The first 200 lines.
স্মিথ!
একটু আগুন দাওতো।
লিপ! ইভান্স কি কাজটা করেছে?
জ্বি, স্যার। সে এখন লেফটেন্যান্ট মিহানের সাথেই আছে।
লেফটেন্যান্ট মিহান, লেফটেন্যান্ট মিহান।
উইল বোধহয় সাহায্য করতে পারবে।
উইল!
উইল, হেই উইল। আমায় একটু সাহায্য করো না!
প্রস্তুত হও!
দাঁড়াও!
হুক বাঁধো!
ইক্যুয়েপমেন্ট চ্যাক!
- সব ঠিক আছে কি না চেঁচিয়ে জানাও! - টেন ওকে!
- নাইন ওকে! - এইট ওকে!
- সেভেন ওকে! - সিক্স ওকে!
- ফাইভ ওকে! - ফোর ওকে!
- থ্রি ওকে! - টু ওকে!
ওয়ান ওকে!
- আলোটা কি তোমাদের সবুজ বলে মনে হচ্ছে? - চলো যাই!
আমি যাচ্ছি!
জেসাস! মিহানকে বলো ওদেরকে এখান থেকে বের করে নিতে!
দুইটা বাজে!
- যাও! - সে জাম্প দিবে না, স্যার!
- শোনার দরকার নেই! - সে এই প্লেন থেকে নড়ছে না!
সে জাম্প দিচ্ছে না।
শালার ডিজেড কোথায়?
- প্লেন আর তিন মিনিটের মতো টিকবে! - আমরা নিচে নামছি, আমাদের কোনো..
প্যারাসুট দরকার নেই!
- আস্তে চালাও! - আমরা এখনো বেশ উপরেই আছি!
এই গতিতে জাম্প দিতে পারব না!
ওখানে পৌঁছে গেছি?
হায় খোদা!
- ফ্ল্যাশ। - ধ্যাত!
এটা তো সহীহ উত্তর নয়, ট্রুপার।
- আমি বলব "ফ্ল্যাশ" তুমি বলবে "থান্ডার।" - জ্বি, স্যার। থান্ডার বলব।
মুসেট ব্যাগ।
কোচ? স্যার আমি হল, স্যার। বাস্কেটবল টিমে ছিলাম।
- লেগ বেগ? - বিমান দুর্ঘটনায় খোয়া গেছে।
- আমার রেডিও আর ব্যাটারিও ছিল এর সাথে। - আমারও।
ওই গাছগুলোর পিছনেই কোথাও ভূপাতিত হয়েছে।
আচ্ছা।
আমার সাথে আসো।
ওরা রিলোড করা পর্যন্ত অপেক্ষা করো।
- তুমি ডি কোম্পানির? - অ্যাবল, স্যার।
তারমানে আমাদের মধ্যে যেকোনো একজন বিপদে আছে।
বা দুইজনই।
- আপনার কাছে কোনো অস্ত্র আছে, স্যার? - শুধু আমার ছুরিটা।
আমরা কোথায় আছি, তা আন্দাজ করতে পারছেন স্যার?
কোথাও একটা তো আছি!
- তারমানে তুমি একজন রেডিও-ম্যান। - জ্বি, স্যার।
জাম্প দেয়ার আগ পর্যন্ত রেডিওটা আমার সাথেই ছিল। এটার জন্য বকা খেতে হবে।
আমার প্লাটুনে থাকলে, তোমায় আমি রেডিও-ম্যান বলার আগে রাইফেল-ম্যান বলতাম।
এটা আমার দলনেতাকে বলতে পারেন। যদি উনাকে খুঁজে পাওয়া যায় আরকি!
এটা কিন্তু একটা চুক্তি।
প্রথমে, তোমার সাহায্য লাগবে আমার। তারপর ধ্বংসাবশেষ খুঁজে পেতে সাহায্য কোরো।
গাছ-গাছালি, রাস্তা-ঘাট, সাঁকো-সেতু...
