The first 200 lines.
মুভির নামঃ K.G.F Chapter 1 (2018) ইন্ডাষ্ট্রিঃ কন্নড়।
বিশেষভাবে ধন্যবাদ "মোহাম্মাদ নাজমুল হাসান" ভাই কে।
আর ভুলত্রুটি হলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ।
আমাদের ৫হাজার মেম্বারের গ্রুপে যোগ দিনঃ বাংলা সাবটাইটেল মেকার্স বিডি
অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ ★রাকিব এস.কে
আমি রাক্ষসদের কথা শুনেছি।
প্রথমবারের মত এক রাক্ষস কে দেখেছি!
ওর সম্পর্কে কারো লেখা বা পড়া উচিত নয়।
ওর কোন নাম নিশানা,
ইতিহাসের পাতায় থাকা উচিত নয়।
আমি সেনাবাহিনীকে নির্দেশ দিচ্ছি...
এবং ভারতের সবচেয়ে বড় অপরাধীর মৃত্যুর পরোয়ানাতে স্বাক্ষর (সাইন) করছি।
এটা হাস্যকর!
কীভাবে এতটা অবহেলা করে এটা কেউ লেখতে পারল?
একজন সিনিয়র সাংবাদিক হয়েও,
সে যে এভাবে লেখতে পারে,
এটা আমার বিশ্বাসই হচ্ছে না!
এই বই প্রকাশ হতেই যাচ্ছিলো।
কিন্তু সরকার,
এই বইকে বাজেয়াপ্ত করে নিষিদ্ধ করে,
সকল কপি আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দেয়।
পুলিশ বাহিনীর কাছ থেকে,
আমি এই শেষ কপিটি আনতে পেরেছি।
দিপা...
ওকে সাক্ষাতকারের জন্য ডাকো।
স্যার, আমি জানি যে সে একজন সিনিয়র সাংবাদিক!
কিন্তু এই বইয়ে...
আমি একটি সত্যও খুঁজে পাইনি।
দিল্লিতে আমার একটি সাক্ষাতকার আছে,
ফ্লাইটের জন্য আমার দেরি হয়ে যাচ্ছে!
সরকার নিজেই যদি এই বই নিষিদ্ধ আর বাজেয়াপ্ত করার...
...মত কাজ করে থাকে, তার মানে...
এর ভিতর অবশ্যই কিছু সত্য আছে, তাই না?
আমি এই টিভি চ্যানেলের মালিক হতে পারি,
কিন্তু এর সকল দায়িত্ব তোমারই,
আর তোমাকেই এর সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
কিন্তু, ৫০ বছর ধরে
আমি আনান্দকে দেখে আসছি।
এমনকি একটা শব্দ লিখলেও,
সে ১০০ বার ভেবে নেয়।
সেখানে সে পুরো একটা বই লিখেছে!
আপনাকে আমি আধা ঘন্টা সময় দেবো!
তারপর, এই কাজের জন্য অন্য কাউকে খুঁজে নিবেন!
- শ্যাম... - স্যার...
আর্কাইভ রুমে এই সাক্ষাৎকারের ব্যবস্থা করো।
- সবাইকে বাইরে বের করো। - সবাই শুনুন।
- এই ব্যাপারে যেন কেউ জানতে না পারে... - প্লিজ, সবাই রুম খালি করে দিন।
চলুন, চলুন...
আমি লাইভ-রেকর্ডিং চাই না...
ঠিক আছে, স্যার!
আমরা সাংবাদিক,
ছোট ছোট জিনিস থেকেও অনেক কিছু..
আমরা খুঁজে খুঁজে বের করে আনি।
এই বইতে আপনি যা লিখেছেন,
সেটা অনেক বড় ব্যাপার...
এতে করে প্রশ্নের বন্যা বয়ে যাবে।
এই জিনিসগুলোতে অনেক বড় বড় লোকেরা জড়িয়ে যাবে।
ভেবেছিলাম, ব্যাঙ্গালুরুতে এসে বড় কোনো অফিসার হবো।
এখানে থেকে ছোট খাটো কিছু কাজ করার কথা ভেবেছিলাম।
এই বদমাসগুলো অফিসেও সমস্যা করত।
আরেকদিকে, টাকা ছাড়া খালি হাতে গ্রামেও যেতে পারছি না।
বাবার দেয়া লোনও শোধ দিতে পারছি না।
খেতে আসুন, স্যার। খেতে আসুন।
আরে, যা ভাগ!
