The first 200 lines.
[ বেরিং সাগর আলাস্কার ৮০ মাইল পশ্চিমে ]
ডাইনোসররা আমাদের দুনিয়ায় ফিরে এসেছে আর প্রতিটি মোলাকাতে,
এই ভয়ঙ্কর বাস্তবতা সম্পর্কে আমরা আরো শিখছি।
কীভাবে এই পরিণতি হলো আমাদের?
জুরাসিক পার্কের মর্মান্তিক ঘটনার তিন দশক পেরিয়ে গেছে অথচ এখনো আমরা...
এই প্রানীগুলোর সাথে নিরাপদে সহাবস্থানের উপায় খুঁজছি।
দীর্ঘদিন সুপ্তাবস্থায় থাকা ইসলা নুবলার আগ্নেয়গিরির অগ্ল্যুৎপাত হবার পর,
যারা বেঁচে গিয়েছিল তাদের শহরে ফিরিয়ে আনা হয়েছিল।
বেশিরভাগ বৃহদাকার শিকারী প্রাণীগুলো ধরা পড়েছিল। কিন্তু বাকি প্রাণীগুলো...
এই বিগ রক ন্যাশনাল পার্কে ছড়িয়ে পড়েছিল।
বেশিরভাগ প্রাণীই বনে থেকে গেলেও, যে প্রাণীগুলো শহরে চলে গিয়েছিল...
তারা অপরিচিত পরিবেশে মানিয়ে নিতে পারেনি।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ সতর্ক করেছে পশুগুলো অনির্ভরযোগ্য ও ক্ষুধা পেলে ভীষণ মারমুখো হয়ে ওঠে।
ডাইনোসরেরা সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ায়, এক বৈশ্বিক কালোবাজারের উত্থান ঘটেছে।
ক্রমবর্ধমান বেআইনি শিকারীদের হুমকি মোকাবেলায়...
মার্কিন কংগ্রেস তাদের ধরার সর্বময় ক্ষমতা প্রদান করে বিশ্বখ্যাত কোম্পানি, বায়োসিন জেনেটিকসকে।
বায়োসিনে, আমরা বিশ্বাস করি যে ডাইনোসরেরা মানুষ সম্পর্কে আমাদের আরো শেখাতে পারে।
সিইও লুইস ডজসন, দুর্লভ ঔষধ আবিষ্কারের আশায় ডাইনোসরদের...
প্রাচীন রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা নিয়ে গবেষণায় ইতালির ডলোমাইট পর্বতে এক অভয়াশ্রম গড়েছেন।
বায়োসিন আমরা জিনগত সক্ষমতাকে সামলাতে পারবো বিশ্বাস করলেও,
জনগণ এখনো সন্দিহান। অনেকে তো বলছে...
সরকারের এই চুক্তিগুলো বায়োসিনের লাভের পরিমাণ বিপুল হারে বৃদ্ধি করেছে।
এবং গুজব ছড়িয়েছে এক মানব ক্লোন রহস্যজনকভাবে...
নিখোঁজ হওয়ায় বিশ্বব্যাপী তল্লাশী অভিযান চলছে। অনেকে বিশ্বাস করে...
সে জিনগতভাবে শার্লট লকউডের মতো দেখতে,
জুরাসিক পার্কের মৃত সহ-প্রতিষ্ঠাতা বেঞ্জামিন লকউডের মেয়ে।
প্রাণীগুলোকে বিলুপ্তাবস্থা থেকে ফিরিয়ে আনলেও, এর তাৎপর্যের মুখোমুখি হতে কি আমরা প্রস্তুত?
ওগুলোকে কি আমরা সামলাবো...
নাকি তাদের নিজেদের মতো ঘুরে বেড়াতে দেবো? এই পরিবর্তনশীল দুনিয়ায় মানিয়ে নিতে...
তাদের ও আমাদের নিরাপত্তার স্বার্থে...
