The Haunting of Hill House

The Haunting of Hill House

Download Bengali Subtitle

Season 1

Release info

দ্য হন্টিং অব হিল হাউজ সিজন ১ এপিসোড ১০ বাই সঞ্চারী ইসলাম
দ্য হন্টিং অব হিল হাউজ সিজন ১ এপিসোড ১০ বাংলা সাবটাইটেল
দ্য হন্টিং অব হিল হাউজ | সিজন ১ | এপিসোড ১০ | ওয়েব-রিপ
দ্য হন্টিং অব হিল হাউজ | সিজন ১ | এপিসোড ১০ | ওয়েব-ডিএল
দ্য হন্টিং অব হিল হাউজ | সিজন ১ | এপিসোড ১০ | ব্লুরে
The Haunting of Hill House S01E010 by Sancharee Islam
The Haunting of Hill House Season 1 Episode 10 Bangla Subtitle
The Haunting of Hill House | Season 1 | Episode 10 | Web-rip
The Haunting of Hill House | Season 1 | Episode 10 | Bluray
The Haunting of Hill House | Season 1 | Episode 10 | Web-DL
A Commentary by SNR_Islam1
🔴🔵 মাতৃভাষায় উপভোগ করুন, ২০১৮ এর আলোচিত সুপারন্যাচারাল হরর সিরিজ "The Haunting of Hill House" এর প্রথম সিজনের দশম এপিসোড‌। 🛑 [এপিসোড রানটাইম ৫০:৪১ | ১:০০:০৬ ] 🛑 👉 ডাউনলোড লিংক --> দেশি বিদেশি সাইটে পেয়ে যাবেন।

Tags

other
Published on: 2022-10-10
Downloads: 66
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 200 lines.

অনুবাদ ও সম্পাদনায় সঞ্চারী ইসলাম

পেয়ে গেছি।

জলদি খোলো!

মি. ডুডলি বলেছেন এটা বাড়ির প্রধান চাবি,

তার মানে এই চাবিটা দিয়ে বাড়ির যেকোনো তালা খোলার কথা।

তোমার কি মনে হয় এর ভিতরে কি আছে?

যদি কোনো হাওয়াই মিঠা বানানোর মেশিন থাকে?

তাও হতে পারে।

কিংবা কোনো টাট্টু ঘোড়া?

সেটা সম্ভব না।

এটা তো খুলছে না।

মনে হয় কোনো টাট্টু ঘোড়ার আছে। কি যেনো একটা নড়ছিলো।

আমি দরজার নিচ দিয়ে একটা ছায়া দেখেছি।

কে ওখানে?

যদি ভেতরে কোনো টাট্টু ঘোড়া থেকেও থাকে, এতদিনে ওটা মরে গেছে।

ছ্যাতার চাবিটা কোথায়?

- পচা করে কথা বলো না। - কিন্তু তুমি তো বলো।

আমিও দেখতে চাই, যে ভেতরে কি আছে।

বাবা, আমাদের অন্য চাবি লাগবে!

এটা দিয়েও খুলছে না!

এসব আমার একদম ভালো লাগছে না, লিউক।

আমি বাড়ি ফিরে এসেছি

অবশেষে বাড়ি ফিরে এসেছি, অনেক ভেবে দেখেছি, ভাবতে ভাবতে প্রায়শ থমকে গেছি।

আমি ফিরে এসেছি

বাড়ি ফিরে এসেছি

- আমি চলে এসেছি । - আরেহ।

তারপর কেমন কাটলো তোমার সন্ধ্যা ?

ওহ দারুণ সময় কাটিয়েছি। কেলি তোমার কথা বলছিলো।

ওর ছেলে দুটো অনেক লম্বা হয়ে গেছে।

আজকের আড্ডায় আমরা তোমাকে খুবই মিস করেছি।।

আমি ডিনার তৈরি করবো ভাবছিলাম

বুঝতে পেরেছি , কিন্তু বাবু ফ্রেঞ্চ ফ্রাইস খেতে চাইছে।

শুধুই ফ্রেঞ্চ ফ্রাই। আর কিচ্ছু না।

লেখালেখি কেমন চলছে?

