The first 200 lines.
ইন্সপেক্টর, আপনার কাছে ফোন এসেছে।
আইএ হলে বলো, আমি টয়লেটে গেছি।
একজন লোক, বলছে সে অপহরণের ব্যাপারে জানে।
লাইন করে দাও।
লাইন করে দিচ্ছি।
আমি ইন্সপেক্টর ক্যাস্টিয়ো। কে বলছেন?
সুপ্রভাত, ইন্সপেক্টর। ফ্রিকুয়েন্সিয়া রেডিও থেকে বলছি,
আমাইয়া জিমিনেজের অপহরণের ব্যাপারে।
যে দুইজন মেয়েটার ব্যাপারে জানত,
- তাদের মৃত্যুর ব্যাপারে আপনার প্রতিক্রিয়া কী? - আমি খুবই মর্মাহত।
এটা কি সত্য যে সিজার টামায়োকে আপনার সামনে মেরে ফেলা হয়েছে?
- এ ব্যাপারে বলার অনুমতি নেই। - বলার অনুমতি নেই। বুঝতে পেরেছি।
আর তার স্ত্রীর মৃত্যুর ব্যাপারে কী বলবেন?
এটা কি সত্য যে আপনি তাকে মানসিক হাসপাতালে ভর্তি হতে দেননি,
আর ৪৮ ঘণ্টা জেলের পর
- তিনি তার জেলে আত্মহত্যা করেছেন? - আর কিছু বলবেন?
নাকি আরো রাগাতে চান আমাকে?
একটা কথা জেনে রাখুন, এই কথোপকথন রেকর্ড করা হয়েছে।
সত্যিই? ভালো তো। তাহলে সকাল, বিকেল, রাত
আমাকে রিপ্লে করে শোনাতে পারবেন।
মারা খা!
জোচ্চোর কোথাকারে!
অন্যদের অনুভূতি আর মর্যাদার প্রতি কোনো সম্মানই নেই তোর!
কুত্তার বাচ্চা! বেজন্মা! হারামজাদা!
- কী অবস্থা, বন্ধু? - চরম অবস্থা।
মনে হয় মারবেলাতে গিয়ে আইএওয়ালাদের সাথে থাকা উচিত আমার।
কী? এতে ভাবতে সুবিধা হয় আমার।
মনে আছে আমরা একসাথে পেট্রলে কাজ করতাম।
রাস্তার গুণ্ডাদের ধরে এনে রাগী পুলিশ, শান্ত পুলিশ হবার ভান করে কথা বের করতাম।
এখন বুঝতে পারছি যে, রাগী পুলিশটা আমিই ছিলাম।
কট্টর যাকে বলে। আর তুমি শান্ত পুলিশ ছিলে।
হয়েছে কী তোমার? আমার বুকে মাথা রেখে কাঁদার জন্য ডেকেছ নাকি এখানে?
না, তুমি আমার সাথে আবার পুলিশ ফোর্সে যোগ দেবে কি না, তা জিজ্ঞেস করতে ডেকেছি।
আমরা দুইজন।
আগের মতো।
কী মনে হয়?
আমার মনে হয়: "তুমি দিনেদুপুরে মদ খাচ্ছ কেন?"
দুইদিন ধরে ঘুমাই না। দিন-রাতের হিসাব গুলিয়ে গেছে।
খোদার দোহাই লাগে, ডেমিয়েন।
জুলেমা যা চায়, তা ওকে দিয়ে দাও।
রিপোর্টটা শুধরাও দরকার হলে, জজ আন্ড্রেডের সাথে একটা চুক্তি করো।
আর এই কেসের সমাধান করো। এখন ব্যর্থ হলে তোমার গোয়া মারা সারা।
তাহলে তো ঐ মাগি ছাড়া পেয়ে যাবে।
- সে তো আগেও পেয়েছে। - আমার ওসবের সময় নেই।
ওরা আমাকে এই কেস থেকে সরিয়ে নিচ্ছে।
ক্রাইস্ট, তুমি আসলেই ছিঁচকাঁদুনে শুরু করেছ।
আমি করিমের ব্যাপারে ব্যর্থ হয়েছি।
হানবালের ব্যাপারে ব্যর্থ হয়েছিল।
পালানর ঘটনাটাতে ব্যর্থ হয়েছি।
ওরা মরক্কোতে আছে, তা জানলাম তোমার কাছ থাকে।
এস্পিনেট - কাজাকিস্তানের এক বডিবিল্ডার, যে সেক্স ডলকে বিয়ে করেছিল।
এস্পিনেটকে সেক্স ডল নিয়ে যত হতাশ হয়েছে, তার চেয়েও বেশি হতাশ করেছি আমি।
ইন্সপেক্টর, ক্রুজ ডেল সুরের কাছ থেকে ফোন এসেছে।
আমাইয়ার মা-বাবা এসেছে।
তারা জুলেমা জহিরের সাথে মুখোমুখি কথা বলতে চায়।
সেই ফোন করেছে ওদেরকে।
- সে তো সলিটারি জেলে আছে। - ওদের ফোন করল কীভাবে?
