The first 200 lines.
সিনেমা : NERU ভাষা : মালয়ালম রানটাইম : ০২:৩০:৪৯
ভাবানুবাদ ও সম্পাদনা : সুদীপ চক্রবর্তী। সাবটাইটেল ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং ও ফিডব্যাক দেবেন।
থাম্বা পুলিশ স্টেশন।
হ্যাঁ। সার্কেল ইন্সপেক্টর বলছি।
কোথায়?
স্যার, আমিই থানায় ফোন করেছিলাম।
স্যার, ইনি মেয়েটির বাবা।
আচ্ছা। বাইরে অপেক্ষা করুন। - ঠিক আছে, স্যার।
মেয়েটি কোথায়?
তার বক্তব্য রেকর্ড করো। - ঠিক আছে, স্যার।
তুমি কি সীমা? হ্যাঁ।
তুমি এখানে ছিলে না?
স্যার আর ম্যাডাম বিয়েবাড়ির জন্য বেরোনোর পরেই,
আমি ব্যাঙ্কে গিয়েছিলাম।
আপনি কি করেন?
আমার একটা ব্যবসা আছে, স্যার।
আমি কোভালামে কিউরিওর দোকান চালাই।
শান্তি, পুলিশ কি বলছে? কে করেছে, তা কি ধরতে পেরেছে?
একটা অন্ধ মেয়ে কিভাবে লোকটাকে সনাক্ত করবে?
সংযোগ তো হয়েছেই।
যোনিপথ আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে।
আমরা সোয়াব সংগ্রহ করেছি।
রিপোর্ট কবে পাবো?
কালকের মধ্যে রিপোর্ট পেয়ে যাবেন।
ঠিক আছে।
মা ও মেয়ে এখানে বসুন।
আপনি অনুগ্রহ করে বাইরে অপেক্ষা করুন।
বাবা ও মা বাইরে যাওয়ার পর,
সীমা দিদি ব্যাঙ্কে গিয়েছিল।
আমি তখন চান করতে গেলাম।
স্নান শেষে যখন বের হলাম,
আমি ঘরে অন্য কারোর উপস্থিতি অনুভব করলাম।
না, মা!
আমি একা শোবো।
কিন্তু সোনা... মা, প্লিজ।
আমি একা থাকতে চাই।
তাকে জোর কোরো না।
দরজা বন্ধ করিস না, সোনা।
পুলিশ কি বলছে?
কে করেছে, তা তাদের বার করতে হবে।
এটি প্রথম বড় বাধা।
এটা অন্যান্য সাধারণ কেসের মত নয়, তাই না?
যেহেতু সে অন্ধ....
হ্যাঁ, স্যার।
আপনার মেয়ে কি এটা তৈরি করেছে?
হ্যাঁ, স্যার।
সে ভাস্কর্য নির্মাণ করে।
দৃষ্টিশক্তি হারানোর আগে, সে এই কাজ শিখেছিল।
কিন্তু কোনো লোককে না দেখে সে এটা বানালো কি করে?
তখন সে আমার উপর নির্যাতন করছিল,
আমি আঙুল বুলিয়ে তার মুখ উপলব্ধি করেছিলাম।
আমরা একজনকে সন্দেহ করছি, স্যার।
ঘটনার আগের দিন,
এই ভাস্কর্যের সাথে মিল আছে, এমন একটা ছেলে পথনির্দেশ জানতে এখানে এসেছিল।
সে আমাদের প্রতিবেশী বিনোদের বাড়ি এসেছিল।
তোমার বন্ধুর নাম কি?
তার নাম মাইকেল, স্যার।
সে আমার সহপাঠী।
সে এখানে কেন এসেছিল?
তার বিয়েতে আমাকে আমন্ত্রণ করতে।
সে এখন কোথায় আছে, বলতে পারবে?
হ্যালো! মাইকেল, তাই না?
হ্যাঁ৷
আমাদের সাথে চলো। কি ব্যাপার, স্যার?
চলো। তাড়াতাড়ি।
চলো। পরে সব বলছি। স্যার, কি ব্যাপার?
সোনা!
তাকে বাইরে নিয়ে যাও। সোনা!
একটি অন্ধ মেয়ের উপর নির্যাতনের কারণে থাম্বা, তিরুবন্তপুরমে
সংঘটিত সনাক্তকরণ প্যারেডে,
মেয়েটি সফলভাবে অপরাধীকে সনাক্ত করেছে।
বলাৎকারের শিকার মেয়েটি,
অপরাধীকে আওয়াজ ও স্পর্শের মাধ্যমে সনাক্ত করেছে।
মুম্বাই বাসী মালয়ালী ব্যবসায়ী ক্রিস্টোফার জোসেফের পুত্র,
তথা অভিযুক্ত মাইকেল জোসেফকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কন্যার সাথে তার বাগদান সম্পন্ন হয়েছে...