মোটামুটি। সত্যি বলতে...বেশ ধীরে।

- আমি যাবার পর কতদূর লিখেছো? - দুই...

পৃষ্ঠা।

বেচারা।

আমি সবসময় বলতাম, আমি এই কখনোই হিল হাউজ , লিখে শেষ করতে পারবো না

আর এজন্যই হয়তো এমনটা হচ্ছে। আমি... মানে...

নাও খাও।

লেখকদের মাথা কাজ না করলে এটা সবচেয়ে ভালো ওষুধ।

এভাবে বলো না।

ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, সত্যি দারুণ।

আমাকে একটু পড়ে শোনাও তো।

"পৃথিবীতে এমন কিছু জায়গা আছে, যেগুলোর মধ্যে অদ্ভুত একরকমের

"পবিত্রতা আর শুদ্ধতা কাজ করে।

"আর এজন্যই হয়তো বলা হয়ে থাকে কিছু কিছু বাড়ি বোধহয়

"জন্মলগ্ন থেকেই অভিশপ্ত "

"জন্মলগ্ন থেকেই অভিশপ্ত "?

একটু বেশি হয়ে গেলো না?

যাকগে। কোথায় যেনো পড়ছিলে?

বাবা আর আমি বাড়িটাতে উঠলাম,

আর আমরা জানতাম যে লিউক এখানে, গ্যাসোলিন...

সোনা...

চলো এখন ঘুমোতে যাই।

তুমি জানোই তো, তোমাকে কখনোই এসব করতে হবে না? তুমি তো নিজেই বলেছিলে,

- যে কখনোই এটা ছাপাবে না। - আমি জানি, তবুও।

তবুও... আমি,লিখতে চাই।

হাতটা দাও।

তুমি টের পাচ্ছো?

এখানে যে ছোট্ট মেয়েটা আছে,

যে কিনা এখন এই পরিবারের একজন সদস্য হতে যাচ্ছে,

একদিন সে, তার দাদা আর লিউক চাচা

আর এই বাড়িটাতে ঠিক কি কি হয়েছিল,

সেসব সম্পর্কে জানতে চাইবে।

ও ঠিক তোমার মতন সব এসব গল্প আর,

জল্পনা শুনতে শুনতে বড় হয়ে উঠবে, কিন্তু...

ও এসব কার কাছ থেকে জানবে?

কোন কথাগুলো ওর জানাটা সবচেয়ে বেশি জরুরি ?

একদিন ও এসবকিছু তোমার কাছে জানতে চাইবে।

ধরো এটা আমাদের ছোট্ট এলিনরের জন্য।

এই বাড়িটা, এটাকে দেখে মনে হচ্ছে যেনো একা একাই গড়ে উঠেছে,

নিজের নকশা মেলে যেনো সে উড়ে চলেছে

কোনো অজানা স্থপতির হাতের ছোঁয়ায়...

উঁচু মাথাটা যেনো আকাশের পানে থেকে ফিরিয়ে রেখেছে অভিমান করে

এটা ছিলো একটা সহানুভূতিহীন বাড়ি,

যেটা বসবাসের জন্য নয়,

না কোনো মানুষের জন্য , না ভালোবাদার জন্য ,

কিংবা কোনোর প্রত্যাশার জন্য।

- গন্ধটা নাকে আসছে? - হ্যাঁ।

পেট্রলের গন্ধ।

ঠিক আছে।

ও যদি এখানেই থেকে থাকে,

আমি জানি কিভাবে ওকে খুঁজে বের করতে হবে।

বাবা...

জলদি। এদিকে এসো।

আমার দিকে তাকাও।

ভয়

আমার দিকে তাকাও।

ভয় মানে হলো সব যুক্তির পরিত্যাগ,

যেটা আমাদের আরও দূর্বল করে তোলে

নতি স্বীকার করি বা এ নিয়ে লড়াই করি

কিন্তু অর্ধেক পথে তা ছেড়ে দেয়া যায় না

এখন এসো।

আমি ফিরে এসেছি

" আমি বাড়ি ফিরে এসেছি"

আর ভাবতে ভাবতে প্রায়শই থমকে গেছি

আমি ফিরে এসেছি

বাড়ি ফিরে এসেছি

এখন, যেনো উঁড়ে চলেছি

লিউক! লিউক!