সৌদাথির ইয়েলেম্মা দেবী মা!
এই বেচারাকে একটু সাহস দাও, আর তাকে রক্ষা করো।
ম্যাডাম, ধর্ষনের জন্য শুধু পুরুষরাই দায়ী!
চুপ করুন, মিঃ নাগরাজ!
আজকের মত যথেষ্ট আজেবাজে বকেছেন!
- আরে বাপরে, এই মহিলা তো দেবী দূর্গার মতো আচরণ করছেন! - আমরা ছোট একটা বিরতি নিতে যাচ্ছি!
আর্কাইভ রুমে দিপা ম্যাডামকে কে চা দিবে?
আপনি লিখেছেন সত্য কাহিনী অবলম্বনে।
আপনার কাছে এই কল্প কাহিনীর কী প্রমাণ আছে?
মানুষ কি এসব পড়বে?
তারা কি এসব বিশ্বাস করবে?
ওই বইটা একটু আমাকে দিন!
এখন কি তারা পড়বে?
"এল ডোরাডো"-র মানে কি জানেন?
আপনি কি "হারিয়ে যাওয়া সোনার শহর" বুঝাতে চাইছেন?
হাজার বছর ধরে শোনা যাচ্ছে যে, একদা একটা সোনালী রাজ্য ছিল।
অনেক রাজারা পাগল হয়ে সেটার খোঁজ করে।
তাদের অনেক সৈন্য মারা যায়!
কিন্তু, কোনো বাহিনীই সেটা খুঁজে পায়নি।
যদি কেউ খুঁজে পেত,
তাহলে, সে পৃথিবীর সবচেয়ে মহান রাজা হয়ে যেত।
তাই না?
হয়তো...
এই বইতে তেমনই একজনের ব্যাপারে লিখেছি!
কিন্তু...
এটা কোনো কল্পনা নয়,
এটাকে বাস্তব প্রমাণ করতে,
এই পৃথিবীতে একটাই প্রমান আছে!
মাটির নিচে লুকানো,
শক্তিপাথর!
শক্তিপাথর?
পুকুড়পাড়ে কাপড় ধোয়ার যে পাথর থাকে,
এটা সেই পাথর নয়!
ওই পাথরের উপর,
মানুষ তার ছবি খোদাই করেছিলো।
সে কোন না কোন বড় কাজ তো করেছিলো তাই না!
আপনার ওই শক্তিপাথর,
মাটির যতই নিচে চাপা পড়ুক না কেন,
আমি ওটা দেখতে চাই!
আমি পাথরটিকে দেখতে চাই...
যদি ওটা থেকেই থাকে,
খনন করার জন্য লোক রেডি করো!
যত টাকাই লাগুক,
- এটা বের করতেই হবে... - আচ্ছা, ম্যাডাম।
লোকদের আমরা কোথায় পাঠাব?
আপনার শক্তিপাথর কোথায় আছে?
কোথায় আছে...
আপনার..
"এল ডোরাডো"!
কেজিএফ শহর থেকে ১৮ কিঃমিঃ দূরে বাগনুর পাবেন,
ওখান থেকে বাইন্দুর রোডে,
১২ কিঃমিঃ পরে বামে যেতে হবে,
৪ কিঃমিঃ যাবার পর বায়ে একটা পাহাড় পাবেন।
ওই পাহারের কাছে একটা পাম গাছ আছে,
ওই গাছের ৩৫ ফুট আশপাশে খুঁড়লে,
আপনি শক্তিপাথর খুঁজে পাবেন। উনি এমনটাই বলেছেন, স্যার!
একটা টিমকে সাথে নিয়ে আজকেই চলে যাও।
আর পাথরটিকে খুঁজে বের করো।
স্যার, আপনি কি সিরিয়াস?
৩ দিন পর আমার বিয়ে, স্যার!
শুধু ভেতরে বসা ওই বুড়োটা বলেছে দেখেই কি আমরা যাবো?
ভেতরে বসা ওই বুড়া লোকটা হলো আনান্দ ইংগালিগি।
সেজন্য আমি এত বেশি সিরিয়াস!