দালানকোঠা, খামারবাড়ির দিকে বিশেষ নজর রেখো।
বাকিরাও আমাদের মতো হারিয়ে গেলে ব্যাপারটা অদ্ভুত হবে।
আমরা হারাইনি, প্রাইভেট। আমরা নরম্যান্ডিতে আছি।
- কে ওখানে? - লেফটেন্যান্ট উইন্টারস? এটা কি তুমি?
- বসো, কোনো অস্ত্র-সরঞ্জাম সাথে আছে? - না, স্যার।
বিমান বিস্ফোরণে লেগ বেগটা গচ্ছা গেছে। এখন আমার কাছে একটা ছুড়ি আর টিএনটি আছে।
- যদিও ৮২ তম ব্যাচ একটা এম-১ পেয়েছে। - ৮২ তম?
- আমরা এখন কোথায়? - স্যার, আমি ওইখানে একটা চিহ্ন দেখলাম।
এটা বুঝাচ্ছে "সেন্ট-মেরে-ইগলিস।"
ফ্ল্যাশলাইট হবে?
রেনকোট?
- তোমার কাছে রেনকোট আছে? - হ্যাঁ, হ্যাঁ।
আমাদের লক্ষ্য থেকে সাত কি.মি দূরে। আর ডেডলাইন থেকে ৪ ঘণ্টা!
তাই আমাদেরকে অনেকটা পথ পাড়ি দিতে হবে।
তোমার ইউনিটকে খুঁজে পাওয়া পর্যন্ত তুমি আমাদের সাথেই থাকবে।
যাওয়া যাক।
- আমরা কোথায় যাচ্ছি? - নদীমুখ ২, ইউথাহ সৈকতে।
জার্মানরা ময়দানেই আছে। সেনাদের সতর্ক করা দরকার।
মাত্র ৫ জন দিয়ে কিচ্ছু হবে না। সাথে তো অস্ত্র-শস্ত্রও নেই।
আমাদের লক্ষ্যের কাছে রেল লাইন আছে কি না মনে করতে পারছি না।
এটা লাইনটা তো সোজা নদীর দিকে গেছে।
- একটা রাস্তা আর সেতু পড়বে সামনে। - তুমি জানো কীভাবে?
কারণ আমি স্যান্ড টেবিল নিয়ে বিশ্লেষণ করেছি, বুঝেছ?
কোনো হতচ্ছাড়া ট্রেন অথবা..
- ফ্ল্যাশ। - থান্ডার।
লেফটেন্যান্ট, এটা কি তুমি?
- মালার্কি। - স্যার, স্যার।
- দেখে ভালো লাগলো স্যার। - বন্ধুরা।
- সবাই ঠিক আছ? - সবাইকে একসাথে দেখে ভালো লাগল।
- গার্নিয়ার? - স্যার।
তুমি আর হল সম্মুখ সারিতে থাকবে।
এই হলটা আবার কে?
লিপটন। যাও, গার্নিয়ার।
আমার আদেশের অপেক্ষায় থেকো।
গ্রেনেড!
যথেষ্ট হয়েছে, গার্নিয়ার!
- সবাই ঠিক আছ? - জ্বী, স্যার।
এরপর থেকে আমার আদেশ ছাড়া এক চুলও নড়বে না, সার্জেন্ট।
জ্বী, স্যার।
যাও, লেফটেন্যান্ট।
- এই লোকটার সমস্যা কী? - গনোরিয়া।
সত্যি?
ওর নাম গার্নিয়ার, ধরেছে গনোরিয়া, বুঝলে?
নামও 'গু' মার্কা, কাজও করো বালমার্কা। সমস্যাটা কী তোমার?
তা দেখে তোমার লাভ নেই, রাখাল।
- ঠিক আছে, যাওয়া যাক এখন। - স্যার।
আওয়াজ ছাড়া।
- দেখলে জিনিসটা? ও শুধু এখানে বসে ছিল। - ওর কাছে কোনো অস্ত্র ছিল না।
- তাহলে মেজাজ গরম করে চেঁচাবে? - আমার দিকে তাকিয়ে চেঁচালে তো আর জার্মানদের মারা যাবে না।
সে চায়, তুমি তার আদেশের অপেক্ষা করো।
জো, সে তো মাতালও ছিল না।
লিপটন! ওয়েন!