বাবা।

এই দরজাটা তো সবসময় বন্ধ ছিলো।

জানি।

ওটা ওর খেয়াল-খুশি মত বন্ধ হয়ে যায়।

লকটা খুলে ফেললেই তো হয়। এটা আবার এমন কি কঠিন কাজ?

আমি আগেই সব চেষ্টা করে দেখেছি।

হয়তো আমরা দু'জন মিলে...

বাবা!

স্টিভ, দাঁড়াও!

তুমি ঠিক আছো?

হ্যাঁ, বোধহয় একটু বিশ্রাম দরকার।

তুমি বিছানায় গিয়ে শোবে ?

কিছুক্ষণ ঘুমিয়ে নাও। সকালে উঠে নাহয় আবার লেখা শুরু করো।

আমি জানি... কাজটা কঠিন। তোমার ওপর দিয়ে বেশ ধকল যাচ্ছে।

এখন এসব রাখো তো,

বিছানায় গিয়ে বিশ্রাম নাও, এসব ভূত-প্রেতের চিন্তা এবার ছাড়ো।

আসলে...সমস্যা সেটা না।

কতটুকু লিখতে পেরেছো?

মানে, আমরা দু'জন বাড়িটাতে গেলাম।

আর তারপর রেড রুমের সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম।

আর তারপর...

হঠাৎ দরজাটা খুলে গেলো আমি দেখতে পেলাম, ভিতরে লিউক শুয়ে আছে...

লিউক মারা গিয়েছিল।

না।

ও জীবিত অবস্থায় মেঝেতে পরে ছিলো।

আর ঠিক তখনই , দরজাটা বন্ধ হয়ে গেলো,

আর...

আর তারপর , ও মারা গেলো।

তোমাকে বলতেই হবে।

আজকে তোমাকে সবকিছু খুলে বলতেই হবে , স্টিভ।

- এখানেই সমস্যাটা। - বুঝতে পারছি।

দরজাটা বন্ধ হয়ে গেলো , আর তারপর আমি...

আমি... আমি বলতে পারবো না কি হলো।

এখনও বেশি রাত হয়নি। তুমি কি একটু বিশ্রাম নেবে ?

- খানিকক্ষণ ঘুমিয়ে নাও... - না, লেইঘ ... লেইঘ , আমি বলতে চাইছি যে, আমি... আমি...

আমি সত্যিই বলতে পারবো না দরজাটা বন্ধ হয়ে যাবার পর কি হলো।

আমি...আমি কিছুই মনে করতে পারছি না।

কিংবা, কিভাবেই বা আমি ওই বাড়িটা থেকে বের হলাম।

আমার...আমার... আমার ঠিক মনে নেই আমি কিভাবে ক্যালিফর্নিয়ায় ফিরে এলাম।

আমার... আমাদের কথাও মনে পরছে না...

আমাদের পূনর্মিলনের কথা।

কিংবা তোমার অন্তঃসত্ত্বা হওয়া।

অবশ্যই, তোমার কিছুই মনে থাকার কথা না।

কারণ তুমি এখনো এগুলো কিছুই লিখোনি।

মানে বলতে চাইছি যে, তুমি লেখার আগ পর্যন্ত এগুলো কোনো কিছুই কি আদৌ সত্যি, স্টিভ ?

তুমি যা যা লিখবে তাই সত্যি। এই মানুষগুলো আসল,

তোমার অনুভূতিগুলো , তোমার যন্ত্রণাগুলো সব সত্যি,

কিন্তু... শুধু তুমি সত্যি না, তাই তো?