আমাদের অসহায় ছেড়ে যাবার জন্য ভগবান তাকে শাস্তি দিয়েছেন।
প্রথমে, তো তার মেয়ের দৃষ্টি চলে গেল।
এবং এখন, এইসব।
এখানেই এর শেষ হবে না।
ওকে আরো ভুগতে হবে।
তোর কারণে সমঝোতা ও ক্ষতিপূরণের জন্যে...
আমি অনেক খরচা করেছি।
আর এখনো আমাকে তা চালিয়ে যেতে হচ্ছে।
তুই এভাবে আমাদের ছোটো করছিস কেন?
তোর বিয়েও ঠিক হয়ে গেছে, তাই না?
এখন আমরা তাদের কী বলবো?
ক্রিস্টি, এখন আমরা কি করবো?
ওকে কিছুদিন জেলের মধ্যেই থাকতে দাও।
দেখা যাক, সে নিজেকে পাল্টায় কিনা।
কেঁদে লাভ কি?
তুমি দেখতেই পেলে, তার কোনো অনুতাপ নেই!
যেকোনোভাবে হোক, তাকে বাঁচাও।
ওই মেয়েটার পরিবারের সাথে কথা বলে দেখতে পারি।
- তাদের বাড়িতে যাওয়া যায় না? - অ্যান্সি, এটা মুম্বই নয়।
এটা কেরালা!
আমার এতে কিছু যায় আসে না, ক্রিষ্টি।
যা ইচ্ছা করো, কিন্তু আমার ছেলেকে বাইরে বার করো।
এডভোকেট রাজশেখরকে খবর দাও।
তিনি এখন দিল্লিতে, স্যার।
আমি কিছু শুনতে চাই না। আমার তাকে এখানে চাই।
হাই, সি.জে। অনেকদিন পর দেখা হল।
হ্যাঁ!
আমার মেয়ে পূর্ণিমা।
হ্যালো। দেখা হয়ে ভালো লাগলো। আমারও।
আপনার মেয়েও কি উকিল? হ্যাঁ।
সে সুপ্রীমকোর্টের একজন উকিল।
বাহ! চমৎকার!
কাল হাইকোর্টে একটা ঘটনা দেখলাম।
তাই, আমরা দুজন এখানে এসেছি। আচ্ছা।
জানি না, কিভাবে এই মামলা সামলাবো?
তার বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে।
যদি সে জামিন না পায়...
সাধারণত, এইসব মামলায় জামিন মঞ্জুর হয় না।
কিন্তু যখন আপনার মত মক্কেলের প্রশ্ন আসে,
আমার নিজস্ব উপায় আছে, সিজে।
প্রাথমিকভাবে, সমঝোতার চেষ্টা করা যাক।
মেয়েটির বাবার প্রথম বিবাহ জনিত দুটি ছেলে আছে।
তাদের মাধ্যমে চেষ্টা করা যেতে পারে।
কিন্তু তুমি এইমাত্র এসেছো!
তাহলে কিভাবে...
আমি এভাবেই কাজ করি!
যখন আমি কোনো কেস নিই,
আমি প্রথমে তার পশ্চাৎপট বিচার করি।
তারপর, সমঝোতার চেষ্টা করি।
কিন্তু এটি আমাদের উভয়ের জন্য আরও লাভজনক হবে।
ঠিক আছে, ঠিক আছে।
স্যার!
আমি তোমাদের সমঝোতার জন্য ডেকেছি।
আমরা ক্ষতিপূরণ হিসাবে মেয়েটিকে একটা বড় পরিমাণ টাকা দিতে পারি।
আগে তোমাদের তার বাবার সাথে অবশ্যই কথা বলতে হবে।
আমরা তার সাথে কথা বলবো স্যার।
টাকার পরিমাণ কি হবে, স্যার?
