The first 200 lines.
A KILLER PARADOX সিজন : ১, এপিসোড : ১
কিরে, রিটায়ার্ড সৈনিক! সামরিক বাহিনী থেকে অব্যাহতি পেয়ে ভালো লাগছে?
ছয় মাস পর বাড়ি ফিরলাম। এখন আরাম করতে দে।
এমন কি করেছিস সেখানে?
সবাইকেই যেতে হয়। কোনো মহান কর্ম করে আসিস নি।
ইয়েং। যখন তাং এখানে আছে, তাকে কোনো কাজ দে।
- কাজ? কি কাজ? - তোকে বলেছিলাম তো।
সন সেওং-উক এবং লি ইয়েং আমরা বিয়ে করছি
- আমি বরকে প্রায় চিনতেই পারিনি। - সে এখন তোর জামাইবাবু।
- হ্যাঁ, সঠিক। - সারা রাত গেম খেলেছিস?
আমি পার্ট টাইম কাজ শুরু করেছি।
- আমি নাইট শিফটে ছিলাম,এইটুকুই। - জানি তো।
যাই করিস, তাতে আমার কিছু যায় আসে না। কিন্তু রাতে ঘুমাতে হবে।
- ঠিক আছে। - ছবি পেয়েছিস?
- এখানে তোকে অন্যরকম লাগছে। - একমাত্র তুমিই এমনটা ভাবো।
শুনলাম, জায়ে-দেওকের ছেলে পার্ট টাইমে বাচ্ছাদের পড়ায়।
- বাবা, প্লিজ! - মাত্র কয়েক ঘন্টা পড়িয়ে ভালো টাকা পায়।।
সে বড় কলেজে পড়ে। বাচ্ছার বাবা-মা তো এইসবই দেখেন।
মনে হয়, তোমার ছেলে কাউকে পড়াতে পারবে ?
এটাও সত্যি।
যাইহোক, তুই বাড়ি এসেছিস কেন?
কলেজে কাজ করার ছুটি পড়েছে। তোমাকে বলেছিলাম তো...
- কাজের ছুটি? - স্ট্রবেরি বাছাই করতে অস্ট্রেলিয়া যাচ্ছিস?
অস্ট্রেলিয়া? কিসের জন্য? সেখানকার স্ট্রবেরি কি ভাল?
অস্ট্রেলিয়া নয়। কানাডা যাচ্ছি।
যদি স্ট্রবেরি বাছাই করতে চাস, ননসানে তোর পিসির কাছে যেতে পারিস।
পরিশ্রম করতে এত দূরে যেতে চাস কেন?
- ইংরেজি বলতেও পারিস না। - শুধু চেষ্টা করার জন্য।
লোকের সাথে কিভাবে কথা বলবি? আরো ভেবে দেখ।
আমি এখনই যাচ্ছি না। আমার ভিসা এবং ছয় মাসের জন্য প্রস্থুতি দরকার।
মেডিকেল চেকআপ করানো ছিল। প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র আছে।
আবাসন সঞ্চয় অ্যাকাউন্ট কি সে অস্ট্রেলিয়া গেলে ব্যবহার করতে পারবে?
- কানাডা। অস্ট্রেলিয়া নয়। - তোর কাছে টাকা আছে?
- হ্যাঁ, সে পারবে। - মা, আমার আবাসন সঞ্চয় অ্যাকাউন্ট আছে?
আরে, কথা বলার সময় ভাঁজ করা চালিয়ে যা।
গাধা। আশা ছেড়ে দিয়েছিস নাকি?
হাল ছাড়বো কেন, বোকা?
নিজের জীবনে, চাকরীর সন্ধানে।
চাকরির খোঁজে?
হাল ছেড়ে দেওয়ার কিছু নেই যেহেতু আমি শুরুই করিনি।
আর কাজের ছুটি? তুই শুধু পালানোর জন্যই এমন করছিস, তাই না?
এই।
তোর মনে আছে হাই স্কুল কেমন ছিল?
- তুই কি সিরিয়াস? - হ্যাঁ।
আমি জানি না
মনে পড়ে, ক্যাফেটেরিয়ার স্প্যাগেটি ভালো ছিল।
- পুষ্টিবিদ মেয়ে... - তোরা দুজনে কখনো হাইস্কুলের কথা বলিস না।
আগে এত ঘনিষ্ঠ ছিলিস না, তাই না?
জানিস, আমরা কেন স্কুলের কথা বলছি,
যাতে তুই আমাদের বন্ধুত্ব দেখে হিংসায় জ্বলিস।
ওহ, সত্যিই?
কিন্তু কেন?
