক্টিভ ফ্রন্ট বানায়,

আর এ কারণে আমরা প্রাণিদেরকে ভাবি... তিমিরা, এখানে খাওয়ায় ।

তাহলে, তুমি "প্রোডাক্টিভ ফ্রন্ট" বললে

আমি ভাববো ক্রিল, খাবার উথলে উঠছে...

বেন ফগল আটলান্টিক বরাবর একটা নৌকা ভ্রমণ করছিল ।

এবং ওতেই বুঝা যায় যে তার অ্যাডভেঞ্চারের জ্ঞান ছিল ।

সে ছিল ঝুঁকি গ্রহণকারী ।

একেবারে প্রথমদিন থেকেই আমরা তাদেরকে বাতাসে ভাসতে দেখলাম,

আমরা জানতাম তারা ছিল সেখানে, কিন্তু তাদের কাছে পৌঁছা খুব কঠিন ছিল ।

এই প্রাণীরা পানির নিচে ঘন্টায় সর্বোচ্চ ৩০ কি.মি. যেতে পারে,

আর তারা পানির নিচে আধঘন্টা থাকতে পারে

এবং যেকোন দিকে যেতে পারে ।

যখন তাদের দেখতাম, তাদেরকে অনুসরণ করতাম, কাছে যাওয়ার চেষ্টা করতাম,

আবার তাদের আসার অপেক্ষায় থাকতাম, আর তখন তাদেরকে আর কখনোই দেখা যেত না ।

আমাকে বল মনোযোগে আমার কী শোনা উচিৎ ।

তিমির ক্ষেত্রে, তুমি শুনবে নিম্ন কম্পাঙ্কের একটানা ধ্বনি ।

আর ডলফিনের ক্ষেত্রে...

ওহ, তুমি ঠিক ওখানে সেটা শুনতে পাচ্ছ? সেটা?

- শীসধ্বনি? - উচ্চমাত্রার শীসধ্বনি?

উচ্চমাত্রার শীসধ্বনি । সেটা হচ্ছে ডলফিন ।

সেটা একদল ডলফিন আমরা মাত্রই ছেড়ে আসলাম ।

- তোমার কি মনে হয় তারা কত দূরে? - তারা এক কিলোমিটারের মধ্যেই থাকবে ।

- আরো অনেকদূর যেতে হবে । - এটা দীর্ঘ পথ । এটা বিশাল মহাসাগর ।

অনেকদূর থেকে তারা পরস্পরের কথা বলা বুঝে ফেলে ।

এটা অবিশ্বাস্য ।

দুই সপ্তাহে আমরা উপরে-নিচে, উপকূলের ৫০ মাইল দূর পর্যন্ত ভ্রমণ করে

এইসব প্রাণীদের কাছে আসার চেষ্টা করছি ।

আমাদের সময় শেষ । আমরা বন্দরে ফিরে যাওয়া শুরু করলাম...

- ওহ্, দেখ, দেখ । - বেলা দুইটায়...

আবার ভেসে উঠেছে । চার ।

এবং এটা দেখাটা বেশ সৌভাগ্যের ব্যাপার...

এবং ডুব দিচ্ছে ।

তো, সম্ভবত সে নিম্নগামী হবে আবার দশ মিনিট ধরে বা সেরকমই ।

উওওশ!

তারা দেখতে মালবাহী ট্রেনের মত,

বিশাল মহাকাশযানের মত যা অনায়াসেই চলতে পারে ।

তাদের প্রত্যেক অংশ আমার দেখা

পুনঃপ্রকৌশলকৃত নভোযান বা সুপারকারের কিছু জিনিসের মত ।

যখন লাফায়, তাদেরকে সেরকম লাগে ।

তাদের লেজ উলম্বভাবে উপরে আসে এবং পানিতে সোজাভাবে পড়ে,

আর আপনি ফাঁকা আওয়াজ শুনতে পাবেন ।

বাহ্, ওটাকে দেখ! ওয়াও!

সেটা দারুণ সুন্দর!

এই প্রথম আমরা বিশ্বাস করি যে কেউ একজন

পানির নিচে একটা তরুণী পিগমি নীলতিমিকে চিত্রে ধারণ করেছে ।

কী মনে হয় এটা কোথা থেকে তোলা, আলেক্স? এটা কি জাহাজ থেকে?