অনুবাদে - কুদরতে জাহান
বাংলায় সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে গুড রেটিং দিতে ভুলবেন না।
আনাবেলকে আজ বিকেলে সলিটারি জেল থেকে বের করা হবে।
ওই হারামি আক্ষরিক অর্থেই একটা সাইকোপ্যাথ।
কারো প্রতি স্নেহ বা সহানুভূতি অনুভব করার ক্ষমতা নেই ওর।
কেবল ড্রাগ ডিলিং নিয়েই মাথাব্যথা ওর।
আর প্রতিশোধ নেয়া নিয়ে।
বাদ দাও, আমরা সবাই জানি, ও আমাদেরকে কুটে ফেলার চেষ্টা করবে।
প্রশ্ন হলো: আমরা কী করব?
আমরা কী করব? আমরা কী করতে পারি?
জেলের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর গ্যাংকে ধরে আনো।
সবচেয়ে বড়।
ওর মুখোমুখি হয়ে ওকে হারাতে হবে আমাদের।
আমরা সেকাজ করব কী করে?
ও যেভাবে করে:
গ্যাং মেম্বারদের কেনে ও।
ওর টাকা দিয়ে।
ওর টাকাটা নিয়ে নিতে পারলেই ওকে ভরে দিতে পারব আমরা।
- এতো পাগলের কাজ। - কেন?
খোদার দোহাই লাগে, সলে। তুমি কি চাও আগামী ১৫ বছর
- আমরা ওর দাসী হয়ে থাকি? - না।
আনাবেল আমাকে দাসী বানাতে চায় না।
- ও বলেছে, আমি অগোছালো। - আমার কথা শোনো।
ওর টাকা পাবে কীভাবে? ও কোথায় রেখেছে, তা তো জানো না।
মনে হয় কবুতর নিয়ে আসে ওর জন্য।
মুখ বন্ধ কর, গাঁজাখোর!
বৃহস্পতিবার ওকে লাগাতে আসা লোকটাকে এটা দেয় ও।
- আর কোনো ব্যাখ্যা নেই! - এটা এখন কোনোভাবেই সেলে থাকতে পারে না।
টাকা দিয়ে যে লোককে লাগায়, তাকে কি সে আসলেই দেয় ওটা?
ও তো নিজের মাকেও বিশ্বাস করে না।
আমি নিশ্চিত টাকাটা এখানেই আছে।
- তাই? - এসো তাহলে।
খোঁজা শুরু করো।
তোমার আর তোমার গুপ্তধনের মাঝে বাধা কেবল
মাত্র ২৫০০০ মিটার কনক্রিট অপেক্ষা কীসের?
শোনো, তোমাদের বাস্তববাদী হতে হবে।
ড্রাগের ঘটনা নিয়েই বহুত চেতিয়েছ ওকে।
এখন তুমি ওর টাকা নিতে চাও?
ওর টাকা চুরি করলে ও কী করবে বলে মনে হয়?
সেলে বসে বসে কাঁদবে?
আনাবেল একটা পিশাচ।
এর পরিণতি হবে ভয়ানক।
আমরা কী করব? ওর হাতে শেষ হয়ে যেতে দেবো নিজেদেরকে?
ওহ, মাকারেনা!
আমার সুন্দরী মাকারেনা!
তোমাকে আস্ত খেয়ে ফেলতে পারি আমি।
- তুমি কী চাও? - আমি কী চাই?
তোমার কাছে প্রেম নিবেদন করতে চাই।
লেসবিয়ানদের মন্দিরে তোমাকে পূজা দিতে চাই।
- ধন্যবাদ। - কীসের জন্য?
কার্লির সাথে সম্পর্ক তো শেষ করেছ, তাই না?
তাহলে আমরা তো বোনই।
মাকারেনা এখন আমার বোন!
কেউ ওকে কিছু করলে আমার কাছে মার খাবে।
মাকারেনা ফেরেইরাকে ডাকা হচ্ছে।
- ভিজিটিং রুমে যাও। - খাইছে।
মাকারেনা ফেরেইরাকে ভিজিটিং রুমে ডাকা হচ্ছে।
দেখলে?
কী হয়েছে?
- আপনাদের ড্রিংক নে দেই? - না, ধন্যবাদ।
ইন্সপেক্টর, মেয়েটার মা-বাবা এসেছে এখানে।
ক্রুজ ডেল সুরের গভর্নর দেশে নেই,
তাই ইন্সপেক্টরকে বললাম,
আপনাদের সাথে জুলেমা জহিরের দেখা করিয়ে দিতে।
আপনাদের বুঝতে হবে যে, সে খুবই বিপজ্জনক একজন কয়েদী।
- ওর সাথে দেখা করতে চান কেন? - সে আমাকে ফোনে বলল যে..
মহিলাটা ওকে বলেছে যে, মারা যাওয়ার আগে আমার মেয়ে কোথায় ছিল, তা সে জানে।
আর আপনারা নাকি ওর সাথে চুক্তি করতে রাজি হননি।
কথাটা কি সত্যি?