এই প্রশ্নগুলোর জবাব খোঁজা আমাদের ভীষণ প্রয়োজন।
অনুবাদে: 〄 AsadujJaman 〄
আমরা অবৈধ প্রজনন কেন্দ্রের ভেতরে ঢুকেছি।
খরচ কমাতে বাচ্চা প্রাণীগুলোকে খাঁচায় রাখা হয়। মধ্যযুগীয় কায়দায়।
ক্লেয়ার।
এটাকে আলাদা রাখা হয়েছে কেন মনে হয়?
মনে হয় না এটা বাঁচবে।
না, কী করছো? ব্যাপারটা আমরা রিপোর্ট করবো।
ডিএফডব্লিউ তদন্ত করতে অনেকদিন সময় নেয়। এটাকে আমরা এখন-ই বাঁচাতে পারবো।
ভয় নেই। ভয় নেই, বন্ধু।
আচ্ছা, এই তো।
জি, না। না।
- মাথা সামলে। - হ্যাঁ।
আচ্ছা, হ্যাঁ।
আচ্ছা, ওঠো, চলো।
- ধরে বসো। - কী ধরবো?
ক্লেয়ার! গুলি খেয়ে মরবো তো।
না, ঘোরাও, না!
খাইছে!
- সবাই ঠিক আছো? - না!
আচ্ছা, তো ভাবছি এটাকে ডিএফডব্লিউয়ের কাছে পৌঁছে দিয়ে আবার ওখানে হানা দেবো।
হ্যাঁ, প্রজনন কেন্দ্রটা তো দেখেছো, তাই না?
সম্ভব না। গতসপ্তাহে একটা ফোন পেয়েছি। আসল চাকরি।
যেটার মাধ্যমে আসলেই পরিস্থিতি বদলাতে পারবো। চাকরিটা নিতেই হবে।
- ওদের আমাদের প্রয়োজন। - আমাদের লাগবে বলে ওদের বাঁচাচ্ছো?
- নাকি অনুশোচনায় পুড়ে বাঁচাচ্ছো? - ক্লেয়ার।
- মানে, এসব তো পাগলামি। - ক্লেয়ার, তুমি সঠিক কাজটাই করছো।
কিন্তু এভাবে, এভাবে আর চলতে পারে না।
সত্যি বলতে, তোমার গোলাগুলি সামলাতে পারে এমন কাউকে প্রয়োজন।
তোমার আর ওয়েনের উদ্ভট চক্করটা এখনো চলছে না?
- অতোটাও উদ্ভট না। - ও উদ্ভট বুঝাতে চায়নি। না, ও বুঝাতে চেয়েছে...
বিস্ময়কর।
চলো ওদের বাড়ি ফেরাই!
ইয়াহ।
আচ্ছা। কাছে আয়।
আচ্ছা।
তোকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাবো আমরা।
এইতো। এইতো।
হেই!
- কোথায় গিয়েছিলে? - কোথাও না। কী পোড়াচ্ছো তুমি?
ওহ, কিছু না ব্যস পুরোনো কিছু কম্বল। ব্রীজের ওপারে যাওনি নিশ্চিত তো?
আমি মিথ্যে বলছি ভাবলে ওভাবে তাকাও তুমি।
- বলছো নাকি? - না।
- মেইজি, আমার চোখের দিকে তাকাচ্ছো না তুমি। - বললাম তো আমি ব্রীজের ওপারে যাইনি।
মেইজি, আবার শুরু করি?
আমি জানি, ক্লেয়ার। লোকে আমাকে তন্নতন্ন করে খুঁজছে।
আমি রাগ করিনি। তাই তোমারও রাগ করার দরকার নেই।
আমি রাগ করিনি। আমি নিজের খেয়াল রাখতে জানি।
হেই, পরষ্পরের ওপর নির্ভর করায় কোনো দোষ নেই। মানুষ সেটাই করে।
আমি কীভাবে জানবো মানুষ কী করে?
