The first 200 lines.
তারমানে আপনি বাইরে এসে ...
পাথর সরাচ্ছিলাম, হ্যাঁ।
- কারণ? - ওগুলো ভুল জায়গায় ছিল।
কে বলেছে একথা?
ওখানে যে পানিটুকুর বওয়ার কথা, সে বলেছে।
এভাবে পানি জমে থাকলে
এলাকার সব লেপ্টোসপাইরা আর জিয়ারডিয়া ওখানে আবাস গাড়বে।
আচ্ছা, তারমানে আপনি পাথরগুলোকে সরিয়ে..
তীর থেকে ঢেউয়ের দিকে নিয়ে যাচ্ছিলাম।
এতে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের হার কমে।
এই সব ডেভেলপারেরা একটা সুস্থ্য হাইড্রো সিস্টেমে
কয়েকশো কিউবিক ফিট আলগা মাটি ফেলে গেল অথচ
ব্যাকটেরিয়ার কথা একবার চিন্তাও করল না। ...
আপনি কাজটা রাতের বেলায় করছিলেন কেন?
- দিনের বেলায় করেননি কেন? - দিনে ব্যস্ত থাকি।
এই শহরের অনেক নদীর তীরই ভাঙ্গনের সম্মুখীন।
অনেক রিপোর্ট লেখা বাকি আমার, প্রস্তাবনা জমা দিতে হবে।
বেশ, তাহলে আসল কথায় যাই।
২২শে এপ্রিল রাতে আপনি কোথায় ছিলেন?
২২ তারিখ?
আলবাকার্কের এক সম্মেলনে ছিলাম।
- কেউ তার পক্ষে সাক্ষ্য দিতে পারবে? - সেখানে যোগ দেয়া তিনশোরও বেশি লোক দিতে পারবে।
সেখানকার সংগঠকেরাও।
আমার দেয়া লেকচারের ভিডিওটাও আপলোড করা হয়েছে।
এখন যেতে পারি? কথা শেষ হয়েছে?
মিস্টার গ্রাহাম, আপনি বিয়ে করেছেন?
কিংবা আপনার গার্লফ্রেন্ড আছে? অথবা বোন?
আমার তিন বোন আছে।
একটা উপকার করেন।
আপনার এক বোনকে যদি পিস্তলের মুখে ধর্ষণ করা হয়,
তাহলে কেমন লাগবে, তা এক সেকেন্ড ভাবেন।
সেই কেসে কাজ করা গোয়েন্দাদের ওপর
যে চাপ থাকে, সেটার কথা ভাবেন।
যে সাক্ষীদেরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনা হবে, তাদের কথা ভাবেন।
আপনার বোনের এই অপূরণীয় ক্ষতি যে করল,
সেই পিশাচকে ধরার জন্য তারা যথাসাধ্য চেষ্টা করুক,
এমনটাই কি চাইতেন না আপনি?
আপনার মহার্ঘ্য সময়টা আমাদেরকে দেবার জন্য ধন্যবাদ।
অনুবাদেঃ কুদরতে জাহান
[বাংলায় সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে গুড রেটিং দিতে ভুলবেন না।]
আমি ক্যারেন ডুভল, গোল্ডেন পুলিশ ডিপার্টমেন্ট থেকে। গ্রেস রাসমুসেনকে খুঁজতে এসেছি।
গ্রেস রাসমুসেন?
ঐদিকে।
- গ্রেস রাসমুসেন? - হ্যাঁ।
আমি ক্যারেন ডুভল।
ফোনে একটা মেসেজ রেখেছিলাম, কিন্তু তুমি আর ফোন করোনি। তাই চলে আসলাম।
আমি গোল্ডেনের গোয়েন্দা।
আমার স্বামী ম্যাক্স ডুভল।
ওহ, ম্যাক্স দ্য নাইফ।
ওহ, সেটা কি ..
তোমার জন্য কী করতে পারি?