ভাবছি,
স্কুলের পর জীবন খুব বিরক্তিকর হয়ে গেছে।
পরিবর্তনের জন্য আমি একটা ভিন্ন ধরনের জীবন চাই।
কেন যে জীবনে বিশেষ কিছু নেই... জঘন্য জীবনে দুর্দান্ত কিছু ?
কি দুর্দান্ত জিনিস জীবনে চাস, ভাই?
তুই ভাবিস?
আমি এই বিষয়ে চিন্তা করেছি, ঠিক আছে?
রোজগার করলেও অবশ্যই তুই আরেকবার তোর টাকা নষ্ট করবি।
মনে আছে, জিমে যোগদান নিয়ে কিভাবে ঝগড়া করেছিলিস? মাত্র একবার গেলি।
গাধার মত কাজ।
বডি বানাবার চক্করে তুই দুই লাখ ওয়ান খরচ করেছিলিস...
ধুর। সেই পুল আপ বার।
তুই সত্যিই বোকা।
মনে আছে, সামরিক সেবা করতে যাবার আগে,
দিনরাত ক্লাবে বসে তুই এমনভাবে জুয়া খেলতিস, যেন তুই বিশাল ধনী ।
এমনভাবে বলছিস, যেন তুই এইসব করিস নি।
আরে। দেখো।
"গত রাতে আমি সবচেয়ে গরম মেয়ের সাথে শুয়েছিলাম।"
না, ওটা নয়। এইটা।
"হাই। আমি একজন অভিজ্ঞ সৈনিক যে কাজের ছুটির পর কলেজে ফিরছি।"
"আমার সব বন্ধুরা এখন চাকরি করছে, কিন্তু আমি জানি না আমি কি করবো..."
- ধুর। - এটা তোর গল্প।
- ধুর বাল। - তিন বছরে তাং-এর এই হালই হবে।
এটা কানাডা!
রকি পর্বত।
বাহ। কি সুন্দর।
আপনাদের এটা দেখতে আসতেই হবে।
বন্ধুরা, এটা অসাধারণ।
এই অসাধারণ দৃশ্যটা দেখুন।
আমার কাছে এখানে পৌছানো...
ধুর।
বিশ্রাম নেওয়া যাক।
... যথেষ্ট কঠিন ছিল।
বন্ধুরা, পৃথিবীতে যদি স্বর্গ থাকতো, এখানেই থাকতো
১ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে। আপনার সাধারণ শরীরকে জোরদার করে তুলুন!
আপনার অর্ডার এসে গেছে। রকি মাউন্টেইনের ফ্রেমকৃত ৭ নং ছবি।
ঠিক করে মার।
আমি টাকা ফেরত চাই।
কি?
আমি টাকা ফেরত চাই। মনে হচ্ছে, এটা খারাপ হয়ে গেছে।
এটার মেয়াদ এখনো শেষ হয় নি।
মেয়াদ শেষ না হলে, তাহলে তোমরা নিশ্চয়ই এটাকে ঠিকভাবে রাখো নি।
এর থেকে পচা গন্ধ আসছে।
বিশ্বাস না হলে, চেষ্টা করে দেখো।
এটা খারাপ হতেই পারে না।
ফিরত নেবে না?
তোমার নাম কি? জুং ইউন-সেওন?
আরে।
আমাকে কি খারাপ লোক মনে হচ্ছে? তাই কি?
আমাকে ছোট করে দেখো না।
- ঠিকভাবে আচরন করো। - এই নিন আপনার টাকা।
এটা তুমিই রাখো।
দিন ভালো কাটুক।
শিফটের পাঁচ মিনিট আগে তোমার এখানে আসা উচিৎ।
এটা…
হে ভগবান!
আবার চেষ্টা করা যাক।
- আরেকটা ড্রিঙ্ক করা যাক। - এই।
এই হোটেলেই আমি আছি...
আরে এসো, আমি ট্রিট দেবো।
চুপ করো। আমি কিনছি।
- তুমি গিয়ে বসো। - এই...
এক প্যাকেট এসসে দাও।
আরে, ওটা নয়। আমি সুন চাই, যেটা বাঁশের সাথে আছে।
ওহ, এটা চাইছেন তো?
এইটা?
ভাই, এটা নয়। 0.5 মিলিগ্রামেরটা দাও।
ধূমপান ইরেকটাইল ডিসফাংশন ঘটাতে পারে!
ওহ, ধুত্তোর।
আমাকে ভিন্ন ছবিওলা একটা প্যাকেট দাও।
এই নাও। আরেকটা দাও।
- দুটো প্যাকেটের জন্য ৯০০০ ওয়ান লাগবে। - কি?
৯০০০ ওয়ান.
ধুস, টাকা...
