The first 200 lines.
⚪ভাবানুবাদে ও সম্পাদনায়⚫ 🔴শান্ত ইব্রাহিম🔵
জনাব,আমরা অবশ্যই পুরষ্কারের আর্জি করবো,আমাদের দলের সদস্যদের জন্য।
জংয়ের ও একটা সন্তান ছিলো। শুনো।
আমরা ফ্রন্টলাইনের সৈন্য হবো।
আমার উপর বিশ্বাস রাখো অতি সত্ত্বর টাকা-পয়সা আর সম্মান আমাদের মুঠোয় হবে।
আমরা সবাই প্রস্তুত।
ভোরে...
আমরা পিছু হটবো।
জ্বি,জনাব।
গরইয়ো পরাস্ত করতে... কী?
আমরা জেনারেল চোই-ইয়ুংকে আক্রমণ করবো।
ভ্যানগার্ডের প্রধান প্রস্তুত আছো তো???
জ্বি,জনাব! আপনার সেবায় সদা প্রস্তুত।
এটি কী রাজদ্রোহিতার শামিল নয়,ইয়ি-সিয়ুং-গি???
এই পিছু হটা নতুন ইতিহাসের সূচনা করবে।
সব সৈন্যদের নিয়ে আমি... মাফ করবেন,জনাব।
চুপ করো।
সবাই মিলে ঐক্য হয়ে কাজ করবো।
কী বলতে চাও,বলো???
আমার কেনো লড়াই করবো না,যখন রণক্ষেত্রের কাছাকাছি পৌঁছে গেছি?
তুমি শুনতে পাও নি, আমি কী বলেছি???
আমার পশ্চাতপদ হবো প্রথম কারণ...
এই বৃষ্টিতে নদী অতিক্রম হওয়া সম্ভব নয়।
বুঝলাম।
দ্বিতীয়ত,
বর্ষায় তীরে মরিচা পড়ে যাবে।
ঠিক আছে।
তৃতীয়ত,খাবার আর জরুরী দ্রব্যাদি যোগানদাতা জাহাজ না আসতে পারে।
চতুর্থত,এটা শিষ্টাচারের মধ্যে পড়ে না একটা ছোট্ট দেশ বড় দেশের উপর আক্রমণ করবে।
জাঁহাপনা,যুদ্ধে আবার কীসের শিষ্টতা???
এমন হলে একটা নমস্কার দিয়ে যুদ্ধ করতে পারি। চুপ হও।
এখানে কথা বলার অধিকার তোমার নেই।
এইসব কোন যুক্তিদের মধ্যে পড়ে না।
আমার সামান্য বর্ষা-বাদল আর শিষ্টতার অজুহাতে লড়াই করবো না।
তা,রাজদ্রোহিতা কি শিষ্টাচারের মধ্যে পড়ে?
পিছু হটে রাজাকে পরাস্ত করে নিজেই উনার জায়গা দখল করবেন।
এমনটা চাইছেন,তাই না?
চীফ মো!
তুমি আমার সাথে বেয়াদবি করছো।
নিজ দেশের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে বড়লোক হওয়া চেয়ে আমার কাছে ডাকাত হওয়া উত্তম।
জনাব,আমাদের যেতে দিন।
জুং!আমাদের যেতে দিন।
শালা মূর্খ
জনাব!
নিজের অনাগত সন্তানের চেহারা দেখতে চাও না?
আমাকে তলোয়ার খাপ হতে বের করতে বাধ্য করবেন না।
জনাব, আমরা সবাই ভাই ভাই।
জুং,না। চোখ,খুল ভাই।
তলোয়ার কোন শিষ্টাচার মানে না...
মহাবিপদের সম্মুখীন আমরা!
জলদি আসো সবাই।
অকালেই ঝরে গেলো প্রাণ।
হত্যা করো,এই বিশ্বাসঘাতককে। জ্বী,জনাব।
হায় বৌদ্ধ,জানটা বেরিয়ে গেলো।
আমি জলদস্যুদের সর্দার সো-মা।
বৌদ্ধমূর্তিগুলো কোথায়?
অন্য জাহাজে আছে।
ক্যাবিন ফ্লোরের নিচে আছে।
বৌদ্ধ দয়া করো আমাদের উপর।
ইয়ো-ওল
এদের জীবিত ছেড়ে দিলে,পরে বড় বিপদ হয়ে খাঁড়া হতে পারে।
মনে রাখো।
মূর্তিগুলো জব্দ করো।
আচ্ছা,সর্দার।
অপূর্ব! সব বৌদ্ধ দয়ায়।
এইসব মূর্খের দল এমনকি মেয়েদের বিক্রি করতো।
ভয় পেও না তোমরা।
আমরা তোমাদের বাড়ীতে পৌঁছে দিবো।
আপু?
