The first 200 lines.
আমি জেগে উঠেছি।
আপ... আপনাকে ক্লাসে যেরকম দেখতাম সেরকম লাগছে না। মানে, একদমই না।
ভাই, এইখানে ৭ হাজারও নাই, ঠিক আছে? আমার লোক সাড়ে ৮ চায়।
দুনিয়ায় এই ক'টা টাকাই আমার শেষ সম্বল।
তুমি একজন ড্রাগ ডিলার। দরদাম করো।
আরভি'টা কেনো।
আগামীকাল থেকে শুরু করবো।
নাচো, নাচো, বেবি। ইয়ো, পুরাই অস্থির, ভায়া।
আবার জিগায়। গড!
ইয়ো, জেসি, আমার এই দুই সুন্দরী রমনীও অংশ নিবার চায়।
- মালকড়ি হবে? - ওহ, পচ্চুর মালকড়ি আছে। হেই।
সুন্দরীরা আমার গুরুজী'র দর্শন নিতে চাও?
আইসা পড়ো।
আসো।
হেই, ইয়ো, ইয়ো।
ইয়ো, এই... এইখানে শ্যাম্পেন হবে? ওই সস্তাগুলা না।
আমার দামী মাল চাই। ডন পেরিগন, ডন।
এক বোতল ৪০০ করে।
ওহ, আচ্ছা, তাইলে, মাত্র দুইটা নিবো।
ওহ, আর ওই লম্বা-চিকনা গ্লাসগুলা লাগবে। আমার চিকনা গ্লাসগুলা জোশ লাগে।
জেমস বন্ড ওইগুলাতেই খায়, বকচোদস্। আমিও সেইরকম।
ইয়ো, জেসি, মাম্মা। জিজ্ঞেস করাই লাগে।
- এতো পাত্তি পাইলা কই? - নিশ্চিত হেব্বি মাল বেচতেছো।
মজার কাহিনী। মজাটা কী শুনবি?
- মজাটা কী? - এক বুইড়া, আমারে দিয়া দিছে।
- কি? - আমারে দিয়া দিছে।
এইটা তার পুরা জীবনের সম্বল।
- কি? ক্যান? - কারণ ওয় একটা বকচোদ। এইলাইগ্গা।
ওহ, খাইছে।
ইয়েস!
আচ্ছা, মজা লও, ভাইসব।
ধন্যবাদ। ইয়ো, ধন্যবাদ।
- ধন্যবাদ। - পার্টিটা...
অস্থির ছিল, ভায়া।
দেখা হবে।
ওহ,বাল।
ওহ, আমি শেষ।
মাত্র আর... ওহ, ধ্যাত।
আর মাত্র ১৪০০'র মতো আছে।
ওয়াফল হাউজ? জোশ।
না রে, ভাই।
ব্যাটার টাকা দিয়া একটা আরভি কেনার কথা ছিল।
- আরভি দিয়া আবার কী করবা? - কারণ, মানে...
কারণ, মানে...
কিছু না।
জিসাস!
এখন আমারে, মানে, শহর ছেড়ে বা পরিচয় পাল্টায়া পালাইতে হবে।
ব্যাটা আমাকে ব্ল্যাকমেইল করছে।
শালার মাথায় বিশাল কুটবুদ্ধি, ইয়ো।
আরভি, তাই না?
আমি জোগাড় করে দিতে পারবো, ভায়া। আস্ত আরভি জোগাড় করে দিতে পারবো।
- না, আজকেই লাগবে। এখুনি। - সমস্যা নাই। চলো।
তুই আরভি জোগাড় করে দিতে পারবি বলছিস?
১৪০০ তে, তাও ভোর ৬টা বাজে?
জোশ।
তো কোথাও সাইন-টাইন দেয়া লাগবে?
না, এইটা অনেকটা কাগজপত্র হীন চুক্তির মতো।
ধান্দা কইরা মজা লাগলো।
জলদি, আমাদের যাইতে হবে।
- কি? - সিরিয়াস, ইয়ো। জলদি বাইর করো।
অনুবাদে: メ AsadujJaman メ
ওহ, মাই গড। মেঝেটার প্রেমে পড়েছি।
চমৎকার অনুভূতি হচ্ছে।
তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে পারো?
হ্যাঁ। তোমার ঠিক পাশেই একটা সুইচ থাকার কথা।
ওটা তাপ নিয়ন্ত্রক।
টেড, এটা নিশ্চয়ই...
সবচাইতে সেরা বিস্ময়কর আবিষ্কার।
জানি। ঠিকাদার বলে-কয়ে রাজি করিয়েছিল।
কিছুটা বেহিসেবি মনে হয়েছিল, তবে...