আমার এলাকায় এক ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে কাজ করছি আমি।
কাল রাতে এ নিয়ে ম্যাক্সের সাথে কথা হলো।
সে বলল, তুমি নাকি এ ধরনের একটা কেস নিয়ে কাজ করেছ।
সত্যিই? কী জেনেছ বলো।
মেয়েটাকে গোসল করানোর কথা ম্যাক্সকে বলেছিলাম,
তখনই ও একথা বলল। তোমার কেসের অভিযুক্তও কি তাই করেছে?
হ্যাঁ, বিশ মিনিট ধরে। রান্নাঘরের ঘড়িতে টাইমার দিয়ে রেখেছিল,
সময় শেষ না হওয়া পর্যন্ত ওকে বেরোতে দেয়নি।
আমারজন দশ মিনিট করিয়েছে। আর দাঁড়িয়ে থেকে প্রতিটা সেকেন্ড দেখেছে তাকে।
- তাহলে হুবহু এক না... - না।
- আর? - আরেকটা জয়। এখনো অপরাজেয়।
খুব ভালো লেগেছে আমার।
তারপর ম্যাক্স জিজ্ঞেস করল লোকটার নীল ব্যাকপ্যাক আছে কি না,
আমি বললাম আছে।
ধরে নিচ্ছি, তোমার লোকেরও আছে?
হ্যাঁ, কিন্তু রঙটা জানি না।
উঠে পড়ো, আমার এক জায়গায় যাওয়া লাগবে।
সকাল নয়টার দিকে ফোন পেয়েছিলাম।
আমি পৌঁছানোর আগেই ভিক্টিমকে হাসপাতালে নেয়া হয়ে গেছে।
মহিলা বেশ ভদ্র, ষাটের কাছাকাছি বয়স।
এসবের আগেই একটু ভগ্নদশা ছিল ওর।
আমাকে প্রথমবার ইন্টারভিউ দেবার সময়ে জানালা খোলা রাখার কারণে নিজেকে দুষছিল।
এমন একটা ভাব যে, কলোরাডোর আর কোনো লোক রাতে জানালা খোলা রাখে না।
হ্যাঁ, সে মাত্রই তার বাড়িতে উঠেছে। কয়েক মাস আগে।
রাতের মাঝে ঘুম ভেঙে দেখে, তার পিঠে কে যেন চড়ে বসে আছে।
একটা লোক ওর পিঠে চড়ে বসে হাত দুইটা আটকে দিয়েছিল।
বলেছিল, কোনো ঝামেলা করলে তাকে পিস্তল দিয়ে গুলি করে দেবে।
- কবে ঘটেছে এটা? - ২২ তারিখ, প্রায় এক মাস আগে।
তিন ঘণ্টা ধরে তাকে ধর্ষণ করে সে।
বিরতি নিয়ে নিয়ে।
মানে...
আমার ভিক্টিমের সাথে একই ঘটনা ঘটেছে।
চার ঘণ্টা ধরে বিরতি নিয়ে নিয়ে একাজ করেছে।
তারপরে শাওয়ার করিয়েছে। বাথরুম থেকে মেয়েটা বেরিয়ে দেখে, লোকটা চলে গেছে।
- সাথে করে ওর বিছানার চাদর, বালিশ, কম্বল সব নিয়ে গেছে। - আমারটাও তাই।
ঘটনাস্থল এত পরিষ্কার ছিল যে, সেখানে খাবার রেখে খাওয়া যেত।
আশেপাশের দুই মাইলের মধ্যে সব ডাস্টবিন খুঁজেছে আমার লোকেরা।
নালায় খুঁজেছে, একটা পুকুরও সেচেছি আমরা, প্রমাণ উদ্ধারের জন্য।
পিস্তল, কিংবা বিছানার চাদরটা খোঁজার জন্য...
- কিছু পাওনি? - নাহ।
প্রতিবেশীদের কাছ থেকে কিছু সূত্র পেয়েছি:
ক্যাবল লাইনের এক লোকের আচরণ অদ্ভুত লেগেছিল কয়েকজনের কাছে।
লোকটা একটু অদ্ভুতই, ক্যাবল লাইনের লোকেরা তো এমনই হয়...