আমাদের সর্দারনীকে আপু ডাকার সাহস কোথা থেকে পেলি?
আমাকে তোমাদের সাথে নিয়ে যাও!
আমার বাবা আমাকে বিক্রি করে দিয়েছে!
ডাকাতদের পদে পদে মৃত্যু ঝুঁকি থাকে।
গোলামদের অবস্থা একি!
আমি রান্না-বান্না,ধোঁয়া-মোছা সবকিছু করবো যা চাইবে।
মনে হচ্ছে ভালো কাজে আসবে।
বৌদ্ধমূর্তি ডুবে যাচ্ছে!
হাঁদারাম!এটা ফেললি কেনো???
এখন তুই লাফ দে।
সর্দার পানির নিচ থেকে এমনিতেই উঠে আসবেন।
সর্দার পানির নিচ থেকে উঠে এসেছেন। জয়!সর্দারের জয়।
কৃষ্ণ সমুদ্র,লোহিত সমুদ্র,শ্বেত সমুদ্র
সমুদ্র সম্পূর্ণ নীল নয়।
তা এইভাবে সবসময় সমুদ্র থেকে সমুদ্র কীভাবে বিচরণ করেন???
বৌদ্ধ স্টেট অফ নির্ভানা যখন ভ্রমণ করেছিলেন।
তিনি উপলব্ধি করেন এমনকি আমি ও...
সমুদ্র হোক অথবা ধাতু...
হলুদ কালার সবচেয়ে উত্তম।
আমরা টার্ফে কিছু জাপানি জলদস্যুর দেখা পেয়েছিলাম।
তোর সেখানে থাকার দরকার ছিলো।
থামো!এইসব গল্প বলতে বলতে বিরক্ত লাগে না?
তারপর কী হলো?
আমরা ওদের সর্দারের প্রস্তাবে রাজি হলাম রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ বন্ধ করতে।
তাই আমরা সুসুমিয়া আইল্যান্ডে সাক্ষাত করি।
চলো সবাই, খেয়ে নেয়া যাক।
ইয়োওল সেই শক্তিশালী ব্যক্তির সাথে মুখোমুখি মোকাবেলা করে।
এক সেকেন্ড,কী যেনো ওর নাম?
মাকুয়ালকি।
ঠিক বলেছো,মাকুয়ালকি।
সে এক ঘুষিতে তাকে পরাস্ত করেছিলো। তারপর ওর উপর পাঁচশজন সেনা হামলা করে।
পাঁচহাজার।
এতোজন ছিলো নাকি?
আসলে,পাঁচশ এর বেশি হবে।
যাইহোক আমরা সেই পাঁচহাজার জলদস্যুর সাথে লড়াই করি, সমুদ্রে রীতিমত রক্তে রঞ্জিত হয়ে যায়।
তাতে কী হয়েছে?
আমার নিজের জান বাজি লাগিয়ে লড়াই করতাম, কিন্তু ক্যাপ্টেনের পাতে শুধু মাংস জুটতো।
রীতিমত ডায়রিয়া বাঁধিয়ে বসে ছিলাম এইসব জঘন্য মাছ খেয়ে।
এইসব আজাইরা প্যাঁচাল পারিস না তো খাওয়ার সময়।
শুনেছি সর্দারের সো-মো বারোটি অট্টালিকা ক্রয় করেছিলেন।
শালার আমাদের পারিশ্রামিক কবে পাবো?
যথেস্ট হয়েছে বকবক।
ভালো লাগুক আর নাই লাগুক আমরা সবাই ভাই ভাই।
আপু কেনো ওকে তুমি আক্রমণ করছো না?
জানোই তো এটাই সবাই চাই।
এই বজ্জাতটাকে পরাস্ত করে তুমি সর্দার হও আমাদের।
মাইয়্যাটা,এখনি জলদস্যুদের মত কথা বলা শুরু করে দিয়েছে।
আমি ও এমনটা ভাবছিলাম।
তোকে কে প্রশ্ন করেছে?
একজন সত্যিকারের জলদস্যুর উচিত...
ধ্যাঁত!
তোরে বললাম অন্য কোন চাকরী খুঁজতে??
একজন জলদস্যু কীভাবে সমুদ্রপীড়াতে আক্রান্ত হতে পারে?
বালের রোগ আমার।
ইতিমধ্যে ফরমান জারি হয়েছে, তোমাদের হত্যা করার।
যদি তাদের তোমার মাথা নিয়ে না দেয়, না হয় আমার মাথা গর্দান থেকে কাটা পড়বে।
অবশ্যই তাদের কাছে জলদস্যু মাথা পেশ করবেন।
সাতজন জলদস্যুর মাথা যথেস্ট?