গত চারবছর শুধু তোমাদের দু'জনের সাথেই কথা বলেছি।
- তাছাড়া, এমনিতেও আমি আসল মানুষ না। - কী?
আমাকে আরেকজনের মতো করে বানানো হয়েছে। আমি আসল না।
তোমার মতো কেবল একজন-ই আছে। কী? কথাটা বেশি নাটকীয় হয়ে গেছে?
খুবই নাটকীয় হয়েছে।
- কথাটা কি আমাদের মাঝে রাখা যায়। - কথা দিতে পারছি না।
হেই, খুকী। দেরি করার জন্য দুঃখিত।
- ওহ। - তোমার গায়ে ঘোড়ার গন্ধ।
- ওহ, তোমার ভালো লেগেছে, তাই না? - হ্যাঁ, একদম।
- আচ্ছা। আমি ডিনার বানাতে গেলাম। - সব ঠিক আছে?
ও আবারো শহরে গিয়েছিল।
- পাজি মেয়ে, ওর সাথে কথা বলেছো? - চেষ্টা করেছিলাম।
আমি কথা বলে নেবো।
আচ্ছা। এবার উল্টো দিকে কাটো।
উঃ, ঠান্ডা মাথার কিলার।
- আমি হলে ওর সাথে পাঙ্গা নিতাম না। - আবার জিগায়।
শোনো খুকী, তোমার শহরে যাওয়া নিয়ে সম্ভবত কথা বলা উচিত আমাদের।
বোধহয় তুমি জানো না এখানে বন্দী থাকতে কেমন লাগে।
তুমি বন্দী নও। আমরা ব্যস লোকজনকে বিশ্বাস করি না।
না, তোমরা ব্যস আমাকে বিশ্বাস করো না অথচ তোমাদের ঠিকই করতে বলো।
- আমি কেন স্বাধীনভাবে ঘুরতে পারবো না? - কারণ সেটা সম্ভব না।
- অস্থির আলোচনা হলো। - হচ্ছে'টা কী?
- ওর বয়স ১৪. - হ্যাঁ।
বয়সটা কেমন হয় মনে আছে তো?
আছে। ওকে সারাজীবন এখানে আঁটকে রাখা সম্ভব না।
যদি ব্যাপারটা সমাধান না হয়, ও ব্রীজের চাইতেও অনেক দূর পর্যন্ত যাবে।
ওরা ওকে পেলে, জীবনে দেখতে পাবো না ওকে। আমাদের ওকে রক্ষা করতে হবে।
এটাই আমাদের কাজ। সেটাই করবো আমরা।
কীভাবে রক্ষা করবো? ঘরে আঁটকে রেখে? ওর মনে অনেক প্রশ্ন।
মানে, যে প্রশ্নের জবাব আমরা জানি না। সে জানতে চায় সে কে।
শার্লট লকউড কে ছিল।
গ্রেডির বাসা খুঁজে পেয়েছি। আপনি ঠিক বলেছিলেন। র্যাপটরটার বাচ্চা হয়েছে।
শুনুন, আরেকটা কথা। আপনার খোঁজা মেয়েটাকে খুঁজে পেয়েছি।
আসার জন্য ধন্যবাদ। নিশ্চিত ছিলাম না কাকে কল করবো।
এসব এতোটাই মিস করেছি, বলতেও চাইনি এটা কোনো ডাইনোসরের কাজ না।
হ্যাঁ, ওরাই সব মনোযোগ কেড়ে নেয়।
- তোমরা ১০০ গজ দূরে দূরে নমুনাগুলো পুতে দেবে? - এরা আপনার ছাত্র?
হ্যাঁ, আমরা পরিবেশের ওপর প্রাতিষ্ঠানিক কৃষিকাজের প্রভাব খতিয়ে দেখছি।
তাই এই বিষয়ে আমরাই বিশেষজ্ঞ।
ওগুলো গ্রামের ৬০টা জমিতে আক্রমণ করেছে। এরকম কিছু আগে দেখেছেন?
