The first 200 lines.
হ্যালো. আমার বন্ধু জ্যাক বেকার (ডিরেক্টর) একটি সত্য ঘটনাকে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তুলে ধরেছেন.
আমার নিজের ঘটনা. ঘটেছিল 1947 সালে ফ্রান্সের লা সান্তে কারাগারে.
ওখানে দাঁড়ান!
যাও.
তাকে যেতে দিও. আমার তাড়া আছে.
দাঁড়াও!
মরিস গেলাবোয়া, বয়স 32. ব্লক 13, সেল 35.
এই কয়েদি গত 48 ঘণ্টায় কিছু খায়নি.
তুমি না খেয়ে আছ কেন?
আমি নির্দোষ!
তুমি নির্দোষ হলে সেটা প্রমাণ করা হবে. কিন্ত খেতে তো হবে.
আমি খাবোনা, বিচারককে জানাবেন যে আমি খাচ্ছিনা, কারণ এটা উনার দোষ!
বিচারক সাহেব কিন্ত খাচ্ছেন.
তুমি খাচ্ছনা শুনে উনার ক্ষুধা কমে যাবেনা.
আমি খাবোনা!
ঠিক আছে, উনাকে জানিয়ে দেওয়া হবে.
তারপর!
কী ব্যাপার?
গ্যাসপার, ক্লড, নাম্বার 6028.
লাইটার লুকিয়ে রেখেছে, উপরে স্বর্ণের প্রলেপ দেওয়া.
তুমি জানো এখানে লাইটার রাখা নিষিদ্ধ.
তেল ছাড়া লাইটারও, স্যার?
তেল ছাড়া লাইটারও. এটাই নিয়ম.
এখানে আসার পর শুনেছ নিশ্চয়ই.
আসলে ভুলে গিয়েছিলাম এটা পকেটে ছিল.
- কিন্ত পরে খুঁজে পেয়েছ. - হ্যা.
তাহলে তখন জমা দাওনি কেন?
ছাড়া পাওয়ার সময় তুমি ওটা ফেরত পেতে.
ঠিক বলেছেন, স্যার, কিন্ত এটার সাথে কিছু স্মৃতি জড়িয়ে আছে.
এটা সাথে থাকলে আমার ভাল লাগে.
- এটা স্বর্ণের তৈরি? - হ্যা, স্যার.
জিনিষটা মূল্যবান. ছাড়া পাওয়ার সময় ফেরত পাবে.
তোমার শাস্তি পাওয়ার কথা, কিন্ত প্রথমবার বলে ক্ষমা করে দিলাম.
অনেক ধন্যবাদ, স্যার.
ছেলেটা ভাল!
যখন ছাড়া পাবে তখন লাইটার পেয়ে যাবে.
- তোমাদের নতুন সঙ্গী! - 4 জন তো আছে.
- তাহলে এখন 5 জন. - আমাদের কাজ করার কথা.
কার্ডবোর্ড দিয়ে বক্স বানাতে হবে, সেগুলোর জন্য জায়গা দরকার.
কজের দোহাই দিওনা! কাজ করা বাধ্যতামূলক নয়.
- আপনি চাননা আমরা কাজ করি? - বেশি মুখ চালিওনা!
আমাদের কাজ করার অধিকার আছে.
সে তোমাদের নতুন সঙ্গী, আর কোন কথা হবেনা.
আমরা এমনিতেই 4 জন আছি এখানে.
তুমি গাঁঠরি রাখো, আর তুমি চুপ করো!
- ভদ্রভাবে বলছি, স্যার! - বাদ দাও, ম্যানু. কোন লাভ নেই.
একদম ঠিক!
তোমার তোশক পাঠিয়ে দিব.
দুঃখিত, আমি এখানে আসতে চাইনি.
বাদ দাও.
আমি ভসলান, তুমি আমাকে মোঁসেনিওর বলবে. এটা ডাক নাম.
আমি ক্লড গ্যাসপার. ব্লক 8-এ ছিলাম.
- মেরামতের জন্য সরিয়ে দেওয়া হয়েছে. - তুমি এখানে ঠিক আছ.
- আমার সেরকম মনে হলনা. - অত চিন্তা কোরনা!
থামো এবার, যা হওয়ার হয়েছে.
- রোলান্দ দারবোঁ. - হ্যালো!
এটা জিও কাসিদ.
