The first 128 lines.
সাবটাইটেল পরিবেশনায় :.:.: THE GHOST SQUAD :.:.:
প্রাচীন একটা গল্প শুনবে?
অনেকদিন আগের কথা, বুদ্ধ তখন ভারতে ছিলেন।
সেসময়ে আঙ্গুলিমালা নামের এক ব্যক্তি ছিল।
সে অভিশপ্ত হয়েছিল...
আর এই অভিশাপ থেকে মুক্তি পেতে হলে তাকে ১০০০ মানুষ হত্যা করতে হতো।
আঙ্গুলিমালা তার সামনে যে এসেছিল তাকেই হত্যা করতে করতে...
৯৯৯ জন মানুষকে হত্যা করে।
তখন শুধু একজন মানুষকে হত্যা করা বাকি ছিল।
এত মানুষ থাকতে...
তার পথ চেয়ে বসে থাকা তার নিজেরই মা তাকে এগিয়ে নেয়ার জন্য সামনে এসে দাঁড়ায়।
১০০০তম ব্যক্তি হিসেবে আঙ্গুলিমালাকে তার নিজেরই মা'কে হত্যা করতে হবে।
ঠিক তখনই...
এই ব্যাপারে সবকিছু জানা বুদ্ধ সেখানে উপস্থিত হলেন।
এবং তাকে নিজের মা'কে হত্যা করা থেকে আটকান।
তখন থেকেই আঙ্গুলিমালা তার পাপের প্রায়শ্চিত্ত করে...
এবং ধ্যানে মনোনিবেশ করে।
সে যেখানেই যেত লোকেরা তার দিকে পাথর ছুঁড়ে মেরে তাকে খুনি নামে ডাকতো।
কিন্তু বুদ্ধ...
তাকে বলেন, নরকের শাস্তি তাকে পৃথিবীতে বসেই ভোগ করতে হবে...
এবং তা সহ্য করতে হবে।
কষ্টকর ধ্যান শেষে...
অবশেষে আঙ্গুলিমালা পবিত্রতা লাভ করেন এবং স্বর্গে প্রবেশ করেন।
এমনটা হয়ে থাকলে.. আমরাও কি ক্ষমাপ্রাপ্ত হবো?
হ্যাঁ।
তোমরা দুজনেই নরক যন্ত্রনা ভোগ করেছ...
এমন নরক যন্ত্রনা কেউ কখনো ভোগ করেনি।
অনুবাদ ও সম্পাদনা জায়েদ খান
হে ইশ্বর, মহান পিতা...
আপনার পবিত্র হৃদয়ে এই যাজকদের স্থান দিন...
যেখানে কেউই তাদের কিছুই করতে পারবে না।
দয়াকরে এই তরুণ যাজককে রক্ষা করুন।
ইয়োহান, তোমার উপরে অনেক বেশি দায়িত্ব চাপিয়েছিলাম।
এখন সেই দায়িত্ব আমার কাঁধে নেয়ার পালা।
তোমার এই মহত্ত্বের প্রতিদানে আমি নিজেকে বলি দিয়ে দিব।
আংকেল।
তুমি আগের মতোই বেপরোয়া আছো।
এটা কী? মনে হচ্ছে লালসার দানবদের বিরুদ্ধে কার্যকরী অস্ত্র।
মা, তুমি নিজেই নিজেকে রক্ষা করো।
এই বুলেটগুলো পবিত্র পানি দিয়ে পূর্ণ।
আপনার উপরে ভরসা রাখাই যায়।
গুংতান।
ওন মি-হো।
তোর পালানো উচিত ছিল।
মা...
শীঘ্রই বুঝতে পারবি...
কত বড় ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছিস।
জেজু দ্বীপের বাতাস একদম নির্মল, তাই না?
জোরে শ্বাস নিয়ে নে।
কারণ তোকে আবারও নরকে পাঠাব।
ওখানে থাকতে ভালো লাগছিল বুঝি?
তোকে এখনই খুন করব।
এতোক্ষণ কোথায় ছিলে?
মি-হো'র খেয়াল রাখতে বলেছিলাম না?
একটু ব্যস্ত ছিলাম।
ভান, তুমি ঠিক আছো?