না, এটা একটা নদী থেকে তোলা ।

আমরা শ্রীলংকার উপকূলবর্তী ভারত মহাসাগরে ছিলাম, যেখানে

বেসামরিক যুদ্ধের কারণে বাণিজ্যিকভাবে মাছ ধরা হয়নি ।

প্রায় ৩০ বছর ধরে সমুদ্রসৈকত বন্ধ রাখা হয়েছে ।

আমরা ভাবছি এটা আপেক্ষিকভাবে আদিম পরিবেশ ছিল ।

পৃষ্ঠে ভাসমান

এবং একটা মিটারের নিচে একেবারেই ভয়ংকর, জঘন্য,

তেল ও ছোট টুকরার নোংরা নির্যাসসিক্ত, আপনি জানেন...

এটা ভয়ানক, এবং এর মধ্যদিয়ে দেখা যাচ্ছে,

আপনি দেখবেন ঝুলে থাকা জালির আঁকড়া ।

সেটা ছিল নিশ্চিতভাবে আমার করা সবচেয়ে অসন্তোষজনক ডুবগুলোর একটা ।

সাগরে আমি আমার শৈশব কাটিয়েছি ।

গ্র্যান্ড সাইমানে বেড়ে উঠেছি,

স্কুলের পরে আমরা খেলাধুলা করতাম না ।

বয়স ১৩ পর্যন্ত আমাদের কখনোই টিভি ছিল না, তাই সাগরই ছিল আমার খেলার মাঠ ।

মুক্ত ডুবুরী হিসেবে, এটা এমন জায়গা ছিল যেখানে...

নিজের সম্পূর্ণ চূড়ায় ভ্রমণ করে আমি নিজের কাছে নিজেকে প্রমাণ করেছি ।

যতটা সম্ভব আমার রক্তে অনেকবেশি অক্সিজেন পৌঁছানো দরকার

যাতে আমি সাড়ে তিন থেকে চার মিনিট নিশ্বাস ধরে রাখতে পারি

আমাকে ডুব দিতে হবে ।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সাবমেরিনের সংঘর্ষ গভীরতা

পাঁচশ পঁচিশ ফুট হচ্ছে নাগালের বাইরে ।

খুব কঠোর উদ্যমে, আমি সীমাবদ্ধতাগুলো শিখেছি ।

আমি এক অগ্নিময় লাল চুলওয়ালী পেয়েছি, আর সে প্রতিদিন আমার সীমা ঠিক করে দেয় ।

শেষে আমার জন্য,

আমার পাওয়া এই অদ্ভুদ উপহার একটা পয়েন্টের মত

যেটা "সুন্দর দেখায় এবং আমার নিশ্বাস ধরে রাখে ।"

সাগরে ফেরার একটা সুযোগ আমার আছে...

কিন্তু আমি শিখছি আমার অনুভূতির উপর ।

আমি জানতাম না যে গত দশ বছরে,

গত শতকের চেয়ে এই শতকে আমরা অধিক প্লাস্টিক প্রস্তুত করেছি ।

ওসব প্লাস্টিক পণ্যের অর্ধেক হচ্ছে "উচ্ছিষ্ট" ।

কিন্তু এটার ব্যাপারে ভাবুন ।

এক কাঁচামাল থেকে কীভাবে একটা পণ্য উৎপন্ন করা হয় যা বিনাশযোগ্য নয়?

এসব যাবে কোথায়?

