The first 200 lines.
অনুবাদে - কুদরতে জাহান
বাংলায় সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে গুড রেটিং দিতে ভুলবেন না।
আমি তাড়াতাড়িই তোমার কাছে আসবো।
ব্যাপারটা খুব নিষ্ঠুর না?
ঐ ফালতু প্রজাপতিটার জন্য,
আমাকে এতগুলো বছর কষ্ট করা লাগলো।
কিন্তু ঐ প্রজাপতিটা ওর মা হয় কী করে?
তাই আমি চাই, ও যাতে কোনোভাবেই ব্যাপারটা না জানে।
আমি মান-ইয়ংকে এত কষ্ট পেতে দিতে চাই না ...
আমি চাই না ও কষ্ট পাক।
আমি চাই না ও অন্যরা কী ভাবছে তাই নিয়ে কষ্ট পাক।
আমার আশা, ও কোনো আবেগ ছাড়াই বেঁচে থাকবে।
শূন্য ক্যানের মতো।
আমার মা আর ভাইয়ের কথা ভাবলে নিজেকে খুব অপরাধী লাগে, আমি কী করবো?
আমরা বেরিয়ে যাচ্ছি।
মন পাল্টালে আমাদের সাথে যোগ দিতে পারো।
গ্যাং টে।
ফটো স্টুডিওর ঠিকানা
ধন্যবাদ ম্যাং টে, তোমার ওষুধ খাবার পর থেকে
আমি আর দুঃস্বপ্ন দেখি না।
তুমি, স্যাং টে আর ম্যাং টে।
এই পরিবার পেয়ে আমি খুবই খুশি।
আমি ম্যাং টে কে ফেরত চাই।
ও আমার।
উনি ঐ চেয়ারে বসতে পারেন।
স্যার, প্লিজ ওনার পাশে বসেন।
দারুণ স্যার, ওনার একটু কাছে বসেন।
-নিশ্চয়ই। -দারুণ, এইতো সুন্দর।
এখন ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে বড় করে একটা হাসি দেন।
ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে বড় করে হাসি!
- এক, দুই -- -ওহ,দেখুন!
দাঁড়ান, এক সেকেন্ড প্লিজ।
আমার ভাই এসেছে।
হায় ঈশ্বর, ঐ যে আমার আসল ভাই।
বেশি দেরি করে ফেলিনি তো?
না আসলে তোমাকে ফটোশপ করে আমাদের ছবিতে বসাতাম।
সেজন্যই এসেছি।
তোমাকে দেখতে সাংঘাতিক লাগছে।
স্যুটের দাম কত? এক লাখ ওয়ান?
-তোমাকেও সাংঘাতিক লাগছে। -হ্যাঁ, জানি।
হায় ঈশ্বর, তুমিওয়াক্স দিয়ে চুল স্টাইল করেছ।
আমারটা দিয়েছ নাকি?
আপনারা তিনজন পাশাপাশি দাঁড়িয়ে ক্যামেরার দিকে তাকালে
আচ্ছা, আমরা তিনজন একসাথেই ছবি তুলেছি।
এটা আমাদের পারিবারিক ছবি।
দুইজনে ওনার কাছাকাছি দাঁড়ান।
পারিবারিক ছবি যেহেতু, বড় করে হাসি দেন।
এই তো।
প্লিজ হাসুন।
আচ্ছা, এইতো সুন্দর।
এক,দুই, তিন!
CHAPTER 13 THE FATHER OF THE TWO SISTERS
আমি ফিরেছি।
-মিস্টার লি, আপনি ফিরেছেন। -ওহ, সিউং জে।
হেই, কোথায় যাচ্ছ?
আপনাকে মেসেজ দিয়েছিলাম।
আমি গবেষণা করার জন্য মিস কো আর মিস্টার মুন স্যাং টের সাথে আর্ট লাইব্রেরি যাচ্ছি।
হেই, আমি তোমার মেসেজ দেখিনি,
আমাকে ফোন অফ রাখতে বলেছিলে না?
খোদা, ব্যথা পেয়েছি।
জু-রি তার রুমে আছে!
মনে হয় আমাদের কায়দা কাজ করছে।
ওহ, সত্যিই?
ব্লাইন্ড ডেট কেমন হলো তা জানতে না চাইলে
তুমি নিজে থেকে বোলো না, ঠিক আছে?