যাইহোক, তার ব্যাপারে খোঁজ নেয়া হয়েছে।
আরো কয়েকটা সন্দেহজনক লোক ছিল, কয়েকজনের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগও ছিল।
কালকে লিস্টের শেষজনের ব্যাপারে খোঁজ নিলাম।
লোকটা হারামি, কিন্তু আমরা যে হারামিকে খুঁজছি, সে এ না।
বিলি, মাল এনেছ?
আজ সকালে একটা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছি,
ভিক্টিম তার প্রথম স্বামীর কথা বলতে ভুলে গিয়েছিল,
সেই লোকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ করা হয়েছিল ৩০ বছর আগে।
- অদ্ভুতরকমের কাকতাল। - হ্যাঁ।
নিজের প্রাক্তন হলে চিনত না মহিলা?
সেটাই মনে হবে প্রথমে,
কিন্তু ওদের ডিভোর্স হয়েছে বহুযুগ আগে।
শুধু এটুকু জানি যে, প্রশ্নটার জবাব পাওয়া যায়নি।
তাই কথাটা জিজ্ঞেস করব আমি।
তুমি সাথে আসতে পারো।
কিন্তু কথা যা বলার আমি বলব।
- সকালের আলো দারুণভাবে আসে এখানে। - সেজন্যই এটা বেছেছি।
ভাবলাম, প্রতিদিন এই দৃশ্য দেখে দিন শুরু করলে
মাথা ভালো কাজ করবে।
- এই নিন। - ধন্যবাদ।
- এই নিন। - ধন্যবাদ।
দাঁড়ান এটা সরাই।
দুঃখিত, এখনো গোছগাছ শেষ হয়নি।
বুঝেছি, কৈফিয়ত দিতে হবে না।
তো...
আপনার প্রথম স্বামী রিচার্ড জ্যাকসনের ব্যাপারে
জিজ্ঞেস করতে এসেছি।
ওহ, ওয়াও, রিচি।
জানেন, ওর কথা শেষ কবে ভেবেছি...
খোদা, মনেই নেই।
আগেরবার আমাকে ওনার কথা বলেননি।
আসলে ওর ব্যাপারটা আমি ভুলে যেতে চাচ্ছি।
খুবই গাধামো করেছিলাম। বয়স ছিল ১৯। ও মানুষ ভালো ছিল না।
কয়েক মাস নরকে কাটালাম, তারপর ও আরেক মেয়ের কাছে চলে গেল।
আর আমি লেজ গুটিয়ে নিজের বাড়িতে ফেরত এলাম।
আপনাদের বিয়ের আগে যে তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ তোলা হয়েছিল, জানেন?
- তাই? - ছয় মাসের জেলও খেটেছে।
- অবাক হয়েছেন? - একটু।
তেমন একটা হইনি অবশ্য।
তার ধর্ষণের ব্যাপারটা প্রাসঙ্গিক বলেই তুললাম।
দাঁড়ান, আপনাদের ধারণা সেই একাজ করেছে?
- সেই সন্দেহটা তো এসেছে বটেই। - আরে না, তা হতেই পারে না।
রিচি টেনেটুনে পাঁচ ফুট পাঁচ ইঞ্চি হবে।
তাছাড়া তার বয়স আমার কাছাকাছি।
এই লোকের বয়স কম ছিল।
সে অনেক লম্বা ছিল, গায়ে শক্তিও বেশি।
- হুম। - কিন্তু আপনি মনে হয় সে ব্যাপারে খোঁজ নেবেন।
জানি আপনাকে আপনার কাজ করাই লাগবে।
হ্যাঁ লাগবে।
কিন্তু আপনার কথাও শুনেছি।
আপনি আসায় খুশি হয়েছি। আপনাকে ফোন করতে যাচ্ছিলাম।
আজকে একটা জিনিস বুঝলাম।
আমি টাকাপয়সা এই ড্রয়ারে রাখি...