বলতেই হচ্ছে, একবার ব্যবহার করলে, ছাড়তে পারবে না।
এই ঝোল্লায় জীবনেও কিছু খুঁজে পাই না।
মানে, কিছু জিনিস এখানেও রেখে যেতে পারো, যদি চাও।
- বাবাকে ডেকে আনছো না কেন? - অবশ্যই।
হেই, ড্যাড।
- ড্যাড? - হ্যাঁ?
মম জিজ্ঞেস করছে...
ডিনারে আসতে চাও কিনা?
হ্যাঁ, এক্ষুনি আসছি।
তুমি বুঝতে পারছো না। আমি জানি না।
হ্যাঁ, ঠিক, যেনো কিছুই জানেন না।
- কী বললাম এইমাত্র? - ফোনটা দাও। দাও।
যেনো আমার পিছে পিছে কোন চুক্তি করেননি!
ঠিক। করিনি।
আমি সিগনালে আঁটকে ছিলাম...
নিজের চরকায় তেল দিচ্ছিলাম, তখনি লোকটা... লোকটা...
ছোকড়াটা টাকার ব্যাগ জানালা দিয়ে ছুঁড়ে মেরেছিল।
যাইহোক, ম্যান। ওই টাকা আপনার কাছে পাই এখন।
- আমাকে কথা বলতে দাও। - আমার কাছে তুমি...
আমার কাছে তুমি কানাকড়িও পাও না।
আর আমি এটার শেষ দেখে ছাড়বো। বিশ্বাস রাখো।
বিশ্বাস করবো? বিশ্বাস করবো? খুব ভালো বলেছেন।
হ্যাঁ, হ্যাঁ, সেইটাই করবো আমি।
তুমি বিশ্বাসের কথা বলছো, জেসি? চলো বিশ্বাস নিয়ে কথা বলি।
আমি বলেছিলাম আমার ফর্মুলায় না রাঁধতে, তুমিই আগবাড়িয়ে সেটা করে ফেলেছিলে।
কারণ আমি কখনোই বলিনি আমি রাধবো না। কারণ এটা আপনার না। আমাদের।
বহুবচন, শালী।
তোমার আমার অনুমতি ছিল না।
আমি শুধু জানি আমি আমার অর্ধেক পাওনা টাকা পেয়েছি...
আর বাকিটা আপনার কাছে।
কথা বাড়াচ্ছো। তুমি কথা বাড়াচ্ছো।
কি? এইটা বাড়ান। আমার মেথ, আমার টাকা!
আমি একাই মেথের ফ্যাক্টরি চালাবো। আমি ওই আরভি ২৪...
ভালোমতো আঁটকে রেখেছে। কিছুই দেখা যাচ্ছে না।
আমার মনে হচ্ছে না।
ধোঁয়া নেই, গন্ধ নেই, ময়লা নেই। মানে রাঁধুনীও নেই।
হতে পারে তৈরি হচ্ছে। ভেতরে নড়াচড়ার আওয়াজ পেয়েছি।
আমি বলি আজরাতে বাদ দেই, পরে তল্লাশির পরোয়ানা নিয়ে ফিরে আসবো।
না, আমি কোনমতেই শালাকে চোঁখের আড়াল করছি না।
নিশ্চয়ই কোন উপায় আছে।
নিশ্চয়ই কোন উপায় আছে। নিশ্চয়ই কোন উপায় আছে...
হেই, হেই, হেই।
করছোটা কি তুমি?
- না, না, না। - কী করছিস উপরে তুই?
- শালা লুইচ্চা নাকি? - শিট।
বাজে লোকদের পিছু নিয়েছি তো।
দুঃখিত আর বাকি ছুটিটা উপভোগ করুন। ঠিক আছে?
সবাই গাড়িতে ফিরে যান। সব ঠিক আছে।
লোকটা অবসরপ্রাপ্ত সৈনিক। সে ঠিক আছে।
আচ্ছা, শোনো, আর কয়েকটা চেক করেই সকালের কাজ শেষ দেবো।
- ঠিক আছে, কি বলো? - না। বাড়ি যেতে হবে।
কেন, বউয়ের পার্সে বিচি ফেলে এসেছো?
গোছগাছ করতে হবে।
কোথায় যাচ্ছো?
টেক্সাস।
কী খবর?
হ্যাংক?
হ্যাংক?
ভেতরে আসতে পারি?
- হেই, জানু। - হেই।
- গতরাত কেমন গেলো? - ভালো।
বদমাশগুলোকে ধরতে পেরেছো?
নাহ।
- তোমার জন্য ব্রেকফাস্ট বানিয়ে দেবো? - না। আমি...
আমি গোসল করেই বেড়িয়ে যাবো।
এখুনি? সারারাত তো কাজ করেছো!
একটু ঘুমাও, হ্যাংক। আরভিগুলো কোথাও পালিয়ে যাচ্ছে না।
ওগুলো ঘোরাঘুরির গাড়ি, মারি। ওটাই করে ওগুলো।
তুমি জানো আমি কি বুঝিয়েছি।
ব্লাঙ্কা'র সাথে কথা হলো।
ও বললো যে, স্টিভেন নাকি এল পাসোয় যাচ্ছে?