আমার সাথে চলো। ঠিক আছে, স্যার।
এই কেস লড়ে কোনো লাভ নেই, বাবা।
আপনি আরো ছোটো হবেন।
সে সহজেই ছাড়া পেয়ে যাবে।
তার বাবার প্রচুর টাকা।
তাদের বিরুদ্ধে কোনো কিছুই কাজ করবে না।
যতদিন সে জেলে আছে, কেবলমাত্র ততদিনই আমরা দাবী করতে পারবো।
আপনি সমঝোতা করে, তাদের দেওয়া অর্থ স্বীকার করুন।
আপনি সেই অর্থ দিয়ে আরো ভালোভাবে জীবনযাপন করতে পারবেন।
আমি খুশি, যে তোমরা এখানে আসার কষ্ট করেছো।
বাবা, যদিও আমাদের রক্তের সম্পর্ক নেই,
কিন্তু, সারা-ও আমাদের বোন।
যদি সে সমস্যায় পড়ে, আমরা কি তার মধ্যে আসবো না?
যদি মন থেকে এই কথা বলে থাকো,
তাহলে তোমাদের উচিৎ তাদের বিরুদ্ধে আইনী লড়াই লড়তে আমাদের সাহায্য করা।
আপনি জানেন, তাদের বিরুদ্ধে আমরা আইনী লড়াই লড়তে পারবো না।
তারা যা চাইবে, সবকিছুই কিনে নেবে।
যদি তারা সেরকম করতেই পারতো,
তারা কি আমাদের সাথে সমঝোতা করতে চাইতো?
তারা এই কেসটা আগে বাড়াতে চাইছে না,
আমাদের শুধু তাদের আমাদের প্রয়োজনীয় টাকার পরিমাণ জানাতে হবে।
আমি এতক্ষণ এটাই শুনতে চাইছিলাম।
আমি খুব ভালো করেই জানি, তোমরা কেমন।
আমি কি তোমাদের বাবা নই?
এখান থেকে চলে যাও!
নির্লজ্জ কোথাকার।
কোনো সমঝোতা হবে না।
- সারা, আমাদের কথা... - আমার কিছুই বলার নেই।
যদি আমরা এই মামলা হেরেও যাই,
আমাদের জীবন তাদের টাকায় কাটানোর কোনো ইচ্ছাই নেই।
এই বিষয়ে কথা বলতে আর কখনোই এখানে আসবে না।
- এই কারণেই তোর সাথে এসব হয়েছে। - এখান থেকে বেরিয়ে যা।
আমার মা-এর সাথে যা করেছো, তার মূল্য তোমাকে চোকাতেই হবে।
এই অন্ধ মেয়েকে নিয়ে আদালতের চক্কর কাটতে কাটতেই তুমি শেষ হয়ে যাবে।
আমি পাত্তা দিই না! এখান থেকে চলে যা!
তোরা দুজনেই বের হয়ে যা!
মন্ত্রী মশাই কি বললেন?
তিনি অত্যন্ত বিরক্ত।
তাঁর মেয়ে এটা মানতে রাজী নয়, যে মাইকেল নির্দোষ।
স্যার!
মনে হচ্ছে না, সমঝোতা করা যাবে, স্যার।
তারা কি লাইনে আছে? হ্যাঁ, স্যার।
সমস্যা কোথায়?
স্যার, বাবা সমঝোতায় রাজী হচ্ছে না।
সেখানে কোনো সংবাদপত্রের লোক আছে?
না, স্যার।
মিডিয়া থেকে কিছু লোককে ডাকো।
ঠিক আছে।
ঠিক আছে, স্যার।
এবার কি?
ছোট একটা কাজ করতে হবে।
আপনারা কি জানেন আমরা কে?
আমরা নির্যাতিতার দুই ভাই।
আপনারা কেন এখানে ভিড় করেছেন, আমরা জানি।
আপনি কি আমাদের এখানে ডাকেন নি? কে আপনাদের ডেকেছে?
আপনি আমাদের ফোন করে আসতে বললেন তো?
কোন হারামি ডেকেছে আপনাদের? ভাষা সংযত করুন।
হ্যালো, স্যার!
মহম্মদ, কি করেছো তুমি? স্যার, আমি...
তোমাকে বলেছিলাম, যতক্ষণ জামিন বিবেচনা না করা হচ্ছে,
আমাদের ভীষণ সতর্ক থাকতে হবে।
আমি সত্যি কথা বলছি, স্যার। মিডিয়াকে বিরক্ত করলে আরো ঝামেলায় পড়বে।
স্যার, আমি এতকিছু জানতাম না।
তুমি জানো, কে অভিযুক্তের কেস লড়ছে?
ভারতের শীর্ষস্থানীয় প্রতিরক্ষা আইনজীবী,
অ্যাডভোকেট রাজশেখর।
তোমরা সবাই কোথায় যাচ্ছো?
No comments yet. Be the first to leave one.