দেরি করার জন্য দুঃখিত।
ভান।
আমাকে যেতেই হবে।
হ্যাঁ, জানি।
আমাকে নিরাপত্তা দাও, যাতে করে উপরে গিয়ে বেষ্টনী তৈরি করতে পারি।
পারবে না?
অবশ্যই পারব।
আমাদের চুক্তি এখনো কার্যকরী আছে।
তাড়াতাড়ি একটা রাস্তা তৈরি করো।
খুব বেশি তাড়াহুড়ো।
আমার পিছুপিছু চলে আসবে, পিছিয়ে পড়ো না যেন।
মা, সাবধানে যেও।
আংকেল, আপনিও সতর্ক থাকবেন।
ইয়োহান!
ইয়োহান।
তুমি ঠিক আছো?
আমার তো তোমাকে নিয়ে চিন্তা করা উচিত।
তুমি ঠিক আছো?
অবশ্যই, আমাকে কী ভেবেছ?
আমাকে উপরে গিয়ে বেষ্টনী তৈরি করতেই হবে।
-আমি তোমার সাথে আসছি। -না।
ভানের সাথে মিলে ওদেরকে কিছুক্ষণ আটকে রাখো।
বেষ্টনী তৈরি শেষ হওয়া পর্যন্ত।
মারা যেও না বা আহত হবে না, ঠিক আছে?
যাও।
এখানকার দায়িত্ব আমার উপরে ছেড়ে যাও।
তোমার উপরে ভরসা করেই যাচ্ছি।
ওন মি-হো।
তুমি পারবে।
ভয় পাবেই না বা কেন?
তাছাড়া তোমার স্মৃতিতে বর্তমান জীবনের পাশাপাশি পূর্বের জীবনের স্মৃতিও যুক্ত হয়েছে...
এটাও বিশাল এক বোঝা।
দাদীমা...
তুই এখন থামতে পারিস।
জানিসই তো আমাকে এখন হারাতে পারবি না।
তোকে খুন করার কোনো ইচ্ছাই ছিল না।
তুই তো আমার মতোই একজন।
তুই মানুষদের অবজ্ঞার দৃষ্টিতে দেখতি, যারা আমাদের এই অবস্থা করেছিল।
এই দ্বীপকেও ঘৃণা করতি।
তুই এই দ্বীপের কোনো রক্ষাকর্তা নয়।
ওই হারামজাদীর মন্ত্রবলে আমরা এই দ্বীপে বন্দি হয়েছিলাম।
চুপ কর।
দুঃখজনক ব্যাপার হলো...
এতদিন পরেও তুই বুঝতে পারছিস না তোকে ধোঁকা দেয়া হয়েছে।
আগের রুপে ফিরে আয়, তারপর দুজনে মিলে এসবের সমাপ্তি ঘটাই।
এই নরকতুল্য দ্বীপের ধ্বংস ডেকে আনি।
ইয়োহান!
ইয়োহান!
আমাকে ডেকেছ?
ওকে কিছু সময়ের জন্য আটকে রাখতে পারবে?
বেশিক্ষণ রাখতে পারব না।
তাড়াতাড়িই ফিরে আসব।
তাহলে মরার জায়গা বদলাতে এসেছিস।
ভাবিনি তোকে আবার দেখতে পাবো।
একজন মানুষ আছে, যার জন্য ছুটিতেও যেতে পারছি না।
তাই না কি?
মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে এসেছিস...
তাই ভাবছি একটুও পরিবর্তন হলো কিনা।
তোর কারণেই আমার মিশন আমার কাছে একজন পানির মতো পরিষ্কার হয়ে গেছে।
ওর সাথে একমত বলে এই পথ অনুসরণ করছি না।
আমি বলতে চাচ্ছি...
ইশ্বর যদি তার নির্দেশ ফিরিয়েও নেয়...
আমি...
আমার কাছের মানুষদের রক্ষা করব।
ছোট মুখে বড় কথা শুনে হাসি পেল।
তাহলে নিজের সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা কর।
ভান!
আমি চাই না তুমি এভাবে বেষ্টনী তৈরি করে হাওয়ায় মিলিয়ে যাও।
আমিও চাই না...
তুমি ওভাবে হাওয়ায় মিলিয়ে যাও।
তুমি এ ব্যাপারে জানতে?
আমাকে কী বলেছিলে মনে আছে?
No comments yet. Be the first to leave one.