এটা হচ্ছে ব্রাইডের তিমি । এটা মারা যাচ্ছে, শেষ নিশ্বাস গ্রহণ করছে ।

এটার ভেতর থেকে ছয় বর্গমিটারের প্লাস্টিক শীট পাওয়া গেছে ।

এটা খেতে পারত না এবং এটা মরেছে অপুষ্টিতে ।

এটার পরিপাকতন্ত্র ব্লক ছিল এবং এটার মৃত্যু হয়েছে ভয়ংকর, যন্ত্রণাদায়ক ধরণের ।

এটার ভেতরে ক্ষত আছে ।

এই সব আবর্জনা আমরা পেয়েছি

সাগরে ভাসমান জিনিপত্র থেকে ।

বেনকে আমরা এটা মধ্যে ঢুকাবো,

কিন্তু এতে এক প্যাকেট বিস্কুট আছে ।

দেখতে পার এটা সেখানে কিছু সময় ধরে আছে, শামুকগুলো এটা থেকে বেড়ে উঠছে ।

এই যে কাঁকড়া । ভেতরে একটা কাঁকড়া, একবার দেখ ।

তাহলে, দারুণ ব্যতিক্রমী ।

- আরেকটা । - আরেকটা । এখানে নিচে ।

এসব এলাকায় আবর্জনাসমূহ গড়ে উঠেছে

যেখানে আবর্জনা দূরীকরণে তাদের কোনো লাভ নেই ।

বেশ, আমরা সমুদ্রতীর ছেড়ে প্রায় ২০ মাইল দূরে আছি ।

নদীমুখে এটা আটকে আছে এবং এ সব আকস্মিক প্রবাহে সাগরে পড়ে ।

এটা প্রধান জায়গাগুলোর একটা

যেখানে ছবি তোলার জন্য আমরা নীলতিমি শিকার করছি,

তাই এটা একেবারে তাদের পরিবেশেই ।

তারা মুখ উন্মুক্ত করে খাদ্যগ্রহণ করে

এবং তাদের সমানে যা পায় তাই শুষে নেয় ।

তারা শত গ্যালন পানি পান করে,

তারা দ্রুত এই পানি বের করে, এবং তারা ক্রিল ও ছোট মাছ খায় ।

কিন্তু তারা ক্রিল আর প্লাস্টিকের মধ্যে পার্থক্য করতে পারে না ।

উচ্ছিষ্ট লাইটার ।

শুধু... জেনে রাখো, এটা কখনোই ধ্বংস হবে না ।

এগুলো খুব দীর্ঘ সময় ধরে... সেখানে ভেসে থাকে ।

সেগুলো ভেঙে যাবে খুব ছোট ছোট টুকরো আকারে,

এবং সেটা হয় যদি কিছু বিশাল সামুদ্রিক স্তন্যপায়ী সেখানে না আসে এবং সবকিছু গিলে না ফেলে ।

এটার কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই । যেখানে এটা এখন বাস করে ।

বেশ, খুব কাছ থেকে খুঁজে পাওয়া বিশুদ্ধ নীল পানিসহ

ঐ প্লাস্টিকসমূহ দিয়ে আক্রান্ত সাগরের এই এলাকা পার্থক্য করতে,

বেশ, কোনো তুলনা নেই ।

পৃথিবীর প্রাণীরা নীল সাগর দাবি করে, আবর্জনার বিন্যাস নয় ।

আমি বিস্মিত হই গ্রহের অন্য জায়গায়

সাগরে যে কী ঘটছে ।

যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিবছর প্লাস্টিক বোতলে তেষট্টি বিলিয়ন গ্যালন তেল