নতুন এসেছে. ব্লক 8 থেকে, মেরামত চলছে তাই.
- কী অবস্থা! - হ্যালো.
ম্যানু বোরেলি.
ঠিক আছে. তোমার ব্যাগ দাও.
চিন্তা কোরনা. আমরা জায়গা করে দিব.
এটা ধরো.
- বাড়িতে ওয়্যারড্রব আছে? - হ্যা, কেন?
সবারই ওয়্যারড্রব আছে, সাথে স্ত্রীও.
তোমার স্ত্রী আছে?
উত্তর দিওনা. তুমি না চাইলে কিছু বলতে হবেনা.
আমার কোন সমস্যা নেই.
স্ত্রীর সাথে ঝামেলা?
আমি আরেকজনকে ভালোবাসি.
- সে কি ভাল প্রেমিকা? - জিও, থামো.
কী হল? ভালোবাসা নিয়ে কথা বলছি.
জিও ভালোবাসায় অনেক আগ্রহী.
মেয়েরাও এটাতে আগ্রহী!
সে বিশেষজ্ঞ.
সবাই তার থেকে পরামর্শ নিয়ে ছ্যাঁক খায়!
শোন, তোমাদের জন্য কাজ এসেছে.
চলো!
কাজের এত শখ!
বসে বসে বিরক্ত হয়ে যাই!
অদ্ভুত কথা!
- 5 হাজার পিস হবে. - ঠিক আছে.
- এরা নাকি কাজ করবে! - মজা করে নিন.
এখন খাওয়ার সময়ও পাবেনা. ভাগ্য সহায় হোক!
ঠিকই বলেছে, এটা পরিশ্রমের কাজ!
আমাদের সমস্যা নেই. তাই না, জিও?
অকর্মার ঢেঁকি!
শিখে যাবে.
চলো, ম্যানু!
- বসবো? - হ্যা.
আমার ভালই লাগছে.
তোমরা 3 জনই কাজ করতে চেয়েছিলে?
- সবাই. - উঠে কাজ করো.
জলদি.
আসছি, দাঁড়াও.
স্যুপের ট্রলি এসেছে.
- এটা কী? - বাবুর্চির স্পেশাল.
তোমরা সবাই হলে খাচ্চোর!
- আমি... - ওর কোন দোষ নেই.
আমি বলেছি তারা খাচ্চোর.
পাগলের কথা.
খাওয়া অসম্ভব.
দেখতে বিচ্ছিরী.
জঘন্য.
সম্ভব না.
- অত খারাপ নয়. - তোমার কথা আলাদা.
এইযে, আমরা সবাই মিলে খেতে পারি
ধন্যবাদ, কিন্ত আমাদের আছে!
তুমিই খাও, তুমি আমাদের মেহমান.
তোমার স্ত্রী মনে হচ্ছে ভালই.
ওর কথা কানে নিওনা.
এই নাও. খাও.
হাঁসের মাংস! ভালই তো.
দেখো, মধু,
স্ট্রবেরি, বাদামের ভর্তা.
ম্যানু বাদামের ভর্তা পছন্দ করে!
আমি ভেবেছিলাম তোমাদের টাকা প্রয়োজন.
- এই কাজের বিনিময়ে? - হ্যা.
সাধারণত টাকা ছাড়া কেউ কাজ করেনা.
যারা একঘেঁয়েমি হয় তারা করে.
তা ঠিক, এখানে করার মত কিছু নেই.
ভাবতে পারিনি তোমরা এইসবের জন্য কাজ করতে চেয়েছ.
তুমি কী ভেবেছিলে?
জানিনা. আসলে আমি অবাক হয়েছি.
- তাই? - হ্যা.
ফালতু কথা না বলে তোমার স্ত্রীর ব্যাপারে বলো.
চামচটা দাও.
- তোমরা সবকিছু ভাগাভাগি করো? - দেখতেই পাচ্ছ.
ভাল ব্যাপার. এখানে এসে ভাল লাগছে.
আমরাও আনন্দিত.
বুঝতে পারছিনা সে মজা করছে কিনা.
এটা আমাদের দক্ষতা.
লজ্জা পেওনা, খাও.
তাহলে আমার জিনিষও খেতে হবে.
তুমি মানুষটা ভাল.
সিগারেট নাও.
ধন্যবাদ.
ম্যানু নিবেনা?
ম্যানু ধূমপান করেনা.