কারও অস্ত্রশস্ত্র লাগলে এখান থেকে নিতে পারো।
ম্যাকডোয়েল! তুমি ঠিক আছ?
- জ্বী, সার্জেন্ট। - তাহলে যাওয়া যাক।
ভাইকে কথা দিয়েছিলাম, ওকে একটা পিস্তল এনে দিব। পেয়েও গেলাম।
এটা দেখোতো।
- নেভি! - ল্যান্ডিং শুরু হয়ে গিয়েছে।
- পা বাড়াও সবাই। - একদম কাটায় কাটায়।
- এটা ওকে বলে দাও, রাখাল। - আমার নাম হল।
- তাতে কী? - আরে চলো।
- শরীরে জোশ আনার চেষ্টা চালাচ্ছে। - তাতে তোমার কী?
- সে তাঁর ভাইয়ের কথামতো চলছে.. - মালার্কি, ঘ্যানঘ্যানানি বন্ধ করো তো।
আমাদের জাম্পের আগেই ওর ভাই এটা ক্যাসিনোতে জিতেছে।
শুভ সকাল, স্যার।
- আপনাকে দেখে ব্যাটালিয়ন খুশিই হবে। - কোথায়?
ফার্মে স্যার।
সবাইকে উষ্ণ সকালের শুভেচ্ছা। কেমন লাগছে যুদ্ধ?
কোন জায়গার দড়ি ছিঁড়ে এসেছ?
ইউজিন, অরিগন।
ইউজিন? মজা করছ?
পপেয়ে, শুনলে তুমি? আমি অ্যাস্টোরিয়ার।
- আগে বলোনি কখনো। - হ্যাঁ, অরেঞ্জ স্ট্রিট।
- জার্মান পোশাক পড়ে আছ কেন? - Volksdeutsche.
- আবার আসবে? - আমার পরিবার একাত্মতা ঘোষণা করেছে।
সকল আর্যদের উচিত জন্মভূমিতে ফিরে যাওয়া।
- '৪১ এ যোগ দিয়েছি। - মজা নিচ্ছিস ভাই!
হেই, মালারকি! শত্রুদের সাথে এত মাখামাখির দরকার নেই!
- ইউজিনে এসেছিলে কেন? - আমার জন্মই ইউজিনে।
সত্যি?
হেই পপেয়ে!
- হেই, হ্যারি। - চালিয়ে যাও।
ইজি কোম্পানি।
- হেই পপেয়ে। - দেখে ভালো লাগল।
- এ হলো হল, অ্যাবল কোম্পানি। - রাখাল নামেও পরিচিত।
- তুমি টেক্সাসের? - ম্যানহাটন।
লেফটেন্যান্ট উইন্টারস।
- খবর কী এখানকার? - ঠিক জানি না।
তোমায় দেখে ভালো লাগল।
হ্যাঁ, তোমাকে দেখেও। বাক, পরিস্থিতি কীরকম এখানে?
বেশি ভালো না। ৯০% মানুষই এখানে অগোছালো হয়ে আছে।
- লেফটেন্যান্ট মিহান? - কেউ দেখেনি ওকে।
ওকে যদি না পাওয়া যায়..
পরবর্তী কমান্ডার হিসেবে ইজি কোম্পানিকে নেতৃত্ব দিতে পারবে না?
হেই, লেফটেন্যান্ট স্পেয়ারস।
ডগ কোম্পানির ক'জন সৈন্য একত্রে জড়ো হয়েছে?
- ২০ জনের মতো। - একমাত্র অফিসার হিসেবে ওদেরকে একাট্টা করলে নাকি?