হ্যাঁ।
আমি শুধু ভাবছিলাম তুমি এ ব্যাপারে কি ভাবছো।
- ওটা প্রত্যাখ্যান করেছি। গল্প শেষ। - ভালো। ভালো।
জিসাস, খোদা জানে কতটা স্বস্তি পেয়েছি।
হ্যাঁ, ওয়েল আমার এখানে কিছুটা সময় দরকার ছিল কারণ এই তদন্তটার গভীরে চলে গেছি...
আর দুটো করা সম্ভব ছিল না...
তাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
তুমি জানো তুমি আমার সাথে সব শেয়ার করতে পারো, ঠিক?
তোমাকে একা এসবের মধ্য দিয়ে যেতে হবে না।
তুমি কি আমাকে জিজ্ঞেস করো কাকে কোন পোশাক পড়াবে...
তাদের এক্স-রে করার আগে?
আজব, মারি!
আমি একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি কোন কিছুর ভেতর দিয়ে যাচ্ছি না।
আমার কাজ করছি।
- আমি চাই... - জানি। জানি।
জর্জটাউনের একটা কুঠির। জানি।
কথাটা শেষ তো করতে দাও, আমি বলতে যাচ্ছিলাম...
আমি চাই তোমার অনুভূতি বুঝতে। ব্যস।
আমার ক্যারিয়ার নিয়ে ভেবো না। আমার ক্যারিয়ার ঠিকই আছে।
তুমি কি যেতে চাওনি?
তোমাকে দোষ দিচ্ছি না। আমি শুধু...
তোমার কি কাজে দেরি হচ্ছে না?
মানে, গতবারের ঘটনার পর, তোমার ফিরে যেতে না চাওয়াটা খুবই স্বাভাবিক।
আমি এই মুহূর্তে, এখানেই একটা গুরুত্বপূর্ণ মামলায় আছি।
যারা এ বিষয়ে সন্দেহ করছে, মেক্সিকোর সাথে এর কোন লেনাদেনা নেই।
মানে, আমি এখানে সত্যিকার কিছু ভালো কাজ করছি...
অথচ আমাকেই এসব বালছাল অভিযোগ শুনতে হচ্ছে!
কি, সবাই ভাবছে আমি এই জিনিসটাকে উসিলা হিসেবে ব্যবহার করছি? করুক!
কিন্তু আমি কিছু একটায় আছি। আমি জানি।
বুঝতে পেরেছো?
শুনতে পাচ্ছো?
এটা আসলে কী?
আমি বলছি আমার মতে এটা কী।
একটা চালাকি। আমাকে রান্নায় ফেরানোর একটা চালাকি।
আর একদম সুস্পষ্ট চালাকি।
সেটা কিভাবে?
যেনো আমি সিরিয়াসলি বিশ্বাস করবো, আপনি একজন নেশাখোরকে নিয়োগ দেবেন!
জেসি পিঙ্কম্যান? সুস্থ হোক বা না হোক।
আপনি অতীতে তার হয়ে সাফাই গেয়েছিলেন। আমি আপনার কথা বিশ্বাস করেছি।
না। না, না, না। ব্যাপারটা পরিষ্কার করতে দিন। ব্যাপারটা ভালোভাবে পরিষ্কার করতে দিন।
জেসি কাজ করায় সক্ষম ছিল, আমার তত্বাবধানে।
তার একক উদ্যোগের ওপর আস্থা রাখা...
ওয়েল, সেটা সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়।
ও সম্ভাব্য কীইবা উৎপাদন করতে পারবে, একটা মাঝারি মানের পন্য ছাড়া!
সর্বোচ্চ চেষ্টায়।
আমাকে বলা হয়েছে তার পন্যটি আমি যেমনটি আশা করছিলাম তার সাথে কম-বেশি সংগতিপূর্ণ।
কম-বেশি?
কম-বেশি? সত্যি?
ওয়াও!
বাহ, সেটা তো... পন্যের মান কমানোর কথা হলো!
কিন্তু আপনি সেটা করেন না, মান কমানো।
সুতরাং, আমি কোন উপসংহারে এসে পৌঁছাবো?
যে আপনি বিশ্বাস করেন আমার কোন মালিকানা টাইপ স্বার্থপরতা আছে...
আমার নিজ ফর্মুলা সম্পর্কে।
কোন ধরনের দাম্ভিক অহংকার, সম্ভবতো...
যেটা আপনার ধারণা সম্পূর্ণরূপে আমায় আচ্ছন্ন করে ফেলে...
আমার সিদ্ধান্ত প্রভাবিত করে।
- কিন্তু করে না। - অবশ্যই না।
আমি শুধু কেমিস্ট্রিকে সম্মান করি।
No comments yet. Be the first to leave one.