স্যার...
১৯৫০ সাল থেকে ১৯৮০ পর্যন্ত,
সব কাগজপত্র এখানে আছে।
আমি আরো কাগজ আনতে বলেছি,
কিন্তু এসব কাগজে কেজিএফের ব্যাপারে,
১টা সামান্য লেখাও নেই।
ঠিক আছে। কাগজগুলোর কথা বাদ দিন...
এই বইয়ের কথাও বাদ দিন!
আপনার কাছ থেকেই শোনা যাক!
আপনার মুখ থেকেই শোনা যাক।
ওই লোকটা কে ছিল?
সে কি হিরো ছিল?
নাকি, সে ভিলেন ছিল?
আসলে ওখানে কী হয়েছিল?
কেজিএফ-এ পাওয়া সোনার মূল্য অনেক বেশি হয়!
কিন্ত সেটা যে লোক বের করেছিল,
তার পেছনে রয়েছে এক বিরাট ইতিহাস!
দুনিয়ার যেসব জায়গাতে সোনা পাওয়া যায়,
সেসব ভাগ্যক্রমে পাওয়া যায়।
১৯৫১ সালে,
কেজিএফ শহর থেকে মাত্র ১৮ কিঃমিঃ দূরে,
যখন কৃষকেরা ওখানে একটা কূপ খনন করছিল,
তারা একটা অদ্ভুত পাথর পায়।
পাথরের তদন্ত করতে সরকারি অফিসাররা আসে,
তাদের সাথে সূর্যবর্ধনও ছিল।
মা!
এটা ছিল ভাগ্যের খেলা!
ওই রাতে দুইটা ঘটনা ঘটেছিল।
ওই জায়গা আবিষ্কার হয়,
আর তারও জন্ম হয়!
যত সহজে নুড়ি আর পাথর পাওয়া যায়,
তত সহজে সোনা পাওয়া যায় না।
কিন্তু, সূর্যবর্ধন...
নুড়ি পাথরের সাথে সোনার বাগান খুঁজে পায়।
সে ওখান থেকে এক কণা ধুলাও উড়ে যেতে দেয়নি।
তোর বাদশাহের মত ছেলে হয়েছে, মা।
আমার সোনা!
ওর তো বাবা নেই,
মাও অনেক কষ্ট করছে!
ওর জন্য কি বাবা লাগবে?
সূর্যবর্ধন ওই জমি চুনা পাথরের খনির জন্য ৯৯ বছরের ইজারা নিয়ে নেয়।
এই গোপন কথা লুকিয়ে রাখতে,
জোর করে লোকজন নিয়ে আসে,
আর খনি খননের কাজ শুরু করে।
খোকা, তোর মাকে বাঁচানোর জন্য
এই টাকা কিছুই নয়, সোনা।
১৪ বছরে বিয়ে আর ১৫ বছরে বাচ্চার জন্ম।
দুঃখ কষ্ট ভরা জীবনে,
২৫ বছর বয়সেই তার মৃত্যু হয়।
কিন্তু, ছেলের জন্য রেখে যাবার জন্য,
তার কাছে একটা সম্পদই ছিল!
তার শেষ কথাগুলো।
সবাই ভাবে তার কাছে টাকা থাকলে,
সে অনেক শান্তিতে জীবনযযাপন করতে পারবে।
কিন্তু,
টাকা ছাড়া সে তো শান্তিতে মরতেও পারে না।
এটা নিয়ে কেউ চিন্তা করে না।
আমাকে কথা দে,
তুই কীভাবে বেঁচে থাকবি, সেটা আমি জানি না।
কিন্তু, যখন মারা যাবি...
তোকে অবশ্যই প্রভাবশালী হতে হবে।
আর সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি হয়ে মারা যাবি।
আমি সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি হব, মা।
ওর মা ওকে শুধু লক্ষ্য দেখিয়েছিল।
কিন্তু, সেখানে পৌঁছানোর রাস্তা,
তার নিজেকেই বেছে নিতে হয়েছিল।
টাকা দে! টাকা দে! টাকা!
আমার কাছে নেই,
টাকা নাই?
এই নে টাকা।
হেই,
এটুকু আমার যথেষ্ট না...
আমার আরও লাগবে!
No comments yet. Be the first to leave one.