না, এরকম দেখিনি। এগুলো গোটা মিডওয়েস্টে ফসল নষ্ট করছে।
প্রথমদিকে বড়ো কোম্পানিগুলো সব পতঙ্গ মেরে ফেলার চেষ্টা করে। এখন এই অবস্থা।
ওটা আপনার জমি?
ওটা বেনেটদের ভুট্টাক্ষেত। পঙ্গপালগুলো ওসব খায়নি।
- বেনেটদের মতো আপনিও একই বীজ বুনেছিলেন? - না।
আমরা স্বতন্ত্র চাষী। ওরা বায়োসিনের বীজ ব্যবহার করে।
হ্যাঁ, তাতো বটেই। জীবিত একটাকে ধরেছেন বললেন না?
আচ্ছা, ধীরে বের করো।
- ধরেছো? - হ্যাঁ।
আস্তে!
আমরা কেন খনন করি?
কারণ জীবাশ্মবিদ্যা হচ্ছে বিজ্ঞান, আর বিজ্ঞান মানেই সত্য...
আর এই পাথরগুলোর মাঝেই আছে সত্য।
গ্র্যান্ট, কে এসেছে দেখে যাও।
এলি স্যাটলার।
অ্যালান গ্র্যান্ট, এখনো একইরকম আছো। আর এই জায়গাটা। একদম, একদম তোমার মতো।
দুঃখিত। তুমি আসছো জানলে, আমি সব...
- কিছু এনে দেবো তোমাকে, বিয়ার বা...? - সকাল ১০টায় মদ না খেলেই ভালো হয় তবে চা বা...
- চা, হ্যাঁ। চা দেওয়া যাবে। - আসার পথে অনেক পর্যটক দেখলাম।
সব তহবিল শেষ হয়ে গেছে তাই কাউকে তো খরচ জোগাতেই হবে।
ধন্যবাদ।
মৃৎবিজ্ঞান আর পুনরুৎপাদনশীল চাষাবাদ নিয়ে তোমার লেখা পড়েছি।
- অসাধারণ। - ধন্যবাদ।
লেখাটা দিনবদলের আশা হয়ে দাঁড়াতে পারে।
- বাচ্চারা কেমন আছে? - হুম। ফাটাফাটি। বড়ো হয়ে গেছে। আশ্চর্যজনক।
- দু'জনেই কলেজে পড়ে। বিশ্বাস হয়? - আর মার্ক?
- সম্পর্ক শেষ। - ওহ, ওহ...
- শুনে দুঃখ পেলাম। - ব্যাপার না। আমি আমার মতো আছি, কাজ নিয়ে।
- বুঝতেই পারছো। - অসাধারণ।
ভালোই আছি। সত্যিই। অবশেষে একা হয়েছি।
- মাথা নষ্ট ব্যাপার। - হ্যাঁ, অ্যালান গ্র্যান্টের মতো জীবন কাটাচ্ছি।
- ব্যাপারটা... একদম স্বাধীন। - একটু নিঃসঙ্গ লাগতে পারে।
এলি। এতোদূর নিশ্চয়ই ব্যস গল্পগুজব করতে আসোনি, তাই না?
এটা তো পঙ্গপাল, চোয়াল, পাখা, পাঁজর কিন্তু খোদা, সাইজ তো বিশাল।
এটার জিন বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছিল সেই ক্রিটেসিয়াসের সময়ে...
অথচ এগুলো দলবেঁধে আইওয়া থেকে টেক্সাস পর্যন্ত ফসল উজাড় করছে।
বিভৎস, তাই না? কয়েকশো দিয়ে শুরু হয়েছিল।
গ্রীষ্মকাল শেষের আগেই লাখে পৌঁছে যেতে পারে।
এভাবে চলতে থাকলে, খাবার মতো কোনো ফসল থাকবে না...