তাই তো মনে হচ্ছে।
এখনো আদেশের অপেক্ষায় আছি। সিগারেট আছে তোমার কাছে?
হ্যাঁ।
সবগুলো টেনে শেষ করে দিও না।
আমি বেড়ে উঠেছি '৩৯ ব্যাচের সাথে।
আমি রাজপরিবারের উড়োজাহাজ চালনায় নিযুক্ত ছিলাম। কী কাকতালীয় ঘটনা বলো!
তুমি আর আমি শ' মাইল দূরে থেকেও একই চাকরি করতাম।
- হেই মালার্ক! তোমার জন্য অপেক্ষা করছি। - হ্যাঁ, আমি আসছি।
যেতে হবে আমাকে। আশেপাশে দেখা হতে পারে।
আচ্ছা, দেখা হবে।
জিগারেটেন?
ধন্যবাদ।
ধ্যাত।
ইজি কোম্পানি।
ইজি?
ইজি কোম্পানি কোথায়, তোমরা কেউ জানো?
- লেফটেন্যান্ট মিহানকে দেখেছ? - না, না এখনো দেখিনি।
মেজর স্ট্রেয়ার ইজি কোম্পানির সিওকে সামনের সারিতে দেখতে চায়।
তোমাদেরকেই বলেছে ভাইয়েরা।
হারামজাদা।
হেই মালার্ক, সবচেয়ে ভালো চাওমিন কোথায় পাওয়া যায়?
বার্লিনে?
- এমজিরা কোথায়? - ওদেরকে এখানে আসতে বলেছি স্যার।
আসবে কি না নিশ্চিত নই।
মাত্র ৩০০ গজ দূরে জার্মান সৈন্যদের ডেরা।
বাগানের মধ্য দিয়ে যেতে হবে। ওরা আমাদের আর ২য় নদীমুখের মাঝামাঝি অবস্থান করছে।
ইউটাহতে ল্যান্ড করা সৈন্যদের উপর ওরা অঝোরে গোলাবর্ষণ করছে।
- ইজি তা সামলাতে পারবে? - জ্বী, স্যার।
আমার ধারণা, জায়গাটাতে ওরা ভয়াবহ তাণ্ডব চালাচ্ছে।
শুনেছি, ওদের ৮৮ ব্যাচ একটা মাঠে জড়ো হয়ে..
একটা রাস্তা অবরুদ্ধ করে রেখেছে।
মেজর স্ট্রেয়ার চায়, আমরা ওদেরকে পাশ কেটে বেরিয়ে যাই।
ইউটাহ বীচে তাণ্ডব চালাচ্ছে, এরকম দুইটা বন্দুকের কথা আমরা জানি।
৩য় আর ৪র্থ স্থানে প্ল্যানটা কার্যকর করতে হবে..
এখানে এবং এখানে। সারিবদ্ধ কামান নিয়ে জার্মান সেনারা..
এই পরিখার মাঝে ঘাপটি মেরে বসে থাকবে। মেশিনগান পিছন থেকে কভার দিবে।
আমাদের তিন স্কোয়াডের দুইটাই আগুনের গোলা নিয়ে প্রস্তুত থাকবে।
আমরা কত সংখ্যক জার্মান সৈন্যের মুখোমুখি হতে পারি?
- ধারণা নেই। - ধারণা নেই?
বন্দুক থাকা স্বত্তেও, আমরা সাথে কিছু টিএনটি নিয়ে যাব।
- সবকিছু তোমার অধীনে। - জ্বি, স্যার।
লিবগট, পেটি এ-গানারের সাথে ফার্স্ট মেশিন গান নিয়ে নাও।
প্লেশা, হেনড্রিক্স তোমরা বাকিদের নিয়ে যাও। এটা রেখেছে কে?
কম্পটন, মালারকি, টয়ে, গার্নিয়ার।
আসল খেলাটা খেলে দিব আমরা। বুঝেছ?
জ্বি, স্যার।
সব গুছিয়ে ফেলো, ছেলেরা।
No comments yet. Be the first to leave one.