কেন?
আমি সং-হাই-কিয়োর মতো দেখতে একজনের সাথে ব্লাইন্ড ডেটে গিয়েছি।
খোদা, মুখ বন্ধ করে আমি যা বলি তাই করো।
-বাইরে যেতে হবে। পরে দেখা হবে। -আচ্ছা।
হেই, সাবধানে থেকো।
আচ্ছা, ভালো।
জু-রি।
আমি কি আসতে পারি?
হ্যাঁ।
শুধু বলি, আমি সুস্থভাবে ঘরে ফিরেছি।
তোমাকে ক্লান্ত লাগছে, বিশ্রাম নাও।
আজকে মনে হয় তোমার ছুটি।
হ্যাঁ।
আমার মা কিছু মুলবেরি লিভ আর গোডেউলপেয়েগি কিমচি নিয়ে এসেছে আমার জন্য, তাই সেগুলো নিয়ে এসেছি।
এখনো খেয়ে না থাকলে --
আমি খেয়েছি, তুমি খাও।
আচ্ছা।
আমি অপরিচিত একজনের সাথে ডেটে গিয়েছিলাম।
জানি।
ও একেবারে সং-হাই-কিয়োর মতোই দেখতে।
এরকমই আমার পছন্দ।
আমাদের সাথে সাথেই খাতির হয়ে গেছে--
মিস্টার লি,
আমার ট্রেনিং আছে কাল।
সেজন্য এসব পড়ে শেষ করতে হবে।
আচ্ছা, আমি দুঃখিত।
ভালো করে পরো, তুমি পারবেই!
আমার বেফাঁস মুখ!
আমি শেষ।
সত্যি? সং হাই কিউ? তুমি কি এতোটাই উত্তেজিত?
ধুরো!
কো মান ইয়ং কী ভেবেছে? ও সবাইকে নিয়ে সবসময়ে কুটনামি করে বেড়াবে?
সমস্যা নেই।
মানুষের পিছে কথা বললে মন হালকা হয়।
সিউং জে, আশা করি তুমি একটা সুস্থ সুন্দর জীবন পাবে।
ধন্যবাদ।
হ্যালো, আমাদের আর্ট ডিরেক্টর, মিস ইউ-সিয়াং জে।
তুমি আজকে স্যুট পরেছ! সাংঘাতিক লাগছে!
-এখানে আসতে চেয়েছ? -হ্যাঁ, এটা একটা আর্ট লাইব্রেরি।
এখানে অনেক ছবির বই আছে।
- আমার সাথে এসো। -আচ্ছা।
এদিক দিয়ে।
-চলো। -হেই।
-এটা এখন থেকে আর পরার দরকার নেই। -কেন না?
দেখতে ভালো দেখাচ্ছে না।
কেয়ারগিভার ইউনিফর্মেই বেশি ভালো লাগে তোমাকে।
ওহ, সত্যিই?
আমি আরো কয়েকটা কেনার কথা ভাবছিলাম।
এই স্যুটগুলো অনেক আরামদায়ক।
দেখে মনে হচ্ছে না, পরার দরকার নেই।
আচ্ছা, পরবো না।
তাহলে তুমিও পোরো না।
দেখে অস্বস্তি লাগছে মনে হচ্ছে।
ঘোড়ার ডিম!
হেই! আমার কথা শোনো, এগুলো পোরো না,
নইলে কিন্তু ছিঁড়ে টুকরো টুকরো করে ফেলবো?
এটা পোরো না!
"ওর একটা খুব সুন্দর ডলহাউজ আছে।"
এই আর্টিস্ট অনেক বিখ্যাত এক ইলাস্ট্রেটর।
- বাচ্চারা খুব ভালোবাসে এধরনের-- -গলা ...
লাইব্রেরিতে গলা নামিয়ে কথা বলো।
এটা লাইব্রেরির নিয়ম, ঠিক আছে?
দ্য গোল্ডেন প্লেট
জানো নিশ্চয়ই,
মিস কো এর লেখা গল্পগুলো খুবই ক্রুড় আর নিষ্টুর হয়।
তুমি নিষ্পাপ ভাব নিয়ে সেগুলোর সাথে পাল্লা দিলে ভালো হবে।
বসন্তের দিনের ম্লান সূর্যের আলোর মতো।
ওহ ঠিক।
যেগুলো দেখলেই মন ভালো হয়ে যায়। মূলত প্যাস্টেল রঙ,
যাতে মিস কো এর তীব্র গল্পগুলোকে প্রশমিত করা যায়,
আমি
- আমি সেটা করতে পারবো না। -কী?