সরবরাহ করে ব্যবহার করা হয় ।

প্রতিবছর যুক্তরাষ্ট্র একাই ৩৮ বিলিয়ন বোতল ফেলে দেয় ।

সেসবের দুই মিলিয়ন টন প্লাস্টিক ইউএসের বর্জ্য-স্তুপে চলে যায়,

আর সেটা কেবল পানির বোতল থেকেই ।

কেবল এ বছরেই, গ্রহের প্রত্যেক ব্যক্তি

৩০০ পাউন্ড বা ১৩৬ কেজি একক-ব্যবহারিক প্লাস্টিক ব্যবহার করবে ও অবমুক্ত করবে ।

প্লাস্টিক হচ্ছে বিস্ময়কর কারণ এটা টেকসই

এবং প্লাস্টিক হচ্ছে ভয়ংকর কারণ এটা স্থায়ী ।

এখন পর্যন্ত প্রস্তুতকৃত প্রায় প্রতিটি প্লাস্টিক খণ্ড

গ্রহের উপর এখনো কিছু আকৃতিতে বা অন্যকিছু হয়ে আছে ।

এ বছরে বৈশ্বিকভাবে প্লাস্টিক উৎপাদন

৩০০ মিলিয়ন টনেরও বেশি আশা করা হয় ।

সেগুলোর অর্ধেকই আমরা একবার ব্যবহারের পর ছুঁড়ে ফেলে দেব ।

২০৫০ সাল, যখন জনসংখ্যা বিস্ফোরণ প্রায় দশ বিলিয়নে পৌঁছবে,

ধারণা করা হয় তখন প্লাস্টিক উৎপাদন তিনগুণ হবে ।

আজকে এই সমস্যা হচ্ছে, মাত্র সামান্যকিছু

প্লাস্টিক আমরা পুনরায় ব্যবহার করি ।

বাকিগুলো আমাদের পরিবেশকে শেষ করে

আর আমাদের ভূমি আবৃত হচ্ছে এবং আমাদের মহাসাগর রোগাক্রান্ত হয় ।

তাসমানিয়ার ঘ্রাণ সজীবতার মত । ছিটানো লবণের মত সুঘ্রাণ ।

আদিম । শুধু প্রাকৃতিক ঘ্রাণ দেয় ।

গ্রহের অন্য জায়গার তুলনায় এখানের বাতাস ও পানি অনেকবেশি বিশুদ্ধ ।

সাগর আমার কাছে আমার গীর্জা, এটা আমার মন্দির,

এটা আমার উপাসনার স্থান, এটাই আমার মসজিদ ।

এই জায়গায় আমি পূণ্য অনুভব করি ।

এই জায়গায় আমি কাজ করতে যাই, যেখানে আমি প্রশান্তির জন্য যাই,

এবং যেখানে আমি চিন্তা করতে যাই ।

আর এটা এমনও এক পরিবেশ যা আমাকে চ্যালেঞ্জ করে

অন্য যেকোন পরিবেশের চেয়ে অনেকবেশি যেটা আমি জানি ।

বেড়ে উঠছি, আমার জগৎ ছিল...

রক পুল অনুসন্ধান করা...

ছোট মাছ ধরতাম আর গবেষণা করে একদিন পর ছেড়ে দিতাম ।

আমরা যাকিছু করতে চাইতাম সবকিছুতে আমার মা ছিলেন

খুব যত্নশীল এবং খুব সহায়ক ।

এবং তিনি খুব তাড়াতাড়ি উঠতেন, আমি মনে করি, আমার মোহ বন্যপ্রাণীতে ।

আমি চতুর্থ প্রজন্মের সাংবাদিক ।

বিশ্বাস করা হয় সে মস্কোতে শিরোনাম ।

আমরা একটা ট্রাকে আছি নিচ থেকে ধান শান্তা ফে নিয়ে যাচ্ছি ।

আচ্ছা, এটা সরাসরি নয়, তাই না? চালাও, দাঁড়াও, দাঁড়াও! উহও!

কাঠমাণ্ডুর বাইরে আপনি খুব বাজে ভ্রমণ করবেন, বোধহয় ক্ষতিই হবে ।

ছোট ছোট গ্রামগুলো এটার মতোই, পৃথিবীর চলনের বিরুদ্ধে শঙ্খু কোনো সুযোগে নেই ।

এই উদ্ধারকর্মী দল এই শহরের ভেতরে ঢুকতে অক্ষম হয়েছে ।

আমার বেড়ে উঠা শহরটা ছিল শিল্পসমৃদ্ধ শহর ।

প্রশিক্ষণের পর সার্ফ জীবনরক্ষাকারী ক্লাব থেকে বের হওয়াটা মনে পড়ে,

রক্তচক্ষুর দংশনের মাঝে আমি সেখানে একজন সদস্য ছিলাম ।

তো, যখন আমি সংবাদপত্রের কাজ করতাম,

তখন আমি অনুসন্ধান করতে চাইতাম সেটার কারণ কী ছিল ।

আমরা ইমু সাগরের পানি পরীক্ষা করা শুরু করলাম

এবং আমরা যা পেতাম তা ছিল প্রচুর পরিমাণ অর্গানোক্লোরিন

আর এসবে থাকে ক্যানসার সৃষ্টিকারী ডাই অক্সিন ।

আমি এটা তাসমানিয়ার সরকারকে দিতাম

এবং প্রথমবার তাঁরা স্বীকৃতি দেয় এইসব ডাই অক্সিনের অস্তিত্ব আছে,

এবং সেগুলো ছিল বিপজ্জনক ।

দশ বছরের মধ্যে, ঐসবগুলো কারখানা বন্ধ করা হয়েছিল, এবং

আজ মাছগুলো পানিতে ফিরেছে ।

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left