আমি শুনেছি, আজকাল বাচ্চারা এইভাবে হৃদয় তৈরি করে।
মজার না?
হাসেও না মালটা...
এক বোতল বিয়ার এবং শুকনো স্কুইড নিয়ে বাইরে এসো, বুঝেছো?
কি? স্যার, আগে টাকা...
আরে!
আরেকটা রাউন্ড হয়ে যাক।
- হাত খালি কেন? - আসছে রে, হারামজাদা।
স্যার, আমি পারবো না...
শুকনোর বদলে মাখন-রোস্টেড স্কুইড আছে কি?
শুনুন। আমি আনতে পারবো না । আপনাকে আগে টাকা দিতে হবে।
- তুই কি ভাবছিস আমরা টাকা দেব না... - আরে, ভাই। থামো।
আমি দুঃখিত। গালি দিও না। সে নিজের কাজ করছে।
সে একটা হারামী।
আরে, এসব বোলো না।
জানি না, আজ তার সাথে কি হয়েছে। সাধারণত এমন করে না। আমি দুঃখিত।
সাধারণভাবে সে বুদ্ধিমান, এবং শান্ত ব্যক্তি।
জানি না, তার মধ্যে কি প্রবেশ করেছে।
সাইট ম্যানেজারের কাছে আজ সারাদিন তাকে গালি খেতে হয়েছে।
- ঠিক আছে। - প্লাস্টিকের ব্যাগ আছে?
- হ্যাঁ। - এক মিনিট অপেক্ষা করুন।
ভগবান।
তুমি আমাকে আমার বাচ্চার কথা মনে করিয়ে দিলে, সেও তোমার মত কঠোর পরিশ্রম করে।
- ঠিক আছে। - আমরা শীঘ্রই চলে যাবো।
- অবশ্যই। - কত হয়েছে?
মোট ১৫,১৫০ ওয়ান।
দশ হাজার…
- রিসিট চান? - না, ধন্যবাদ।
- ঠিক আছে। - এই নাও, ১৫,১৫০ ওয়ান।
- এই নাও ৫০ ওয়ান। - এই, দুটো বোতল নাও।
স্যার, আপনি এখানে ধূমপান করতে পারেন না।
- ভগবান। - আমি ধূমপান করতেই পারি...
এখানে ধূমপান করছো কেন? যাও এখান থেকে।
টাকা দিয়েছো?
হ্যাঁ, চলো।
মজা করছো নাকি?
সিগারেট নিভাও। আমাকে বিব্রত করছো।
আরে, চলো।
তোমার স্ত্রী কি বলবে, ভেবে দেখো।
আমার স্ত্রী সম্পর্কে ঘ্যানঘ্যান করা ছাড়ো, বজ্জাত।
আহ, জীবন বটে!
দিনটা ভালো কাটুক।
আরে, তাং। ভাল কাজ করেছো।
- এখন বাড়ি যেতে পারো। - ঠিক আছে, স্যার।
স্যার, আমি কি এটা ধার করতে পারি...
ভাবানুবাদ ও সম্পাদনা : সুদীপ চক্রবর্তী।
স্যার,
স্যার, আপনি এখানে ঘুমাতে পারেন না।
স্যার।
স্যার।
স্যার।
কি?
আপনার বন্ধু ওখানে ঘুমাচ্ছে।
তো ঘুমাতে দাও।
- তুমি বাড়ি যাও। - কি?
শীঘ্রই বৃষ্টি হবে, তাই…
তার কিছুই হবে না।
কেটে পড়ো।
না, আমি…
চোদনা শালা। কুত্তার বাচ্চা!
বাড়ি যাচ্ছিস না কেন?
চোদনা! তোকে যেতে বললাম তো!
- গ্যেওং-হুয়ান। চোদনা। - কুত্তার বাচ্চা।
- খুব ক্ষিদে পেয়েছিল? - আদৌ মানুষ না জন্তু!
আমরা তোর সামনে ছিলাম, তবুও টপকানোর সাহস পাস কি করে?
- তাকে সাহায্য করবি নাকি? - কুত্তার বাচ্চা।
- তাকে সাহায্য করবি না? - গ্যেওং-হুয়ানএর কোটা কমপ্লিট।
জারজ কোথাকার।
- মুখ তোল, গ্যেওং-হুয়ান। - বেচারাকে কষ্ট দিচ্ছো।
একবারেই গল্প খতম করো।
শুধু একটি। আরে, পুঁচকে।
- আমি এখনো শেষ করিনি। - তুই ঠিক কর।
এক নম্বর, গলায় মারবো।
দুই নম্বর, পেটে মারবো।
No comments yet. Be the first to leave one.