কেন নয়?
প্রশমিত করলে পানসে হয়ে যাবে। কিছুই টেস্ট করতে পারবে না।
কে খাবে ওটা?
কুকুরেরাও খাবে না।
ও এত দারুণ!
হাসিখুশি কুকুরের গল্প
অনেকদিন আগের কথা, ছিল এক কুকুর ...
তোমার নাকি হাসিখুশি কুকুরের গল্প পছন্দ হয়েছে।
আমার? কেন?
তোমার বন্ধুর নামকি জে-সু নাকি জে-মি?
ও বলেছে তুমি কখনো কাউকে মনের কথা বলোনি,
আর সবকিছু মনে চেপে রেখেছ।
হাসিখুশি কুকুরটাও তাই।
তোমাদের দেখা হয়েছে?
আমি ওকে ডেকেছি, জিজ্ঞেস করার জন্য,
তোমার কেন এত মন খারাপ, তা ও জানে কিনা, তা জানার জন্য।
ওকে দশ বাক্স পিজা অর্ডার করেছিলাম, ও সাথে সাথে চলে এসেছে।
আর?
ও কী বললো?
ও বলেছে চাপাচাপি না করতে,
কারণ তোমার চিন্তা জেনে আমার কোনো লাভ হবে না।
তাই আমি হাল ছেড়ে দেবার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
আমার আর কোনোকিছু নিয়ে আগ্রহ নেই।
কো মান-ইয়ং।
আমি ...
সবার দেখাশোনা করতে করতে ক্লান্ত।
নিজের ভাইয়ের দেখাশোনা করার জন্যই আমার জন্ম।
আমার জীবিকা অর্জনেরও দরকার আছে,
তাই নিজেকেই এ ব্যাপারে চাপ দিচ্ছি।
আর?
আমি এসবকে কাজ হিসেবে দেখবো না।
আমার কাজ হবে সামনে এগিয়ে যাওয়া।
নিজের পরিবারকে বাঁচানোর জন্য এভাবে জীবনের ঝুঁকি নেয়া...
ভেবে দেখতে গেলে,
ব্যাপারটা আসলেই অনেক সাংঘাতিক।
আমার পরিবারের সাথে যে গ্যাঞ্জাম করবে তাকে আমি ছাড়বো না।
ওকে আমার কাছ থেকে কেড়ে নেয়া হলে,
তাদেরকে তাড়া করে ফিরে ওদের আমি ফিরিয়ে আনবো।
যেকোনো মূল্যে নিজের পরিবারকে আমি রক্ষা করবো।
আমি কি ঐ পরিবারের অংশ?
আমরা একসাথে ছবি তুলেছি,
তাই আমরা এখন একটা পরিবার,
OK PSYCHIATRIC HOSPITAL
আমাকে আর কখনো ফোন করবে না।
এখানে আসবে কোন আক্কেলে?
ভালো, তাহলে আসো।
আমি নিজেই নিজের জীবন নিয়ে নেই তাহলে,
ও আবার ফোন করলে বলবে,
ইয়ু সিওন মারা গেছে।
মিস ইয়ু, থামো।
একটু হাঁটতে যাবে?
ফোনে কার সাথে কথা বললে?
ঐলোক, ইয়ু সিওনের বাবা।
ওর কোনো লজ্জা নেই।
ও নাকি ওকে বাচ্চা থাকতে শামান ওঝাদের কাছে পাঠিয়েছিল, বলেছিল ওকে জিনে ধরেছে।
আমার সাথে এমন করলে আমিও আমার বাবার সাথে কথা বলতাম না।
ওদের বহুদিন সম্পর্ক খারাপ ছিল, এখন আবার কী?
-মিস সান বিউল। -জি ম্যাম।
তুমি তার পরিবারের পুরো গল্প জানো না।
এত তাড়াতাড়ি বিচার করার দরকার নেই।
তুমি কি শুধু গল্পের এক পক্ষ থেকে গল্প শুনছ না?
তার বাবা-মায়ের নিশ্চয়ই কোনো একটা কারণ ছিল।
ঠিক।
No comments yet. Be the first to leave one.