একজন কয়েদীর সাথে চুক্তি করার একটা নিয়ম আছে।
নিয়ম? কতক্ষণ লাগে তাতে?
কতক্ষণ?
কারণ, পুলিশ মেডিকেল অ্যাডভাইজার বলল,
আমার মেয়ে হয়তো দুইদিন আগেই মারা গেছে।
তাই ঐ কয়েদী যদি কিছু জেনে থাকে, তাহলে তাকে প্রশ্ন করা থেকে আমাকে থামাতে পারবেন না আপনি।
আমরা এটা করতে পারব।
কিন্তু আমরা এটা আমাদের মতো করে করব।
কথোপকথন ইয়ার্ডের মধ্যে হবে, খোলাখুলিভাবে। ক্যামেরার সামনে।
জুলেমা পরিষ্কার করে বলেছে যে, কোনো অফিসার যদি কাছাকাছি আসে,
তাহলে সে মুখ খুলবে না।
খুব ভালো, সেক্ষেত্রে, তার হাত-পা বাঁধা থাকবে।
আর তাকে খাঁচায় রাখা থাকবে।
- তোমার ভ্রমণ কেমন হয়েছে? - খুব ভালো।
তুমি না বললে আমি কখনোই মরক্কোতে যেতাম না।
- তোমার লা মাঙ্গা পছন্দ। - কিছুটা।
আর টাকাটা? এনেছ?
হ্যাঁ।
আচ্ছা।
এখন ফ্যাবিওকে খুঁজে বের করে ওটা দাও ওকে।
- কিন্তু ওকে ফোন কোরো না। - ঠিক আছে।
এক উন্মাদ মহিলা আমার পিছে লেগেছে।
সে মানুষের অঙ্গ কাটে, মারধর ধরে,
তার বিরুদ্ধে প্রমাণ আছে আমার কাছে, এখন সে আমার পিছে লেগেছে।
যত দ্রুত সম্ভব আমাকে এখান থেকে বেরিয়ে যেতে হবে।
বাবা এখানে থাকলে তোমাকে বের করার একটা বুদ্ধি করত।
বারবার বাবা আর মায়ের কথা মনে পড়ছে।
জেগে ওঠার পর থেকেই।
এত দুঃখ লাগবে, আগে ভাবিনি।
খুবই অদ্ভুত লাগছে।
কোনো কোনো দিন সবকিছু মনে পড়ে,
স্বপ্নের মতো।
যেন ওটা কোনো ফিল্ম বা এরকম কিছু।
জানি না...
জেলখানা মানুষকে পাথর করে দেয় কি না।
আমি এমন কিছু কাজ করেছি...
আমি এমন কিছু কাজ করেছি যে...
আমার সাথে একটা পশুর কোনো পার্থক্য নেই।
- না। - হ্যাঁ।
যে মহিলাকে এখানে এসে ভয় পেতাম, তার মতোই হয়ে গেছি।
মনে হয় শেষকৃত্যের দিনে ওদেরকে বিদায় দেবার সময়ে
জিনিসটা আমাকে ধাক্কা দিয়ে যাবে,
আর আমি ভেঙে পড়ব।
কিন্তু এখন আমাকে ভেঙে পড়া চলবে না।
- আমি ওখানে যেতে পারব না। - জানি।
আমি তোমাকে নিয়ে গর্বিত, বোন।
- না। - হ্যাঁ।
তোমার শক্তির জন্য।
আমাদের শক্তির জন্য।
আমার কথা শোনো।
এখান থেকে যখন বেরোবে, তখন তুমি ক্যারিবিয়ানে চলে যাবে।
তখন এ সব আর কিছুই মনে থাকবে না।
- যাবে কিন্তু। - হ্যাঁ।
- আমাকেও নিয়ে যাবে তো? - নিশ্চয়ই।
ঠিক আছে।
- আমরা আবার শুরু করব। - আমরা দুইজন।
- আর ফ্যাবিও। - হ্যাঁ, অবশ্যই।
আর ফ্যাবিও।
আমি ওটা ভুলব না।
এখানে এসো।
হেই, হাত ধরবে না।
- কী হয়েছে তোমার? - কিছু না।
- কী হয়েছে, রোমান? - এসব কিছু না, মাকা।
রোমান।
জুলেমার টাকা বের করা সোজা ছিল না, বুঝতেই পারছ।
ওটা ভালুকের ফাঁদের পিছে রাখা ছিল।
- আর আমি ভেতরে হাত দিয়েছিলাম। - সর্বনাশ।
আমি ১৩ ঘণ্টা আটকে ছিলাম।
প্রথমে ভেবেছিলাম, ব্যথাটা সহ্য করতে পারব না।
কিন্তু আস্তে আস্তে অভ্যাস হয়ে যায়।
স্নায়ুর মাথাগুলো পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে মনে হয় এমনটাই ঘটে।
মনে হয় দুই ঘণ্টা রক্ত পড়েছে, তারপর বন্ধ হয়ে গেছে।
তারপর,
এটা বেগুনি হয়ে গেল।
No comments yet. Be the first to leave one.