যতক্ষণ না তুমি এসবকিছু চিবিয়ে ভালোভাবে হজম করে

কাগজের কয়েকটা পাতায় সবকিছু উগড়ে দিচ্ছো।

আর তাও যদি এটা কোনো, ফ্যাকাসে অনুকরণই হয়ে থাকুক না কেনো।

তুমি অন্যান্য মানুষের কাছ থেকে তাদের জীবন, ভালোবাসা,কষ্ট, ব্যাথা কেড়ে নিয়ে

সেগুলো খেয়ে ফেলছো, স্টিভ।

তুমি আপাদমস্তক একটা খাদক।

তুমি এসবকিছু খেয়ে তারপর উগড়ে দাও,

আর তারপর, তারপর শুধুমাত্র , যা কিছু সত্যি সেটা তুমি

আর পাঁচটা মানুষের জীবন রক্ত,মাংস হাড় আর কতগুলো মাংসপেশি দিয়ে গড়া,

কিন্তু তোমারটা তেমন নয়, প্রিয়। একদমই, না।

তোমার জীবন মানে একটা প্লাস্টিক।

তুমি প্লাস্টিকের মত একটা পরজীবী প্রাণী।

একদম প্লাস্টিকের তৈরী, তাইনা, সোনা?

আর তাই,তোমার একদমই মনে নেই কিভাবে আমাদের বিয়েটা জোড়া লাগলো

আর কিভাবেই বা আমাদের সন্তান আসলো, কারণ তুমি আসলে এগুলো কিছু দেখোইনি,

কি মনে আছে? তুমি তো এগুলো কোনোকিছুই লিখে রাখোনি।

আমি... আমি সবসময়ই এই গল্পে একটা ছোট চরিত্র, সত্যিটা বলতেই হয়।

যে কিনা তোমাকে বসিয়ে বসিয়ে খাওয়াচ্ছে আর এসবের বিল পরিশোধ করছে

আর তখন তুমি একটা বাজে উপন্যাস লেখা নিয়ে পরে আছো যেটা কোনোদিন কিনা কেও পড়বে বা ছাপাবেও না,

কিন্তু আমি তোমার পিছনে এসব লেখার জন্য টাকা ঢালছি, তাই না?

আমি তোমার স্বপ্ন পূরণের জন্য নিজের স্বপ্নগুলোকে ভুলে গিয়ে,

একটা টাকার চেক তুলে এনেছে , আর তারপর যা কিনা যথেষ্ট না।

আমাকে মিথ্যা বলো না, সোনা আমিও তো আসল নই।

আমি যদি সত্যিই হতাম, তাহলে তুমি কখনোই ওই দরজা দিয়ে বের হতে পারতে না,

কিন্তু যেহেতু আমি আসল নই, তাই তুমি বের হতে পেরেছো, আর এখন এই...

এই ছোট্ট...

ছোট্ট বাচ্চাটা...

ওউ সত্যি না, নিশ্চয়ই।

পেটের ভিতর লাথি মারছে।

ওর ক্ষুধা লেগেছে।

ওউ নিশ্চয়ই ওর বাবার মত খাদক হবে।

যদি তাই হয়, তাহলে,

ও যদি আমাকে ভিতর থেকে খেতে শুরু করে,

আমি একদিন ফোস্কার মত বিস্ফোরণ করবো,

তুমিও কি পাগল হয়ে যাবে...

ঠিক তোমার মায়ের মতন?

স্টিভ।

লিউক।

লিউক। ওহ,ঈশ্বর।

ওহ,ঈশ্বর।

না,না,না।

লিউক।

শ্বাস নাও।

মা।

আমি...আমি ওকে বাঁচাতে পারিনি

দাঁড়াও, একটু শোনো, আমি জানি আমি সব তালগোল পাকিয়ে ফেলেছি, ঠিক আছে ?

কিন্তু আমি... আমি তো... এসব কিছু , করিনি,

আর আমার ভয়ংকর শীত করছে,

আমার হাত-পাগুলো সব ঠাণ্ডায় জমে আসছে, আমার শুধু... আমার...

আমার... আমার একটা... বিছানা দরকার।

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left