সকালে মার্কেটে যাবার আগে টাকা খুঁজছিলাম।
দেখি ওটা ফাঁকা।
লোকটা নিয়ে গেছে মনে হয়।
- কত ছিল? - দুইশ ডলার।
একটা ক্যামেরা খুঁজে পাচ্ছি না।
সবখানে খুঁজেছি, পাইনি।
- ও মনে হয় ওটাও নিয়ে গেছে। - কী ধরনের ক্যামেরা?
সনি সাইবার-শট, গোলাপি রঙের।
- আর কিছু হারানো গেছে? - না, শুধু এই দুই জিনিস।
আচ্ছা।
আর...
এমনিতে কেমন আছেন আপনি?
আমি?
হ্যাঁ, আপনি।
আমি ঠিক হয়ে যাবো।
মানে, আমি ঠিক হয়ে যাব...আমার শুধু...
দরকার...
অনেক কিছুই দরকার আমার।
হ্যাঁ, আপনি ভাবুন সেসব নিয়ে, আমরা আসি।
আর আগে যেমনটা বলেছিলাম, যদি কিছু মনে পড়ে...
হ্যাঁ, অবশ্যই, আপনাকে সাথে সাথে ফোন করে জানাবো।
- সময় দেবার জন্য ধন্যবাদ। - ধন্যবাদ, ডিটেকটিভ।
আপনাকে একটা প্রশ্ন করতে পারি?
হ্যাঁ, অবশ্যই।
লোকটার কি জন্মদাগ ছিল? মনে পড়ে?
নাহ, কিছু মনে নেই। আমি ডিটেকটিভ রামুসেনকে বলেছি,
আমি আসলে তেমন কিছু দেখিনি ...
শব্দ মনে আছে, ছবি তোলার শব্দ,
ব্যাগের টেন খোলা কিংবা বন্ধ করার শব্দ।
এমনই হয়, সারাহ। আত্মরক্ষার তাগিদে।
কেউ কেউ বীভৎস স্মৃতিগুলোকে ভুলে গিয়ে মানিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে।
কিন্তু আপনার জন্য ব্যাপারটা উল্টো হয়েছে। সব ভুলে গিয়েছেন আপনি।
আমি...যাই হোক, আপনাদেরকে খুব বেশি সাহায্য করতে পারলাম না।
প্লিজ, সামলে ওঠার জন্য যা প্রয়োজন হয়েছে, তাই করেছেন আপনি। এ নিয়ে দুঃখিত হবেন না।
আমি দুঃখিত।
- ঠিক আছে। - ঠিক আছে।
- আবারো ধন্যবাদ। - ধন্যবাদ।
ক্যামেরাটা হলো গোলাপি সাইবার-শট।
অ্যাম্বারের ধর্ষকও তার ছবি তুলেছে।
তোমার ভিক্টিমের কাছ থেকে চুরি করে আমার ভিক্টিমের সাথে একাজ করেছে।
স্থানীয় এবং জাতীয় পর্যায়ে কী হারে এই ক্যামেরা বিক্রি হয়,
তার হিসাবটা জানা দরকার,
এখানকার আশেপাশে এরকম ক্যামেরা কার হাতে দেখা গেছে, সেটা বের করা লাগবে তারপর।
ধন্যবাদ।
কথা বলতে নিষেধ করেছিলাম না?
আমি ওকে চিনি, ঠিক আছে?
কোনোমতে সেফটিপিন দিয়ে নিজের মনটাকে জোড়া দিয়ে রেখেছে সে।
আগে দেখা হয়নি এমন একজন পুলিশের কাছ থেকে
- আবারো ধর্ষণের ব্যাপারে প্রশ্নের মুখোমুখি হওয়াটা - আমি দুঃখিত, প্রাসঙ্গিক মনে হয়েছিল তাই।
ওর জন্য অবিচার হয়ে যায়।
আমাকে পরিচয় করিয়ে দিতে পারতে।
- শুধু... - আচ্ছা।
সে আমার ভিক্টিম। এটা আমার কেস।
No comments yet. Be the first to leave one.