হালার পুত বেজন্মা!
আমাদের খতম করে দিবে?
তাছাড়া তারা কোন কাজের নয়।
দাঁড়ান
বাইরের অবস্থা একটু দেখে আসি?
ককসে??? জ্বি,সর্দার।
সেচি??? উপস্থিত,সর্দার।
উননুমি??? হ্যাঁ,সর্দার।
তাঙচুর???
এই যে,সর্দার।
উন্নুনী??? জ্বি,সর্দার।
হেমা???
সর্দার আমি
শালার কপাল,এমন এক বজ্জাত সর্দারের সেবায় জীবন কাটালাম।
তাছাড়া সমুদ্র আমার জন্য উপযুক্ত জায়গা নয়।
বেঁধে ফেলো তাদের।
সর্দার,আমাদের ছেড়ে দিন।
সর্দার।
তুমি তোমার ভাইদের হাত ছেড়ে দিলে এইভাবে?
চলার পথে এমন দুই চারটা হাঁদারাম দেখা মিলে।
ভাই আবার কীসের?
আমাদের বাঁচাও।
জলদস্যুদেরদের জীবন আদর্শ এমন নয়।
আমাকে তুই শিখাবি, এতো সাহস তোর?
এদের ধরে নিয়ে যান,জনাব।
সর্দার সো-মা?
আমি ওকে ও নিয়ে যেতে চাই।
এখনো সে আমার সহকারী।
ওর পরিবর্তে পিছনে দাঁড়িয়ে থাকা মেয়েটা নিয়ে যান।
ওর পিছনের দাঁড়িয়ে থাকা মেয়েটাকে বেঁধে ফেলো।
ছেড়ে দে আমাকে।
আমি ও একজন জলদস্যু।
আপু,বাঁচাও আমাকে।
বন্ধ করো এইসব।
কিছু মদ আর মাংস তাদের সাথে দিয়ে দাও।
মদপান আর হালকা রঙতামাশা করে,ঠিক ভুলে যাবে আমাদের।
একমাত্র শক্তিশালীরা...
খানকি মাগি
সর্দার সো-মা।
তলোয়ার ফেল তোদের!
হারামীর বাচ্চারা,তোরা শুয়োর হতে নিকৃষ্ট।
আমি তোকে পরাস্ত করবো।
ইয়াহ!!!
বেচারা!!!আমাকে পাওয়ার স্বপ্ন দেখতে থাক।
একসাথে দীর্ঘসময় পথ চলার বিবেচনায়...
যদি আত্নসমর্পণ করিস, তাহলে তোকে ছেড়ে দিবো।
জলদস্যুদের জীবনের অবসান দুইভাবে ঘটে
হয়তো মাছের খাদ্য হিসেবে
না হয়...
সমুদ্র প্রচন্ড ঠান্ডা
একটা কম্বল দিয়ে দাও ওকে।
জোওশেন
জোওশেন
যদি ও এটি তেমন সুন্দর নাম নয়...
কিন্তু ইতিহাস থেকে জন্ম এই নামের।
তাই এই নাম থাকবে।
তাছাড়া আজ নতুন রাজকীয় সিলমোহরের প্রবর্তন করলাম।
আমি আদেশ দিলাম, নতুনএই দেশটার প্রতিষ্ঠার।
এছাড়া,আমার সেবায় পাঁচশজন পরিচিকা আর দুইশোজন বর্মধারী সৈনিক পাঠানো হোক।
...
আজ্ঞা,জাঁহাপনা। আপনি করুণাময়।
এই সিলমোহরের মাধ্যমে জোওশেনের প্রতিষ্ঠা হবে।
আচ্ছা জনাব,আপনার কী মনে হয় সবকিছু ঠিকঠাকভাবে হবে।
রাজার মনের গতি যদি আবার পাল্টে যায়?
আরে এইসব বলছো কেনো???
চিন্তা হচ্ছে,তাই।
একবার ভাবুন,জাঁহাপনা
অর্পিত পদটার কাজ বিরামহীন
কিন্ত দেশের নাম আর সিলমোহর বিনা...
তারা কিছুই পরিবর্তন করবে না নতুন দেশের।
অভিযোগের ভয় নিয়ে একটা দেশকে পরিচালনা করতে পারবে না।
শব্দটা কীসের?? নিশ্চিত নয় জনাব।
মনে হচ্ছে,জলদস্যুরা আক্রমণ করেছে।
No comments yet. Be the first to leave one.