- গ্যাসপার, ক্লড? - আমি.
তোমার জন্য প্যাকেজ আছে.
তোমাকে এত খুশি দেখাচ্ছে কেন?
ছেলেটাকে পছন্দ হয়েছে.
তাহলে বলো.
ম্যানু, সিদ্ধান্ত নাও. তাকে বলবে নাকি বলবে না?
বলবো.
তুমি নেতা. তুমিই বলো.
আমাদের তাকে বলতে হবে.
তুমিও একমত?
কোন উপায় নেই. কাজ শুরু করতে হবে.
তুমি অপেক্ষা করো.
- পাগল হয়েছ? - না.
আমি অপরিচিতদের পছন্দ করিনা!
- তুমি তার ব্যাপারে কী জানো? - দেখা যাক.
তুমি দেখার জন্য অপেক্ষা করবে, এর মধ্যে আমাদের কেল্লা কাটা যাবে.
আমার বিচার করা হবে. অন্যদেরও হবে.
নতুন ছেলেটাকে নিয়ে কিছু আসে যায়না,
কিন্ত সে না আসলে আজকে অন্যকেউ আসত.
হয়তোবা আরো খারাপ কেউ.
গ্যাসপার, ক্লড, ব্লক 8, সেল 26.
তুমি ব্লক 11, সেল 6-তে কেন?
স্যার, আমি আগে ব্লক 8-এ ছিলাম.
- তারপর? - আমার সেল বদলি হয়েছে.
চেক করে দেখি.
গ্যাসপার, ক্লড, ব্লক 11, সেল 6. ঠিক আছে.
গন্ধটা ভাল. মনে হচ্ছে রাইস পুডিং.
নিয়ে যাও! তারপর!
- জিও কাজ শুরু করেছে. - ঠিকই দেখছ.
ভাল জিনিষ পেয়েছি.
সসেজ, পোড়া মাছ
ভ্যানিলা রাইস পুডিং.
- তোমার প্রেমিকা পাঠিয়েছে. - ঠিক বলেছ.
রাইস পুডিং কে পছন্দ করে?
আমি, কিন্ত এখন ক্ষুধা নেই.
- কী ব্যাপার? - কিছু না, কেন?
মনে হচ্ছে কিছু লুকাচ্ছ.
তুমি যখন গিয়ছ আমরা তোমার ব্যাপারে কথা বলেছি.
আমরা 4 জন একসাথে থেকে অভ্যস্ত,
তুমি নতুন এসেছ, তাই স্বাভাবিক তোমার ব্যাপারে কথা হয়েছে.
মনে হচ্ছে ম্যানু কিছু বলতে চাচ্ছে. আমি সেটা শুনতে চাই.
- তুমি আমাদের চেনোনা, আমরা তোমাকে না. - ঠিক.
কিন্ত আমরা তোমাকে ভাল ভেবেছি.
অনেক ধন্যবাদ.
আর তুমি একটা বিশেষ জায়গায় এসেছ.
আমরা সবাই ভিন্ন ভিন্ন অপরাধ করেছি.
কিন্ত আদালতে সর্বোচ্চ কম শাস্তি হবে 10 বছর.
তাই আমরা সবাই মিলে একটা ঝুঁকি নিব.
তাই নাকি?
তাই আমরা জানতে চাই তুমি কী অপরাধ করেছ, গ্যাসপার.
আমি হত্যা করার প্রয়াসে অভিযুক্ত হয়েছি.
তাহলে অন্তত 10 বছর.
থামো... কে অভিযোগ করেছে?
- আমার স্ত্রী. একদিন সন্ধ্যায় আমাদের নতুন বাসায়... - অভিনন্দন!
থামো, মোঁসেনিওর! বলে যাও.
আমি, আমার স্ত্রী এবং তার বোন ছিল.
কথা কাটাকাটির এক পর্যায় আমার স্ত্রী শটগান নিয়ে আমাকে হুমকি দিল.
আমি সেটা কেঁড়ে নিতে চাচ্ছিলাম, তখন ভুলে গুলি বের হয়ে তার কাঁধে লাগল.
এটার তোমার বক্তব্য. তোমার স্ত্রী নিশ্চয়ই অন্য কথা বলছে.
আমার স্ত্রী বলছে আমি ইচ্ছে করে তাকে গুলি করেছি.
সে রাগান্বিত ছিল!
No comments yet. Be the first to leave one.