মুরগি, গরু, গোটা খাদ্যশৃঙ্খল ভেঙে পড়বে।
পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে এটাকে বানানো হয়েছে কিন্তু কেউ কেন একাজ করবে?
- এগুলো বায়োসিন বীজের কোনো ফসল খাচ্ছে না। - বায়োসিন?
- বলতে চাইছো বায়োসিন এটাকে বানিয়েছে? - মানে, শুনলে আশ্চর্য হবো না...
- যে তারা বিশ্বের খাদ্যসামগ্রী নিয়ন্ত্রণ করতে চায়। - তার আগে কয়েক কোটি না খেয়ে মরবে।
এর মানে দাঁড়ায়, অরাজকতা থেকে আমরা তিন বেলা খাবারের দূরত্বে আছি?
ওদের থামাতে না পারলে, নিজের শেষ তিনবেলার খাবার বেছে নিতে পারো।
তো এটা আমাকে কেন বলছো?
আমার শক্ত প্রমাণ দরকার এসবের জন্য বায়োসিন-ই দায়ী।
ওদের অভয়ারণ্যে গিয়ে আরেকটা পঙ্গপালের ডিএনএ নিতে হবে।
কিন্তু আমার একজন সাক্ষী প্রয়োজন। অ্যালেন, তুমি সম্মানিত লোক।
- মানুষ তোমাকে বিশ্বাস করে। - জানোই তো এখানে কেন এসেছি। শান্তির জন্য।
- ওই জীবন ফেলে এসেছি। - তাই নাকি? ওকে।
আচ্ছা, দুঃখিত, অ্যালেন, এতো আরাম আর কারো কপালেই নেই।
এমনকি তোমারও না আর আসলে কী জানো? তোমাকেই একমাত্র বিশ্বাস করি আমি।
এই বায়োসিন অভয়ারণ্যটা কি লোকালয় থেকে ১০০ মাইল দূরে?
- ওখানে যাবে কী করে শুনি? - তাদের নিজস্ব দার্শনিকের দাওয়াত পেয়েছি।
মনে হচ্ছে বিশৃঙ্খলা বিশেষজ্ঞ হলে আজকাল অনেক পয়সা পাওয়া যায়।
আর সে হঠাৎ করেই তোমাকে দাওয়াত দিয়েছে!
বললো আমি নাকি কিছু জিনিস দেখতে চাইবো।
যাবে নাকি যাবে না?
আসুক!
ক্লিয়ার!
শহরে ধরা পড়া প্রতিটি প্রাণী ডলোমাইটে...
বায়োসিনের অভয়াশ্রমে যাবার আগে এই জায়গায় আসে।
আমরা তাদের চিকিৎসা দেই ও তাদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করি।
- বড্ডো বেশি নিরাপত্তা। - আপনারা তো ব্যস এই কয়টাই দেখছেন।
অনেক বদলোক ওদেরকে হাতাতে চায়।
আপনাদের প্লেন একটু জ্বালানি নিচ্ছে।
বায়োসিনে নেমন্তন্ন পাওয়া কঠিন, নিশ্চয়ই ক্ষমতাবান কাউকে চেনেন।
- একটু ধরতে পারি... - অবশ্যই।
হাই।
অনুসরণ করো।
কয়েক সপ্তাহ আগে এগুলোকে নেভাডার এক অবৈধ প্রজনন ফার্ম থেকে উদ্ধার করেছি।
পুরো ফার্ম বন্ধ করে দিয়েছি। অজ্ঞাত কেউ খবর দিয়েছিল।
লক্ষ্মী মেয়ে। হ্যাঁ, হ্যাঁ।
অ্যালান, এসবে কখনোই অভ্যস্ত হবে না।
- ভালো থাকবেন। ধন্যবাদ। - বাই।
হেই।
তুমি তো ঠিক ব্লুয়ের মতো দেখতে।
সে তোমার মা?
No comments yet. Be the first to leave one.